ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প
#হেদায়েতের_পথে
🍃🍃পর্ব:০৭🍃🍃
তানিয়াঃ- হ্যালো, কেমন আছো মাহির?
মাহিরঃ- হুমম ভালো,,, তুমি কেমন আছো?
তানিয়াঃ- মাহির আমি ১মাস পরেই দেশে আসছি । আর তোমাকে ছাড়া আমার ভালো লাগে না। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
এসেই আমরা বিয়ে করব।
মাহিরঃ- আচ্ছা আসো আমি তোমার প্রতীক্ষায় থাকি সব সময়। আমিও তোমাকে ভালোবাসি।
তানিয়াঃ- মাহির একটা কথা জিজ্ঞেস করব। মিথ্যা বলবে না।
মাহিরঃ- হুমম বল।
তানিয়াঃ- তুমি নাকি বিবাহ করেছ। কেন তুমি আমাকে ঠকালে কেন?
আমি কি তোমাকে ভালোবাসি না?
মাহিরঃ- তুমি কার কাছে শুনলে?
তানিয়াঃ- যার কাছেই শুনি। আগে বল কেন করলে এমন?
মাহিরঃ- দেখ তানিয়া আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর আমি ইচ্ছে করে বিয়ে করেনি।বাবার ভয়ে ঐ মেয়ে কে বিয়ে করেছি। আমি ছেড়ে দিব। তুমি আসো। তারপর আমরা বিয়ে করে নিব।
তানিয়াঃ- কিন্তু কথার যেন হের ফের হয় না।।
মাহিরঃ- নাহ মাই জান।
মাহির আর তানিয়ার অনেক ক্ষন কথা হয়।
,,,,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,,,
,,,,,,
মরিয়ম বাড়িতে এখন অনেকটাই সুস্থ। ,,,,,
বাড়িতে সারাক্ষণ মন মরা হয়ে থাকে। আর জায়নামাজ বিছিয়ে কাঁদতে থাকে।
***আল্লাহ আমি কি সব হারিয়ে ফেলব আমার সংসার কি আমি ফিরে পাব না। হে আল্লাহ তুমি আমার সংসারটা ফিরিয়ে দাও,,,,তারে আমার জিবনে উওম ভাবে দান কর।
মরিয়মের ফুপু আসছে মরিয়ম কে দেখতে৷
ফুপুঃ- কিরে মরিয়ম কেমন আছিস?
মরিয়মঃ- আলহামদুলিল্লাহ। আপনি কেমন আছেন ফুপু?
ফুপুঃ-আমিও আছি ভালো। তা শুনলাম তোর সোয়ামি নাকি তোরে মেরে ফিরিয়ে দিয়ে গেছে? আহা রে এমন ভাবে কাউকে কেউ মারে।
মরিয়ম কিছু বলে না শুধু মরিয়মের মূখের দিকে তাকিয়ে আছে।কি বলবে মরিয়ম। চুপ করে তাকিয়ে আছে ফুপুর দিকে। মরিয়ম মনে মনে চিন্তা করে এতদিন যতটা না কষ্ট পেয়েছি তার থেকে বেশি কষ্ট হচ্ছে ফুপুর কথা শুনে।
এই সময় তারা আমাকে একটু শান্তনা দিবে। কিন্তু তা না আরো উল্টে কলিজায় গিয়ে আঘাত করে।
ফুপুঃ- কি রে এভাবে তাকিয়ে আছিস কেন? তোকে আগেই বলেছিলাম এখন আধুনিক যুগ একটু আধুনিক ভাবে চল। কিন্তু তুই তোর মত কইরা চলছ। এসব পর্দা টর্দা ২-৩ টা বাচ্চা কাচ্চা হওয়ার পর করবি। দেখ এখন আমরা সব কিছু পালন করি না । আমরা কি এক স্বামীর সংসার করে আসি নাই।
দেখ আমার মেয়েকে জামাই বাবাজি কত ভালোবাসে। আমার মেয়ের কথায় উঠে আর বসে সারাদিন ঘুরে ফিরে।
তা তুই এত ভদ্র সেজে কি পাইলি?
মরিয়মের উওর দেওয়ার মত শক্তি নাই সব যেন কান্নায় ভেসে যাচ্ছে।
দরজার ঐ পাশ থেকে বলে উঠল ভিতরে আসতে পারি?
