#গঙ্গার_সৎ_অসৎ
পর্ব-৭
[ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ]
আবিদ খান গঙ্গাপুর গ্রাম টা চষে বেড়াচ্ছে। তার কাছে মনে হয় ছোট্র একটা ছবির মতো গ্রাম। এখানেও আছে শহরের মতো বিভিন্ন শ্রেণীর বাস। বহুকাল ধরে গ্রামে মোড়লী ভাব নিয়ে থাকা বনেদী পরিবারগুলো এখন উচ্চমধ্যবিত্ত। যাদের বনেদী বংশমর্যাদা আছে, কিন্তু আর্থিক সচ্ছলতা এখন আর নেই, তারা একালে এসে হয়েছে মধ্যবিত্ত।
গ্রামে অন্যের জমি চাষ করে ফসল ফলানো কৃষক, দিনমজুর, জেলে, মাঝি এরা আছে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিস্থিতিতে। কিছুটা বিনা পরিশ্রমে আরামে আছে তিন ধর্মীয় গুরু। মাজারের বাবা, পুরোহিত বাবা আর খ্রিস্টীয় ফাদার। আবিদ এই কয়দিনে খেয়াল করেছে গ্রামের মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিন দুই হুজুরের সাথে বাকী তিন ধর্মীয় গুরুর তেমন মেলামেশা নেই, তবে চেনাজানা আছে, তাদের মাঝে কদাচিৎ দেখা হলে কুশল বিনিময় হয় অবশ্য। আবিদ এখনও বুঝতে পারছে না তাদের ভেতরে অন্তরঙ্গতা কম হবার কারন কি? এরা সবাই কি যার যার জায়গায় খুবই সাম্প্রদায়িক?
আবিদ ডায়রী লিখছিলো। ফয়েজ চৌধুরীর ছোটো বোন আয়েশা আবিদের জন্য সকালের চা নাশতা নিয়ে এসেছে, আবিদ কে ফয়েজ চৌধুরীর ঘরেই থাকতে দেয়া হয়েছে। আয়েশা ঘরে ঢোকার অনুমতি চাইলো, আবিদ লেখায় এতোই মগ্ন ছিলো যে আয়েশা কখন এসেছে খেয়াল করে নি।
আবিদ তার স্বভাব সুলভ সুন্দর হাসিতে বললো "প্লিজ আসুন, আমি কিন্তু আর্লি রাইজার, সকাল সকাল উঠে যাই, ব্রেকফাস্ট আরেকটু আগে পেলে ভালো হয়" আমার ধারনা ছিলো এই গ্রামে যেহেতু এখনও ইলেকট্রিসিটি আসে নি, গ্রামের মানুষ হয়তো তাড়াতাড়ি ঘুমায় এবং তাড়াতাড়ি ওঠে, কিন্তু আপনাদের বাড়ীর লোকজন দেখে আমার ধারনা পাল্টে গেলো হা হা হা, তাহলে বোঝা যাচ্ছে পুরো পৃথিবীর এই বদ অভ্যাস একটি প্রত্যন্ত গ্রামেও ছেয়ে গেছে। আয়েশা একটি কথাও বলতে পারলো না, তার গাল লজ্জায় লাল হয়ে গেছে, সে নিজেই তো রাত জাগে, ফজরের নামাজ পড়ে ঘুমায়, বেলা দশ টা এগারোটায় ওঠে, তার চাচাতো ভাই দিনে একবার গন্জে গিয়ে তাদের বাড়ির কর্তাগোছের লোকদের মোবাইল চার্জ দিয়ে নিয়ে আসে। আয়েশার ও একটা মোবাইল আছে। HSC এর পরে ফয়েজ ভাই থেকে জোর জুলুম করে মোবাইল টা নিয়েছে।
