Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

একটি সিদ্ধান্তের দাম পর্ব–১ : ভুলের শুরু

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,713 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

একটি সিদ্ধান্তের দাম  

পর্ব–১ : ভুলের শুরু  image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

ধারাবাহিক গল্প


"একটা পরিবার ভাঙতে একজন মানুষের একটামাত্র সিদ্ধান্তই যথেষ্ট হতে পারে।"


সকালটা দেখে বোঝার উপায় ছিল না কিছু বদলাবে। 


রান্নাঘরে তেলে ডিম ছ্যাঁক করে উঠছিল। কেটলিতে পানি ফুটছে। নিশি চায়ের কাপ নামাতে নামাতে বলল, “আজ একটু তাড়াতাড়ি ফিরো। সন্ধ্যায় মায়ের বাসায় যাব।”


শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে অভিক বলল, “দেখি।”


এই “দেখি” শব্দটার সঙ্গে নিশির পুরনো পরিচয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর মানে দাঁড়ায়—ফিরতে দেরি হবে। তারপরও সে আশা করে।


টেবিলে রুটি, ডিম, ডাল। অভিক দু-তিন লোকমা মুখে দিয়েই উঠে পড়ল।  

“এইটুকু খেয়ে চলে যাবে?”  

“অফিসে গিয়ে কিছু খেয়ে নেব।”


নিশি কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থাকল। “কী হয়েছে তোমার? সপ্তাহখানেক ধরে খাও না ঠিকমতো। রাতেও ঘুম কম।”


অভিক হাসার চেষ্টা করল। হাসিটা ঠিক পৌঁছাল না। “কিছু হয়নি।”


গলায় জোর নেই। গত এক মাসে লোকটা বদলে গেছে, অথবা বদলটা এখন চোখে পড়ছে। রাত দুটোয় বারান্দায় দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলে। নিশি সামনে গেলে তড়িঘড়ি কল কেটে পকেটে ঢোকায়। আগে এমন করত না।


নিশি প্রশ্ন করেনি। শুধু দেখেছে।


বাড়ি থেকে বের হয়ে অভিক অফিসের রাস্তা ধরল না। 


নিউ মার্কেটের গলির ভেতর ঢুকে পড়ল। তিন নম্বর গলির মাথায় ‘ক্যাফে স্মাইল’—নীল রঙচটা সাইনবোর্ড। কোণের টেবিলে রুবেল।


কলেজের বন্ধু। যোগাযোগ ছিল না বছর দশেক। হঠাৎ মগবাজারের মোড়ে দেখা হয়েছিল এক বিকেলে, তারপর থেকে রুবেলের ফোন আসে দিনে দু-তিনবার।


রুবেল চেয়ার টেনে দিয়ে বলল, “মুখ এমন করে রাখছিস কেন? আমি কি তোকে খেয়ে ফেলব?”


অভিক গ্লাসের পানিটা একবারে শেষ করল। “জানি না... ব্যাপারটা সুবিধার ঠেকছে না।”  

“এত ভাবিস কেন? টাকাটা দে। তিন মাস। তারপর দ্বিগুণ নিয়ে যা।”


অভিক চুপ। নিজের ব্যাংকে আছে ১৭ হাজার ৮০০ টাকা। নিশির আলাদা কিছু জমানো আছে—লাখখানেক হবে। আর আছে বিয়ের সময় পাওয়া একটা চিকন সোনার চেইন, দুটো বালা।


রুবেল ঝুঁকে এলো। “সুযোগ রোজ আসে না। একবার ঝুঁকি না নিলে এই ভাড়া বাসা, এই টানাটানি—এসবেই আটকে থাকবি।”


কথাটা লাগল ঠিক সেখানে, যেখানে অভিক অনেক দিন ধরে কাঁচা। মাসের ২০ তারিখ পার হলেই বাবার প্রেশারের ওষুধ কিনতে গিয়ে হিমশিম খায়। বাড়িওয়ালা ফোন দেয় ৫ তারিখের আগেই। নিশিকে একবার বলেছিল, “ক্সবাজার নিয়ে যাব।” তিন বছরেও হয়নি।


