Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

হেদায়েতের পথে ; পর্ব:-০৬

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
134 বার প্রদর্শিত
করেছেন (6,069 পয়েন্ট)   30 ডিসেম্বর 2025 "ইসলামিক গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প
#হিদায়েতের_পথে
🏵🏵️পর্ব:০৬🏵️🏵

মরিয়ম পিছনে তাকিয়ে দেখে মাহির পিছনে তাকিয়ে আছে।  মোবাইল হাতে নিয়ে হিংস্র পশুর মত দাড়িয়ে আছে মনে হয় এখনি খেয়ে ফেলবে।  

মাহিরঃ- কার সাথে কথা বল???  পুরানো প্রেমিক?

মরিয়মঃ- এগুলো কি বলেন।  আমার কোনো পুরানো প্রেমিক নাই। আপনি শুরু আপনি বর্তমান  আপনি  ভবিষ্যত।
আমি আমার বান্ধবীর সাথে কথা বলছি।

মাহিরঃ- চুপ কর!  তুই একটা নষ্টা।  তুই কি ভাবছিস আমি কিছু বুঝি না।  

বলতে বলতে মাহির মরিয়ম কে টানতে টানতে ঘরে নিয়ে গেল।  ধাক্কা মেরে ফ্লোরের উপর ফেলে দেয়৷

বল ছেলেটা কে?  

মরিয়মঃ- ও  আমার বান্ধবী মমি ছিল। কোনো ছেলে না।
মাহিরঃ- হা হা হা মিথ্যা কথা বাদ দে।

মাহিরঃ-   ( আমি জানি তুই কোনো ছেলের সাথে কথা বল নাই কিন্তু তোর সাথে এতটাই খারাপ ব্যবহার করব যে তুই আমাকে ছেড়ে যেতে বাধ্য হবি।) মনে মনে

মাহিরঃ- তুই কোনো ছেলের সাথেই কথা বলছ। আমি আগেই বুঝেছি তুই ভালো না। মাহির অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে মরিয়ম ও মরিয়মের বাবা মা কে।

মরিয়মঃ- প্লিজ আমাকে যাই যা বলুন কিন্তু আমার বাবা মা কাউকে তুলে গালি দিয়েন না।

মাহিরঃ- কি করবি তুই।  একশ বার করব তুই কি করবি??
মাহির মরিয়ম এর চুল ধরে দুই গালে দুইটা থাপ্পড় লাগায়।  

মরিয়মঃ- কেন অমানুষের মত করতাছেন???  আমাকে অত্যাচার করে আপনি কি শান্তি পান।  পারলে ভালো ব্যবহার করতে পারেন না???

মাহিরঃ- ভালো ব্যবহার করতে করব। দেখবি ভালো
ব্যবহার।
সাথে সাথে মরিয়মকে খাটের  সাথে বেধে ফেলে। পাও বেধে ফেলে।  এমন ভাবে  বাঁধে যে মরিয়ম যে একটু নাড়াচড়া করবে তার কোনো রকম অবস্থা রাখে নাই।

মরিয়মঃ- প্লিজ আমাকে ছেড়ে দেন। আমার সাথে এমন কইরেন না। আমি যুহরের নামাজ পড়ব সেইটা একটু পড়তে দিয়েন।  

মাহিরঃ- পর এখন তুই যা খুশি কর।

দরজা লক করে মাহির নিচে চলে যায়।
নিচে মাহিরের বাবা মা দাড়িয়ে। মরিয়ম কে সবাই খাবার জন্য ডাকছে।

মাহিরঃ- বাবা ওরে ডেক না। ও একটু অসুস্থ। রেষ্ট নিতে দাও।

বাবাঃ- কি হইছে মরিয়মের আমি একটু দেখে আসি।  
মাহিরঃ- ওহ বাবা দেখা লাগবে না। ও এখন ঘুমিয়ে পড়ছে। আসো আমরা খাই তারপর আমি ওর খাবার টা উপরে নিয়ে গিয়ে খাইয়ে দিব।

বাবাঃ- আচ্ছা ঠিক আছে।  
মাহিরের মায়ের মনে কামর দেয় এটা কিভাবে সম্ভব।  

মাহিরঃ- আসো খাই।

সবাই খাওয়া শেষ করে। মাহিরের বাবা চলে গেল । মাহিরঃ- মা মরিয়ম এর খাবার টা বেড়ে দেও।
মাঃ- মাহির আমি মরিয়ম কে দেখে আসি।  

মাহিরঃ- লাগবে না মা।  আমি আমার ভুল বুঝতে পারছি আমি আমার বউ এর সেবা করব। তুমি এর মধ্যে আসবে না তাহলে ফলাফল আরো খারাপ হবে।

মাহিরের মা আর কিছু  বল্ল না। তবুও তার মনে সন্দেহ লেগে আছে।

মাহিরঃ- খাবার নিয়ে রুমে গেল। রুমে গিয়ে বলতে লাগল।  দেখ তোর জন্য খাবার এনেছি।  কিন্তু তোর কপালে নাই।  