সে লজ্জিত হয়ে আবিদ কে বললো "আপনি তো মাত্র কিছুদিন হলো এসেছেন, আরো আগে যদি জানাতেন, আপনার ব্রেকফাস্ট সকাল সকাল ই ব্যবস্থা করতাম"। আয়েশা চেষ্টা করছে আবিদের সাথে তাল মিলিয়ে শুদ্ধ ভাষায় কথা বলার। চৌধুরী বাড়ির মেয়ে এবং বৌয়েরা কঠিন পর্দা করে। পরপুরুষ কে দেখা দেয়া তাদের রেওয়াজ নেই। আয়েশা পুরা শরীর খিমারে ঢেকে আবিদের ঘরে এসেছে, চেহারা ঢাকে নি, তার অদম্য ইচ্ছা আবিদ তাকে দেখুক। তার ভাই ফয়েজ যখন ইউনিভার্সিটি থেকে বাড়িতে আসতো, বন্ধুদের সবার সাথে বিভিন্ন ট্যুরে যাওয়ার ছবি নিয়ে আসতো। আয়েশা তখন থেকেই আবিদকে চিনে। তার মা আর ভাইয়েরা আবিদকে দেখাশোনা করে, সে অতোটা আবিদের সাথে কথা বলার সুযোগ পায় না, ব্যাস দুই একবার কুশল বিনিময় হয়েছে। কিন্তু আজ সকালে ব্রেকফাস্ট তার মায়ের হাত থেকে ছিনিয়ে সে নিয়ে এসেছে আবিদের কাছে।
আবিদ খাচ্ছে, আয়েশা ঘর থেকে বের হচ্ছে না, বের হওয়া উচিত, কিন্তু সে দাড়িয়ে আছে। আবিদ নি:সঙ্কোচে খাচ্ছে এবং কথা বলছে, বললো "এতোখন ধরে দাড়িয়ে আছেন কেনো, আপনাদের ই তো বাড়ি, বসুন চেয়ারে।
কথাটা শুনে আয়েশা খুশি হলো, ঘরের অপর প্রান্তের একটি চেয়ারে বসলো, ঘরের দরজাটা খোলা, ঘরের বাহিরে বাড়ীর লোকজন হাটাচলা করছে।
আবিদ পানি খাওয়ার পরে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বললো, আপনাদের চৌধুরী বাড়ী তো অনেক বড়, আমি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ টা ঘর দেখলাম বাড়ীতে, সবার ই পাকা ঘর, বিশাল বড় দীঘির মতো ঘাট বাধানো পুকুর, আছে নিজেদের নিজস্ব একশো বছর পুরনো কবরস্থান। আয়েশা হালকা হেসে বললো "৩৬ টা ঘর গৃহস্থ, এই বাড়িতে তিন প্রজন্মের বাস। আমার দাদার সৎ ভাই এবং চাচাতো ভাই কয়েকজন, বাবার সৎ ভাই এবং চাচাতো ভাই এবং আমাদের ভাই ব্রাদার কাজিনদের ঘর সংসার মিলে ৩৬ টা গৃহস্থের বাস এখানে। আবিদ আয়েশার কথায় খুবই ইমপ্রেসড্। সে ভাবলো পরিস্কার কথার ধরন মেয়েটির। গ্রামের মেয়ে অথচ শুদ্ধ উচ্চারনে কোনো জড়তা নেই। আবিদ চা শেষ করলো, আবার ডায়েরী আর কলম হাতে নিলো, তারপর আয়েশাকে বললো "আপনারা তো চার ভাই এক বোন। তাই না? আপনি সবার ছোটো, ফয়েজ আপনার ইমিডিয়েট বড়, কিন্তু ভাইদের সবার ছোটো। তাই তো"? আয়েশা ছোটো মেয়েদের মতো মাথা দুলিয়ে বললো "জী"। আবিদ এবার জিগেস করলো আপনার বাবা আর বড় ভাইদের সাথে ফয়েজের সম্পর্ক কেমন ছিলো"? আয়েশা বললো "খুবই ভালো, ফয়েজ ভাইয়া আর আমি ই সবার ছোটো, সেই হিসেবে সবাই আমাদের আদর করে"। আবিদ একটু নিচু স্বরে বললো "আর বাড়ীর বাকী ৩৫ গৃহস্থের আত্মীয়রা কেমন চোখে দেখতো ফয়েজ কে"?