মরিয়ম দৌড়ে গিয়ে মমি কে জরিয়ে ধরে।
- আমার সব শেষ রে মমি। আমি শেষ পযন্ত আমার সংসার ধরে রাখতে পারলাম না। আমি কি করব এখন। আমি আর পারছি না।
জানিস ও আমাকে এতটাই কষ্ট দিছে তোরে বলে বুঝাতে পারব না। ও আমাকে ঐ দিন নামাজ আদায় করতে দেয় নাই। আমাকে খাটের সাথে বেধে রাখছে।
অঝোরে কান্না করতে থাকে মরিয়ম।
মমিঃ- আচ্ছা আয় এখন কাঁদিস নাহ। কাঁদলে তুই কখনো ওরে ফিরে পাবি না। আল্লাহর উপর ভরসা রাখ তার অলৌকিক ক্ষমতার শেষ নাই। তিনি বর্তমান ভবিষ্যত সব জানেন। যা হবে ভালোই হবে।
মরিয়মঃ- আমার ফুফু।
মমিঃ- আসসালামু আলাইকুম।
ফুফুঃ- ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
মমিঃ- আমি আরো অনেক আগেই এসেছি। ফুফুর কথা গুলো শুনলাম। ফুফু তো খুব ধার্মিক মনে করতাম কিন্তু সে যে জিবন এরকম করে কাটিয়ে এসে তার মধ্যে কোনো অনুতপ্ত বোধ জাগ্রত হয় নাই।
আচ্ছা ফুপু আপনি তো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন তাহাজ্জুদ ও পড়েন। এখন নাকি আবার নফল রোজাও রাখেন।
তা ফুফু আপনি এগুলো করেন কেন?
ফুফুঃ- আল্লাহ কে খুশি করার জন্য। আল্লাহ কে ভয় করি। জাহান্নাম থেকে বাচার জন্য।
মমিঃ- ওহ আচ্ছা ফুফু। নিজের মেয়ে কে বেহায়ার মত চারদিকে ঘুরতে দেন। বুকের ওরনা এক পাশে ফেলে স্বামী সহ আর ৫-৬ জন পুরুষের সাথে ছবি তুলে ফেইজবুকে আপলোড দেয়।
যতদুর শুনছি আপনার জামাই নাকি রাত্রে ক্লাবে থাকে জুয়ায় টাকা লাগায়। চরা শুধে টাকা লাগায়। আবার নাকি মাদক ব্যবসাহি মাঝখানে নাকি জেল ও খাটছে। টাকা দিয়ে জামিন নিছে।
সেই মেয়ে জামাই নিয়া আপনার এত গর্ব??
ফুপুঃ- এই মেয়ে তুমি কি বলতে চাও?
মমিঃ- আচ্ছা ফুফু আপনি তো আল্লাহর জন্য নামাজ পড়েন। আল্লাহ কে ভয় করেন। তাহলে জেনে নেই
ঘুষের লেনদেন সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?
বৈধভাবে আয়-রোজগার করা ইবাদত। ঘুষ কিংবা উৎকোচ গ্রহণ করে অন্যায়ভাবে আয়-রোজগার করা বৈধ নয় বরং তা হারাম। আল্লাহ তাআলা অবৈধ পন্থায় উপার্জন করতে নিষেধ করেছেন। কেননা ঘুষ বা উৎকোচ গ্রহণ করা সুদ, চুরি-ডাকাতি, জিনা-ব্যভিচারের মতো হারাম ও অবৈধ কাজ। যার চূড়ান্ত পরিণাম জাহান্নামের কঠিন শাস্তি।
ঘুষ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ব্যাধি। ঘুষের আদান-প্রদান তথা লেনদেন একটি নিকৃষ্ট পন্থা। এ ব্যাধি ও নিকৃষ্ট পন্থা থেকে বিরত থাকা ইসলামের নির্দেশ। ঘুষ গ্রহণে রয়েছে মারাত্মক পরিণতি। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে আয়-উপার্জন করাকে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না এবং মানুষের ধন-সম্পত্তির কিছু অংশ জেনে-বুঝে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে বিচারককে উৎকোচ দিও না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৮)
এবার আসি জুয়া সম্পর্কে ইসলাম কি বলে???
