সব অপেক্ষা একরকম হয় না।
কিছু অপেক্ষা জানালার ধারে বসে থাকে,
আর কিছু অপেক্ষা
হাঁটতে হাঁটতে বড় হয়।
আমি সেই অপেক্ষাগুলোকে চিনি,
যারা ঘড়ির দিকে তাকায় না,
বরং নিজের ভেতরে
সময় গুনতে শেখে।
অনেকদিন আমি ভেবেছি—
অপেক্ষা মানে থেমে থাকা।
এখন বুঝি,
অপেক্ষা মানে
নিজেকে ধীরে ধীরে প্রস্তুত করা।
বীজ যেমন মাটির নিচে
চুপচাপ ভাঙে,
অন্ধকারে নিজের গঠন বদলায়,
ঠিক তেমনি
অপেক্ষাও ভেতরে ভেতরে
আমাকে বদলে দিয়েছে।
আমি আর তাড়াহুড়ো করি না,
ফল পাকার আগেই
ডাল নাড়াতে যাই না।
আমি জানি—
সবকিছু একদিন আসে,
যদি তাকে তার সময় দেওয়া যায়।
এই অপেক্ষায় ক্লান্তি আছে,
অনিশ্চয়তা আছে,
কখনো সন্দেহও আসে—
“আসবে তো?”
তবু আমি অপেক্ষা ছেড়ে যাই না।
কারণ এই অপেক্ষা
আমাকে ভাঙেনি,
আমাকে শিখিয়েছে।
আজ আমি অপেক্ষা করি
কোনো কিছুর জন্য নয়,
নিজের প্রস্তুতির জন্য।
আর এই স্থির থাকা,
এই ধৈর্য—
এটাই আমার
প্রতিউত্তর।
কবিতাটির অর্থ বা উদ্দেশ্য: এই কবিতার উদ্দেশ্য হলো অপেক্ষাকে দুর্বলতা নয়, প্রস্তুতির সময় হিসেবে দেখা।
সব উত্তর তৎক্ষণাৎ আসে না—কিছু প্রতিউত্তর সময় নিয়ে তৈরি হয়।
ধৈর্য, স্থিরতা এবং নিজের ভেতরের প্রস্তুতিই এখানে মূল কথা।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।