আয়েশা উচ্ছ্বসিত হয়ে বললো "গ্রাম মফস্বলে একি বাড়ির সদস্যদের ভেতরে কম বেশি জমি জমা নিয়ে ঝামেলা থাকলেও, ফয়েজ ভাইয়া সবসময় নিজেকে এসব থেকে দূরে রাখতেন, সে সবার সাথেই হেসে খেলে কথা বলতো, বাবার চাচাতো ভাইদের সাথে জমি নিয়ে আমাদের বিরোধ আছে, কিন্তু ভাইয়া তাদের সাথেও সু সম্পর্ক মেইনটেইন করতেন, শুধু,,,,,,,, আয়েশা এই পর্যন্ত বলে থেমে গেলো। আবিদ জিগেস করলো থামলেন কেনো, শুধু কি???
আয়েশা আবার বলা শুরু করলো, শুধু সাদেক চাচার পরিবার ভাইয়ার ওপরে একটু অসন্তোষ ছিলো, কারন চাচা তার মেয়ের জন্য ভাইকে পছন্দ করতেন, বাবার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু ভাইয়া রাজী হয় নি। আর আমাদের চাচাতো ভাই কবির ভাইজান ও এবার ইলেকশনে দাড়ানোর কথা ছিলো, তো সে চায় নি যে ভাইয়াও ইলেকশনে দাড়াক, এই আর কি,,,, এছাড়া আর কারো কোনো অসন্তোষ দেখি না ভাইয়ের প্রতি।
আবিদ এবার একটু চিন্তার ভঙ্গিতে বললো "আপনাদের পরিবার তো ফয়েজের ময়না তদন্ত টাও করতে দিলো না, আপনার বাবা গতকাল আমাকে বললেন তিনি চান নি যে ফয়েজের নিথর দেহে কোনো কাটাছেড়া হোক, তবে কি জানেন এই ধরনের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ময়না তদন্ত খুবই প্রয়োজন, আবেগ এখানে দমন করতে হয়, আমি পৌরসভার থানার ইন্সপেক্টরের সাথে কথা বলেছিলাম, তারা এটাকে আত্মহত্যা ই মনে করছে, খুবই দু:খজনক।
আয়েশার চোখ এবার অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়লো, সে আবিদকে বললো "আপনিও কি আত্মহত্যা ভাবছেন"? আবিদ উচু আওয়াজে বললো "কখনোই না, ফয়েজ সাতার জানতো, একটি কথা মনে রাখবেন যেই ব্যক্তি সাতার জানে, সে আত্মহত্যার জন্য নদী বা গভীর পানিতে ঝাপ দিলেও সে মরবে না, কারন মৃত্যু কষ্ট উপলব্ধি করার সাথে সাথেই সে সাতাড় দিয়ে তীরে চলে আসবে, তাছাড়া আপনার মা বাবা এবং আপনাদের বাড়ীর মোটামুটি বেশ কিছু লোকের সাথে কথা বলে বুঝেছি যেদিন সে নিখোজ হলো, সেদিন বিকালেও রোজকার অভ্যাসমত বাড়ী থেকে বের হয়েছিলো, আমি বাজারে খোজ নিলাম, সন্ধায় সে এলাকার বন্ধুদের সাথে বাজারে বসে চা খেয়েছে, হাস্যোজ্জ্বল ছিলো সে, আত্মহত্যা করার মতো দু:খ যদি ফয়েজের থাকতো আমি আবিদ অবশ্যই জানতাম, ঢাকায় তো সে আমার বাসায় ই থাকতো, আমার ই সবচেয়ে ক্লোজ ছিলো সে,,,,,,,
আয়েশা ঘর থেকে বের হবার জন্য উঠতে নিয়ে বললো "আমার বিশ্বাস আপনি ইন্টারোগেশন করলেই সত্যটা একদিন জানতে পারবেন। আবিদ মুচকি হেসে বললো "আপনি কেনো ধরেই নিলেন আমি ইনকোয়ারি করতে এসেছি, আমি তো আমার মরহুম বন্ধুর বাড়ীতে সান্ত্বনা জানাতেও আসতে পারি, কি পারি না???
