Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

তোর বাম হাতে ব্যথা তো?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (28,032 পয়েন্ট)   16 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

তোর বাম হাতে ব্যথা তো?image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

স্মৃতিচারণ | ৯ অক্টোবর ২০২৬


“তুই ডান হাত দিয়ে টিপ, তোর বাম হাতে ব্যথা তো!”


বাবা কথাটা বলেছিলেন ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর দুপুরে।


আমি তখন তাঁর মাথা টিপে দিচ্ছি। তিনি খিদমা হাসপাতালের কেবিনে শুয়ে। কয়েক দিন ধরে জ্বর, শরীর দুর্বল। ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। তার সঙ্গে তীব্র হার্ট অ্যাটাক।


তবু আমার বাম হাতের ব্যথাটা তাঁর মনে আছে।


আমি তাঁর মাথা টিপছিলাম। বাবা চোখ বন্ধ করে ছিলেন। হঠাৎ কথাটা বললেন এমনভাবে, যেন অসুস্থ মানুষটি তিনি নন, বরং আমার শরীরটাই তাঁর চিন্তার বিষয়।


সেদিন আমি জানতাম না, এটাই হবে বাবার সঙ্গে আমার শেষ স্বাভাবিক কথাগুলোর একটি।


বাবার অসুস্থতার শুরু ২২ অক্টোবর।


সন্ধ্যার দিকে খবর পেলাম, বাবার প্রচণ্ড জ্বর। ছুটে গেলাম তাঁর বাসায়। গেস্ট রুমের ছোট খাটটিতে বাবা শুয়ে ছিলেন। কাছে গিয়ে কপালে হাত রাখতেই হাত সরিয়ে নিতে ইচ্ছে হলো। শরীর জ্বরে পুড়ছে। হাত-পায়ে ব্যথা।


বাবা আগে থেকেই স্ট্রোকের রোগী ছিলেন। বয়সও হয়েছিল। কিন্তু সেদিন তাঁকে দেখে মনে হলো, এই জ্বরটা যেন একসঙ্গে তাঁর শরীরের সব শক্তি টেনে নিয়েছে।


রক্তের নমুনা নেওয়া হলো। রাতের দিকে এলাকার ডাক্তার এসে রিপোর্ট দেখে বললেন, “তাকে হাসপাতালে ভর্তি করুন।”


বাবা রাজি হলেন না।


তিনি তখনও নিজের মতো করে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছিলেন। আমাকে দেখে হয়তো বুঝতে দিতে চাইছিলেন না যে তিনি কতটা অসুস্থ।


রাত এগারোটার দিকে আমি বাসায় ফিরে এলাম।


সারারাত ঘুম হলো না।


ফজরের নামাজের পর একটু চোখ লেগে এসেছিল। ঘুম ভেঙে আবার বাবার কাছে গেলাম।


তখন বাবা অস্বাভাবিক কথা বলছেন। স্যালাইন চলছে। কখনো হাতের স্যালাইন খুলে ফেলছেন। তাঁকে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি ঠিকমতো বুঝতেই পারছেন না কোথায় আছেন।


রিপোর্ট তখন হাতে।


আর অপেক্ষা করিনি।


দুপুরে অ্যাম্বুলেন্স এলো। বাবাকে হুইলচেয়ারে বসানো হলো। সাততলা থেকে নামাতে চারজন মানুষ লাগল।


সিঁড়ি দিয়ে বাবাকে নামানো হচ্ছে।


সেদিন কেউ জানত না, এই সাততলা দিয়ে তাঁর আর কখনো ওপরে ওঠা হবে না।


সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। শুক্রবার হওয়ায় রাস্তাও ফাঁকা ছিল। দ্রুত পৌঁছে গেলেও চিকিৎসার ব্যবস্থা দ্রুত হলো না। হার্ট বা স্ট্রোকের ডাক্তারও পাওয়া গেল না।


বাবাকে নিয়ে আবার বের হলাম।


এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল।


এক জায়গায় আইসিইউ বেড নেই। শেষ পর্যন্ত মগবাজারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারলাম। হাসপাতালের পরিচালক আমার বন্ধু ছিলেন। তাঁর সহযোগিতায় বাবার চিকিৎসা শুরু হলো।


সেই রাত, পরের দিন, তারপর আরও একটি দিন—হাসপাতালের কেবিন, আইসিইউ, রিপোর্ট, প্লাটিলেট, প্লাজমা—সবকিছু একসঙ্গে চলতে থাকল।


বাবার প্লাটিলেট কমে গিয়েছিল। প্লাজমা দিতে হলো। ছোট ভাই ডোনার আনতে ছুটল।


কিছু সময় বাবাকে ভালোও মনে হয়েছিল।


অসুস্থ মানুষের সামান্য ভালো থাকাকেও তখন বড় আশা মনে হয়।


২৫ অক্টোবর তাঁকে বাসার কাছের খিদমা হাসপাতালে নিয়ে এলাম। সেদিন বাবা কিছুটা স্বাভাবিক ছিলেন।


পরদিন দুপুরে তাঁর পাশে আমি একা।


“মাথাটা একটু টিপে দে।”


আমি তাঁর মাথা টিপছিলাম।


তারপর সেই কথাটা—


“তুই ডান হাত দিয়ে টিপ, তোর বাম হাতে ব্যথা তো!”


