Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

প্রত্যাবর্তন—আঁধার থেকে আলোর পথে।

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
167 বার প্রদর্শিত
করেছেন (5,442 পয়েন্ট)   29 নভেম্বর 2025 "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 04 ডিসেম্বর 2025 সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

প্রত্যাবর্তন—আঁধার থেকে আলোর পথে

 রফিক আতা



১.

আদনান বড়লোক ঘরের ছেলে। সদ্য এসএসসি শেষ করেছে। বয়সে তরুণ, কিন্তু বাবার ব্যবসার ভার যেন অকালেই তার কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রায়ই তাকে বাবার বিশাল অফিসে বসতে হয়। পালিশ করা টেবিল, ঘূর্ণায়মান চেয়ার আর কাচের দেওয়ালে মোড়ানো সেই অফিসে বসে আদনান মনে মনে গড়ে তোলে নিজের ভবিষ্যৎ। ভাবে—একদিন সেও বাবার মতো বড় অফিসার হবে।


কাগজে কলমে হিসাব নিকাশ করতে করতে হঠাৎই সে ডুবে যায় স্বপ্নে—  অঢেল বাড়ি, দামী গাড়ি, অগণিত জমিজমা, শানদার ভিলা। তার মনে হয়, জীবনের সেরা আনন্দ এই ভোগ-বিলাসেই।


কিন্তু রাত নামলে অন্য এক আদনান জেগে ওঠে। বন্ধুদের সাথে ক্লাবে আড্ডা, টেবিলে সাজানো ক্যারাম বোর্ড, হাতে মদের গ্লাস, সিগারেটের ধোঁয়া আর নেশার অন্ধকারে সে খুঁজে ফেরে মুক্তি। অথচ জানে— এ প্রাচুর্য সবই বাবার সুদের টাকায় গড়া। অন্তরের গভীরে মাঝে মাঝে প্রশ্ন ওঠে— এ জীবন কি সত্যিই সুখের? কিন্তু সে প্রশ্নকে সে নিজেই নেশার ধোঁয়ায় চাপা দিয়ে রাখে।


২.

আদনানের বাবা শফিক সাহেব—  একজন বড় ব্যবসায়ী। তিনি অবসরের স্বপ্ন দেখেন। বারবার মনে মনে ভাবেন—  “আর ক’দিনের মধ্যেই সব দায়িত্ব আদনানের হাতে তুলে দেব। ছেলে আমার নাম উজ্জ্বল করবে।” বাহ্যত তাদের পরিবার সুখী, কিন্তু সেই সুখ যেন জোনাকির আলো—  দেখতে উজ্জল, অথচ ভেতরে ক্ষণস্থায়ী আর ভঙ্গুর।


৩.

এমনই এক সময়ে ফেনীর এক অজপাড়াগাঁয়ে অন্য এক আলোর রেখা যেন স্বমহিমায় ভাস্বর। জামেয়া রশীদিয়া ফেনী—  এক অনিন্দ্য সুন্দর প্রতিষ্ঠান। ইলম ও আমলের পুষ্পোদ্যান এই জামেয়া আজ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে দিগন্ত বিস্তৃত প্রবাসে। এখানকার ছাত্ররা শুধু দীনের জ্ঞান অর্জনেই সীমাবদ্ধ নয়, তারা ছড়িয়ে দেয় নবীর রেখে যাওয়া দাওয়াত বিশ্বময়।


প্রতি বছর সালানাহ ইমতেহানের পর দীর্ঘ ছুটিতে ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে বের হয় তাবলিগের মেহনতের উদ্দেশ্যে। তারা মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দাওয়াত দেয়, বোঝায়— “হে মানুষ! আল্লাহর পথে ফিরে আসো।”


এবারও জামেয়া থেকে প্রায় সাড়ে সাতশ ছাত্র ৩৩টি জামাতে বিভক্ত হয়ে বের হয়েছে। সেই জামাতগুলোর একটির দায়িত্য পেলেন ইয়াকুব ভাই। তরুণ বয়স, কিন্তু বুকে রয়েছে নবীসুলভ ফিকর। উম্মতের দুঃখে তার চোখ ভিজে ওঠে, মনে হয়— প্রতিটি মানুষকে আল্লাহর পথে ফিরিয়ে আনতে পারলে তিনি ধন্য হবেন।


৪.