আয়েশা অশ্রু মুছতে মুছতে বললো "ইউ আর অলওয়েজ ওয়েলকাম, তারপর মিষ্টি হেসে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো।
মিয়া বাড়িতে তহমিনার বাপের বাড়ী থেকে খবর পাঠানো হয়েছে যে তহমিনা অসুস্থ রহিমকে দেখতে আসবে। রহিমের অবস্থা খুবই খারাপ, ওষুধে কাজ হচ্ছে না, তার খাওয়াদাওয়া একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। আলেয়া ভাইয়ের জন্য কাদতে কাদতে অস্হির। সেই তো দিন রাত ভাইয়ের সেবা করছে, একটুর জন্য ও ভাইকে চোখের আড়াল করে না, শুধু গোসল আর টয়লেটে যাওয়া ছাড়া সে ভাইয়ের ঘর থেকে বের ই হয় না, ভাই খায় না, তাই নিজেও ঠিকমতো খায় না।
রহিম সুস্থ হচ্ছে না তাই কাসেম মিয়াও খুব চিন্তিত। সে জুমার নামাজ পড়ে এসে ছেলের মাথার কাছে কিছুখন বসলো, ছেলেটা আলতো করে ভাঙা কন্ঠে বললো আব্বা আম্মারে দেখবার মনে চায়। কাসেম মিয়া ছেলের হাত ধরে বললো অবশ্যই দেখবা বাপজান,অবশ্যই দেখবা।
কাসেম মিয়া নিজের ঘরে এসে দেখে স্ত্রী আসমা জানালার কাছে বসে বাহিরে বিলের দিকে তাকিয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদছে। কাসেম মিয়া একটু রেগে বললো "তোমার আবার কি হইসে?বাহির থেইকা ঘরে আইসা যদি শান্তি না পাই, তাইলে আর ঘরেই আইমু না, তোমার সমস্যা কি"? আসমা ফুপিয়ে ফুপিয়ে বললো "আফনের অতীতের স্ত্রী আবার আইবো এই বাড়িতে, আফনের লগে তার দেহা হইবো, এইটা জানার পরেও আমি কেমনে শান্ত থাকি"? এইটুকু বলেই আসমা এবার মরন কান্না শুরু করলো। কাসেম মিয়া বললো " সে তো এহন আর আমার স্ত্রী নাই, আমি তার লগে দেহা তো দূরের কথা, সে যহন আইবো, আমি বাড়িতেই থাকমু না, আসমা তুমি শান্ত হও। কিন্তু আসমা কিছুতেই কান্না থামাচ্ছে না। কাসেম মিয়ার খুব মায়া হলো। সে আসমার পাশে বসলো এবং খুব শক্ত করে তাকে জড়িয়ে ধরলো। এই প্রথম মিলনের মূহুর্ত ছাড়াই সে আসমাকে আদরে জড়িয়ে ধরলো,,,,,,,,,,।
তহমিনা ছেলে করিমকে সাথে নিয়ে তার ছোটো ভাই হাসান আলীর সাথে গঙ্গাপুর গ্রামের মিয়া বাড়ির দিকে রওনা হলো অসুস্থ রহিমকে দেখার জন্য। তহমিনার ছোটো ভাই একজন পুরুষ অভিভাবক হিসেবে বোনের সাথে যাচ্ছে।
