Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

হেদায়েতের পথে ;পর্ব:০৮ ও শেষ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
23 বার প্রদর্শিত
করেছেন (5,796 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ইসলামিক গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প
#হেদায়েতের_পথে
🍁৮ম ও শেষ পর্ব🍁


মমিঃ- দেখ মরিয়ম কান্না করিস না। আল্লাহর উপর ভরসা রাখ।  তোরে যেমন যেমন বলছি তেমন তেমন আল্লাহর কাছে দোয়া কর।

মরিয়ম এর মা,

মাঃ- দেখ মমি অনেক অত্যাচার করছে।  আমাদের একটা মেয়ে কোথাও বিয়ে না হলে। আমরা খাওয়াতে পারব।
মরিয়মঃ- মা গো মা যত সহজে একটা সম্পর্ক ভাংতে চাও আমার কাছে কলিজা ভাংগার মত।

মাঃ- আমরা না হয় তোকে দিলাম কিন্তু মরিয়ম মাহির যদি তোকে ছেড়ে দেয় তাহলে কি করবি তুই।  

মরিয়মঃ- মা তোমরা কিছু বলনা আমার বিশ্বাস আল্লাহ নিশ্চয়ই ভালো করবে।

মাঃ- তাই যেন হয়। আমরাই তোর জিবন টা নষ্ট করলাম।  তখন যদি আমরা তুই যেমন সেই রকম ছেলের কাছে বিয়ে দিতাম তাহলে এটা হতে না।

সবাই চুপ হয়ে যায় আর চোখের পানি ফেলে।  

মমিঃ- আচ্ছা মরিয়ম আমি এখন যাই।  আর মন শক্ত রাখিস।

মমি চলে যায়।
,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,,

এভাবে পঁচিশ দিন চলে গেল।  মরিয়ম সারাদিন জায়নামাজের উপর বসে থাকে।
★★★
মাহিরঃ- বাবা আমি মরিয়ম কে ডিভোর্স দিতে চাই।  আর আমি তোমার কোনো কথা শুনব না।
বাবাঃ- তার মানে তুই আসলেই এটা করবি। আমার মান ইজ্জত এর কথা একটুও ভাববি না।
মেয়েটার সাথে এমন ব্যবহার করলি তাও তোর কলিজা একটু কাপল না।

মাহিরঃ- বাবা দেখ আমি পারব না ওরে মেনে নিতে।  তুমি ব্যবস্থা কর।

বাবাঃ- হুম। তাই করব তবে শর্ত আছে।  তুমি যখন ডিভোর্স পেপারে সাইন করবে তখন।  আমি তোমাকে আইনি ভাবে ত্যাজ্য ঘোষণা করব আর কাগজে সাইন করব।

মাহিরঃ- কিছু না বলে।  চলে গেল।  
একা একা ভাবতে থাকে বাবা যদি এটাই করে তাহলে আমি তানিয়া কে নিয়ে কোথায় থাকব।
ধ্যাত আমি শুধু শুধু ভাবছি।  
তানিয়া তো আছেই ওর নিয়ে কোথাও না কোথাও থাকব।

মাহির আর বাড়িতে যায় না এক বন্ধুর বাসায় যায়।
২ দিন ওখানিই কাটিয়ে দেয়।

তানিয়ার ফোন,,,,
তানিয়াঃ- মাহির আমি কাল সকালে আমি পৌছাব নিতে  আসবা।
মাহিরঃ- ওকে মাই জান।

★★★

মাহিরঃ- হে তানিয়া কেমন আছো?
তানিয়াঃ- হুম ভালো। তুমি?
মাহিরঃ- ভালো ছিলাম না তোমাকে দেখে খুব ভালো আছি।
তানিয়াঃ- মাহির চলো আমাদের বাসায় যাই আগে।  
মাহিরঃ- চলো।

,,,,,,,,

তানিয়াঃ-আচ্ছা মাহির ঐ মেয়ে কে কি তুমি বিদায় করেছো?
মাহিরঃ- এখনো ডিভোর্স দেই নি। কিন্তু কাগজ রেডি হচ্ছে।  

তানিয়ার বোনের মেয়ে পাশে বসল আর বলছে খালা মনি  এটা কে?

তানিয়াঃ-রাইসা এটা তোমার খালু হবে।  আজকেই আমরা বিয়ে করব।

মাহিরঃ- তানিয়া তবে ঐ মেয়ে কে ছাড়ার জন্য বাবা আমাকে শর্ত দিয়েছে।

তানিয়াঃ- কি শর্ত?

রাইসা আর মাহির এক সাথে বলে উঠল।

মাহিরঃ- আমি ডিভোর্স পেপারে সাইন করার সাথে সাথে বাবা আমাকে ত্যাজ্য করে দিবে।
রাইসাঃ- তোমার জামাই না আকাশ আংকেল?  তুমি না আকাশ আংকেল কে না বিয়ে করছ।

তানিয়া রাইসার গালে একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দিল।

মাহিরঃ- তানিয়া  ও কি বল্ল? তা কি সত্যি।
তানিয়াঃ-  তার আগে তুমি আমাকে উওর দাও।  তুমি যা বলছ তা কি সত্যি?
মাহিরঃ- অবশ্যই।
তানিয়াঃ- ঐ তোর মত ত্যাজ্য ছেলেকে আমি বিয়ে করে কি করব।  আইছে বিয়ে করতে।  যা ছিল তাই নিয়ে সুখে থাকতি। হ্যা আকাশ কে আমি বিয়ে করছি আকাশের ও অনেক টাকা।  তোর মত নাকি ছোটলোক।

মাহিরঃ- ছোট লোক আমি?  ছোট লোক তুই। তুই বিয়ে করছ তাও আমার থেকে হাত খরচা নিতি কেন তোকে প্রতি মাসে আমি যে টাকা পাঠাতাম তা কি করতি?