জুয়া সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্ট বর্ণনা এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু,সকল প্রকার হারাম নেশা জাতীয় দ্রব্য শয়তানের কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, তাহলেই তোমরা সফলকাম হতে পারবে। শয়তান তো মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চায় এবং তোমাদের আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ আদায়ে বাধা দিতে চায়। তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না। ’ (সুরা মায়িদা, আয়াত: ৯০-৯১)
কোরআনে মদ,গাজা,সিগারেট/তামাক ও জুয়াকে ঘৃণ্য বস্তু এবং শয়তানের কাজ বলা হয়েছে। এগুলো থেকে দূরে থাকার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মদ-জুয়ার মাধ্যমে পরস্পর শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়। উপরন্তু এগুলোর মাধ্যমে শয়তান মানুষকে নামাজ ও আল্লাহতায়ালার স্মরণ থেকে বিমুখ রাখে। মদ-জুয়া হারাম হওয়ার বিষয়টি অস্বীকারের কোনো সুযোগ নেই।
জুয়া সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা মদ, জুয়া ও বাদ্যযন্ত্র হারাম করেছেন। ’ (বায়হাকি, হাদিস: ৪৫০৩; মিশকাত, হাদিস: ৪৩০৪)
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, জুয়ায় অংশগ্রহণকারী, খোঁটাদাতা ও মদ্যপায়ী জান্নাতে যাবে না। ’ (দারেমি, হাদিস: ৩৬৫৩; মিশকাত, হাদিস: ৩৪৮৬)
আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ লাত-উজ্জার শপথ ইত্যাদি বললে, তবে সে যেন সঙ্গে সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে। আর কেউ যদি অন্যকে প্রস্তাব দেয়, এসো আমরা জুয়া খেলি; সে যেন (জরিমানাস্বরুপ) দান-সদকা করে। (বুখারি, হাদিস: ৪৮৬০; মুসলিম, হাদিস: ১৬৪৭; তিরমিজি, হাদিস: ১৫৪৫; ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২০৯৬)
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী (সা.) যখন (মক্কা) এলেন, তখন কাবাঘরে প্রবেশ করতে অস্বীকৃতি জানান। কেননা কাবা ঘরের ভেতরে মূর্তি ছিল। তিনি নির্দেশ দিলে মূর্তিগুলো বের করে ফেলা হয়। (এক পর্যায়ে) ইবরাহিম ও ইসমাইল (আ.)-এর প্রতিকৃতি বের করে আনা হয়। উভয় প্রতিকৃতির হাতে জুয়া খেলার তীর ছিল। তখন নবী (সা.) বললেন, আল্লাহ! ধ্বংস করুন। আল্লাহর কসম! অবশ্যই তারা জানে যে, [ইবরাহিম ও ইসমাইল (আ.)] তীর দিয়ে অংশ নির্ধারণের ভাগ্য পরীক্ষা কখনো করেননি। এরপর নবী (সা.) কাবাঘরে প্রবেশ করেন এবং ঘরের চারদিকে তাকবির বলেন। তবে ঘরের ভেতরে সালাত আদায় করেননি। (বুখারি, হাদিস: ১৫০৩)
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘বলা হতো, উটের জুয়াড়িরা কোথায়? তখন দশজন প্রতিযোগী একত্রিত হতো এবং জুয়ার উটটির ক্রয়মূল্য হিসেবে দশটি উটশাবক নিৰ্দ্ধারণ করতো। তারা জুয়ার পাত্রে তীর স্থাপন করে সেটিকে চক্কর দেয়াতো, তাতে একজন বাদ পড়ে নয়জন অবশিষ্ট থাকতো। এভাবে প্রতি চক্করে একজন করে বাদ পড়ে শেষে মাত্র একজন অবশিষ্ট থাকতো এবং সে বিজয়ী হিসেবে তার শাবকসহ অন্যদের নয়টি শাবকও লাভ করতো। এতে নয়জনের প্রত্যেকে একটি করে শাবক লোকসান দিতো। এটাও এক প্রকার জুয়া। ’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নম্বর: ১২৭১)
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, ‘তীর নিক্ষেপে বাজিধরা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত। ’ (ফাতহুল কাদির, হাদিস: ১২৭২)
ফুদাইল ইবনে মুসলিম (রহ.) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, ‘আলী (রা.) বাবুল কাসর থেকে বের হলে তিনি দাবা-পাশা খেলোয়াড়দের দেখতে পান। তিনি তাদের কাছে গিয়ে তাদের ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আটক রাখেন। তাদের মধ্যে কতককে তিনি দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। (বর্ণনাকারী বলেন, যারা অর্থের আদান-প্রদানের ভিত্তিতে খেলেছিল, তিনি তাদের রাত পর্যন্ত আটক রাখেন, আর যারা এমনি খেলেছিল তাদেরকে দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। ) তিনি নির্দেশ দিতেন, লোকজন যেন তাদের সালাম না দেয়। ’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস: ১২৮০)
জুয়া-বাজি থেকে প্রাপ্ত সবকিছু হারাম
সব ধরনের জুয়া-বাজি ইসলামে অবৈধ। জুয়া-বাজি থেকে প্রাপ্ত সবকিছু হারাম। হারাম ভোগ করে ইবাদত-বন্দেগি করলে, আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন না। তাই মুসলমান হিসেবে সব ধরনের জুয়া-বাজি থেকে দূরে থাকা আবশ্যক।
ফুপু আমার এমন মেয়ে জামাই নিয়া কি গর্ব। ভাবতে কেমন যেন লাগে তাই না ফুপি?
