Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ২ — স্বাধীনতা?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
43 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,603 পয়েন্ট)   09 অগাস্ট "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সম্পর্কের শেষ কথাগুলো

পর্ব ২ — স্বাধীনতা?image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী | ৮ আগস্ট, ২০২৬


একজন নারী নিজের পায়ে দাঁড়ালে যদি একটা সংসার ভেঙে যায়, তাহলে প্রথম প্রশ্নটা নারীর স্বাধীনতা নিয়ে হওয়া উচিত নয়। বরং প্রশ্ন করা দরকার—সংসারটা এতদিন কোন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ছিল?


এই প্রশ্ন এখন ঘরে ঘরে শোনা যায়। “মেয়েরা এখন বেশি স্বাধীন হয়ে গেছে বলেই সংসার টিকছে না।” “আগে তো এত সংসার ভাঙত না।” কথাগুলো শুনতে সহজ। কিন্তু সম্পর্কের ভেতরের গল্পটা এত সহজ নয়। কারণ একটি সংসার শুধু ভালোবাসায় তৈরি হয় না। সেখানে অর্থনৈতিক নির্ভরতা, দায়িত্ব, সামাজিক প্রত্যাশা, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা—সবকিছুরই ভূমিকা থাকে। সময় বদলালে এই সমীকরণও বদলায়। আর সেই বদল অনেক পুরোনো সমস্যাকে সামনে নিয়ে আসে।


একসময় আমাদের সমাজে দাম্পত্যের একটা প্রচলিত ছবি ছিল। পুরুষ উপার্জন করবেন, বড় সিদ্ধান্ত নেবেন। নারী সংসার সামলাবেন, সন্তান বড় করবেন, পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে চলবেন। সব পরিবার এমন ছিল না, কিন্তু এই কাঠামোটাকেই স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হতো। সমস্যা ছিল, দায়িত্ব সবসময় সমানভাবে ভাগ হলেও ক্ষমতা সমানভাবে ভাগ হতো না। রান্না, সন্তান পালন, ঘর সামলানো, অসুস্থ মানুষের যত্ন—এসব ছিল নারীর দায়িত্ব, কিন্তু এগুলোর মূল্য অনেক সময় আলাদা করে দেখা হতো না।


এখন সেই ছবি বদলেছে। মেয়েরা পড়ছে, চাকরি করছে, ব্যবসা করছে, নিজের আয় করছে। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসও বাড়ছে। ফলে আগে যে প্রশ্নগুলো মুখে আনা কঠিন ছিল, এখন সেগুলো করা সম্ভব হচ্ছে—“সবসময় আমাকেই কেন মানিয়ে নিতে হবে?” “সংসারের দায়িত্ব কি শুধু আমার?” “আমার মতামতের মূল্য কোথায়?”


এই প্রশ্নগুলোকে অনেক সময় অহংকার বলা হয়। অথচ আত্মসম্মান আর অহংকার এক জিনিস নয়। আত্মসম্মান বলে, “আমাকেও মানুষ হিসেবে সম্মান করতে হবে।” অহংকার বলে, “আমার কথাই শেষ কথা।” এই পার্থক্যটা বুঝতে না পারলে নারীর স্বাধীনতাকেও আমরা ভুলভাবে বিচার করব।


একজন নারী উপার্জন করেন বলেই তিনি সংসারকে কম ভালোবাসবেন—এমন কোনো নিয়ম নেই। আবার নিজের আয় আছে বলেই সংসারের কোনো দায়িত্ব থাকবে না—এটাও ঠিক নয়। একই কথা পুরুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। দাম্পত্য মানে দুজন মানুষের যৌথ জীবন। সেখানে স্বাধীনতা থাকবে, আবার দায়িত্বও থাকবে। নিজের সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে, আবার যৌথ সিদ্ধান্তে সঙ্গীর মতামতের মূল্যও থাকবে।


সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন একজনের স্বাধীনতাকে আরেকজন হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করেন। স্ত্রী উপার্জন করছেন—এটা যদি স্বামীর কাছে সহযোগিতা না হয়ে ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা মনে হয়, সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হবেই। আবার স্ত্রী উপার্জন করছেন বলে যদি মনে করেন, এখন থেকে সম্পর্কের কোনো দায়িত্বই তার নেই, সেখানেও দূরত্ব তৈরি হবে। অর্থাৎ স্বাধীনতা নিজে সমস্যা নয়; স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ব, সম্মান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার জায়গা তৈরি না হওয়াটাই সমস্যা।


কর্মজীবী নারীর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও স্পষ্ট। একজন নারী সকালে অফিসে গেলেন, সারাদিন কাজ করলেন, তারপর বাড়ি ফিরে রান্না, সন্তানের পড়াশোনা, ঘরের কাজ, পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের দেখাশোনা—সবকিছু সামলালেন। একে যদি “স্বাধীনতার সমস্যা” বলা হয়, তাহলে আসল সমস্যাটাই আড়ালে থেকে যায়। প্রশ্ন হওয়া উচিত—সংসারের কাজটা দুজন ভাগ করে নেওয়া যায় না?


