আমি আগেও ক্ষমা করেছি,
কিন্তু সেগুলো ছিল
ভয়ের কাছ থেকে ধার নেওয়া।
ভেবেছিলাম—
ক্ষমা করলে
সব ঠিক হয়ে যাবে,
সম্পর্ক টিকে যাবে,
নিজেকে আর হারাতে হবে না।
কিন্তু সেই ক্ষমাগুলো
আমাকে হালকা করেনি,
বরং আরও ভারী করেছে।
আজকের ক্ষমা আলাদা।
এটা তাড়াহুড়ো করে আসেনি,
এটা কান্নার মাঝখানে জন্মায়নি।
এটা এসেছে
সব বোঝার পর,
সব প্রশ্ন শেষ হওয়ার পর,
সব আশা ঝরে যাওয়ার পর।
এই ক্ষমায়
ফিরে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি নেই,
নতুন শুরু করার চাপ নেই।
এই ক্ষমা বলে—
“আমি বুঝেছি,
আর বুঝে যাওয়াটাই যথেষ্ট।”
আমি আর বোঝা বই না,
আমি আর প্রমাণ দিই না।
ক্ষমা করেছি মানে
দরজা খুলেছি—
এই ধারণাও আজ মুছে ফেলেছি।
ক্ষমা এখানে মুক্তি,
বন্ধন নয়।
আর এই শান্ত থাকা,
এই পিছনে না তাকানো—
এই পরিণত নীরবতাই
আমার
প্রতিউত্তর।
অর্থ / উদ্দেশ্য
এই কবিতার উদ্দেশ্য হলো ক্ষমাকে আত্মসম্মানের সাথে যুক্ত করা।
ক্ষমা মানে সবকিছু মেনে নেওয়া বা ফিরিয়ে আনা নয়।
কখনো কখনো ক্ষমা মানে বোঝা শেষ করা,
আর সেখানেই প্রতিউত্তর সম্পূর্ণ হয়।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।