Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৮ পলকহীন চোখ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (22,177 পয়েন্ট)   1 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার

গল্প-৮

পলকহীন চোখimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প

৯, জুলাই, ২০২৬


প্রথম দিন লোকটাকে দেখে অভিকের কিছুই অস্বাভাবিক লাগেনি।


অফিস থেকে ফেরার পথে নতুন একটা কফিশপে ঢুকেছিল। ভেতরে লোকজন খুব একটা ছিল না। জানালার ধারের টেবিলে একজন মধ্যবয়স্ক মানুষ চুপচাপ চা খাচ্ছিলেন।


বিল মিটিয়ে বেরিয়ে আসবে, এমন সময় লোকটা ডাকলেন।


— আপনি কি অভিক?


অভিক থেমে গেল।


— জি... কিন্তু আপনি?


লোকটা একটু হাসলেন।


— চিনবে না। তোমার বাবার সঙ্গে অনেক বছর কাজ করেছি।


বাবার কথা উঠতেই অভিক দাঁড়িয়ে পড়ল। লোকটা এমন দু-একটা ঘটনার কথা বললেন, যা সত্যিই বাইরের কারও জানার কথা নয়।


তবু একটা জিনিস বারবার চোখে লাগছিল।


লোকটা একবারও চোখের পলক ফেলছিলেন না।


প্রথমে অভিক ভেবেছিল, হয়তো খেয়াল করছে না। কিন্তু কথাবার্তা চলতেই থাকল।


পাঁচ মিনিট।


তারপর আরও কিছুক্ষণ।


লোকটার চোখ একইভাবে তার দিকে স্থির।


একবারও বন্ধ হলো না।


সেদিন রাতে বাড়ি ফিরে কথাটা নিশিকে বলল।


নিশি হেসে উড়িয়ে দিল।


— তুমি হয়তো ঠিকমতো খেয়াল করোনি। মানুষ এতক্ষণ পলক না ফেলে থাকতে পারে?


অভিকও আর তর্ক করল না।


কিন্তু দুদিন পর আবার দেখা হয়ে গেল।


লোকটা আগের মতোই হাসলেন। আগের মতোই কথা বললেন।


আর আগের মতোই একবারও চোখের পলক ফেললেন না।


এবার অস্বস্তিটা সত্যিই গায়ে লেগে রইল।


বিদায় নেওয়ার আগে লোকটা একটা কাগজে ঠিকানা লিখে দিলেন।


— তোমার বাবার কিছু কাগজপত্র আমার কাছে আছে। সময় পেলে একদিন এসো।


রাতে অভিক বলল,


— যাব ভাবছি।


নিশি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,


— যাও। তবে আগে মানুষটা সম্পর্কে একটু খোঁজ নিয়ে নিও।


পরদিন অভিক বাবার এক পুরোনো সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলল।


নাম শুনেই তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।


— মানুষটা খুব ভালো। তবে কয়েক মাস আগে বড় একটা স্ট্রোক হয়েছিল।


— এখন কেমন আছেন?


— মোটামুটি। কিন্তু স্ট্রোকের পর মুখের এক পাশের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চোখও পুরোপুরি বন্ধ করতে পারেন না। তাই বারবার ড্রপ দিতে হয়।


কথাটা শুনে অভিক চুপ হয়ে গেল।


সেদিন বিকেলেই সে ঠিকানায় গেল।


লোকটা বারান্দায় বসেছিলেন।


পাশেই একটা ছোট্ট আই ড্রপের বোতল।


মাঝে মাঝেই চোখে ওষুধ দিচ্ছিলেন।


অভিককে দেখে হেসে বললেন,


— আমার চোখ দেখে ভয় পেয়েছিলে, তাই না?


অভিক অপ্রস্তুত হয়ে মাথা নিচু করল।


লোকটা মৃদু হেসে বললেন,


— সবাই প্রথমে তাই ভাবে।


তারপর ড্রপটা হাতে নিয়ে যোগ করলেন,


— চোখের পলক ফেলতে পারি না। তাই শুকিয়ে যায়।


অভিকের আর কিছু বলার ছিল না।


লোকটা ধীরে ধীরে আলমারি খুলে একটা পুরোনো খাম বের করলেন।


ভেতরে কয়েকটা চিঠি।


অভিকের বাবার হাতের লেখা।


আর একটা পুরোনো ছবি।


ছোট্ট অভিক বাবার কাঁধে বসে আছে। দুজনেই হাসছে।


লোকটা ছবিটার দিকে তাকিয়ে বললেন,


— তোমার বাবা বলেছিলেন, কোনো দিন যদি তোমার সঙ্গে দেখা হয়, এগুলো যেন তোমাকে দিয়ে দিই।


একসময় ভাবতাম দেব। তারপর বছর কেটে গেল। আর সাহস হয়নি।


আজ দিয়ে নিশ্চিন্ত হলাম।


ফেরার পথে নিশি ছবিটা হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে ছিল।


অভিক জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,


— আমি ভেবেছিলাম মানুষটার চোখের মধ্যেই রহস্য আছে।


আসলে রহস্য ছিল আমার মাথার ভেতর।


নিশি হালকা হেসে বলল,


— আমরা অনেক সময় মানুষের একটা অস্বাভাবিক দিক দেখি। তারপর বাকি গল্পটা নিজেরাই বানিয়ে ফেলি।


অভিক ছবিটার ওপর আলতো করে হাত বুলিয়ে দিল।


তার মনে হলো, সব অদ্ভুত জিনিস ভয়ের নয়।


কিছু কিছু শুধু মানুষের নীরবে বয়ে বেড়ানো কষ্টের চিহ্ন।


আর মানুষকে বুঝতে হলে শুধু তার চোখের দিকে তাকালেই হয় না।


তার জীবনের দিকেও একবার তাকাতে হয়।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1098 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22177। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4217
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-১০ শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯ জুলাই, &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৯ বন্ধ দরজা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৭ দেয়ালের ওপাশে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৫ ৩০৭ নম্বর কক্ষ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    708 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    35 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...