মরিয়মঃ- আমার খাবার লাগবে না আমাকে নামাজ পড়তে দিন।  প্লিজ।  আমি আপনার পায়ে পড়ি।

মাহির কোনো কথায় কান দিল না। বিছানায় গিয়ে শুয়ে পরে।
মরিয়ম যে একটু নড়াচড়া করবে তাও পারছে এই ভাবে আর কতক্ষণ রাখবে। আসতে আসতে মরিয়ম এর শরীর ব্যথা হয়ে আসে।  
মরিয়ম কান্নায় ভেংগে পরে।

এইভাবে সন্ধ্যা গেটে গেল।  রাতে মাহির ঘর থেকে বেড় হয়না।  খাবারের জন্য ডাকলে বলে খাবে না।

মাহির মরিয়ম এর জন্য আনা খাবার খেয়ে নেয়।
মরিয়ম আকুতি মিনুতি কিছুই ওর মন গলে না।  
বিছানার পাশে মরিয়ম এর দিকে মূখ করে বলতে থাকে

মাহিরঃ- এখন বল ছেড়ে দিবি কিনা।
মরিয়মঃ- মেরে ফেলেন আমাকে তাও আমি আপনাকে ভালোবাসি। আপনি আমার স্বামী।

মাহির রাগে বলে ওকে থাক এভাবে।  
মরিয়মঃ- প্লিজ আমাকে ছেড়ে দেন। অনেক কষ্ট হচ্ছে।  
,,,,,,,,,,,,
রাত ও এভাবে শেষ।  

মাহিরের মায়ের মন আর মানছে না সে মরিয়মকে দেখার জন যখন ঘর থেকে বেড় হবে। তখন মাহিরের বাবা  বলে কৈ যাও??  

- মরিয়ম কে দেখে আসি। কি অবস্থা।
- আমিও যাব।
- নাহ আমি দেখে আসি। তুমি বস।
- এগুলো কেমন কথা মেয়েটা অসুস্থ আর আমি দেখতে যাব না।
- আচ্ছা চল।

দুই জনে দরজায় দাড়িয়ে মাহির মাহির বলে ডাকে।
মাহির দরজা খুলে। মা - বাবা তোমরা?  

মাঃ- মরিয়ম কে দেখতে আসছি।
মাহিরঃ- মা ও ঘুমাচ্ছে। তোমারা পড়ে এসো।  

মাহিরের মা কোনো কথা শুনল না। সে মাহির কে সরিয়ে ভিতরে চলে যায়।
বিছানায় কাউকে না দেখতে পেয়ে

মা- কই মরিয়ম কোথায়?
মাহিরঃ- মনে হয় ওয়াস রুমে গেছে।

খাটের ওপর পাশে নিচ থেকে মরিয়ম বলছে।
- মা মা আমাকে বাঁচান।
- মরিয়ম তুমি কোথায়?  
বলে পিছন ফিরে দেখে মরিয়ম কে খাটের সাথে বেধে রাখছে।

দৌড়ে মরিয়ম এর কাছে যার তার শ্বাশুড়ি।  সাথে সাথে মরিয়ম এর বান খুলে উপরে তলে আনে।
মরিয়ম এর সারা শরীর ব্যাথা হয়ে আসছে।

মাহির থর থর করে কাপছে।  মাহিরের বাবা রাগে মাহির কে থাপ্পড় লাগিয়ে দেয়।

- ছি তোর মত কুলাংগার আমি জন্ম দিয়েছি। কি অন্যায় ছিল মরিয়মের যার জন্য তুই মরিয়ম এর সাথে এমন করলি।

মাঃ- তুমি ওর সাথে পরে কথা বলবে। মরিয়ম বেহুশ হয়ে গেছে। তারাতাড়ি হসপিটাল এডমিট করতে হবে।

মরিয়ম কে নিয়ে মাহিরের বাবা হসপিটাল চলে যায়।

,,,,,,,,,,,,★★★,,,,,,,

-হ্যালো তানিয়া
- হ্যা রাফি বল।কেমন আছিস?
- আছি ভালোই। তুই কি একটা খবর শুনছ?
- কি খবর?  
- মাহির বিয়ে করছে।
- কি?
- কবে?
- আরো৩ মাস আগে
- সেটা ও আমাকে বলে নি। ও আমার সাথে চিট করছে।
- ওহ্হ আমি তোর শুভাকাঙ্ক্ষী তাই জানালাম।
- আগে কেন বল নাই?
- মাহির আমাকে অনেক বাড়ন করছে তাই বলি নাই।
- কিন্তু না বলে আর থাকতে পারলাম না।  ও তোর জন্য ওর বউয়ের সাথে বাজে আচরন করে। তুমি ওকে ছেড়ে দাও
- ওয়েট ওয়েট আমি কি করব সেটা তোর ভাবা লাগবে না।  আমার সাথে চিট।
ফোন রাখ।
,,,,,,,★★★,,,,,

