Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

শেষ চিঠির আগে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
10 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,228 পয়েন্ট)   4 দিন পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সিরিজ- থ্রিলার টাইম

শেষ চিঠির আগেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

রোমান্টিক থ্রিলার | ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নিশির সঙ্গে অভিকের শেষ দেখা হয়েছিল আট বছর আগে।


তারপর আর কোনো ফোন নেই, কোনো চিঠি নেই। শুধু প্রতি বছর অভিকের জন্মদিনের আগের রাতে তার পুরোনো ই-মেইলে একটি খালি মেইল আসত। কোনো বিষয় নেই, কোনো লেখা নেই। শুধু সময়—রাত ১১টা ৪৭ মিনিট।


প্রথম বছর অভিক ভেবেছিল ভুল। দ্বিতীয় বছরও। তৃতীয় বছর থেকে সে অপেক্ষা করতে শুরু করল।


অষ্টম বছরে মেইলের সঙ্গে একটি ছবি এল।


নিশির ছবি।


ছবির পেছনের বাড়িটা অভিক চিনতে পারল। নদীর ধারে তাদের পুরোনো ভাড়া বাড়ি। আট বছর আগে নিশি সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়েছিল।


পরদিন বিকেলে অভিক সেখানে গেল।


বাড়িটা প্রায় ভেঙে পড়েছে। জানালার কাচ নেই, উঠানে আগাছা। দরজার তালায় মরচে। কিন্তু ভেতরে ঢুকেই অভিক থেমে গেল।


টেবিলের ওপর ধুলো নেই।


তার ওপর রাখা একটি কাপ। কাপের নিচে ভাঁজ করা কাগজ।


“তুমি দেরি করেছ।”


অভিক কাগজটা হাতে নিতেই পেছনের ঘর থেকে দরজা খোলার শব্দ হলো।


নিশি দাঁড়িয়ে আছে।


আট বছর পরেও তাকে চিনতে এক মুহূর্ত লাগল না।


কিছুক্ষণ দুজনেই কথা বলল না।


তারপর অভিক বলল, “তুমি কোথায় ছিলে?”


“ঢাকায় না। কারও সঙ্গে যোগাযোগ না রেখে।”


“কেন?”


নিশি চেয়ারে বসল। “সেদিন রাতে তোমার ফোন থেকে আমাকে একটা মেসেজ গিয়েছিল—‘আমাকে আর খুঁজো না।’”


“আমি পাঠাইনি।”


“আমি জানি।”


নিশি বলল, আট বছর আগে তাদের ফোনের কিছু পুরোনো ভয়েস রেকর্ড ব্যবহার করে এমন মেসেজ বানানো হয়েছিল, যাতে দুজনেই মনে করে অন্যজন আর সম্পর্ক রাখতে চায় না। সে ভয় পেয়েছিল। তারপর নাম বদলে অন্য শহরে চলে যায়। এতদিন সে ফিরে আসেনি, কারণ যে মানুষটা তাদের আলাদা করেছিল, তার পরিচয় সে কখনো নিশ্চিতভাবে জানতে পারেনি।


“তাহলে আজ ফিরলে কেন?”


নিশি টেবিলের ওপর রাখা কাপটার দিকে তাকাল।


“কারণ প্রতি বছর তোমার জন্মদিনের আগের রাতে যে মেইলটা পাঠিয়েছি, সেটা আর খালি রাখতে ইচ্ছে করেনি।”


অভিকের বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।


“তুমিই পাঠাতে?”


নিশি মাথা নাড়ল।


“প্রতি বছর ভাবতাম, একটা কথা লিখব। তারপর লিখতে পারিনি।”


“কেন?”


“কারণ ভয় হতো, তুমি হয়তো আর আমাকে মনে রাখোনি।”


অভিক মৃদু হেসে বলল, “আমি প্রতি বছর অপেক্ষা করেছি।”


নিশির চোখ নামিয়ে গেল।


কিছুক্ষণ পর সে বলল, “তোমার কাছে এখনও ঘড়িটা আছে?”


অভিক অবাক হলো।


“কোন ঘড়ি?”


“যেটা তোমাকে আমি দিয়েছিলাম।”


আট বছর আগে নদীর ধারে দাঁড়িয়ে নিশি তাকে ঘড়িটা দিয়েছিল। সস্তা একটা পুরোনো ঘড়ি। বলেছিল, “সময়টা মনে রেখো। মানুষকে না পারলেও।”


অভিক এতদিন ঘড়িটা পরেনি। ড্রয়ারে রেখে দিয়েছিল।


সে ফোন বের করে ঘড়িটার ছবি দেখাল।


নিশি তাকিয়ে রইল।


“তুমি এখনও রেখেছ।”


“ফেলে দিতে পারিনি।”


বাইরে তখন বৃষ্টি শুরু হয়েছে।


নিশি হঠাৎ বলল, “আজ রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে আরেকটা মেইল যাবে।”


“কাকে?”


“তোমাকে।”


“কী লেখা থাকবে?”


নিশি উত্তর দিল না।


রাত বাড়ল। বৃষ্টি থামল। পুরোনো বাড়ির ভেতর শুধু দেয়ালঘড়ির শব্দ।


১১টা ৪৬।


অভিক কম্পিউটারের সামনে বসে।


১১টা ৪৭।


নতুন মেইল এল।


এবার খালি নয়।


একটি মাত্র বাক্য—


“আমি যে আট বছর অপেক্ষা করেছি, তুমি কি সেই সময়টা ফিরিয়ে দেবে?”


অভিক নিশির দিকে তাকাল।


নিশি তখন জানালার পাশে দাঁড়িয়ে।


তার হাতে সেই পুরোনো ঘড়ি।


অভিকের ঘড়ি নয়।


হুবহু একই রকম আরেকটি।


নিশি ধীরে ধীরে বলল,


“তোমার ঘড়িটা সেদিন নদীর ধারে হারিয়ে গিয়েছিল, অভিক।”


অভিকের মুখ শুকিয়ে গেল।


“তাহলে এটা?”


নিশি ঘড়িটার কাঁচের দিকে তাকাল।


কাঁচের ভেতরে ছোট একটি ফাটল।


ঠিক সেই জায়গায়, যেদিন নিশি নিখোঁজ হয়েছিল।


“এটা তোমার ঘড়ি,” সে বলল।


অভিক আর কথা বলতে পারল না।


কারণ আট বছর ধরে যে ঘড়িটা সে ড্রয়ারে রেখে দিয়েছে, সেটার কাঁটা তখনও থেমে আছে—


রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1348 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27228। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4841
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
 চিঠির আগে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন রোমান্টিক থ্রিলার | ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নিশির সঙ্õ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাহিত্য ও বাস্তবতা পলায়ন নাকি প্রবণতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  প্রবন্ধ। এপ্রিল ২২, ২&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
160 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাধারণ জীবনের অসাধারণ চাপ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক  নিবন্ধ। এপ্রিল ০৮, ২০&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
524 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–১ : সকালটা [...] বিস্তারিত পড়ুন...
43 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ৩: যে সত্যটা অভিক বলেনি ২০ জুন, ২০২৬ ফোনটা তি&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
45 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...