Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

হেদায়েতের পথে;পর্ব:-০৫

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
107 বার প্রদর্শিত
করেছেন (6,153 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ইসলামিক গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প
#হিদায়েতের_পথে
🌺পর্ব:০৫🌺

মরিয়ম ভাবে কি করলে আমি আমার স্বামী কে ফেরত পাব।  আর তো সহ্য হচ্ছে না।  আমি আর পারছি না।  

আল্লাহ মাফ কর। এগুলো আমি কি ভাবছি।  কখনোই নাহ আমি আমার আল্লাহ কে বেশি ভালোবাসি।  

আল্লাহ আমার ভাগ্য যা লিখেছেন আমি তাই পাব।  আমি পারি শুধু চেষ্টা করতে।  
(মরিয়ম নিজের সাথে নিজেই কথা বলছে)

ছি! ছি! মরিয়ম তুই এগুলো কি ভাবছিস তারাতারি তাওবা পড়।
তুই কি ভুলে গেলি ফেরাউনের বউ আছিয়ার কথা। কত কষ্টই না সে পেয়ে ছিল।  তাকে কত কষ্ট পেয়ে মৃত্যু বরন করতে হয়েছিল। কত অত্যাচার না ফেরাউন করছিল কই তা তো সে ইমান হারা হয় নাই। সেও তো তার স্বামীকে ভালোবাসত কই তারপরও তো তার কাছে মাথা নত করে নাই।  হাসি মুখে সকল অত্যাচার সহ্য করছে তুই তার চেয়ে বেশি কষ্টে আছিস????
এখনি ভেঙ্গে পড়ছিস..?

তারপর তার ইমানি শক্তির  পুরস্কার হিসাবে তিনি যা চেয়েছিলেন তাই পেয়েছে তা তো কুরআনেও আসছে

         وَضَرَبَ اللّٰہُ مَثَلًا لِّلَّذِیۡنَ اٰمَنُوا امۡرَاَتَ فِرۡعَوۡنَ ۘ  اِذۡ قَالَتۡ رَبِّ ابۡنِ لِیۡ عِنۡدَکَ بَیۡتًا فِی الۡجَنَّۃِ وَنَجِّنِیۡ مِنۡ فِرۡعَوۡنَ وَعَمَلِہٖ وَنَجِّنِیۡ مِنَ الۡقَوۡمِ الظّٰلِمِیۡنَ ۙ

         আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের জন্যে ফেরাউন-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার দুস্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে যালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।

(ফেরাইনের স্ত্রী বিবি আছিয়া হযরত মূসা (আঃ) কে লালন-পালন করেছিলেন এবং তাঁর সাহায্যকারিণী ছিলেন ।)
         —আত তাহরীম - ১১

আমি কি যে চিন্তা করি আমি বুঝি না। পাগল হইয়া গেছি আমি। নাহলে এমন বাজে চিন্তা কেউ করে।

আমি যেমন আছি তেমন থাকব।  ইমান কে আরো শক্ত করতে হবে। আরো বেশি বেশি ইবাদত করতে হবে।  

কষ্ট তো আসবে তাই বলে কি আল্লাহ কে ভুলে যাব। আল্লাহর রাস্তায় আমার জিবন কুরবান।

( যখন পাশে কাউকে পাওয়া যায় না তখন নিজের বিবেক কে প্রশ্ন করলেও কিছু টা সমাধান পাওয়া যায়। কারন আমি আমার নিজের বন্ধু)

মরিয়ম চোখের পানি মুছে। নিজেকে শক্ত করে।  আবার স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করে।
,,,,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,
২ দিন এইভাবে কেটে গেল এর মধ্যে মাহির মরিয়ম এর সাথে একটা কথাও বল্লো না।
মরিয়ম ও কিছু বলে না। শান্তি বিরাজ করলেই হয়।

দুপুরে  

শ্বশুরঃ- মরিয়ম, মরিয়ম,মা মরিয়ম, কোথায় তুমি?

মরিয়মঃ- জ্বি বাবা। এসছি এখুনি।

শ্বশুরঃ- এই যে দেখ তোমার শ্বাশুড়ি তোমার জন্য জুতা এনেছে আর ২ টা থ্রি পিচ এনেছে।
মরিয়মঃ-কই দেখি তো।নতুন জামাকাপড় পেলে আমার যে কি খুশি লাগে তাও আবার আপনাদের থেকে।  

মরিয়মঃ- ওমা গো জামা ২ টা কি সুন্দর।  আমার খুব পছন্দ হইছে। কিন্তু বাবা,,,,,,,,,,

শ্বাশুড়িঃ- কি মরিয়ম জুতা তোমার পছন্দ হয় নাই?