নারী বাইরে কাজ করবেন, আবার ঘরের সব কাজও একা করবেন—এটা সমতা নয়। একইভাবে পুরুষ শুধু উপার্জন করলেই তার সব দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো, ঘরের কাজে অংশ নেওয়া, স্ত্রীর ক্লান্তি বোঝা, তার কাজ ও স্বপ্নকে সম্মান করা—এসবও দাম্পত্যের দায়িত্ব।


তবে স্বাধীনতার অর্থ দায়িত্বহীনতাও নয়। নিজের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার যেমন একজন নারীর আছে, তেমনি তার সঙ্গীর অনুভূতি ও অধিকারকে সম্মান করার দায়িত্বও আছে। সম্পর্কের ভেতরে স্বাধীনতা মানে “আমি যা চাই তাই করব” নয়। বরং এর অর্থ—আমি নিজের মানুষটুকু হারাব না, আবার তোমার মানুষটুকুকেও অস্বীকার করব না।


পুরুষের ভূমিকাটাও তাই নতুন করে ভাবতে হবে। সংসারে শুধু টাকা এনে দেওয়াই যথেষ্ট নয়। একজন স্বামীকে সঙ্গীও হতে হয়। স্ত্রীর পেশাগত চাপ বুঝতে হয়, সন্তান পালনের দায়িত্ব নিতে হয়, ঘরের কাজে হাত লাগাতে হয়, কখনো শুধু চুপ করে পাশে বসে শুনতেও হয়। একইভাবে নারীকেও বুঝতে হবে, পুরুষের ওপর শুধু উপার্জনের দায়িত্ব চাপিয়ে রেখে তাকে আবেগহীন মানুষ ভাবা যায় না। দুজনেরই ক্লান্তি আছে, চাপ আছে, স্বপ্ন আছে।


তাই কোনো সংসার ভাঙলেই সরাসরি বলা যায় না—“নারীর স্বাধীনতার জন্য ভেঙেছে।” আবার এটাও বলা যায় না যে স্বাধীনতা এলেই সব সম্পর্ক ভালো হয়ে যাবে। কোনো সম্পর্ক ভাঙে দীর্ঘদিনের অসম্মান, অবহেলা, দায়িত্বের অসম বণ্টন, যোগাযোগের অভাব, অর্থনৈতিক চাপ কিংবা বিশ্বাসের সংকটে। অনেক সময় নারীর স্বাধীনতা শুধু সেই পুরোনো সমস্যাগুলোকে আর লুকিয়ে রাখতে দেয় না।


একটা সংসার যদি একজন মানুষের নীরবতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে সেই নীরবতা ভাঙলেই সংসার কেঁপে উঠবে। কিন্তু তখন সমস্যাটা নীরবতা ভাঙার মধ্যে নয়; সমস্যাটা ছিল ভিতের মধ্যে।


শেষ পর্যন্ত সুস্থ সংসারে কেউ কারও মালিক নয়। দুজন মানুষ পাশাপাশি থাকবে, কিন্তু দুজনেরই নিজস্ব পরিচয় থাকবে। একজনের সাফল্য আরেকজনের পরাজয় হবে না। একজন ক্লান্ত হলে অন্যজন দায়িত্ব নেবে। একজন কষ্ট পেলে অন্যজন শুনবে। মতের অমিল হলে অপমান নয়, কথা হবে।


নারীর স্বাধীনতা সংসার ভাঙে—এই কথাটা তাই খুব সহজ উত্তর। আসল প্রশ্নটা আরও গভীর।


আমাদের সংসার কি এমনভাবে তৈরি, যেখানে একজন নারী স্বাধীন হয়েও ভালোবাসতে পারেন, আর একজন পুরুষ সম্মান দিয়েও নিজের মর্যাদা ধরে রাখতে পারেন?


কারণ সংসার টেকে কারও চুপ করে থাকার ওপর নয়।


সংসার টেকে তখনই, যখন দুজন মানুষই স্বাধীন থেকেও একে অপরের পাশে থাকার পথ খুঁজে নেয়।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1366 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27603। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4606
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
শেষ পর্যন্ত কেউ জেতেনি   পর্ব–২ : সন্দেহের শুরু    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন "বিশ্বাস ভ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
47 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–২ : ভালোবাসা নয়, নিয়ন্ত্রণ   একটি ধারাবাহিক গল্প  [...] বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ২: টাকার গন্ধ ২০ জুন, ২০২৬ নিশি জানত, টাকা কখন&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
57 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফুটপাতের শৈশব পর্ব ২ — স্কুলে যাওয়ার বয়সে রাস্তায় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
41 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি সিদ্ধান্তের দাম   পর্ব–২ : মিথ্যার শুরু    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ধারাবাহিক õ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
49 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1504 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    74 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    350 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    17 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...