তানিয়াঃ-বেড়িয়ে  যাও আমার এখান থেকে।  
মাহিরঃ- তা তো যাবই। আর এই জিবনও আমি রাখব না।  তোর জন্য আমি ধংস হয়ে গেছি। আমি তোর জন্য আমার স্ত্রী, বাবা মা  সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করছি।
তানিয়া মাহির কে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়।

মাহির একদম পাগলের মত হয়ে যায়।  পৃথিবীর দিকে কোনো খেয়াল নেই।
হাটতে হাটতে রোডে চলে যায়।
পিছন থেকে একটা গাড়ি মাহির কে ধাক্কা দিল।
,,,,,,

হসপিটাল ★★★

মাহিরকে আশে পাশের লোকজন হসপিটাল নিয়ে যায়। মাহিরের পকেট থেকে ফোন বেড় করে একজন লোক ওর বাবাকে জানায়।

ওর বাবা মা তারাতারি হসপিটাল চলে যায়।  
ছেলের এই অবস্থা দেখে মাহিরের মা একদম ভেংগে পড়ে।

মাহিরের বাবা মরিয়ম কে ফোন দিল।

মরিয়মঃ- আসসালামু আলাইকুম।
শ্বশুরঃ- ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মরিয়ম মাহির এক্সিডেন্ট করছে।  তারাতারি হসপিটাল আসো।
মরিয়ম কথা না বাড়িয়ে হসপিটাল চলে যায়।
হসপিটাল পৌঁছে দেখে ডাক্তার মাহিরের বাবার সাথে কথা বলছে।

ডাক্তারঃ- দেখুন রোগীর অবস্থা বেশি ভালো না। মনে হয় রোগী কোমায় চলে যাবে।  তবে যদি তার ভালোভাবে সেবা যত্ন করে তাহলে তারাতারি ঠিক হবে।  আর হ্যা মোটামুটি কথা বলতে পারবে তবে স্পষ্ট না।
মরিয়মঃ- আমার জিবন দিয়ে হলেও আমি আমার স্বামীর সেবা করব।
★★★★

প্রায় দের বছর পর মাহির আজ পরিপূর্ণ সুস্থ। তবে মোটামুটি সমস্যা হয়।

মাহিরের বাবা হাতে একটা কাগজ এনে বলে এটা নাও এবং সাইন কর?

মাহিরঃ- কিসের কাগজ এটা?
বাবাঃ- ডিভোর্স পেপার।
মরিয়মের চোখ ছলছল করে উঠে।  বাবা আপনি?

মাহিরঃ- বাবা আমাকে মাফ কর আমি ভুল করছি। আমি আর কখনো এমন করব না বাবা।

মরিয়ম তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না।  এখন থেকে তুমি যা বলবা তাই শুনব।  আমি সবচেয়ে ভালো স্বামী হয়ে তোমাকে দেখাব।
প্লিজ আমাকে ক্ষমা কর।
আজ মরিয়মের চোখ আনন্দে ভরে গেল,আল্লাহ তার এতো দিনের দুঃখ,কষ্ট মিটিয়ে দিলেন।
মাহির তার ভুল বুঝতে পেরেছে এবং একজন আদর্শ স্বামী হিসেবে মরিয়মের নিকট ফিরে আসতে চেষ্টা করছে।

🌸🌸সমাপ্ত🌸🌸

উপস্থাপক:আল-মামুন রেজা।

মন্তব্য :
(এত কষ্টের পর আজ মরিয়ম সফল সব ফিরে পেল।  সবাই একটা কথা ভাববেন আল্লাহ সব কেরে নেয় উওম ভাবে আবার ফিরিয়ে দেয়। তাই সকল পরিস্থিতি তে আল্লাহর উপর ভারসা রাখতে হবে।আপনারা যদি রাবেয়া বর্সীর জিবনী পড়েন তাহলে বুঝতে পারবেন তিনি কত কষ্ট করছেন৷ তাও আল্লাহ কে ভুলে যায় নায়। আল্লাহ বিপদ দিয়ে বান্দাকে পরিক্ষা করেন।আর বিপদেই আল্লাহর কাছে আমরা  প্রিয় হয়ে যাই।
পুরো গল্পটা কেমন হইছে জানাবেন। সবার মতামত জানাবেন।image

আমি আল-মামুন রেজা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 285 টি লেখা ও 28 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 5796। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
#enolej_idea #নিজস্ব আইডিয়া।গল্প
Enolej ID(eID): 2462
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


সংশোধন ইসলামিক ধারাবাহিক _গল্প ১০ম_এবং_শেষ_পর্ব ________________________________________📃👉সেদিন ডাক্তারের কাছে ক&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

          সংশোধন ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প          ৮ম_পর্ব 📃বলেতো দিয়েছি পাঁচ দিন, পাঁচ দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প।#হিদায়েতের_পথে🍂পর্ব:০৪🍂মমি মরিয়ম কে sms দিয়েছে,,,,, তুই এইভাবে ম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হেদায়েতের_পথে 🍃🍃পর্ব:০৭🍃🍃তানিয়াঃ- হ্যালো, কেমন আছো মাহির?&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হিদায়েতের_পথে🏵🏵️পর্ব:০৬🏵️🏵মরিয়ম পিছনে তাকিয়ে দেখে মাহি&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...