তানিয়ার মাথা খারাপ হয়ে যায় এত দিন সোনার ডিম পাড়া হাস দেখে শুনে রাখছি এখন অন্য কেউ খাবে তা আমি হতে দিব না।
তানিয়া ওর হাজবেন্ট কে ফোন দিল।
- হ্যালো আকাশ মাহির বিয়ে করছে।
- কবে। তোমার সাথে ওর এতদিন কথা হয় নাই? আরে যদি তোমাকে ভুলে যায় তাহলে তো ওর সম্পত্তি আমরা কিছুই পাব না।
- ৩ মাস হইছে। কিন্তু আমাকে বলে না আজ রাফি বলছে।
- তার মানে ও তোমাকেই ভালোবাসে।  মাথা ঠান্ডা রাখ।  আর তুমি এই বিষয়ে টা যেন জান না। তুমি ওরে ফোন দিয়ে বল যে তুমি সামনের মাসেই দেশে আসছ আর ওরে বিয়ে করতে চাও বাকিটা আমি দেখছি।
- ওকে।
,,,,,★★★,,,,

এদিকে মরিয়ম এর অবস্থা খুবি খারাপ । এক ভাবে থাকার জন্য শরীরে প্রায় জায়গায় রক্ত জমাট বাধে কালো হয়ে যায়।  

ঔষধ দেওয়ার পর মরিয়ম সুস্থ হয়।  ২ দিন পর মরিয়ম কে রিলিজ দেয়।
মরিয়ম এর বাবা মা কিছুতেই মরিয়ম কে দিবে না। তারা তাদের সাথে করে মরিয়ম কে নিয়ে যায়।

মাহিরের বাবা বাসায় আসার পর মাহির কে একটার পর একটা প্রশ্ন শুরু করে।

মাহির ভাবে এত দিন চুপ ছিলাম আর না,,,,,,,

-কেন করেছ এমন।  এত দিন তো ভালোই ছিলে।  
- বাবা আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি।
- তো সেটা আমাকে কেন বলনি?
- বলার সুজুগ দিয়েছিলে।  
- তাই বলে মেয়েটাকে এই ভাবে মারবে?

-শোন আজকে আমি তোমাকে বলে রাখি।  মরিয়ম আমার  মেয়ের মত ওকে আমি আগেও ভালোবাসছি আর এখনো বাসি তাই আমি ওর কষ্ট দেখতে চাই না।
- যেহুতু তুমি একটা পশু।  
- বাবা!
- চুপ বেয়াদব।  ওকে তুই ডিভোর্স দিবি। আর আমি তোকে ত্যাজ্য করব। আমার ছেলে মরে গেছে।

মাঃ- কি বলছ এসব একটা মেয়ের জন্য নিজের ছেলেকে,,,
- আমার কোনো ছেলে নাই।  একবার মরিয়ম এর জায়গায় নিজেকে দেখ।  তোমার মেয়েকে দেখ।  

সবাই চুপ হয়ে যায়।  

মাহিরঃ- ঠিক আছে।  আমার আমি সেটাই করব।তাও আমি ওরে চাই না।

মাঃ- মাহির ছি!  এত কষ্ট করে মানুষ করলাম আজ এই প্রতিদান।  
- থাক রাখ ওর মত কুলাংগারের সাথে কথা বল না।

বলে মাহিরের মা বাবা দু জনে চলে গেল।  
- মাহিরের মনে কোনো অনু তপ্ত বোধ কাজ করছে না।
- কতক্ষণ পর তানিয়ার ফোন,,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,

উপস্থাপক:আল-মামুন রেজাimage

আমি আল-মামুন রেজা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 298 টি লেখা ও 28 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 6069। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
#enolej_idea #নিজস্ব আইডিয়া।গল্প
Enolej ID(eID): 2460
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হেদায়েতের_পথে 🍃🍃পর্ব:০৭🍃🍃তানিয়াঃ- হ্যালো, কেমন আছো মাহির?&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
101 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হিদায়েতের_পথে🌺পর্ব:০৫🌺মরিয়ম ভাবে কি করলে আমি আমার স্বামী õ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
90 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প#হেদায়েতের_পথে🍁৮ম ও শেষ পর্ব🍁 মমিঃ- দেখ মরিয়ম কান্না করিস না[...] বিস্তারিত পড়ুন...
84 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প।#হিদায়েতের_পথে🍂পর্ব:০৪🍂মমি মরিয়ম কে sms দিয়েছে,,,,, তুই এইভাবে ম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
83 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্পহিদায়েতের_পথে🌼পর্ব:০২🌼এশার নামাজ আদায় করে।  মরিয়ম নিচে যা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
100 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    66 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. মাইদুল ইসলাম মুকুল

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...