আলেয়া তো সারাদিন ই অসুস্থ ভাইয়ের মাথার পাশে থাকে, খাওয়া নেই, দাওয়া নেই, চোখে ঘুম ও নেই তার রহিমের চিন্তায়, চোখের সামনে ভাইটা ছটফট করে। সে রহিমকে বালতিতে পানি এনে মাথা ধোয়ানোর পরে ঘুম পাড়িয়ে রেখে নিজে গেলো গোসল করতে। ঘরে এখন রহিম একা। ছেলেটার গায়ে অনেক জ্বর, নি:শ্বাস ও ভারী। রহিম চোখ বন্ধ করে আছে, জ্বরে নিথর দেহ।
আসমা ঘরে ঢুকলো। রহিমের মাথার পাশে এসে বসলো।
কাসেম মিয়া তার ঘরে শুয়ে আছে, আলেয়া গোসলে গেছে, বাড়ির অন্যান্য ঘরের লোকজন ও যার যার নিজের কাজে ব্যস্ত। দুপুরের পরে বিকাল হবে হবে করছে, মেঘহীন তপ্ত আকাশের রোদ এখন ঠান্ডা হচ্ছে, ঘরের পেছনে রহিম করিম দুই ভাইয়ের তাদের দাদুর সাথে একসাথে লাগানো পেয়ারা গাছ আর বেলী ফুল গাছের শুকনো পাতা আর ফুল ঝরে পড়ছে, বইছে দক্ষিনী ঠান্ডা হাওয়া,
বাড়ীর পূব দিকে ঘু ঘু পাখিটা অনবরত ডাকছে,,,,,,,,
আসমা রহিমের দিকে তাকিয়েই আছে, সে এখনও ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদছে, তারপর রহিমের দিকে তাকিয়ে ফিস ফিস করে বললো "তোদের তিন ভাই বোনের কোনো দোষ নাই, তোরা আমার পেটেও হইতে পারতি, কিন্তু হস নাই, তোগো একটাই দোষ, তোগোরে দেখলেই মনে পড়ে আমি ছাড়াও কাসেম মিয়ার জীবনে আরেকজন আছিলো, তোরা সেই চিহ্ন, আমি সব পারুম, কিন্তু স্বামীর ভাগ ছাড়তে পারুম না,,,,, এই কথা বলেই আসমা বিছানা থেকে একটা বালিশ দিয়ে রহিমের মুখের উপরে চেপে ধরলো। ছোট্র রহিমের অসুস্থ শরীরে নেই কোনো শক্তি। সে চিৎকার ও করতে পারছে না, দুই হাত দিয়ে মুখের উপর থেকে বালিশ সড়াতেও পারছে না, তার দুই পা ছটফট করছে, রহিম জোরে আলেয়াকে ডাকতে চাইছে বুবু বুবু, মাকে ডাকতে চাইছে, বাবা বাবা বলেও চিৎকার করতে চাইছে, কিন্তু পারছে না, তার নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, আসমা নিজের শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে দানবের মতো রহিমকে চেপে ধরেছে, ছোট্র রহিমের শরীর টা ছটফট করতে করতে, দাপাদাপি করতে করতে, বাচার চেষ্টা করতে করতে একটা সময়ে নিস্তেজ হয়ে গেলো, প্রান রুহুটা বেড়িয়ে গেলো সাত বছরের ছোট্র পাখিটার,,,,,,,,,,
তহমিনা এখনও মাঝ রাস্তায়, সে আসছে,,,,, অসুস্থ ছেলেকে দেখতে আসছে,,,,,, সে তো জানে না এখনও ,,,,, ফেলে যাওয়া ছেলে তো আর নেই ,,,,,,,,,,
✍️ #Imi_Chowdhury
#ইমি_চৌধুরী
চলবে,,,,,,,,,,
পর্ব ৬
https://www.facebook.com/share/p/8k4memp4L39fKYey/?mibextid=oFDknk
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।