Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প : গঙ্গার সৎ অসৎ, পর্ব-১০

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
119 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,333 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#গঙ্গার_সৎ_অসৎ

 পর্ব ১০

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ]

আবিদ শম্ভুকে সাথে নিয়ে সাধুজীর বাড়ীর চারপাশে ঘুরে দেখলো। সাধুজীর বাড়ীর পরিধিটা অনেক বড়। বোঝাই যাচ্ছে কোনো এক কালে এই বাড়ী ছিলো ব্রাক্ষ্মণ বনেদী বাড়ী। দোচালা পাকা বাড়ী। 

বাড়ীর সামনে বৈঠক খানা, গ্রামের ভাষায় কাচারী ঘর। বৈঠক খানার পরে মূল পাকা বাড়ী। পেছনে বড় পুকুর, নারিকেল আর সুপারী গাছের বাগান। আবিদ আর শম্ভু বৈঠক খানার ভেতরে ঢুকলো। এই বৈঠক খানা কেই সাধুজী পূজার ঘর করেছেন। আছে মাটির তৈরি ছোটো ছোটো রাধা কৃষ্ণের ভাস্কর্য এবং মা দূর্গার প্রতিমা। এখানেই এসে গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায় পূজা আর্চনা করে। আবিদ দেখলো লোকজন ভেতরে আসে, পূজা দিয়ে প্রতিমার সামনে যে যা পারে শুকনো খাবার রেখে চলে যাচ্ছে। শার্ট আর লুঙ্গি পড়া একটি ছেলে কিছুক্ষন পর পর খাবার গুলো নিয়ে মূল বাড়িতে রেখে আসছে। 

এই ছেলেটি সাধুজীর সেবক। শম্ভু ছেলেটিকে জানালো আবিদ আর সে সাধুজীর সাথে দেখা করতে এসেছে। কিছুক্ষন পরে তারা সাধুজীর মূল বাড়ীতে ঢোকার সুযোগ পেলো। আবিদ শম্ভুকে জানিয়ে দিলো মানসীকে দেখার বিষয়টা সাধুজী কে যেনো না বলে। 

সাধুজীর সাথে দেখা হলো। আবিদ দেখলো সাধুজী খুব রাশভারী লোক। বয়স হবে ৭০। ফাদার যেভাবে আন্তরিক হয়ে কথা বলেছেন, ইনি তেমনটা নন। একটু চুপচাপ। মূল বাড়ীর প্রথম ঘরেই সাধুজী একটি কারুকাজ করা বড় কাঠের চেয়ারে বসে আছেন খালি গায়ে, কিন্তু গেরুয়া রঙের ধুতি আছে শরীরে। লম্বা শুকনা একজন মানুষ। গায়ের রঙ শ্যামলা। মুখে কোনো গোফ দাড়ি নেই। ক্লিন শেইভড। তীক্ষ্ম নাক, সরু চোখ। শম্ভু দুই হাত জড়ো করে সাধুজী কে মাথা নত করে প্রনাম করলো। তারপর আবিদ কে নিয়ে সাধুজীর কাছাকাছি যাওয়ার জন্য এগিয়ে যেতে নিলো, কিন্তু সাধুজী হাতের ইশারায় থামিয়ে দিলেন। 

সাধুজী আপাদমস্তক আবিদ কে দেখে বললেন "আমি তোমারে ঠিক চিনলাম না বৎস"। শম্ভু মাথা নত করে বললো "আজ্ঞে এই কর্তা বাবু হইলেন আমাগো ফয়েজদার বন্ধু, চৌধুরী বাড়ীর মেহমান, নাম আবিদ"। 

সাধুজী আবিদের দিকে তাকিয়ে বললেন "আমার কাছে কি প্রয়োজন"? 

আবিদ অনেকটা আজ্ঞাবহ হাসি দিয়ে বললো "সাধুজী আমি ফয়েজের কাছে আপনার কথা, আপনার জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা নিয়ে অনেক গুনগান শুনেছি, তাই দেখা করতে এলাম। আরো শুনেছি আপনি জ্যোতিষবিদ্যায় পারদর্শী, তাই নিজের বিষয়েও একটু আলাপ করতে চাই"। 

সাধুজী মুখে পান দিতে দিতে বললেন "বলো কি বলিবা"? 