মরিয়মঃ- আসলে মা পছন্দ হইছে। কিন্তু এটা তো হিল জুতা।
শাশুড়ীঃ- তোমাকে বেশি লম্বা আর ভালো লাগবে তাই এনেছি অনেক দামিও।
মরিয়মঃ- কিন্ত মা,,,,

নারীদের উঁচু জুতা পরা জায়েজ নেই।

জুতার আদব মহিলাদের জন্য হিল তোলা জুতা ব্যবহার বৈধ নয়। বিশেষ করে পেনসিল হিল জুতা মুসলিম মহিলাদের জন্য পরাই উচিত নয়।
হাই হিল জুতা পরা একাধিক কারণে নিষিদ্ধ -

(ক) নিজেকে লম্বা দেখাবার উদ্দেশ্যে এই জুতা পরার মানে হল, আল্লাহর সৃষ্ট আকৃতির ব্যাপারে অসন্তুষ্টি প্রকাশ।

(খ) লম্বা ও উঁচু দেখানোর উদ্দেশ্যে পরলে লোককে ধোকা দেওয়া হয়।

(গ) এই জুতা পরে মহিলার পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা খুব বেশী থাকে। আর যদি কোন লোকমাঝে পড়ে, তাহলে তার উপর হাততালি ও উপহাসের পাথর বর্ষণ করা হয়। আর বেকায়দায় বা খারাপ জায়গায় পড়লে বেপর্দা হয় অথবা দেহে আঘাত খায়।

(ঘ) এই জুতা পরে আকর্ষণীয় আওয়াজ এবং চলনে দৃষ্টি-আকর্ষী আজব ভঙ্গিমা সৃষ্টি হয়। তাতে পুরুষের দৃষ্টি ও মন আকৃষ্ট ও প্রলুব্ধ হয়।[1]

(ঙ) এই জুতা পরলে পশ্চিমা নারীদের সাদৃশ্য অবলম্বন করা হয়।

(চ) এই জুতা পরে মনে মনে গর্ব ও অহংকার সৃষ্টি হতে পারে।

(ছ) এই জুতা পরে স্বাস্থ্যগত অনেক ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

যেমনঃ পিঠে ব্যথা হয়, পায়ের রলার পেশী শক্ত হয়ে যায় ইত্যাদি।

আসলে এই শ্রেণীর দৃষ্টি ও মন আকর্ষনীয় জুতা পরে যে মহিলা প্রদর্শন করে বেড়ায়, সে আসলে সেই মহিলাদের দলভুক্ত হতে পারে, যাদের সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘‘--এরা (পর পুরুষকে নিজের প্রতি) আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও (তার প্রতি) আকৃষ্ট হবে; তাদের মাথা হবে হিলে যাওয়া উটের কুজের মত। তারা জান্নাত প্রবেশ করবে না এবং তার সুগন্ধও পাবে না। অথচ তার সুগন্ধ এত-এত দূরবর্তী স্থান হতে পাওয়া যাবে।’’[2]
অতএব ঐ শ্রেণীর অন্ধ মেয়েরা দৃষ্টি ফিরে পাবে কি?

ফুটনোটঃ[1]. ইলা রাববাতিল খুদূর, আবু আনাস আলী ৮৬পৃঃ
[2]. মুসলিম আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা হা/২১২৮

শ্বাশুড়িঃ- ওহ আচ্ছা। আসলে আমি তো জানতাম না।  থাক তাহলে তোমার পড়া লাগবে না।  তোমার জন্য আমি ছিলিপার কিনে আনব।
এবার খুশি???

মরিয়মঃ- হুমম অনেক খুশি।  মা আপনারা অনেক ভালো।  শুধু একজন ভালো হইলে আর কোনো দুঃখ,,,,,,,,,

শ্বাশুড়ি চোখের ইশারা দিয়ে বলে মরিয়ম সংযত হয় তোমার শ্বশুর আছে পাশে।

শ্বশুরঃ- কার কথা বলছিস এইবাড়িতে কে তোকে ভালোবাসে না।
মরিয়মঃ- মানে বাবা।
শ্বাশুরিঃ- হইছে ও এমনি বলছে। চলো তো ঘরে চলো ফ্রেশ হবে।

কথা কাটিয়ে মরিয়মের শ্বাশুড়ি শশুর কে নিয়ে চলে যায়।

হটাৎ মরিয়মের ফোন বেজে উঠল।  

মমি ফোন দিয়েছে।  

মমিঃ- আসসালামু আলাইকুম,,,
মরিয়মঃ- ওয়া আলাইকুম আসসালাম
মমিঃ-তোর জন্য আমার মনটা কেমন করছে।  কি অবস্থা এখন? সব ঠিক আছে?  

মরিয়মঃ- নাহ রে কিচ্ছু ঠিক নেই। আমি আর পারছি না।  কেন আমার সাথেই এমন হলো। সবাই তো কত সুখে আছে।

মমিঃ- কেন কি হইছে আবার??