এক বিকেলে সূর্য পশ্চিম আকাশে ঝুঁকছে। আছরের নামাজ শেষে ইয়াকুব ভাইয়ের জামাত বের হলো গাস্তে। ধীর পায়ে তারা এগিয়ে এলো শহরতলীর একটি ক্লাবের সামনে। ভেতরে তখন বাজছে উচ্চস্বরে সাউন্ড বক্স, টেবিলজুড়ে ক্যারাম খেলা, হাসি-ঠাট্টায় মশগুল তরুণেরা। তাদের ভিড়েই আছে আদনান।


হঠাৎ দরজার সামনে দাঁড়াল জামাতের দল। পাগড়িওয়ালা তরুণদের দেখে মুহূর্তেই থেমে গেল সাউন্ড বক্স। চারপাশে নেমে এলো এক অদ্ভুত নীরবতা।


ইয়াকুব ভাই শান্ত কণ্ঠে বললেন——“ভাইয়েরা, আমরা সবাই জানি জীবন ক্ষণস্থায়ী। আল্লাহ আমাদের কেবল খেলা আর আনন্দের জন্য সৃষ্টি করেননি। তিনি আমাদের পরীক্ষা করেন। অনেক সময় আমরা পথ হারাই, ভ্রান্ত পথে চলি। কিন্তু হেয় নয়—কারণ তিনি ফেরার পথ রেখেছেন। যেমন তিনি বলেন:


‘قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ’

‘বলুন, আমার সেই বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর অনিয়ম করেছে, হে বান্দারা! আল্লাহর রহম্য থেকে হতাশ হইও না।’ [সূরা যুমার: ৫৩]



কথাগুলো যেন সরাসরি আদনানের অন্তরে গিয়ে বিঁধল। বুকের ভেতর কেঁপে উঠলো কিছু। সে প্রথমবার নিজের ভেতর শুনলো এক ভিন্ন সুর—যেন কেউ তাকে ডাকছে। বারবার হৃদয় মাঝে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে সেই আয়াতের একটি অংশ—

 لا تقنطوا من رحمة الله


ক্লাবের বন্ধুরা একে অপরের দিকে তাকালো, কেউ হাসলো, কেউ আবার মাথা নিচু করে রইল। কিন্তু আদনান স্থির হয়ে বসে রইল। ইয়াকুব ভাই আবার বললেন—“একদিন এই জীবন শেষ হবে। তখন শুধু আমলই কাজে লাগবে। কিন্তু আজ—আজই তুমি ফিরে আসো, এখনই ফিরে আসো। সময় না নষ্ট করো, আল্লাহর কাছে ফিরে যাও। মনে রেখো, যারা ফিরবে, তাদের জন্য রয়েছে মুক্তি, শান্তি, ও আশীর্বাদ।”


আদনান চোখ নামিয়ে ফেললো। মনে হলো, এই ডাক তার জন্যই। ইয়াকুব ভাইয়ের দৃষ্টি ও কথার মায়ায় সে আর নিজের ভেতরের টানকে অস্বীকার করতে পারলো না। অবশেষে সে রাজি হলো এক চিল্লায় বের হতে।


৫.