সাধুজী চেষ্টা করছেন ঢাকা শহর থেকে আসা একটি ছেলের সাথে শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতে, কিন্তু সেটা সাধু ভাষা হয়ে যাচ্ছে। সাধুজী তার সেবক ছেলেকে ডেকে আবিদ আর শম্ভুকে বসার জন্য চেয়ার দিতে বললেন। তারা বসার পরে সাধুজী আবিদের দিকে তাকিয়ে বললেন " যেই উদ্দেশ্যে করিয়া আসিয়াছো, তাহা তোমার পূর্ন হইবে না, তোমার ও রাহুকাল ভ্রষ্ট হইবে ফয়েজের মতো। ফয়েজ কে কতোবার বারন করিয়াছিলাম সরকারি কাজ কর্মের বিরুদ্ধে বেশি কথা বলিও না, কিন্তু না ফয়েজ আমার কথার পাত্তাই দিতো না, বলিয়াছিলাম বিরোধী পক্ষের হইয়া ইলেকশন লড়িও না, তাহাও শুনিলো না। আমার চৌদ্দ পুরুষ ব্রাক্ষ্মণ জোতির্বিদ রহিয়াছেন, আমরা যাহা বলি আজ না হোক কাল অবশ্যম্ভাবী হইবে। 

সাধুজী ভাষন দেয়ার মতো কথা বলছেন। 

আবিদ দেখলো সাধুজী যেই পরিমাণ রাশভারী লোক, ঘরের ভেতরে ঢোকা হয়তো পছন্দ করবেন না। তার ইচ্ছা ছিলো পুরো বাড়ীর ভেতর এবং বাহির টা দেখার। আবিদ সাধুজীর দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বললো "সাধুজী আপনার চৌদ্দপুরুষের বংশ পরম্পরা তো তাহলে থেমে গেলো, আপনি তো বিয়ে থা করেন নি। 

সাধুজী বিরক্তির চোখে তাকিয়ে বললো " ব্রাক্ষ্মনদের কোনো বিনাশ নেই, আমি বিয়ে করি নি তো কি হয়েছে, আমার জ্যেঠা কাকাবাবু এবং তাদের ছেলেপুলেরা সংসারী, আমি জনসেবায় সংসার ত্যাগ করেছি, সংসার ধর্ম ত্যাগ করেই সাধনা অর্জন করা যায়। 

আবিদ অবাক হয়ে বললো "তবে কি এতো বড় বাড়ীতে আপনি একা থাকেন"?

সাধুজী বিরক্তির সুরে বললেন " একা হবো কেনো? ঠাকুর দেবতারা আছেন আমার সাথে, গ্রামের ভক্তরা আছে"। এই পর্যন্ত বলে সাধুজী তার পাশে থাকা টেবিলে তামার পাত্রে ঢেকে রাখা পানি নিয়ে পান করতে নিলেন। 

আবিদ পরিস্কার দৃষ্টিতে সাধুজীর দিকে তাকিয়ে থেকে বললো "আমার উদ্দেশ্য পূর্ন হইবে না কেনো সাধুজী? উদ্দেশ্য পূরনের জন্য কি করতে পারি? 

সাধুজী পানি পান করতে করতে এই কথা শুনে বিষম খেলেন, বললেন " তোমার কিছুই করনীয় নেই, নিজ গন্তব্যে ফিরিয়া যাও" বলেই সাধুজী উঠে দাড়িয়ে আবার বললেন "এখন আমার পূজার সময়, আজ আর এর বেশী সময় দিতে পারিতেছি না" বলে সাধুজী ভেতরে ঘরে ঢুকে গেলেন।

সেবক টি ওদের দিকে তাকিয়ে বিরক্তি হয়ে বললো "আমনেরা ওঠেন, পূজার ঘরে যান, বসতে চাইলে ওইহানে বসেন।

আবিদ অবাক হয়ে জিগেস করলো "পূজার জন্য সাধুজী পূজার ঘরে যাবেন না? বাড়ীর ভেতরে ঢুকলেন কেনো"? 

