Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো (পর্ব–১ : সকালটা আর আগের মতো লাগছিল না)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,591 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

০৩, জুলাই ২০২৬


পর্ব–১ : সকালটা আর আগের মতো লাগছিল নাimage


সারাত বৃষ্টি। ভোরে থামল বটে, কিন্তু আকাশটা ধরা ধরা। বারান্দার রেলিং বেয়ে এখনো টপ টপ করে পানি পড়ছে। ভেজা মাটির গন্ধটা নাকে লাগছে।


অভিক ডাইনিং টেবিলে বসে আছে। সামনে চা। ঠান্ডা হয়ে গেছে কখন, খেয়ালই করে নাই।


রান্নাঘর থেকে নিশির গলা, “চা-টা তো জমে বরফ।”  

অভিক চমকে উঠল। “ওহ... খাচ্ছি।”  

বলে আবার কাপটা নামায়ে রাখল। খেল না।


মাইশা ব্যাগ কাঁধে বের হলো। “আব্বু, আজকে ফিরতে লেট হবে। লাইব্রেরির কাজ আছে।”  

“আচ্ছা। দেখে শুনে যাইস।”


মিম জুতার ফিতা বাঁধতেছে। “আব্বু, একটা খাতা লাগত। আজকে না হইলেও চলবে।”  

“আসার সময় নিয়া আসব নে।”  

মিম দৌড় দিল।


নিশি তাকায়ে আছে। অভিক হাসছে, কিন্তু হাসিটা চোখ পর্যন্ত যায় নাই। ত্রিশ বছরে এটা নিশি বুঝে গেছে — অভিক যখন বেশি স্বাভাবিক দেখায়, তখনই ভেতরে ঝামেলা।


“শরীর খারাপ?”  

“নাহ।”  

“ঘুম হইছে রাতে?”  

“হইছে।”


ব্যস। কথা শেষ।


অফিসে ঢুকেই বুকটা কেমন করে উঠল। রিসিপশনের ছেলেটা আজকে হাসল না। করিডোরে দুজন ফিসফিস করতেছিল, অভিকরে দেখে চুপ। কম্পিউটার অন করল, কিন্তু মাথা কাজ করে না।


একটু পর পিয়ন আইসা বলল, “স্যার, এইচআরে ডাকতেছে।”


রুমটা ছোট। এসি এত ঠান্ডা, আঙুল জমে যাইতেছে। টেবিলের ওপারের লোকটা কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকল। তারপর একটা খাম দিল। “আমরা সরি।”


অভিক আর কিছু শুনে নাই। খাম খুলেও দেখে নাই। কী আছে জানার জন্য খোলা লাগে না।


পনেরোটা বছর।  

একটা খামে শেষ।


ডেস্কে আইসা ড্রয়ার খুলল। একটা পুরান কলম। মিমের আঁকা একটা কার্ড। আর চারজনের একটা ছবি। ছবিটা হাতে নিয়া বইসা থাকল। মাইশা, মিম, নিশি—সবাই হাসতেছে।


মনে মনে শুধু ভাবল, “বাসায় গিয়া এখন কী বলব?”


বাইরে পা দিতেই আবার ঝমঝম করে বৃষ্টি। ছাতা ব্যাগেই আছে। বের করতে মন চাইল না। রাস্তার পানিতে নিজের চেহারা দেখল। একটা ঢেউ আইসা মুখটা ভাইঙা দিল। কেমন জানি লাগল। মনে হইল, এই লোকটা আমি না।


দরজা খুলতেই মিম দৌড়ায়ে আসল। “আব্বু! ভিজলা ক্যান এত?”  

নিশি তোয়ালে দিল। “কাপড়টা পাল্টাও আগে।”  

“বাইরে বৃষ্টি খুব।” এইটুকই বলতে পারল অভিক।


রাতে খাইতে বসল সবাই। মাইশা ভাত নাড়তে নাড়তে বলল, “আব্বু, সেমিস্টার ফি’র নোটিশ দিছে। সময় আছে কয়দিন।”  

অভিক প্লেটের দিকে তাকায়ে বলল, “দেখতেছি। হইয়া যাবে।”


নিশি আর কিছু বলল না। শুধু মনে হইল, “হইয়া যাবে” কথাটা আজকে কেমন ভারী শোনাইল।


খাওয়ার পর মেয়েরা ঘরে গেল। নিশি দরজা ভেজায়ে আসল। ব্যাগটা হাতে নিয়া বলল, “এখন বলো। কী হইছে?”  

অভিক চুপ।


অনেক পরে ব্যাগ থেকে খামটা বের করে দিল।


নিশি পড়ল। আস্তে করে ভাঁজ করে টেবিলে রাখল। কোনো প্রশ্ন নাই, চিল্লাচিল্লি নাই। শুধু পাশে আইসা বসল।


একটু পর বলল, “চাকরি গেছে। তুমি তো আছো।”


এইটুকই। অভিক মুখ ঘুরায়ে নিল। চোখ ভিজে আসতেছিল। নিশি দেখল, কিন্তু কিছু বলল না। সবসময় কথা বলা লাগে না।


রাত বাড়ছে। আবার বৃষ্টি। মিমের ঘুম ভেঙে গেল। পানি খাইতে উঠে দেখে বারান্দায় বাবা দাঁড়ায়ে। রেলিং ধরে আছে। চুপচাপ। মিম ডাকল না। মনে হইল বাবা বৃষ্টি দেখতেছে না, অন্য কিছু ভাবতেছে।


ভোরের দিকে নিশির ঘুম ভাঙল। পাশে অভিক নাই। বারান্দায় গিয়া দেখে রাস্তার দিকে তাকায়ে আছে। ওপারে একটা রিকশার গ্যারেজ। এক বুড়া লোক ভেজা গামছা দিয়া রিকশা মুছতেছে। এমন মন দিয়া করতেছে, যেন এই রিকশাটাই তার সব।


অনেকক্ষণ পর অভিক বলল, “মানুষ কি সব কাজ শিখতে পারে?”


নিশি কিছু বলল না। শুধু পাশে আইসা দাঁড়াইল। দুইজন মিলা বৃষ্টি দেখল।


দূরে টিনের চালে আবার বৃষ্টির শব্দ। অভিকের মনে হইল, জীবন সবসময় নতুন রাস্তা দেখায় না। মাঝে মাঝে এমন একটা জায়গায় আইনা দাঁড় করায়ে দেয়, যেখান থেকে পিছনে যাওয়ার আর রাস্তা থাকে না।


(চলবে... পর্ব–২ : প্রথম দিনের ভাড়া)

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1069 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21591। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4184
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৪ : যে হারট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৫ : বৃষ্টিø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৩ : ফোসকা প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–২ : প্রথম দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পৃথিবী একবার কেঁপে উঠলে—শান্তি আর আগের মতো থাকে না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
452 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...