Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৫ ৩০৭ নম্বর কক্ষ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,177 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার

গল্প-৫

৩০৭ নম্বর কক্ষimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প

৯, জুলাই, ২০২৬


হাসপাতালের ৩০৭ নম্বর কক্ষটা নিয়ে নানারকম গল্প শোনা যেত।


নতুন নার্সরা বলত, ওই কক্ষে রাতের ডিউটি পড়লে অস্বস্তি লাগে।


ওয়ার্ডবয়রা দরজার সামনে এসে অকারণেই একটু থেমে যেত।


কেউ বলত, ভেতরের রোগী নাকি এমনভাবে তাকিয়ে থাকেন, যেন অনেক দিনের চেনা মানুষকে দেখছেন।


অভিক এসব কথায় খুব একটা কান দিত না।


সে হাসপাতালের আইটি বিভাগে কাজ করত। সেদিন সার্ভারের একটা সমস্যা ঠিক করতে তৃতীয় তলায় যেতে হয়েছিল।


নিশি তখন হাসপাতালের মনোবিজ্ঞান বিভাগে ইন্টার্নশিপ করছে।


করিডোর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে নিশি বলল,


— খেয়াল করেছ? ৩০৭ নম্বর কক্ষের সামনে এলেই সবাই আস্তে কথা বলে।


অভিক হেসে বলল,


— হাসপাতাল মানেই গল্প। মানুষ না বানিয়ে পারে না।


কথাটা বলেই কাচের জানালা দিয়ে ভেতরে তাকাল।


একজন বৃদ্ধ বিছানায় বসে আছেন।


চোখ দুটো দরজার দিকেই।


হঠাৎ চোখাচোখি হতেই তিনি মৃদু হেসে ফেললেন।


কেন যেন অভিকের বুকটা কেমন ভারী হয়ে গেল।


কারণটা সে নিজেও বুঝতে পারল না।


নিশি তাকিয়ে বলল,


— কী হলো?


— কিছু না।


কথাটা বললেও অস্বস্তিটা আর গেল না।


পরদিন নিশির আবার ওই ওয়ার্ডে কাজ ছিল।


বাড়ি ফিরে সে বলল,


— মানুষটা খুব শান্ত। কারও সঙ্গে রাগ করে কথা বলেন না। তবু সবাই কেমন যেন এড়িয়ে চলে।


— কেন?


— কেউ ঠিক বলতে পারে না।


অভিকের কৌতূহল হলো।


দুদিন পরে নিশির অনুমতি নিয়ে রোগীর ফাইলটা দেখল।


বয়স বাহাত্তর।


শরীরের বড় কোনো সমস্যা নেই।


কিন্তু ঘুমের মধ্যে তিনি বারবার একটা কথাই বলেন।


"দরজাটা বন্ধ কোরো না..."


অভিক তাকিয়ে রইল।


— উনি কি মানসিক রোগী?


নিশি মাথা নাড়ল।


— না। একটা পুরোনো ট্রমা আছে।


সেদিন বিকেলে ওয়ার্ডের এক বয়স্ক নার্স গল্পটা বললেন।


অনেক বছর আগে বৃদ্ধ মানুষটা একটা পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার ছিলেন।


আগুন লেগেছিল।


চারদিকে ধোঁয়া।


চিৎকার।


হুড়োহুড়ি।


সবাই যখন বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন তিনি ভেবেছিলেন আগুন অন্য পাশ থেকে ছড়াচ্ছে।


সেই ভয়েই একটা দরজা বন্ধ করে দেন।


পরে জানা যায়, দরজার ওপাশেই কয়েকজন শ্রমিক আটকে ছিলেন।


তাদের আর বাঁচানো যায়নি।


তদন্তে প্রমাণ হয়েছিল, ঘটনাটা ইচ্ছাকৃত ছিল না।


তবু সেই দিনটার পর মানুষটা আর কোনো দিন স্বাভাবিক হতে পারেননি।


প্রতি রাতে ঘুম ভেঙে একই কথা বলেন।


"দরজাটা বন্ধ কোরো না..."


বিকেলে অভিক আর নিশি আবার ৩০৭ নম্বর কক্ষে গেল।


বৃদ্ধ জানালার পাশে বসেছিলেন।


নিশি হেসে বলল,


— আজ কেমন আছেন?


বৃদ্ধ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।


তারপর খুব আস্তে বললেন,


— চোখ বন্ধ করলেই দরজাটা দেখি।


হাত বাড়াই...


খুলতে পারি না।


ঘরের ভেতর আর কোনো শব্দ ছিল না।


অভিক শুধু মানুষটার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।


এত দিন যে কক্ষটাকে নিয়ে সবাই ভয় পেত, সেখানে ভয়ের কিছুই নেই।


আছে একজন মানুষ, যিনি এক মুহূর্তের একটা ভুলের ভেতর বছরের পর বছর আটকে আছেন।


বেরিয়ে আসার সময় নিশি বলল,


— মানুষ ওনাকে দেখেই ভয় পায়।


অভিক ধীরে মাথা নাড়ল।


— না।


মানুষ ওনাকে দেখে নিজের ভেতরের অপরাধবোধটার মুখোমুখি হয়।


সেটাকেই ভয় পায়।


করিডোরের শেষ মাথায় এসে অভিক একবার ফিরে তাকাল।


৩০৭ নম্বর কক্ষের দরজাটা আধখোলা।


বৃদ্ধ মানুষটা তখনও জানালার বাইরে তাকিয়ে বসে আছেন।


অভিকের মনে হলো, সব কারাগারের দরজায় তালা থাকে না।


কিছু কারাগার মানুষের নিজের স্মৃতির ভেতরেই তৈরি হয়।


সেখান থেকে বের হওয়ার পথটা সবচেয়ে কঠিন।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1098 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22177। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4214
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১০ শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯ জুলাই, &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৯ বন্ধ দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৮ পলকহীন চোখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৭ দেয়ালের ওপাশে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    708 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    35 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...