সনাতন ধর্ম নারীকে দিয়েছে দেবীর সম্মান নাকি দাসীর সম্মান❔❓
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
হিন্দুদের কমন একটা ডায়লগ হলো " নারীদেরকে নাকি তাদের ধর্ম দিয়েছে দেবীর সম্মান"। এই কথাটা ১০০% ভেজালমুক্ত মিথ্যা কথা। তো এখন আমরা মনুসংহিতার আলোকে দেখে নেই নারীর সম্মান।
তো চলুন শুরু করা যাক।
* নারী হলো অপদার্থ ( ৯/১৮)
* নারী কোনো স্বাধীনতা নেই কারণ সে স্বামীর অনুমতি ব্যাতিত কিছুই করতে পারে না ( ৫/১৫৫)
* নারী হলো কামুক ( ৯/১৪)
*পুরুষ দেখলেই নাকি নারীরা মিলন করতে চাই ( ৯/১৫)
* পুরুষদের দূষিত করা নাকি নারীর কাজ ( ২/২১৩)
* শয়ন, আসন, ভূষণ,কাম, ক্রোধ,পুরহিংসা, কুটিলতা ও কুৎসিত নারীর স্বভাব ( ৯/১৭)
* নারী সকল পুরুষকে বশ করে ( ২/২১৪)
* ঋতুমতী নারীকে অশুচি বলে ঘোষণা করা হয়েছে( ৫/৮৫)
*স্ত্রীলোক কখনোই স্বাধীনভাবে অবস্থান করবেন না(৫/১৪৮)
* নারী নাকি পিতৃকুল ও পতিকুল কে কলঙ্ক করে ( ৫/১৪৯)
* পত্নীর সঙ্গে কখনোই তিনি (স্নাতক ব্রাহ্মণ) একপাত্রে ভোজন করবেন না ( ৪/৪৩)
* নারী হলো শষ্যক্ষেত ( ৯/৩৩)
ইত্যাদি ইত্যাদি
আরও আছে যেগুলো আরও মারাত্মক , আমি সেগুলো বলতে চাই না।
য়াহ হে নারী তুমি সত্যিই দেবী তুমি সত্যিই দেবী।
★ এখন আসি একটা পয়েন্টে অনেকে হয় তো বলতে পারেন যে আল কোরআনেও তো নারীকে শষ্যক্ষেত ও ছলনাময়ী বলা হয়েছে। তো যারা এরকম কথা কমেন্টে বলবেন তাদের বলতে চাই যে " একটু ভুল বলেছেন "।
প্রথম তো
সূরা ইউসুফ এতে জুলেখাকে উদ্দেশ্য করে ওই কথাটা বলা হয়েছে সকল নারীকে না, দেখুনঃ
* তাফসীরে যাকারিয়া
* তাফসীরে ফাতহুল মাজীদ
দ্বিতীয় তো
সূরা বাকারাই কেন নারীকে শষ্যক্ষেত বলা হয়েছে সেটা প্রেক্ষাপট পড়লেই বুঝবেন। আরবে সেই সময়ে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল এই যে " নারীর গৃহ্যদেশ দিয়ে সহবাস করলে সন্তান বিকলাঙ্গ হয়( যেখানে আমরা বিজ্ঞানের আলোকে জানতে পেরেছি যে যোনি দিয়ে সহবাস করলপই বাচ্চা হয় আর শিশু বিকলাঙ্গ হওয়ার পিছনে দুর্বল শুক্রাণু সহ আরও কিছু কারন আছে) তো মানুষেই ওই ধারণা কে ভাংগার জন্য উক্ত উপমা ব্যবহার করা হয়েছে + আল্লাহর ইচ্চা ছাড়া....
* তাফসীরে ইবনে কাছীর
* তাফসীরে তাইসিরুল
আশা করি কথা ক্লিয়ার
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।