Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলা গল্প-৪ যে মানুষটা আমাকে চিনত

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,177 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলা

গল্প-৪

যে মানুষটা আমাকে চিনতimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প

৯, জুলাই, ২০২৬


অফিসে যাওয়ার পথে একটা ছোট্ট চায়ের দোকানে প্রায়ই দাঁড়ায় অভিক।


চা শেষ করতে পাঁচ মিনিটও লাগে না। তবু এই পাঁচ মিনিটটা ছাড়া যেন দিনটা ঠিক শুরু হয় না।


সেদিন কাপটা নামাতেই রাস্তার ওপাশ থেকে একজন মধ্যবয়স্ক মানুষ তার দিকে তাকিয়ে হেসে হাত নাড়লেন।


অভিক একটু অবাক হলো।


চারপাশে তাকিয়ে দেখল, অন্য কাউকে ডাকছেন কি না।


না।


লোকটার চোখ তার দিকেই।


অভিক ভদ্রতার খাতিরে হালকা মাথা নেড়ে চলে গেল।


মনে হলো, হয়তো ভুল হয়েছে।


কিন্তু পরদিনও একই ঘটনা।


একই সময়।


একই হাসি।


তৃতীয় দিন নিশিও সঙ্গে ছিল।


লোকটাকে দেখেই নিশি আস্তে বলল,


 উনি কি তোমার পরিচিত?


না।


কিন্তু উনি তো তোমাকে চিনেই হাসছেন।


অভিকও সেটা বুঝছিল।


শুধু উত্তরটা জানত না।


পরদিন সে নিজেই রাস্তা পার হয়ে লোকটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল।


লোকটা মৃদু হেসে বললেন,


কেমন আছো?


অভিক একটু ইতস্তত করে বলল,


আপনি... আমাকে চেনেন?


লোকটা কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে রইলেন।


তারপর খুব শান্ত গলায় বললেন,


মনে নেই?


অভিক মাথা নাড়তেই মানুষটার হাসিটা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে গেল।


 থাক... মনে করার জন্য জোর করতে নেই।


এই বলে তিনি হাঁটতে শুরু করলেন।


বাড়ি ফিরে ঘটনাটা নিশিকে বলল অভিক।


সব শুনে নিশি জিজ্ঞেস করল,


 মুখটা একেবারেই অচেনা?


অভিক একটু ভেবে বলল,


 অচেনা... আবার পুরোপুরি অচেনাও না। যেন কোথাও দেখেছি। মনে পড়ছে না।


সেই রাতেই পুরোনো অ্যালবাম বের করল।


স্কুলের ছবি।


কলেজের ছবি।


পিকনিক।


কোথাও মানুষটার মুখ নেই।


তবু মনে হচ্ছিল, উত্তরটা খুব কাছেই আছে।


দুই দিন পর আবার দেখা।


এবার লোকটা শুধু একটা প্রশ্ন করলেন।


 বাঁ হাতের কনুইয়ের দাগটা আছে এখনো?


অভিক যেন থমকে গেল।


হাতা গুটিয়ে দাগটার দিকে তাকাল।


ছোট্ট একটা কাটা দাগ।


ছোটবেলার।


কিন্তু এই মানুষ জানলেন কী করে?


সেদিনই মায়ের কাছে গেল সে।


মা অনেক খুঁজে একটা পুরোনো টিনের ট্রাঙ্ক বের করলেন।


হলদে হয়ে যাওয়া ছবিগুলো উল্টাতে উল্টাতে হঠাৎ একটা ছবিতে অভিকের চোখ আটকে গেল।


আট-নয় বছরের সে।


পাশে আরেকটা ছেলে।


পেছনে দাঁড়িয়ে একজন তরুণ শিক্ষক।


অভিক ছবিটা হাতে নিয়ে জিজ্ঞেস করল,


 উনি কে?


মা ছবিটার দিকে তাকিয়ে হালকা হাসলেন।


তোমাদের স্কুলের মাস্টারমশাই।


একদিন নদীতে পড়ে গিয়েছিলে তোমরা দুজন। উনিই ঝাঁপ দিয়ে বাঁচিয়েছিলেন।


তোমার মাথায়ও আঘাত লেগেছিল।


তারপর অনেক দিনের কথা তুমি ভুলে গিয়েছিলে।


পরদিন অভিক আবার সেই চায়ের দোকানে গেল।


লোকটা আগের মতোই দাঁড়িয়ে ছিলেন।


এবার অভিক ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল।


তারপর শুধু বলল,


 স্যার...


লোকটা তাকিয়ে রইলেন।


অভিক ছবিটা বাড়িয়ে দিল।


ছবিটা দেখে মানুষটার চোখ ভিজে উঠল।


তিনি আস্তে জিজ্ঞেস করলেন,


মনে পড়েছে?


অভিক মৃদু হেসে মাথা নাড়ল।


 সবটা না।


তবে এটুকু বুঝেছি... আপনি আমার কাছে অচেনা ছিলেন না।


অচেনা ছিল আমার স্মৃতিটা।


লোকটা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।


তারপর হালকা হেসে বললেন,


আমি তো চাইনি তুমি আমাকে মনে রাখো।


মাঝে মাঝে শুধু ভাবতাম... ছেলেটা ভালো আছে তো?


অভিক আর কিছু বলতে পারল না।


শুধু মানুষটার হাতটা আলতো করে ধরল।


হাতটা রুক্ষ।


বয়সের ছাপ স্পষ্ট।


তবু স্পর্শটা অদ্ভুতভাবে চেনা লাগছিল।


ফিরে আসার পথে নিশি জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,


মানুষকে আমরা সব সময় ভুলে যাই না।


কখনো কখনো স্মৃতিটাই পথ হারিয়ে ফেলে।


অভিক কোনো উত্তর দিল না।


চায়ের দোকানটা তখন অনেক দূরে।


তবু তার মনে হচ্ছিল, জীবনে প্রথমবার নয়, অনেক বছর পর আবার একজন খুব চেনা মানুষের সঙ্গে দেখা হলো।


যাকে ভুলে গিয়েছিল সে নয়।


ভুলে গিয়েছিল তার স্মৃতি।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1098 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22177। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4213
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


 অন্ধকারের আগে যে মানুষটা ছিল মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প।মে ০৭, ২০২৬ সারাদিনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
346 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১০ শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯ জুলাই, &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৯ বন্ধ দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৮ পলকহীন চোখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৭ দেয়ালের ওপাশে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    708 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    35 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...