Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পর্ব ১ — কাছের মানুষ দূরে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (24,663 পয়েন্ট)   18 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সম্পর্কের শেষ কথাগুলো

পর্ব ১ — কাছের মানুষ দূরেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী | ৮ আগস্ট, ২০২৬


একই ছাদের নিচে দুজন মানুষ বছরের পর বছর থাকতে পারে। একই ঘরে ঘুমাতে পারে, একই টেবিলে বসে খেতে পারে, সন্তানের স্কুল, বাজার, চিকিৎসা, বিল—সবকিছু মিলেমিশে সামলাতে পারে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে, সংসার বেশ ভালোই চলছে। অথচ কোনো একদিন হঠাৎ একজনের মনে হতে পারে—আমরা কি সত্যিই একসঙ্গে আছি? প্রশ্নটা সহজ, কিন্তু উত্তরটা নয়।


কারণ মানুষ সবসময় ঝগড়া করে আলাদা হয়ে যায় না। অনেক সময় কোনো বড় ঘটনা ছাড়াই দুজন মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। প্রথমে একটু কথা কমে যায়। তারপর কোনো অভিমান বলা হয় না, কোনো কষ্ট চেপে রাখা হয়। একসময় মনে হয়, “বলেই বা কী হবে?” আর ঠিক সেখান থেকেই সম্পর্কের ভেতরে নীরব একটা দেয়াল উঠতে শুরু করে।


বাড়িটা তখনও থাকে। সংসারও ঠিকঠাক চলে। শুধু পরিবারটা আর আগের মতো থাকে না।


একটা সংসার চলতে হলে অনেক কথাই বলতে হয়—“বাচ্চার স্কুলের টাকা দিয়েছ?”, “আজ বাজার করতে হবে”, “গ্যাস শেষ”, “ডাক্তারকে কখন দেখাবে?”, “এই মাসে খরচটা একটু বেশি হয়েছে।” এসব কথা জরুরি। কিন্তু সম্পর্ক শুধু প্রয়োজনের কথায় বেঁচে থাকে না।


একসময় তো দুজন মানুষ অকারণে গল্প করত, একসঙ্গে হাসত, ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখত। একজনের মন খারাপ হলে অন্যজন জানতে চাইত, “কী হয়েছে?” সেই জায়গাটা কখন হারিয়ে গেল, অনেক সময় দুজনের কেউই বুঝতে পারে না। সংসার তখনও আগের মতোই চলে—রান্না হয়, বাজার হয়, সন্তান স্কুলে যায়, অফিস হয়, মাসের শেষে হিসাব মেলে। শুধু দুজন মানুষ ধীরে ধীরে একে অপরের ভেতরের জীবন থেকে সরে যেতে থাকে।


দূরত্ব সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না। বারবার কথা বলতে গিয়ে গুরুত্ব না পাওয়া, নিজের কষ্টকে ছোট মনে হওয়া, ছোট ছোট অভিমান জমে থাকা—এসব থেকেই শুরু হয়। প্রথমবার মানুষ চুপ করে থাকে, দ্বিতীয়বারও। তৃতীয়বার মনে হয়, “থাক, বলেও লাভ নেই।”


এই “থাক” শব্দটাই অনেক সম্পর্কের জন্য ভয়ংকর।


কারণ রাগের মধ্যে এখনও প্রত্যাশা থাকে। মানুষ রাগ করে তার কাছের মানুষের কাছেই। কিন্তু যখন প্রত্যাশাটাই শেষ হয়ে যায়, তখন রাগও থাকে না। থাকে উদাসীনতা। একজন কী করছে, কী ভাবছে, কোথায় যাচ্ছে—এসব আর জানার প্রয়োজন মনে হয় না। তখন একই বিছানায় শুয়েও দুজনের পৃথিবী আলাদা হয়ে যায়।


আমরা প্রায়ই বলি, “ওদের সংসারে তো কোনো ঝামেলা নেই।” কিন্তু ঝগড়া না থাকলেই সম্পর্ক ভালো আছে, এমন নয়। কখনো ঝগড়া না হওয়ার কারণ হলো দুজন আর একে অপরের কাছ থেকে কিছুই আশা করেন না।


ভালোবাসার সঙ্গে অভিমান থাকে, মতের অমিল থাকে, কখনো রাগও থাকে। কিন্তু তার সঙ্গে থাকে কথা বলার ইচ্ছা। সবচেয়ে বিপজ্জনক জায়গা তখনই, যখন একজন ভাবতে শুরু করে, “ও যা খুশি করুক, আমার আর কিছু যায় আসে না।”


সামাজিক ছবিটাও সবসময় সত্যি নয়। ঈদের দিন হাসিমুখে ছবি, অনুষ্ঠানে পাশাপাশি দাঁড়ানো, সন্তানদের সঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত—এসব সত্যি হতে পারে। আবার সম্পর্কের ভেতরের শূন্যতাও লুকিয়ে রাখতে পারে।