সেবকটি বিরক্ত হয়ে বললো " এতো কথা বলেন কেন? এইটা সাধুজীর সাধনার সময়, সে নির্জনে নিজের ঘরেই সাধনা করেন"। 

আলেয়া তার চাচাতো বড় বোন মদিনা এবং ছোটো আরেকজন চাচাতো ভাইয়ের সাথে খালের পাড়ে নৌকার জন্য দাড়িয়ে আছে, তারা গন্জে যাবে। মদিনা আর আলেয়া গঞ্জের লাইব্রেরি থেকে বইয়ের গাইড কিনবে। আর এই সুযোগে মদিনা তার হবু স্বামীর সাথে দেখা করবে। তাদের সাথে পুরুষ অভিভাবক হিসেবে যাচ্ছে মদিনার ছোটো ভাই মানিক। আলেয়া আর সে সমবয়সী। এই গ্রামে ছোটো এই খালের পাড়ে সব সময় একটার পর একটা নৌকা থাকে। মাঝি বাড়ীর সবার পেট চলে এই নৌকাগুলো দিয়ে। অনেক জেলেও মাছ ধরার পাশাপাশি নৌকায় যাত্রী পাড় করে। 

দূর থেকে আলেয়া কে দেখে সুজন ঝড়ের গতিতে নৌকা বেয়ে আসছে, তারা যেনো সুজনের নৌকাতেই উঠতে পারে, অন্য কারো নৌকায় যেনো উঠতে না হয়। 

সুজন নৌকা বাইছে, নৌকায় আর অন্য কোনো যাত্রী সে নেয় নি, মদিনা আর মানিক কথাবার্তা বলছে, কিন্তু সুজন খেয়াল করলো আলেয়া একেবারেই চুপচাপ, তার ভাই রহিম মারা গেলো আজ তিন মাস, সে যেনো একেবারেই বোবা মতো হয়ে গেছে, খায় না ঠিকমতো, সাজপোশাক ও অনেকটা হতচ্ছাড়া মতো। কারো প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই। সুজন আলেয়ার দিকে দেখছে বার বার, সে মদিনা আর মানিকের সাথে কথাবার্তা বলার চেষ্টা করছে, ইচ্ছা আছে এই সুযোগে আলেয়ার সাথে কথা বলার, কিন্তু আলেয়ার কারো কোনো কথপোকথনে খেয়াল নেই। সে সুজনের দিকে একবারও তাকাচ্ছে না। আলেয়া কালো রঙের বোরখা পড়ে আছে। সুজনের খুব ইচ্ছা অন্তত আলেয়ার কন্ঠ স্বর শোনার, কিন্তু সে নৌকায় একেবারেই চুপ হয়ে আছে, মদিনা আর মানিকের সাথেও কোনো কথা বলছে না। সুজন খুব ধীরে ধীরে নৌকা বাইছে। বেলা ১১ টা বাজে। আকাশে রোদের তাপ। সুজন দেখলো আলেয়ার শ্যামলা বরন মুখখানি রোদের তাপে জ্বল জ্বল করছে। সে কোনোদিন আলেয়ার সাথে সরাসরি কথা বলে নাই, তাদের শুধু চোখে চোখে কথা হয়েছে, সে গন্জের হাট থেকে আলেয়ার জন্য একটি সুন্দর চুলের ক্লিপ আর একজোড়া সিটি গোল্ডের কানের রিং কিনেছে, কিন্তু আলেয়া কে দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না, তার ভাই মারা যাবার পরে সে স্কুলে আসা এক রকম ছেড়েই দিয়েছে। সুজনের নৌকা গন্জের পাড়ে আসলো, সবাই নেমে যাচ্ছে। সুজন ও নৌকা বেধে রেখে ওদের পেছন পেছন যাচ্ছে, সে আলেয়া কে ডেকে কথা বলতে চায়। মাঝি, জেলে আর বাইদা রা বড় বাড়ীর কাউকে নাম ধরে ডাকার নিয়ম নেই। বংশ মর্যাদায় বড় বাড়ীর লোকেরা যতোই বয়সে ছোটো হোক, ছোটো বাড়ীর লোকেরা তাদের নাম ধরে ডাকা টা এক রকম যেনো দন্ডনীয় অপরাধ। আলেয়া খেয়াল করেছে সুজন আসছে পেছন পেছন, তাই সে মদিনা আর মানিক কে একটু দূরে রেখে পিছনে পড়েছে। সুজন আলেয়ার মোটামুটি কাছাকাছি এসে বললো "আলেয়া একটু খাড়াও"। এই প্রথম সে আলেয়ার সাথে কথা বললো। আলেয়া তো ভয়ে অস্থির মদিনা আর মানিক আবার শুনে ফেলবে কিনা। আলেয়া পেছনে সুজনের দিকে ফিরলো। সুজন ভয়ে ভয়ে খুবই আস্তে আস্তে বললো "কাইল স্কুলে আইও, শিমুল গাছটার গোড়ায় একটা লাল রঙের পেকেট রাখমু, নিও, তুমি নিলে আমি খুশি হইমু"। আলেয়া কোনো জবাব দিলো না, সে উল্টোদিকে হাটা শুরু করলো, মদিনা আর মানিক কিছু দেখে ফেলার আগে তাকে ওদের কাছে যেতে হবে। 

