Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৩ শেষ পাতার আগে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,177 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার

গল্প-৩

শেষ পাতার আগেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প

৯, জুলাই, ২০২৬



ডায়েরির শেষ পাতায় একটা মাত্র লাইন ছিল।


"আগামীকাল আমি হারিয়ে যাব।"


অভিক লাইনটা পড়ে হেসেই ফেলেছিল।


আরমান মাঝে মাঝেই অদ্ভুত সব কথা লিখত। তাই এটাকেও সে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।


কিন্তু পরদিন সকালে নিশির ফোনেই খবরটা পেল।


— অভিক... আরমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।


প্রথমে ওর কথা বিশ্বাসই হয়নি।


এক ঘণ্টার মধ্যে তারা দুজন আরমানের বাড়িতে পৌঁছে গেল।


বাড়ির সামনে ভিড়।


ভেতরে পুলিশ।


ড্রয়িংরুমে কয়েকজন আত্মীয় চুপচাপ বসে।


আরমানের মা শুধু দরজার দিকেই তাকিয়ে ছিলেন। যেন এই বুঝি ছেলে ফিরে আসবে।


ঘরটা দেখে অভিকের অস্বস্তি লাগল।


সবকিছু ঠিকঠাক।


আলমারি বন্ধ।


মোবাইল চার্জে লাগানো।


মানিব্যাগ টেবিলে।


শুধু মানুষটা নেই।


পুলিশ ঘরটা দেখে বেরিয়ে যাওয়ার পর অভিকের চোখ পড়ল টেবিলের ওপর রাখা একটা ডায়েরিতে।


কালো মলাট।


নিশি খুলে শেষ পাতায় গেল।


এক লাইন।


"আগামীকাল আমি হারিয়ে যাব।"


সে ভ্রু কুঁচকে বলল,


— আর কিছু লেখেনি?


অভিক মাথা নাড়ল।


ডায়েরির আগের পাতাগুলো উল্টাতে লাগল।


প্রথম দিকে একেবারে সাধারণ কথা।


অফিসের কাজ।


মায়ের ডাক্তার দেখানো।


মাসের খরচ।


তারপর ধীরে ধীরে লেখাগুলো বদলাতে শুরু করেছে।


এক জায়গায় লেখা,


"সবাই যা দেখবে, সেটা বিশ্বাস কোরো না।"


আরেক পাতায়,


"কিছু সত্যি লুকিয়ে রাখতেই হয়।"


বাড়ি ফেরার পথে নিশি হঠাৎ বলল,


— একটা শব্দ বারবার মাথায় ঘুরছে।


— কোনটা?


— "হারিয়ে যাব।"


অভিক তাকাল।


নিশি বলল,


— মানুষ পালিয়ে যায়। লুকিয়ে থাকে। চলে যায়। কিন্তু ও লিখেছে হারিয়ে যাবে।


দুইটা কি একই কথা?


অভিক কোনো উত্তর দিল না।


তবে কথাটা মাথা থেকে নামল না।


পরদিন সে আরমানের অফিসে গেল।


সেখানে খুব বেশি কিছু জানা গেল না।


শুধু একজন পুরোনো সহকর্মী বললেন,


— শেষ কয়েক মাস ও খুব চুপচাপ হয়ে গিয়েছিল। মাঝে মাঝে মনে হতো, কিছু একটা নিয়ে চিন্তায় আছে।


এর বেশি কিছু তিনি বলতে রাজি হলেন না।


সেদিন রাতে ডায়েরিটার কথাই বারবার মনে পড়ছিল।


নিশি হঠাৎ বলল,


— ডায়েরির প্রথম পাতাটা দেখেছিলে?


— না।


— আমার মনে হচ্ছে, ও ইচ্ছে করেই কিছু রেখে গেছে।


পরদিন আবার তারা আরমানের বাড়িতে গেল।


ডায়েরিটা তখনও পরিবারের কাছেই ছিল।


নিশি প্রথম পাতা খুলতেই থেমে গেল।


নামের নিচে ছোট্ট করে লেখা,


"শেষ পাতা থেকে পড়ো।"


অভিক একবার নিশির দিকে তাকাল।


তারপর শেষ পাতা খুলে উল্টো দিক থেকে পড়া শুরু করল।


আলাদা আলাদা বাক্যগুলো ধীরে ধীরে একটার সঙ্গে একটা মিলতে লাগল।


যেন পুরো ডায়েরিটাই উল্টো দিক থেকে পড়ার জন্য লেখা।


শেষ পর্যন্ত তারা বুঝল, আরমান কিছু কাগজপত্র নিরাপদে রেখে গেছে।


সে আশঙ্কা করছিল, একদিন হয়তো তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হবে।


তাই সব কথা সরাসরি লেখেনি।


শেষের দিকের একটা পাতায় শুধু লেখা ছিল,


"যদি আমাকে খুঁজে না পাও, মানুষটাকে নয়, কারণটা খুঁজো।"


ঘরের ভেতর কেউ কথা বলছিল না।


নিশি আস্তে করে ডায়েরিটা বন্ধ করল।


— ও বুঝতে পেরেছিল, তাই না?


অভিক উত্তর দিতে একটু সময় নিল।


— হয়তো।


— তাহলে এটা বিদায় ছিল?


অভিক মাথা নাড়ল।


— না। আমার মনে হয়, এটা বিদায় না।


এটা শুধু চাইছিল, কেউ যেন ঠিক জায়গায় প্রশ্নটা করে।


আরমানকে আর পাওয়া গেল না।


অন্তত সেদিন নয়।


হয়তো কোনো দিনও না।


ফিরে আসার সময় গাড়ির জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল অভিক।


হঠাৎ মনে হলো, মানুষ একদিনে হারিয়ে যায় না।


তার আগে অনেকগুলো দিন থাকে, যখন সে চুপচাপ ভেতর থেকে সরে যেতে থাকে।


আমরা শুধু সেটা টের পাই না।


সেদিন রাতে নিশি আবার ডায়েরির শেষ পাতাটা খুলল।


"আগামীকাল আমি হারিয়ে যাব।"


এবার লাইনটা পড়ে তার মনে হলো না, এটা ভবিষ্যৎ জানিয়ে লেখা।


মনে হলো, অনেক আগেই কেউ সাহায্যের সংকেত দিয়েছিল।


কেউ পড়েছিল।


কিন্তু কেউ বুঝতে পারেনি।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1098 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22177। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4212
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১০ শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯ জুলাই, &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৯ বন্ধ দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৮ পলকহীন চোখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৭ দেয়ালের ওপাশে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    708 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    35 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...