শহর থেমে গেছে,
রাস্তা ফাটল খেয়েছে,
বাতাসে আগুনের গন্ধ।
আমি হাঁটছি ধূলির মধ্যে,
প্রতিটি পদক্ষেপে হৃদয় কাঁপে,
প্রতিটি শব্দ মনে ভাঙন ফেলে।
সব জিনিস যা কখনো অটল মনে হতো,
আজ কেবল ছাই আর ধ্বংস।
দেওয়ালগুলো চিৎকার করে না,
তবু গল্প বলে—
“সব শেষ হয়ে গেছে।”
আমি থামি,
হৃদয় ভারী,
চোখের কোণে ধুলো জমে।
কিন্তু হঠাৎ—
একটি ছোট ঘাসের লতাপাতা ফেটে উঠে,
ছোট, সরল, কিন্তু জীবিত।
এই অদৃশ্য শক্তি বলে—
“ভাঙা মানেই শেষ নয়।
যা হারিয়েছে, তা নতুনভাবে জন্ম নেবে।
ভয় পেও না। যাত্রা শেষ হয় না।”
আমি শ্বাস নিই,
ভেতরের ভয়কে জড়িয়ে ধরি,
প্রতিটি ধ্বংসকে নতুন শক্তি হিসেবে দেখি।
সব ব্যর্থতা, সব হারানো,
সব ক্ষয়—
এবার প্রতিউত্তর দিচ্ছে,
নতুন শুরু, নতুন পথ,
নতুন আশা।
ধ্বংসের মাঝেও
আমি দেখি—
জীবন এগোচ্ছে,
আমি এগোচ্ছি,
এটাই আমার প্রতিউত্তর।
এই কবিতার উদ্দেশ্য হলো বিপর্যয় বা ধ্বংসের পরেও প্রতিউত্তর খোঁজা।
ভাঙা, হারানো, বিপর্যয়—সবই নতুন শুরু এবং নতুন শিক্ষা দেয়।
জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতিউত্তর হলো পুনর্জন্মের শক্তি এবং আশা।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।