বাতাস বইছে,
শহরের ধূলি, গাছের পাতা
সব কিছু ছুঁয়ে যাচ্ছে।
আমি দাঁড়িয়েছি মাঠের ধারে,
হৃদয় খোলা, চোখ বিস্তৃত।
শুনতে পাচ্ছি—
নদীর ফিসফিস,
পাতার খসখস,
মেঘের চুপচাপ যাত্রা।
সবই কথা বলে না,
তবু প্রতিউত্তর দেয়।
বাতাসের সাথে আমি কথা বলি না,
কিন্তু প্রতিটি স্পর্শে শিখি—
যদি চোখ খোলা থাকে,
যদি মন ধীর থাকে,
সবার মধ্যে উত্তর আছে।
একটি পাখি উড়ে যায়,
আমি দেখি না তার গন্তব্য,
কিন্তু অনুভব করি—
যাত্রা অব্যাহত।
প্রতিটি ঝড়, প্রতিটি হাওয়া
একই কথা বারবার বলে—
“যাও, দেখো, শোনো, অনুভব করো।
সব উত্তর এখানে,
সব উত্তর তোমারই ভেতরে।”
আমি বসে থাকি,
ভেতরের প্রশ্নগুলো শোনাই,
প্রকৃতি শোনায়,
বাতাস প্রতিউত্তর দেয়,
আর আমি বুঝি—
জীবনের সবচেয়ে নিখুঁত উত্তর
শব্দের বাইরে।
এই কবিতার উদ্দেশ্য হলো প্রকৃতি ও পৃথিবীর সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে জীবন শেখা।
সব উত্তর সরাসরি আসে না,
প্রকৃতি, বাতাস, নদী, পাখি—সবই নিঃশব্দভাবে প্রতিউত্তর দেয়।
শুধু শোনার চোখ ও ধীর মন থাকা জরুরি।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।