Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

শেষ ফরমান

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
15 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,228 পয়েন্ট)   4 দিন পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সিরিজ- থ্রিলার টাইম

শেষ ফরমানimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ঐতিহাসিক থ্রিলার | ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১৯০৫ সালের অক্টোবরের এক বৃষ্টিভেজা রাতে কলকাতার গভর্নমেন্ট প্রেসে কাজ শেষ করে বের হওয়ার সময় হরনাথ বাবার ঘরে রাখা পুরোনো চাবিটার কথা মনে করল। তার বাবা রামলোচন ওই প্রেসের হিসাবরক্ষকের অধীনে নথিপত্র গুছিয়ে দেওয়ার কাজ করতেন। কয়েক দিন ধরে বাড়ি ফিরে তিনি অস্বাভাবিক চুপচাপ থাকছিলেন। সেদিন রাতেও বের হওয়ার আগে শুধু বলেছিলেন, “প্রেসের উত্তর দিকের আলমারিটা খুলবি না।” কিন্তু মানুষকে যে জিনিস নিষেধ করা হয়, কৌতূহল প্রায়ই তাকে সেখানেই নিয়ে যায়।


রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। প্রেসের বেশিরভাগ কর্মচারী চলে গেছে। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে টিনের চালে। হরনাথ নথির ঘরে ঢুকে দেখল, উত্তর দিকের পুরোনো লোহার আলমারিটার নিচ থেকে অদ্ভুত একটা শব্দ আসছে—যেন ভেতরে কেউ ধীরে ধীরে কাগজ ঘষছে। সে বাবার চাবিটা বের করল। তালায় ঢুকতেই খুলে গেল। ভেতরে কোনো মানুষ ছিল না। ছিল একটি মোটা খাম। খামের ওপর কাঁপা হাতে লেখা—“৩১ অক্টোবরের আগে খুলিবে না।” নিচে কোনো সরকারি সিল নেই। তার বদলে কালো মোমে চাপ দেওয়া একটি চিহ্ন—ভাঙা মুকুট। হরনাথ খামটি হাতে নিয়েই বুঝেছিল, জিনিসটা তার নয়। সে সেটি আগের জায়গায় রেখে আলমারি বন্ধ করে দিল।


পরদিন সকালে আলমারিটা খোলা পাওয়া গেল। খামটি নেই। রামলোচন সেদিন প্রথমবার ছেলের দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে বলেছিলেন, “তুই কাউকে কিছু বলিসনি তো?” হরনাথ মাথা নাড়ল। রামলোচন শুধু বলেছিলেন, “ভালো করেছিস।” তারপর আর কোনো কথা হয়নি।


চল্লিশ বছর পর, ১৯৪৫ সালের শীতের শুরুতে, মৃত্যুশয্যায় রামলোচন তার ছেলেকে একটি ছোট লোহার বাক্স দিয়ে বলেছিলেন, “প্রেস থেকে যে জিনিসটা হারিয়েছিল, সেটা আমি হারাইনি।” হরনাথ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলে তিনি বাক্সের ভেতর থেকে একটি পুরোনো কাগজের টুকরো বের করলেন। তাতে হাতে আঁকা একটি ঘরের নকশা। হরনাথ জিজ্ঞেস করল, “কোথায়?” রামলোচন বললেন, “যেখানে কেউ খুঁজবে না।” “কী আছে সেখানে?” উত্তর দেওয়ার আগেই কাশিতে তাঁর কথা থেমে গেল। কিছুক্ষণ পর ফিসফিস করে বললেন, “৩১ অক্টোবরের কাগজটা যেন কখনো প্রকাশ না পায়।” সেই রাতেই তিনি মারা গেলেন।


হরনাথ বহু বছর কাগজটির কথা ভুলে ছিল। বাবার মৃত্যুর পর পুরোনো বাড়ির উঠোনে একটি আমগাছ কাটতে গিয়ে মাটির নিচে লোহার ছোট বাক্সটি পাওয়া গেল। বাক্সের ভেতরে ছিল সেই হারিয়ে যাওয়া খাম। হরনাথ তখন বৃদ্ধ। খামটি খুলতে তার হাত কাঁপছিল। ভেতরে একটি সরকারি নথি। তারিখ—৩১ অক্টোবর ১৯০৫। প্রথম পাতায় প্রশাসনিক সীমানা পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব। ভাষা কঠিন, সরকারি। কিন্তু দ্বিতীয় পাতায় এসে হরনাথ থেমে গেল। একটি সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, যা বঙ্গভঙ্গের ঘোষিত প্রশাসনিক কাঠামোকেই বদলে দিত। তার নিচে হাতে লেখা একটি বাক্য—“প্রকাশের পূর্বে প্রত্যাহার করা হলো।” আর তার নিচে তিনটি স্বাক্ষর। দুটি ইংরেজ নাম। তৃতীয়টি রামলোচনের।


