Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বাবা, তোমাকে আজও খুঁজি

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,950 পয়েন্ট)   15 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বাবা, তোমাকে আজও খুঁজিimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

স্মৃতিচারণ | ২৭ অক্টোবর ২০২৬


বাবা, তোমাকে শেষবারের মতো বাড়িতে ফিরতে দেখেছিলাম ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর। সেদিন তুমি বাড়ি ফিরেছিলে, কিন্তু আমার সেই বাবাটা আর ফিরে আসেনি—যার সঙ্গে কথা বলার জন্য কোনো অজুহাত লাগত না।


সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সের শব্দ শুনে নিচে নেমে গিয়েছিলাম। কত আশা ছিল, তুমি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। গত কয়েকটা দিনের দুশ্চিন্তা শেষ হবে, তোমাকে আবার কাছে পাব, তোমার সঙ্গে কথা বলতে পারব। কিন্তু বাড়ি ফিরেছিলে তুমি, অথচ তোমার সঙ্গে আর কোনো কথা বলা সম্ভব ছিল না। যে মানুষটাকে সুস্থ করে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন দেখেছিলাম, তাঁকে এভাবে ফিরে পেতে হবে, কখনো ভাবিনি।


আজ চার বছর হয়ে গেল, বাবা। ক্যালেন্ডারের পাতায় চারটি বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই সন্ধ্যার স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি।


তোমার শেষ কয়েকটা দিনের কথা খুব মনে পড়ে। অসুস্থ শরীর নিয়ে হাসপাতালে শুয়ে ছিলে। নিজের কত কষ্ট, কত যন্ত্রণা—তার মধ্যেও আমার কষ্টের কথা ভুলে যাওনি। আমার বাঁ হাতে ব্যথা ছিল। তুমি সেটা খেয়াল করে বলেছিলে, “তুই ডান হাত দিয়ে টিপ, তোর বাঁ হাতে ব্যথা তো!”


বাবা, তোমার সেই কথাটা আজও আমার মনে আছে। তুমি নিজেই তখন অসুস্থ, অথচ ছেলের বাঁ হাতের ব্যথাটা তোমার মনে ছিল। কথাটা হয়তো খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু আজ সেই কথার মধ্যেই তোমার ভালোবাসা খুঁজে পাই। তোমার মুখ থেকে আর কোনো দিন এই কথাটা শুনতে পাব না—ভাবলে বুকের ভেতরটা কেমন করে ওঠে।


এখন কত কথা মনে হয় তোমাকে বলি। কোনো কষ্টের সময় মনে হয়, তোমাকে জানাই। কোনো ভালো খবর পেলে মনে হয়, তোমাকে বলি। হয়তো তুমি শুনে খুশি হতে, হয়তো দু-একটা সাধারণ কথা বলতে। কিন্তু সেই সাধারণ কথাগুলো শোনার মানুষটিই যে আর নেই!


আগে কখনো ভাবিনি, বাবার সঙ্গে কথা বলার সুযোগটাও একদিন স্মৃতি হয়ে যাবে। মনে হতো, তুমি তো আছ। প্রয়োজন হলে কথা বলব, সময় পেলে পাশে বসব। কত কথা যে পরে বলব ভেবে রেখে দিয়েছিলাম! এখন সেই কথাগুলো বলার আর কোনো সময় আসবে না।


তোমার সঙ্গে আমার আরও কত কথা বলা বাকি ছিল, বাবা! হয়তো সব কথা কোনো দিনই বলা হতো না। তবু তুমি আছ—এই বিশ্বাসটুকু ছিল। এখন কোনো কথা মনে পড়লে তোমাকে বলার বদলে নিজের মধ্যেই রেখে দিতে হয়।


আজ তোমার মৃত্যুবার্ষিকীতে লিখতে বসে বারবার সেই শেষ ফেরার কথাই মনে পড়ছে। যে মানুষটাকে সুস্থ করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য এত চেষ্টা করেছিলাম, তাঁকে আর কখনো আগের মতো ফিরে পাব না। এই সত্যটা বদলানোর ক্ষমতা আমার নেই। শুধু স্মৃতিগুলো আঁকড়ে ধরে তোমাকে মনে করতে পারি।


বাবা, আজ যদি তোমার পাশে বসার সুযোগ পেতাম, তাহলে হয়তো খুব বেশি কিছু বলতাম না। শুধু তোমার পাশে কিছুক্ষণ বসে থাকতাম। তোমার মুখের দিকে তাকাতাম, তোমার কথা শুনতাম। কারণ এখন তোমার সঙ্গে কাটানো সাধারণ মুহূর্তগুলোর কথা মনে পড়লেও সেগুলো আর ফিরে পাওয়ার কোনো উপায় নেই।


বাবা, চার বছর হয়ে গেল তুমি নেই। তবু তোমাকে মনে করার জন্য কোনো বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না। কোনো কথা মনে পড়লে, কোনো কষ্ট এলে কিংবা হঠাৎ কোনো স্মৃতি সামনে এসে দাঁড়ালে তোমাকে খুঁজি। তারপর মনে পড়ে, তোমাকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না।


শুধু একটা আফসোস রয়ে গেল—আরেকবার যদি তোমাকে বাবা বলে ডাকতে পারতাম, আরেকবার যদি তোমার কণ্ঠটা শুনতে পেতাম!


বাবা, তোমার জন্য আমার দোয়া কখনো থামবে না। আল্লাহ যেন তোমাকে মাফ করে দেন। তোমার কবরটা যেন শান্তির হয়, আলোয় ভরে থাকে। তোমাকে যেন জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।


ভীষণ মনে পড়ে তোমাকে, বাবা। চার বছর পরেও তোমাকে হারানোর কষ্টটা আগের মতোই রয়ে গেছে।


আল্লাহ তোমাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1482 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29950। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5105
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
বাবার নম্বরটি আজও ফোনে আছে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন শোক ও স্মৃতির ছোটগল্প ১৯ অক্টোবর [...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ভালো বাবা হতে গিয়ে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ১৯ আগস্ট ২০২৬ মেঘলা ছোটবেলায় একদ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
53 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে ঋতুতে বাবা থাকেন না   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ২৫ জুন, ২০২৬ অভিকের মনে হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
109 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিঃশব্দ মাটির নিচে আমার বাবা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প।এপ্রিল ১৮, ২০২৬ কবরে শ&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
451 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

তোমাকে মনে পড়ে—যখন রাতের বুকে নক্ষত্রেরা নিঃশব্দে ডুবে যায় দূর অরণ্যে, যখন কুয়&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2346 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    11 মন্তব্য

    116 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Mayabi Ilmaz Megh

    211 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...