চিল্লার দিনগুলো আদনানের জীবন পাল্টে দিলো। ভোরের ফজর নামাজে দাঁড়িয়ে তার মনে হলো, এটাই প্রকৃত শান্তি। দিনের পর দিন দাওয়াত, কুরআন তেলাওয়াত, নামাজ আর সাথীদের মেহনত— সবকিছু তার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করলো।


রাতের নেশা, জুয়ার টেবিল, মদের গ্লাস— সব যেন অনেক দূরের স্মৃতি হয়ে গেলো। একসময় যে আনন্দে সে ডুবতো, এখন সেগুলো মনে হয় বিষের মতো। তার বদলে আল্লাহর পথে সময় কাটানোর স্বাদ তাকে আচ্ছন্ন করে রাখলো।


চিল্লা শেষে যখন সে বাড়িতে ফিরলো, তখন তার মনে বড় এক দ্বিধা। ব্যবসার মোহ আর নবপাওয়া আলোর টান— কোন পথ বেছে নেবে?


৬.

ঠিক তখনই জামেয়া রশীদিয়ার কিছু ছাত্র তাকে জানালো—

“ভাই, এখানে কুল্লিয়্যাতুশ শরীযাহ নামে একটি বিশেষ বিভাগ আছে। স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ছাত্ররাও এখানে ভর্তি হয়ে কুরআন-হাদিস শিখতে পারে। এখানে তোমার মতো অনেকেই এসেছে—যারা আগে ভিন্ন পথে ছিলো, পরে আল্লাহর পথে ফিরো এসেছে। তুমিও চলে এসো”


আদনানের চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। মনে হলো, তার খোঁজা উত্তর মিলেছে এখানেই। ছাত্রদের উৎসাহ, স্নেহমাখা দাওয়াত আর নিজের অন্তরের টান মিলিয়ে সে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিলো— ব্যবসার জগত নয়, তার জীবন হবে দীনের পথে নিবেদিত।


৭.

অবশেষে সে ভর্তি হলো জামেয়া রশীদিয়ার কুল্লিয়্যাতুশ শরীয়হ বিভাগে। বাবার ব্যবসার স্বপ্নকে পেছনে ফেলে সে বেছে নিলো নবীর রেখে যাওয়া দীনের উত্তরাধিকার। নতুন বই, নতুন পাঠ, নতুন সাথী আর নতুন জীবনের আলোয় আদনান যেন নতুন করে জন্ম নিলো।


তার প্রত্যাবর্তন শুধু নিজের জীবনে নয়, বরং আশপাশের মানুষদের কাছেও হলো এক নতুন দৃষ্টান্ত। সবাই বুঝলো— আল্লাহ ডাকলে ফিরবার দরজা কখনোই বন্ধ হয় না।


সমাপ্তি

অন্ধকার থেকে আলোর পথে, বিভ্রান্তি থেকে নিশ্চয়তার পথে আদনানের এই প্রত্যাবর্তন যেন এক জীবন্ত শিক্ষা— দুনিয়ার মোহ যতই টানে, আল্লাহর পথে ফেরার আনন্দ তার চেয়ে অগণিত গুণ গভীর।

image

আমি রফিক আতা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 266 টি লেখা ও 11 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 5442। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া
Enolej ID(eID): 1609
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ঝর্ণার কোলাহলে হারানো নিশ্বাস ️—রফিক আতা—  খৈয়াছড়া:— জলপ্রপাতের কলতান, পর্বতের&nbs[...] বিস্তারিত পড়ুন...
107 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ওরাও জামেয়ার এক মহার্ঘ সম্পদ রফিক আতা দিনটি ছিলো শুক্রবার। বিকাল থেকেই আকাশ ছিলো [...] বিস্তারিত পড়ুন...
132 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
           যে রাতে শৈশব কেঁপে উঠেছিলো                     — রফিক আতা — দূরন্ত এক স্মৃতি। আবছা আ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
117 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
প্রভাতের মৃদু আলোয় ব্যালকনিতে বসে আমি টেবিলের উপর খাতা খুলে কিছু পুরোনো স্মৃতি লিখ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
153 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
৫. আমরা তিনজন দ্রুত রিকশাচালক ভাইটাকে সতর্ক করতে করতে সরে পড়লাম। কিন্তু সে রিকশার ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
147 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    66 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. রাকিব মুসাব্বির

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...