হরনাথের বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। তার বাবা কোনো কর্মকর্তা ছিলেন না। একটি হিসাবের টেবিলে বসা সাধারণ কর্মচারী। তাঁর স্বাক্ষর সেখানে থাকার কথা নয়। নথির শেষ পাতাটি ছিল না। শুধু ছেঁড়া কাগজের কিনারা। হরনাথ সেই রাতেই নথিটি আবার বাক্সে রেখে দিল। তারপর সারা জীবন কাউকে কিছু বলেনি।


১৯৭২ সালে হরনাথের মৃত্যুর পর তার নাতি অমল পুরোনো বাক্সটি পায়। তখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস পড়ছে। বাক্সের ভেতরের নথি দেখে প্রথমে তার মনে হয়েছিল, এটি হয়তো কোনো পুরোনো প্রশাসনিক খসড়া। কিন্তু তারিখটা দেখে সে থেমে গেল—৩১ অক্টোবর ১৯০৫। অমল কলকাতার আর্কাইভে গিয়ে সেই সময়ের সরকারি নথি খুঁজতে শুরু করল। কয়েক দিন পর একটি রেজিস্টারে সে ২১ অক্টোবরের একটি এন্ট্রি পেল—“বিশেষ প্রজ্ঞাপন—মুদ্রণ সম্পন্ন।” কিন্তু প্রজ্ঞাপনের কোনো কপি নেই। পরের পাতাটিও নেই। রেজিস্টারের পাতাটা ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে।


অমল আরও খুঁজে জানতে পারল, ২১ অক্টোবরের পর থেকে ওই প্রজ্ঞাপনের কোনো সরকারি উল্লেখ নেই। যেন কাগজটি কখনো অস্তিত্বই পায়নি। সেদিন রাতে সে দাদার রেখে যাওয়া নথিটা আবার খুলল। শেষ পাতার ছেঁড়া অংশটা আলোয় ধরে দেখল। কাগজের একেবারে নিচে কালির কয়েকটি দাগ এখনও বোঝা যায়। একটি শব্দ—“স্থগিত নয়—বাতিল।” তার নিচে আরেকটি লাইন, এতটাই ফিকে যে পড়তে কষ্ট হচ্ছিল—“মূল নথি ধ্বংস করা হয়েছে।”


অমল নথিটা ভাঁজ করতে যাচ্ছিল, তখন আর্কাইভের দরজায় তালা পড়ার শব্দ হলো। সে মাথা তুলল। দরজার ওপাশে একজন দাঁড়িয়ে।


“কাগজটা রেখে দিন, অমলবাবু।”


অমল কোনো উত্তর দিল না। লোকটা আবার বলল, “আপনার দাদা চল্লিশ বছর অপেক্ষা করেছিলেন। আপনার এত তাড়া কিসের?”


অমল ধীরে ধীরে দরজার দিকে এগিয়ে গেল। নিচের ফাঁক দিয়ে লোকটির জুতো দেখা যাচ্ছিল। বৃষ্টির কাদা লেগে আছে। আর তার ডান হাতে একটি কালো মোমের সিল—ভাঙা মুকুট।


অমল পেছনে সরে এল।


দরজার ওপাশের মানুষটি বলল, “ইতিহাসে কিছু জিনিস হারিয়ে যায় না, অমলবাবু। শুধু যারা খুঁজতে যায়, তারা একসময় হারিয়ে যায়।”


পায়ের শব্দ ধীরে ধীরে দূরে সরে গেল।


অমল দরজা খুলল না। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা নথিটির দিকে তাকিয়ে সে দেখল, এতক্ষণ যে ছেঁড়া পাতাটাকে সে অসম্পূর্ণ ভেবেছিল, তার নিচে কাগজের ভাঁজের ভেতর থেকে আরেকটি পাতলা অংশ বেরিয়ে আছে। সে সেটি টেনে বের করল। সেখানে মাত্র একটি লাইন—


“এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ পেলে বঙ্গভঙ্গের ইতিহাস নতুন করে লিখতে হবে।”


অমল অনেকক্ষণ কাগজটির দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর নথিটা ভাঁজ করে বুকের কাছে রাখল।


বাইরে আবার বৃষ্টি শুরু হয়েছে।


আর বহু বছর পর, সেই রাতে, কলকাতার একটি পুরোনো আর্কাইভে আবার একটি সরকারি নথি হারিয়ে গেল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1348 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27228। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4838
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সিরিজ- থ্রিলার টাইম শেষ ফরমান মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ঐতিহাসিক থ্রিলার | ৯ সেপ্টেম্ব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
15 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজ- থ্রিলার টাইম মানচিত্রের শেষ দাগ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন অভিযানভিত্তিক থ্রিল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
14 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজ- থ্রিলার টাইম শেষ প্রদীপ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ধর্মীয় রহস্যভিত্তিক থ্রিলার[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজ- থ্রিলার টাইম শেষ ব্যালট মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন রাজনৈতিক থ্রিলার | ৯ সেপ্টেম্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
14 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজ- থ্রিলার টাইম শেষ প্রদীপ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ধর্মীয় রহস্যভিত্তিক থ্রিলার[...] বিস্তারিত পড়ুন...
13 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...