Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প : গঙ্গার সৎ অসৎ, পর্ব-৬

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
121 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,332 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#গঙ্গার_সৎ_অসৎ

  পর্ব-৬ 

[ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ]

গন্জের হাটে ধীরে ধীরে সবার কর্মব্যস্ততা শুরু হয়েছে। মানসী অনেক্ষন রঞ্জুর ফার্মেসির সামনে ওয়েট করছে। রঞ্জুর দেখা নেই। আজ কি তবে দোকান খুলবে না? মানসী চিন্তায় পড়েছে। মানসীর কাছে ঘড়ি নেই, তবে আকাশ দেখে সে অনুমান করলো তিন ঘন্টার মতো সময় ধরে সে অপেক্ষা করছে। অবশেষে রঞ্জুকে দূর থেকে দেখা গেলো, সে আসছে। মানসীকে দোকানের সামনে দাড়ানো দেখে রঞ্জু আৎকে উঠলো। একে তো এটা এই উপজেলার গঞ্জের হাট বাজার।গ্রাম মফস্বলে সবাই সবাইকে মোটামুটি চিনে। কেউ যদি নিচূ জাতের বাইদানী মানসীর সাথে তাকে ফার্মেসীর ভেতরে একাকী কথা বলতে দেখে, তাহলে পুরা গঙ্গাপুর গ্রামে ছি: ছি: হবে। বিশেষ করে তাদের ব্রাক্ষ্মনদের ভেতরে এটা কেউ দেখলে তাকে আত্মীয়স্বজন একঘরেও করে দিতে পারে। 

রঞ্জু নাক মুখ খিচিয়ে ফার্মেসি খুলতে খুলতে বললো "মানসী তোরে কতদিন কইসি কখনো আমার দোহানের সামনে আইবি না, কেন আইসোস? মানসী মাথা নিচু করে বললো " দোহানের ভেতরে যাইয়া কইতাসি, তুমি আগে শান্ত হও"। 

রঞ্জুর ফার্মেসিতে কাস্টমার আসা শুরু করলো, আশেপাশের গ্রামের মানুষ, মানসীকে এরা কেউ চিনে না, মানসী তাদের বাইদানী স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় এখানে আসে নি। সে গ্রামের সুশীল পরিবারের নারীদের মতোই শাড়ি আর তার উপরে চাদরের ঘোমটা দিয়ে এসেছে। 

লোকজন একটু কমলে মানসী নিচু স্বরে বললো, রঞ্জু দা তোমার দোহানে আমি আইতাম না, আগে আগে তুমি আমারে খবর পাঠাইতা, তুমি যেইহানে যাইতে কইতা , তোমার লগে যাইয়া আমি দেহা করতাম। ইদানীং তুমি কোনো যোগাযোগ করো না, আমি ভয় পাইসি, কতদিন তোমারে দেহি না"। রঞ্জু চাটুজ্যে বিরক্ত হয়ে মানসীর দিকে তাকিয়ে বললো "টাহা লাগবো তোর? তোগো তো স্বভাব টাহা দরকার হইলেই বেডা মাইনষের সামনে কাপড় খুইলা পিরিতির ভাব ধরোস, বাড়িত যা মানসী আমারে এহানে বদনামের ভাগী করিস না, তোর লগে কেউ আমারে কথা কইতে দেখলে আমার জাত যাইবো। মানসীর চোখে পানি টলমল করছে, সে কান্না ধরা গলায় বললো " আমার গায়ের উপরে যহন উঠতা, তহন তোমার জাত যাইতো না? আমি শখ কইরা আহি নাই, একটা খবর দিতে আইসি, আমি পোয়াতী। রঞ্জু যেনো বিদ্যুতের শক পেয়েছে, এভাবে অবাক হয়ে মানসীর দিকে তাকিয়ে কিছুটা উচু স্বরে বললো "কি ,,,,,,,, কি কস বাইদানী,,,,, 

রঞ্জু নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছে না, সে বুঝলো মানসী তাকে কোনো একটা ফাদে ফালানোর চেষ্টা করছে, সে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করলো, তারপর বললো, " তুই পোয়াতী তাতে আমার কাছে কি??? 