আমি আর কিছু বলিনি।


হয়তো বাবাও আর কিছু বলতে চাননি।


এই কথাটার মধ্যে কোনো বিদায় ছিল না। কোনো শেষ কথা ছিল না। কেউ জানত না, কয়েক ঘণ্টা পর আমাদের সামনে কী অপেক্ষা করছে।


কিছুক্ষণ পর ছোট ভাই এলো। আমি মেয়েকে স্কুল থেকে আনতে বাসায় গেলাম। ওর টেস্ট পরীক্ষা চলছিল।


বাসায় ঢোকার পরপরই ফোন।


বাবার পেট ফুলে গেছে।


জ্বর বেড়েছে।


শ্বাস নিতে পারছেন না।


আবার হাসপাতালে গেলাম।


বাবাকে দেখে মনে হলো, এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। ডাক্তার বললেন, “অবিলম্বে আইসিইউতে নিতে হবে।”


অ্যাম্বুলেন্সে করে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো।


সেখানেও আইসিইউ বেড নেই।


অনেক অনুরোধের পর একটা বেড পাওয়া গেল। ৭ নম্বর।


বাবাকে আইসিইউতে নেওয়া হলো।


ভেতরে ডাক্তাররা চেষ্টা করছেন। বাইরে আমরা।


কিছুক্ষণ পর একজন ডাক্তার এসে বললেন, “খুব দেরি হয়ে গেছে। এখন একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই পারেন কিছু করতে।”


রাত একটা পর্যন্ত বাবার পাশে ছিলাম।


তিনি বারবার পানি চাইছিলেন।


আমি পানি দিচ্ছিলাম।


তিনি আমার হাত শক্ত করে ধরে রাখছিলেন।


এইটুকুই।


কোনো বড় কথা হয়নি।


কোনো বিদায়ও হয়নি।


শুধু বাবার হাতটা আমার হাতে ছিল।


তারপর শরীরটা দুর্বল লাগায় বাসায় ফিরে এলাম।


সকাল আটটার দিকে ছোট ভাই ফোন করল।


“ডাক্তাররা লাইফসাপোর্ট দিতে চাচ্ছেন, তুমি অনুমতি দেবে?”


আমি জানতাম, আর কোনো পথ নেই।


বললাম, “দাও।”


হাসপাতালে গিয়ে দেখি, বাবা যন্ত্রের নলের নিচে শুয়ে আছেন।


চোখেমুখে অদ্ভুত শান্তি।


দুপুর পর্যন্ত ছিলাম। মেয়ের পরীক্ষা ছিল। তাই বাসায় ফিরতে হলো।


ভাবলাম, বিকেলে আবার যাব।


কিছু কিছু “আবার” আর আসে না।


বিকেলের দিকে ফোন এলো।


“তুমি হাসপাতালে যেও না। বাসায় এসো। বাবা আর নেই।”


সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন শুনলাম।


নিচে নেমে গেলাম।


বাবা ফিরেছেন।


কয়েক দিন ধরে যাঁকে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে নিয়ে ছুটেছি, তিনি এবার নিজের বাসায় ফিরলেন।


চোখ বন্ধ।


মুখে শান্তি।


দেখে মনে হচ্ছিল, বাবা ঘুমিয়ে আছেন।


কিন্তু ডাকলেও আর চোখ খুলবেন না।


আমি কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম।


মনে পড়ছিল, কয়েক ঘণ্টা আগেও তিনি বলেছিলেন,

“তুই ডান হাত দিয়ে টিপ, তোর বাম হাতে ব্যথা তো!”


বাবার শেষ কথাগুলোর মধ্যে আমার নিজের জন্য তাঁর সেই চিন্তাটুকু রয়ে গেল।


তিনি তখন নিজের শরীরের সঙ্গে লড়ছিলেন।


তবু আমার বাম হাতের ব্যথাটা ভুলে যাননি।


বাবারা বোধহয় এভাবেই থেকে যান।


চলে যাওয়ার পরও।


কোনো বড় কথায় নয়।


একটা সাধারণ বাক্যে।


একটা হাতের মুঠোয়।


অথবা এমন কোনো দুপুরে, যখন হঠাৎ মনে পড়ে যায়,

কেউ একজন একদিন নিজের অসহ্য কষ্টের মধ্যেও বলেছিল,


“তোর বাম হাতে ব্যথা তো?”

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1387 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 28032। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4947
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#কবির_হাতেখড়ি  #মো_নাছির_উদ্দিন।  তুমিই হবে দেশজোড়া কবি সাথে রাখবে চক স্লেট সবই। গুন গুনিয়ে আসবে যাহা মনে  লিখে তুমি রাখবে ক্ষনে ক্ষনে ।  সন্ধ্যা রাতে ঝিঁ ঝিঁ পোকার সুর  শুনবে তুমি কানে সু ম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
131 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
এই তো সেদিন, আড্ডার দেশের সীমান্ত পেরিয়ে যখন ঘরে পৌঁছালাম, তখন প্রায় ভোর। (আড্ডার দেশ &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
513 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
" আহান ভাইয়া আমাকে বললো, তোর মত একটা কালো মেয়েকে আমি ভালোবাসবো এটা তুই ভাবলি কি করে" ?  ক&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
209 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফিরে আসার ঠিকানা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ২৪ আগস্ট ২০২৬ সেদিন বিকেল থেকে বৃষ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
52 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বড় ছেলে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প | ১৭ আগস্ট, ২০২৬ অভিকের বয়স তখন উনিশ। সেদিন স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
56 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    428 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    4 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...