অনেকেই মনে করেন, সংসারে সমস্যা প্রকাশ পাওয়া মানেই ব্যর্থতা। তাই বাইরে সব ঠিক রাখার চেষ্টা করতে করতে ভেতরের মানুষটাকে হারিয়ে ফেলেন। কেউ সন্তানের কথা ভেবে চুপ থাকেন, কেউ পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে, কেউ শুধু এই ভয়ে যে মানুষ কী বলবে।


কিন্তু সন্তানও ঘরের পরিবেশ বুঝতে পারে। বাবা-মা মুখে হাসছেন অথচ একে অপরের সঙ্গে কথা বলছেন না—সেটাও শিশুর চোখ এড়ায় না। সন্তানের জন্য একসঙ্গে থাকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো কীভাবে একসঙ্গে থাকা হচ্ছে। সে এমন একটা ঘর চায়, যেখানে ভালোবাসা আছে, সম্মান আছে, নিরাপত্তা আছে।


তাহলে কি সব সমস্যার সমাধান বিচ্ছেদ? না। অনেক সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আগে শুধু একটু কথা, একটু সময়, একটু যত্ন এবং সত্যি করে শোনার প্রয়োজন হয়।


প্রতিদিন দশ মিনিটও যদি শুধু দুজনের জন্য রাখা যায়, ফোনটা পাশে রেখে জিজ্ঞেস করা যায়, “আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?”—তাতেও অনেক দূরত্ব কমতে পারে। অভিযোগের বদলে অনুভূতি বলা দরকার। “তুমি কখনো আমার কথা শোনো না”—এর বদলে “তুমি ব্যস্ত থাকলে আমার খুব একা লাগে”—এই কথাটি হয়তো ঝগড়া না বাড়িয়ে কথার দরজা খুলে দিতে পারে।


কষ্ট জমিয়ে রাখা উচিত নয়। সব কথা সঙ্গে সঙ্গে বলা সম্ভব নয়, মানুষকে সময় নিতে হয়। কিন্তু শান্ত হওয়ার পর কথা বলা দরকার। কে ঠিক আর কে ভুল, সেই হিসাবের আগে বোঝার চেষ্টা করা দরকার—কোথায় একজন কষ্ট পেয়েছে, আর অন্যজন কীভাবে সেটা না বুঝে ফেলেছে।


শুধু দায়িত্ব ভাগ করলেই সম্পর্ক বাঁচে না। আনন্দও ভাগ করতে হয়। একসঙ্গে হাঁটতে বের হওয়া, চা খেতে বসা, একটা সিনেমা দেখা, কোথাও ঘুরতে যাওয়া, পুরোনো ছবি দেখা—এসব ছোট ব্যাপার। কিন্তু সম্পর্ক অনেক সময় এই ছোট মুহূর্তগুলোর মধ্যেই আবার উষ্ণ হয়ে ওঠে।


ঘরের মানুষটির সামনে সবসময় শক্ত থাকারও দরকার নেই। কখনো বলা যায়, “আমি খুব ক্লান্ত।” “এই বিষয়টা নিয়ে আমি ভয় পাচ্ছি।” “আজ তোমাকে আমার পাশে দরকার।” এই কথাগুলো দুর্বলতার লক্ষণ নয়। বরং যার কাছে নিজের দুর্বলতাও বলা যায়, সেই মানুষটির সঙ্গেই সম্পর্কের গভীরতা তৈরি হয়।


একটা বাড়িতে চারজন মানুষ থাকতে পারে, অথচ কেউ কারও কাছে নিজের কথা বলতে পারে না। আবার ছোট একটা ঘরেও এমন একটি পরিবার থাকতে পারে, যেখানে দিনের শেষে সবাই জানে—কষ্ট হলে আমি এখানে ফিরে আসতে পারি।


তাই পরিবার শুধু একই ঠিকানায় থাকার নাম নয়। পরিবার হলো এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ নিজের ক্লান্ত মুখটা লুকাতে হয় না। যেখানে ভুল করলে কথা বলা যায়, মন খারাপ হলে পাশে বসা যায়, আর নীরব থাকলেও কেউ অন্তত জিজ্ঞেস করে—“কী হয়েছে?”


সংসার চলে দায়িত্বে। কিন্তু পরিবার বেঁচে থাকে যত্নে।


হয়তো সম্পর্কটা বাঁচানোর প্রথম কথাটাও খুব ছোট—


“আমাদের মধ্যে কিছু একটা বদলে গেছে। চলো, আবার একটু কথা বলি।”

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1221 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 24663। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4605
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
শেষ পর্যন্ত কেউ জেতেনি   পর্ব–১ : ভাঙনের আগে সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল   মোহাম্মদ জাহù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
17 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–১ : কথা বলতে বলতে মানুষটা একদিন চুপ হয়ে গেল   একটি ধা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ১: পুরনো ফাইল ২০ জুন, ২০২৬ বৃষ্টি নামার ঠিক আ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশির দিনগুলো পর্ব - ১ : বিধবার সাদা শাড়ি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ১৫ জুলাই, ২০২৬ স্বাম&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
15 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি সিদ্ধান্তের দাম   পর্ব–১ : ভুলের শুরু   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ধারাবাহিক গলú[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    829 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    41 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    344 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    17 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Monsoon Harmony

    141 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...