মানসী কড়া গলায় বললো, তুমি বোঝো না তোমার কাছে কি?? আমার পেডে তোমার ছাওয়াল। এই কথা বলার সাথে সাথেই রঞ্জু মানসীর গালে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলো। আর ঠিক তখনই ফার্মেসিতে পুরোহিত সাধুজী ঢুকলেন। সাধুজী কে দেখে রঞ্জু আর মানসী দুজনেই ঘাবড়ে গেলো। দুজনেই সাধুজীকে প্রনাম জানালো। রঞ্জু ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে বললো "বাবা আফনে কষ্ট কইরা কেন আইছেন? আমারে খবর পাঠাইলেই তো আফনের ওষুধ পৌছাইয়া দিতাম। সাধুজী ম্লান হেসে বললো, মাঝে মাঝে গ্রাম থেকে বাহির হইতে হয়, দূরে আসা যাওয়া করতে হয়, এতে শরীর ভালা থাহে। তিনি ভয়ার্ত মানসীর দিকে খুবই স্বাভাবিক ভাবে তাকালেন। যেনো মানসী গঞ্জে আসাটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। তাকিয়ে বললেন " কিরে মা মানসী তোরে তো ইদানীং পূজার ঘরে দেহি না, ঠাকুর দেবতার আশীর্বাদ কি দরকার নাই? 

মানসী অপ্রস্তুত অবস্থায় আছে, থাপ্পড়ের ধাক্কা এখনও সামলিয়ে উঠতে পারে নাই, সে সাধুজীকে কি জবাব দিবে বুঝতে পারছে না। সাধুজী নিজেই আবার স্নেহের সুরে মানসীর মাথায় হাত দিয়ে বললেন, আজ বিকালে পূজা দিতে আইস, ঠাকুরের আশির্বাদ নিয়া যাইস, ,,,,,,, 

কাসেম মিয়া আর আলেয়া রহিম কে নিয়ে অপেক্ষা করছে জেলা সদর হাসপাতালের ল্যাব টেস্ট রুমে। রহিমের জন্য ডাক্তার অনেকগুলো টেস্ট দিয়েছে। ডাক্তার বলেছে রহিমের অবস্থা খুবই খারাপ। আশংকা করছে টাইফয়েড। তাই টেস্ট দিয়েছে। ছোট্র রহিম হাসপাতালে আসার পরে ঘন ঘন বমি করছে। 

তহমিনার রিপোর্ট নিতে ইকু বেপারীও আজ এসেছে এই হাসপাতালে। কাকতালীয়ভাবে আজ ই তার রিপোর্ট নিতে আসতে হলো। 

আলেয়া ল্যাবের বাহিরে এসে দাড়িয়েছে। হঠাৎ ই ইকু এবং আলেয়া দুজন দুজনকে দেখতে পেলো। দুজনেই অপ্রস্তুত হয়ে গেলো। একটা সময় ছিলো যখন ইকু ফুপাতো ভাইয়ের মেয়ে হিসেবে এই আলেয়া কে কত কোলে নিয়েছে, চিপ্স চকলেট আইসক্রীম কিনে দিয়েছে। এখন ১৫ বছর বয়সী ষোড়শী আলেয়া কে দেখে সে তার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারছে না, বাচ্চা একটি মেয়ে থেকে তার মাকে কেড়ে নেয়াতে সে আজ অপরাধী। আলেয়া নিজেই এগিয়ে এলো ইকুর কাছে। কাদতে কাদতে বললো "আফনে কি একটু কষ্ট কইরা আম্মারে জানাইবেন যে রহিমের শরীর ডা ভালা না, আইজ অনেকদিন ধইরা জ্বর, ভালো হয় না, ডাক্তার সন্দেহ করসে কালা জ্জ্বর,,,,, রহিমে মায়রে দেখতে চায়। 