ফুফুর কিছু বলতে পারতাছে না শুধু মমির দিকে তাকিয়ে আছে।
মরিয়মঃ- আচ্ছা মমি তুই একটু থাম। আমাকে একটু বলতে দে।
ফুপু রাগান্বিত চোখ নিয়ে তাকায় মরিয়ম এর দিকে।
মরিয়মঃ- কি যেন বলছিলে তোমার মত পর্দা করতে। ওহ ফুফু আপনি রাগ কইরেন না ফুফু। আমি শুক্রিয়া আদায় করি ঐ মহান আল্লাহর দরবারে যিনি আপনাকে এই বয়সে হিদায়েত দান করছে।
ফুফু সেই যুবতি বয়সে আপনি অনেক সুন্দর ছিলেন। আপনাকে যে কোনো ছেলে দেখলে বাহবা দিত। আপনার চেহারার প্রসংশা করত সবাই পঞ্চ মুখ ছিল।
কিন্তু ফুফু আপনার বর্তমান ৬০ বছর আগের চেয়েহারা নাই। হাত পায়ের চামড়া চোচড়া দিয়ে গেছে৷
ফুফু আপনি আগে রাস্তা দিয়ে হেটে গেলে যুবক বৃদ্ধ সব আপনার দিকে তাকাইত। এখন আপনার দিকে ঐ নজরে আর তাকায় না। এখন সবাই আপনাকে মা খালার চোখে দেখে। আগে আপনার যেই মুল্য ছিল সবার কাছে এখন আর ঐ মূল্য নাই। এখন আপনাকে দেখলে কেউ আর প্রেমের প্রস্তাব দিবে না ফুপু।
আর এখন আপনি পর্দা করেন। হাত মুজা পারেন মুজা সব পড়েন। যখন আপনার দিকে কেউ তাকায় না। যাতে এখন বুঝা যায় না আপনি যুবুতি না বৃদ্ধা। আরো নিজের দিকে এই বয়সে পুরুষের আকর্ষণ বারান।
কেন ফুপু আপনি আপনার ২ মেয়ে কে এখন পর্দার শিক্ষা দিতে পারেন নাহ???
ফুপু আপনি যদি পর্দার জন্য নিজেকে ঢেকে থাকেন তাহলে নিজের মেয়ে কেও পর্দা করাতেন।
ফুপু আপনি যদি নামাজ পড়েন নিজের সন্তান কেও নামাজ পড়ান। আপনি যদি পর্দা করেন নিজের সন্তানদের আদেশ করেন ফরজ বিধান সম্পর্কে।
ফুপু আপনি কি আপনার সন্তান রেখে একা জান্নাতে যেতে চান??? আপনি এত স্বার্থপর কেন যে সন্তান কে এত ভালোবাসেন। আর সেই সন্তান জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিয়ে একা জান্নাতে যেতে চান।
ফুপু আজকে আমার দুঃখের দিনে আপনি আমাকে স্বান্তনা দিবেন। তা না করে আপনি আমাকে নানা রকম ভাবে খোচা দেন। ফুপু। একটা বার ভাবেন নাই আমি আপনার ভাইয়ের মেয়ে। আপনার ও মেয়ের মত। ফুপু আজ যদি আপনার মেয়ের সাথে এমন হইতো তাহলে এভাবে খোঁচা দিতে পারতেন।
ফুপু কিছু বলার ভাষা পায় না। শুধুই কান্না করে।
ফুপু কিছু বলার ভাষা পায় না। কাঁদতে কাদতে ফুপু এখানে থেকে চলে গেল।
মমি মরিয়ম কে অনেক বুঝাতে থাকে।
মমি বলতে থাকে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
চলবে,,,,,,,,,,,,
উপস্থাপক:আল-মামুন রেজা
( ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ভুল গুলো ধরিয়ে দিবেন)
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।