মরিয়মঃ- দেখ আমার শ্বশুর শাশুড়ি ২ জনই অনেক ভালো। মনে কর আমার বাবা মার থেকেও আমাকে বেশি ভালোবাসে।
কিন্তু উনি শুধু বুঝে না।  আর আমার শ্বাশুড়ি সব জেনে গেছে।

মমিঃ- কিভাবে?
মরিয়ম ঐ দিন রাতের সব ঘটনা বলতে থাকে।
,,,,,,
,,,,
মরিয়মঃ- আমার সাথে কেমন হয় এমন আর  সবাই তো সুখে আছে।

মমিঃ- এগুলো কি বলিস।শোন সবার মাঝেই একটা না একটা কষ্ট আছে। যেমন ধর আমি কত দিন যাবত একটা বাচ্চার জন্য চেষ্টা করছি কিন্তু আল্লাহ কবে মুখ তুলে চাইবে জানিনা।

আবার এমন আছে কারো শ্বশুর শাশুড়ি ভালো না।
কারো ননদ ভালো না। কেউ হয়ত টাকার অভাবে নিজে স্বামী/স্ত্রী চিকিৎসা করাতে পারছে না।  

প্রত্যেকটা মানুষের জিবনে একটা না একটা সমস্যা,হতাশা,দুঃখ,শূন্যতা আছে। সেটা তোর বা আমার সমস্যা থেকে কম না।

আচ্ছা তোকে একটা ঘটনা বলি শোন,,,

একটা লোক ছিল সবাইকে সে মোটিভেট দিত কি যেন নাম উফফ মনে পড়ছে না।

মরিয়মঃ- আচ্ছা নাম লাগবে না এমনি বল।

মমিঃ- শোন তাহলে। উনি বক্তিতা দেওয়ার জন্য স্টেজে দাঁড়াল আর সবাইকে সবার সমস্যার কথা প্রশ্ন করলেন। তো সবাই এক সাথে বলতে লাগল আমার এই সমস্যা, আমার এই সমস্যা,,,,

উনি সবাইকে বল্লেন আচ্ছা আমরা একটা কাজ করি এখানে একটা বক্স আছে আমরা এই বক্স সবার সমস্যার কথা লিখে রাখব।
সবাই তাই করল।  

এবার উনি হাত দিয়ে সব কাগজ মিশিয়ে ফেল্ল।
এবং বল্লো এখন এখান থেকে সবাই একটা করে কাগজ নিন।

১. আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।  এখন আমার আর এই জিবন রাখতে ইচ্ছে করছে না।
২. আমার বাবার ঔষধ নাই।ঘরে খাবার খেতে হিমশিম। লেখাপড়া শেষ করে এখনো কোনো জব করতে পারছি না।
৩.আমার একটাই ছেলে কিন্তু আমার অবাধ্য।
৪.আমার ৫ মেয়ের পর একটি ছেলে ছিল।  কিন্তু সেও গত সোমবার সড়ক দূর্ঘনায় মারা গেছে।
৫.আমার স্বামী আমার ভরন পোষণ দেয় না। শ্বশুর বাড়ির লোকেরা অনেক অত্যাচার করে। সংসারের মায়ায় কিছু করতে পারছি না।
৬.কেউ আমাকে বোঝে না...
ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক প্রশ্ন ছিল।
এবং বলা হলো এখন আপনারা একজনের সমস্যার সাথে অন্য আরেক জনে সমস্যা বদল করে নেই।
কিন্তুু তাতে কাউ রাজি হলো না।
কারন সবাই বুঝতে পারল যে কারো সমস্যার থেকে কারো সমস্যা কম নয়।

মরিয়ম চুপ করে আছে।  

মমিঃ- এখন বল তোর কি কোনো কষ্ট আছে?
মরিয়মঃ- নাহ আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক ভালো আছি।
মমিঃ- তাহলে বুঝতে পারছ?

টুত টুত টুত..............
মরিয়মের ফোন কেটে গেছে।  

মরিয়ম পিছনে তাকিয়ে দেখে ফোন ওর হাত থেকে এক টানে নিয়ে গেল,,,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

উপস্থাপক:আল-মামুন রেজাimage

আমি আল-মামুন রেজা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 302 টি লেখা ও 28 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 6153। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
#enolej_idea #নিজস্ব আইডিয়া।গল্প
Enolej ID(eID): 2458
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হেদায়েতের_পথে 🍃🍃পর্ব:০৭🍃🍃তানিয়াঃ- হ্যালো, কেমন আছো মাহির?&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
118 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হিদায়েতের_পথে🏵🏵️পর্ব:০৬🏵️🏵মরিয়ম পিছনে তাকিয়ে দেখে মাহি&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
180 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হেদায়েতের_পথে🍁৮ম ও শেষ পর্ব🍁 মমিঃ- দেখ মরিয়ম কান্না করিস না[...] বিস্তারিত পড়ুন...
100 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প।#হিদায়েতের_পথে🍂পর্ব:০৪🍂মমি মরিয়ম কে sms দিয়েছে,,,,, তুই এইভাবে ম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
97 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্পহিদায়েতের_পথে🌼পর্ব:০২🌼এশার নামাজ আদায় করে।  মরিয়ম নিচে যা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
127 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    261 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Mayabi Ilmaz Megh

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...