ইকু নিচের দিকে তাকিয়ে বললো " আমি অবশ্যই তহমিনারে জানামু, তারে আমি পাঠাইয়া দিবো, নিশ্চয়ই রহিমের সাথে দেহা করবে"। 

ইকু বেপারী তহমিনার রিপোর্ট নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বাড়ির পথে যাচ্ছে। সে ইদানীং কোনো কাজে মন দিতে পারছে না, বিভিন্ন কারনে সে তহমিনার উপরে বিরক্ত, কিন্তু সে তহমিনার সাথে আজ পর্যন্ত বিরক্তি প্রকাশ করে একটি কথাও বলে নাই, সে জানে মানুষ ভালোবাসার কাঙাল, আর এই কাঙালদের সাথে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলেই অনেক কিছু হাসিল করা যায়। এভাবেই সে তহমিনার শরীর মন সব জয় করে নিয়েছিলো বিয়ের আগেই। তার মোটেও তহমিনাকে বিয়ের ইচ্ছা ছিলো না, তার মতে ফ্রি ফ্রি লাগাইতে পারলে বিয়া করে কোন বলদে?। সে তার জীবনে সকল বয়সী নারী শরীরের স্বাদ ই পেয়েছে। যখন ইকুর বয়স ১৩ বছর তখন প্রথম সে সঙ্গম স্বাদ পায়, নিজেদের ঘরে কাজ করতো এক জেলের বৌ ২৪ ২৫ বছর বয়সী, সেই নারী ছিলো ইকুর প্রথম স্বাদ। আজো সে ভুলতে পারে না, নোনা শরীর চেটে দেখার সেই প্রথম আনন্দ। তারপরে সঙ্গম তার নেশায় পরিনত হয়েছে, নিজের চেয়ে বয়সে তিনগুণ বড় আবার তিনগুণ ছোটো সব শরীরেই আলাদা আলাদা আনন্দ। তার মতে "কুমারী শরীরের এক আনন্দ, বিয়াইত্তা শরীরের আরেক আনন্দ, থুরথুরে বুড়ী কুচকানো চামড়া শরীরেরও আনন্দ আছে, পুরাডাই ফিলের ব্যাপার। 

মিষ্টি কথার কাঙাল তহমিনার কাছে ইকুর এতো এডভেঞ্চারের চেহারা সম্পর্কে কোনো ধারনা নেই, সে জানেই না তার ইকু কত ঘাটের পানি খাওয়া পাবলিক। 

পরকিয়া প্রেম চলাকালীন সময়ে হঠাৎ একদিন তহমিনা ইকুকে জানায় সে প্রেগন্যান্ট। ইকু বলেছিলো "কেমনে বোঝলা যে আমার? তহমিনা অভিমানের সুরে বললো " তোমার ই, কারন কাসেম মিয়া তিন ছাওয়ালের পরে এহন আযোল করে, তুমি ই বার বার বীজ ফালাইসো"

ইকু তখন ও মিষ্টি গলায় বলেছিলো "ওষুধ খাইয়া ফালাইয়া দাও মিনা, আমি শুধু তোমারে ভালোবাসি। 

তহমিনা কান্না জড়িত কন্ঠে বললো "টের পাইসি দেরিতে, চাইর মাসের উপরে হইয়া গেসে, কেমনে ফালামু? মিয়া বাড়ির এক বৌ চার পাচ মাসের বাচ্চা নষ্ট হইয়া অতিরিক্ত ব্লিডিং এ মা বাচ্চা দুইজনেই মইরা গেসে, তুমি কি আমারেও মরতে কও? 

