একসময় আমি সব দরজায় কড়া নাড়তাম,
ভেবেছিলাম—
যে খুলবে, সেই আপন।
কিন্তু দরজা খুলল অনেক,
ভেতরে ঢোকার পর বুঝলাম—
সব ঘর বসবাসের জন্য নয়।
আমি শিখেছি সীমারেখা টানতে,
নিজের চারপাশে,
নিজের ভেতরে।
সব প্রশ্নের উত্তর দিতে নেই,
সব ব্যাখ্যা দেওয়া অপমানের সমান,
সব সহ্য করা মহত্ত্ব নয়—
কিছু সহ্য করা
নিজেকে মুছে ফেলার নাম।
একদিন থেমে গেলাম,
আর বললাম—
“এখান পর্যন্ত।”
এই ‘এখান পর্যন্ত’ বলা
সহজ ছিল না।
কণ্ঠ কাঁপছিল,
চোখ ভারী ছিল,
তবু পা সরাইনি।
কারণ আমি বুঝেছিলাম—
যে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না,
সে কাউকে ভালোবাসতেও পারে না।
সীমারেখা কোনো দেয়াল নয়,
এটা আত্মপরিচয়ের মানচিত্র।
এটা জানিয়ে দেয়—
কে ভেতরে আসবে,
আর কে দূর থেকেই দেখা হবে।
আজ আমি আর সব প্রশ্নের উত্তর দিই না,
সব অভিযোগ শুনে মাথা নত করি না।
আমার নীরব ‘না’
আমার সবচেয়ে স্পষ্ট
প্রতিউত্তর।
অর্থ : এই কবিতার মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিগত সীমার গুরুত্ব বোঝানো।
সব সহ্য করা বা সবার জন্য নিজেকে খোলা রাখা শক্তি নয়।
নিজের সীমা নির্ধারণ করাও এক ধরনের প্রতিউত্তর—
যেখানে মানুষ নিজের সম্মান ও পরিচয় রক্ষা করে।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।