একটা ফাইল ঠেলে দিল রুবেল। “সই কর।”


অভিক কাগজটার দিকে তাকিয়ে রইল। চুক্তির ভাষা কঠিন। ‘অতিরিক্ত সেবা মাশুল’ শব্দটা দুবার পড়ল। কলম তুলতে গিয়ে আঙুল কাঁপল একটু। তারপরও সই করল।


বাড়ি ফিরল রাত সাড়ে দশটায়।


দরজা খুলে নিশি টের পেল, মানুষটা আজ আরও নিঃশব্দ।  

“এত রাত?”  

“কাজ ছিল।”  

“খাবে?”  

“পরে।”


সোজা ঘরে। আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে থাকল কিছুক্ষণ। তারপর ঘুরে বলল, “তোমার গয়নাগুলো কোথায় রেখেছ?”


নিশি থমকাল। “কেন?”  

“এমনি... দরকার হতে পারে।”  

“কিসের দরকার?”


অভিক জানালার দিকে তাকিয়ে বলল, “একটা ইনভেস্টমেন্টের সুযোগ পেয়েছি।”


শব্দটা শুনে নিশির বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। হতে পারে ভুল শুনেছে। “কেমন সুযোগ?”  

“তুমি এসব বুঝবে না।”


নিশি কিছুক্ষণ চুপ। তারপর গলাটা নামিয়ে বলল, “এত দিন তো সব আমাকে বলেই করতে। আজ হঠাৎ আমি বুঝব না কেন?”


অভিকের ধৈর্য থাকল না। “সবকিছু নিয়ে এত প্রশ্ন করো কেন?”


এরপর কথা থেমে গেল। রাতের খাবারটা শেষ হলো শব্দ ছাড়াই। প্লেটে ভাত পড়ে রইল।


থালা ধুতে গিয়ে নিশি দেখল, টেবিলের কোণে একটা বাদামি খাম। মুখটা খোলা। একটা কাগজের কোণা বেরিয়ে আছে।


সে টান দিতেই বেরিয়ে এলো। উপরে বড় করে লেখা

‘ঋণচুক্তি’।


নিচে অভিকের সই। তারিখ আজকের। আরও নিচে ছোট হরফে লেখা, “জামানত হিসেবে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত সম্পদ প্রযোজ্য হইবে।”


হঠাৎ ঘরটা ঠান্ডা লাগল। ফ্যান চলছে, তবুও।


পেছন থেকে অভিক বলল, “ওটা তোমার পড়ার দরকার ছিল না।”


নিশি ধীরে ঘুরল। চোখে রাগ নেই। একধরনের ক্লান্তি। খুব আস্তে জিজ্ঞেস করল, “অভিক... তুমি কী করেছ?”


অভিক উত্তর দিল না। দাঁড়িয়ে থাকল।


সেই মুহূর্তে তার মনে হলো, সিদ্ধান্ত নেওয়াটা হয়তো এক সেকেন্ডের ব্যাপার। কিন্তু সেটার ভার টেনে চলা—সেটা অন্য গল্প। আর সেই গল্পটা কেবল শুরু হলো।


(চলবে............পর্ব–২ : মিথ্যার শুরু)

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1075 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21713। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4191
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
একটি সিদ্ধান্তের দাম   পর্ব–২ : মিথ্যার শুরু    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ধারাবাহিক õ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি সিদ্ধান্তের দাম   পর্ব–৫ : যে সিদ্ধান্ত জীবন বদলে দিল (সমাপ্তি)   মোহাম্মদ জাহ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি সিদ্ধান্তের দাম   পর্ব–৪ : ভাঙনের শেষ প্রান্তে   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ধারù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি সিদ্ধান্তের দাম   পর্ব–৩ : ভাঙনের শব্দ   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ধারাবাহিক গø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৫ : বৃষ্টিø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    244 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...