ইকু ঠান্ডা কন্ঠে বললো " জনম দিতে চাইলে দাও, কাসেমের নামেই বড় করো"

তহমিনা ঝেঝিয়ে উঠলো, "তুমি কি কাসেম মিয়ারে বলদ মনে করো? সে তিন ছাওয়ালের পরে আর ছাওয়াল চায় না, বীজ দেয় না আমারে, এইডা তো তার জানা। 

তহমিনা এই ঝামেলা দেখিয়ে এক রকম ব্লাকমেইল করে ইকুকে বিয়ে করলো। ইকু বেপারী চাইলে খুব সুন্দর ভাবে কেটে পড়তে পারতো, তহমিনার থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যেতে পারতো, কিন্তু কিভাবে যেনো সে এবার আর নিজেকে মুক্ত করতে পারে নাই। ইকু ভাবে তার জীবনে আসা সব নারীদের সে খেয়ে ছেড়ে দিতে পেরেছে, তহমিনার বেলায় বিধি বাম হলো। পালিয়ে বিয়ে করতেই হলো। ইকু বেপারীর সন্দেহ ছিলো তহমিনার পেটের বাচ্চাটা নিয়ে। এই সন্দেহের জন্য ও সে তহমিনাকে কোনোদিন কটু কথা বলে নাই। সেবা যত্ন করেছে, যখন যা খেতে চেয়েছে খাইয়েছে, মাঝরাতে উঠে বিলের পাড়ে খালের পাড়ে নদীর পাড়ে তহমিনার হাটার শখ হতো, ইকু তার সব আবদার পূরন করতো, কিন্ত মনে মনে এক রাশ সন্দেহ আর ঘৃনা লালন করতো তহমিনার পেটের বাচ্চার উপরে, যখন ই তহমিনার ফোলা পেট টা সে দেখতো সে ভাবতো কাসেমের বীজ তার পাশে, গা ঘিন ঘিন করতো, তার মন কিছুতেই মানতে চাইতো না বাচ্চাটা তার। একদিন ডিসিশন নিলো এই ঘৃনার বীজ উপড়ে ফেলতে হবে, সে তহমিনাকে খাবারের সাথে বাচ্চা নষ্টের মেডিসিন মিশিয়ে খাইয়ে দিলো, তহমিনা খুব ছটফট করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়লো, হাসপাতালে নিতে হলো, পেটের ভিতরে থাকা সন্দেহের মাংসপিণ্ড বের হয়ে গেলো। ভাগ্যিস গ্রামের হাসপাতালের ডাক্তারেরা কেউ তখন ধরতে পারে নাই যে ওষুধ খেয়ে বাচ্চা নষ্ট করা হয়েছে। সেই থেকে তহমিনার বার বার মিসক্যারেজ হয়। পেটে বাচ্চা রাখতে পারে না। এতে অবশ্য ইকুর কোনো আফসোস নেই, তহমিনার সাথে কোনো এক বিচিত্র কারনে সন্তানের বন্ধন সে কামনাও করে না। কিন্তু তহমিনা ইকুকে সন্তানের সুখ দিতে চায়। 

ইকুর ঘরে আছে কাসেম আর তহমিনার ছেলে করিম। ইকু তহমিনার সামনে খুব স্নেহ করে, কিন্তু তহমিনা ঘুণাক্ষরেও জানে না যে ইকু আর ইকুর পরিবার কি পরিমাণ ঘৃনা করে করিমকে। তহমিনা নিশ্চিন্ত মনে করিম কে শাশুড়ি ননদের কাছে রেখে ইকুর সাথে বিভিন্ন জায়গায় যায়, তারা সাত বছরের ছোট্র করিমকে একলা পেলেই বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে, ঠিকমতো খেতে দেয় না, প্লেটে খাবার দিয়ে সেই খাবারে এক দলা থুতু দিয়ে দেয়, অনেক মারে, গলা চিপে ধরে, তারপরে আবার শাসিয়ে দেয় যদি মাকে জানায় তাহলে তার মাকেও এভাবে মেরে ফেলবে, ছোট্র করিম ভয়ে তটস্থ হয়ে থাকে, মাকে কিছুই জানায় না, তার ভয় মা জানলেই তো ওরা মাকে ফেরে ফেলবে। মা তাকে শিখিয়ে দেয় ইকুকে বাবা ডাকতে। করিম ইকুকে বাবা ডাকে। কিন্তু নিজের বাবার কথা তার খুব মনে পড়ে। কারন ইকু গোপনে তার সাথে যা করে তার বাবা কাসেম মিয়া তো কখনও এমন করে নাই। কাসেম বাবা তো কখনও তার শরীরে কষ্ট দেয় নাই। সৎ মা আসমা দিতো, কিন্তু বাবা কখনও কষ্ট দেয় নাই। এই বাড়িতেও মা কষ্ট দেয় না, কিন্তু ইকু বাবা কষ্ট দেয়। সে ভয়ে মাকে বলে নাই একটা ঘটনা। 