করিম কল পাড়ে গোসল করছে। তহমিনা করিম কে এই গ্রামের একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিয়েছে। সে রান্নাঘরে কাজ করছে। তার শশুরবাড়ীতে মেহমান আসবে। তহমিনার ননদ কে ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে। ইকু বেপারী বাড়ীতে নেই। সে জেলা সদরে গেছে তার ব্যবসার কাজে। বাড়ীতে আছে তহমিনার শশুড় শাশুড়ী, বিবাহ যোগ্য দুই ননদ, ভাসুর দেবর তাদের স্ত্রী সন্তান। তার মৃত ছেলে রহিমের জন্য দুই ফোটা চোখের পানি ফেলার পর্যন্ত সময় নেই, সংসারের কাজের চাপে। ছেলে করিমকেও ভালোভাবে দেখ্ ভাল করতে পারছে না, এই সংসারে তহমিনা করিম কে রাখে, আগের স্বামীর তিন বাচ্চার মা সে। সে বোঝে যে রাজরানীর মতো পায়ের উপরে পা তুলে সে এখানে থাকতে পারবে না, তার কোনো আফসোস নেই। সে তার স্বামী এবং শশুড় বাড়ীর ব্যবহারে খুবই সন্তষ্ট। সে সাত পাচ ভাবতে ভাবতে চুলার পাড়ে রান্না করছে। ছোট্র করিম গোসল শেষ করে এসে বললো "আম্মা পুকুর পাড়ে রাস্তার মাথাত এক মহিলা আইয়া খাড়াইয়া আছে, আমারে কইলো বাড়ীর ভেতরের কাউরে ডাক দিয়া আনো"। তহমিনা ভাবলো ছেলেপক্ষ হয়তো এসে পড়েছে। সে তাড়াতাড়ি ঘোমটা টেনে আগত মহিলার সাথে কথা বলার জন্য ঘর থেকে বের হলো। তহমিনা দেখলো বাড়ীর রাস্তার মাথায় অল্পবয়সী একটি গর্ভবতী নারী দাড়িয়ে আছে। তহমিনা এগিয়ে গেলো ঐ আগত নারীর কাছে, ছেলে পক্ষের কেউ ভেবে বললো " আসেন ভেতরে আসেন, আফনে একলা কেন? সাথে আর কেউ আসে নাই?

ঐ নারী ঝাঝালো কন্ঠে উত্তর দিলো "এই বাড়ীতে আইতে হইলে আমার সাথে কাউরে দরকার নাই, আমি একলাই যথেষ্ট, ইকু বেফারীর সন্তান আমার গর্ভে, যহন ই বিয়া করতে কইসি, সে মোবাইল বন্ধ কইরা, যোগাযোগ বন্ধ কইরা দিসে, আমি পুলিশে খবর দিসি, আইজ একটা হ্যাস্তন্যাস্ত করবো" 

তহমিনার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো,,,,,,,,,,, 

✍️ #Imi_Chowdhury

       #ইমি_চৌধুরী

Imi Chowdhury 

চলবে,,,,,,,,,, 

পর্ব ৯

https://www.facebook.com/share/p/aaYCUyz2ARuN1zNB/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12333। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2491
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব -১১ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আগত নারীর নাম পান্না। বিশাল ঝামেলা হলো ইকু বেপারীর বা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
143 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ  পর্ব -৯ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] ফাদারের সাথে মন্ত্রমুগ্ধের মতো মুসলিম হিন্দু সবাই প্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
116 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব-৮  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] মিয়া বাড়িতে রহিমের জানাযায় বহু মানুষ। কেউ ই বুঝতে প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
123 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব-৭  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আবিদ খান গঙ্গাপুর গ্রাম টা চষে বেড়াচ্ছে। তার কাছে মনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ   পর্ব-৬  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] গন্জের হাটে ধীরে ধীরে সবার কর্মব্যস্ততা শুরু হয়েছে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
123 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    442 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    22 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Anandamoye Roy

    11 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...