একদিন বিকালে তার মা তহমিনা ঘুমাচ্ছিলো। সে উঠানে খেলছিলো। ইকু তাকে পুকুর পাড়ে ডাকলো। করিম ভয়ে ভয়ে ইকুর কাছে গেলো। ইকু বেপারী খপ করে এক হাত দিয়ে করিমের গলা চিপে ধরলো, অন্য হাত দিয়ে করিমের নাক মূখ চেপে ধরলো যেনো চিৎকার করতে না পারে। করিম দুই হাত দিয়ে নাক মুখ ছাড়ানোর চেষ্টা করছে, ছোট্র ৭ বছরের ছেলেটা ছটফট করছে, নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ইকু গলা চিপে ধরে রেখে হিংস্র মুখে বলেছিলো "চোদা**" নীর পুত, আরেক লাঙের লগে লাগাইয়া পয়দা করসে তোরে চোদা**"নীর পুত, আমার চোক্ষের সামনে তোরে আর সইতে পারি না মা**"ঙগের পুত,,,,,,, ছোট্র করিম তো বোঝে না সৎ বাবা তাকে কি বলছে এসব,,,,, 

কিন্তু সেইবেলা করিম বেচে গেলো, ইকুর বাড়ীর উপরের এক চাচাতো ভাই চলে এসেছিলো পুকুর পাড়ে গোসল করতে, তার আসার আওয়াজ পেয়ে ইকু তাড়াতাড়ি করিম কে ছেড়ে দেয়, কারন জমিজমা নিয়ে এদের সাথে ইকুদের দ্বন্দ। কোনো ঘটনা দেখলে এরা কখনও ইকুর পক্ষে থাকবে না। 

কিন্তু এই বিভিষীকা ঘটনা ছোট্র করিম ভুলতে পারে না, ইকু তাকে ভয় দেখিয়েছিলো যদি মাকে বলে দেয় তাহলে মাকেও ঠিক এভাবেই কষ্ট দিবে। 

সে চায় না তার মা কষ্ট পাক। 

করিম শুধু কষ্টের কথা মনে পড়লে ভয়ে কুকড়ে যায়, তার মা ঘুমাচ্ছিলো, ইকু বাবা তার নাক মুখ চেপে ধরেছে শক্ত করে,,,, উফ্ কি কষ্ট,,,,, সে ছটফট করছে, ডাকতে চাইছে মা মা মা,,,,,, কিন্তু ডাকতে পারছে না, নাক মুখ বন্ধ, আর 

মা তো নিশ্চিন্তে ঘুমায়,,,,,,,,,,

✍️ #Imi_Chowdhury

       #ইমি_চৌধুরী

চলবে,,,,,,,

পর্ব ৫

https://www.facebook.com/share/p/FTWS4397bckxrQFv/?mibextid=oFDknk
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 611 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12332। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2487
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব -১১ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আগত নারীর নাম পান্না। বিশাল ঝামেলা হলো ইকু বেপারীর বা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
142 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ  পর্ব ১০ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আবিদ শম্ভুকে সাথে নিয়ে সাধুজীর বাড়ীর চারপাশে ঘুরে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
118 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ  পর্ব -৯ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] ফাদারের সাথে মন্ত্রমুগ্ধের মতো মুসলিম হিন্দু সবাই প্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
114 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব-৮  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] মিয়া বাড়িতে রহিমের জানাযায় বহু মানুষ। কেউ ই বুঝতে প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
123 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব-৭  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আবিদ খান গঙ্গাপুর গ্রাম টা চষে বেড়াচ্ছে। তার কাছে মনে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
46 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    261 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Mayabi Ilmaz Megh

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...