Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নিশি উপাখ্যান সিরিজ গল্প-৪ কথার দাগ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,428 পয়েন্ট)   9 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
নিশি উপাখ্যান সিরিজ  

গল্প-৪  

কথার দাগ  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

২৯, জুন, ২০২৬

অভিক কোনো দিন নিশিকে বলেনি, 

“আমি তোমাকে ঘৃণা করি।” 

এমনও বলেনি, 

“তুমি আমার জীবনের বোঝা।” 

তবু একসময় নিশি নিজের সম্পর্কে এমন সব কথা ভাবতে শুরু করল, যেগুলো আগে কোনো দিন ভাবেনি।

শুরুর দিকে ব্যাপারগুলো খুব সাধারণ ছিল। 

রান্নায় লবণ একটু কম হলে অভিক বলত, 

“তোমার কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি আশা করাও ভুল।” 

নতুন শাড়ি পরে নিশি জিজ্ঞেস করত, “কেমন লাগছে?” 

অভিক একবার তাকিয়ে বলত, 

“অন্য রঙটা পরলে ভালো লাগত।” 

কথাটা বলেই টিভির চ্যানেল পাল্টে দিত। হয়তো ওর মনেও থাকত না। কিন্তু নিশির মনে রয়ে যেত।

অফিসের কোনো গল্প বলতে গিয়ে নিশি আটকে গেলে অভিক হেসে বলত, 

“আগে একটু ভেবে বলো। সবাই এত ধৈর্য নিয়ে শোনে না।” 

একটা কথাও খুব বড় ছিল না। কোনোটাই গালাগাল নয়। তবু প্রতিটা কথা কোথায় যেন জমছিল।

একদিন চাকরির ইন্টারভিউয়ের ডাক এল। চিঠিটা খুলে নিশি অনেকক্ষণ বসে রইল। তারপর ভাঁজ করে ড্রয়ারে রেখে দিল। 

পাশের ঘর থেকে অভিক জিজ্ঞেস করল, “কী হলো?” “কিছু না।” আসলে ছিল। 

সে শুধু মনে মনে ভাবছিল, 

"আমার দ্বারা হবে না।" 

কথাটা মনে হতেই নিজেই চমকে উঠল। 

এটা কি সত্যিই তার নিজের কথা? 

নাকি এত দিন ধরে শুনতে শুনতে একসময় নিজেরই হয়ে গেছে?

কয়েক দিন পর পুরোনো বন্ধু রিমির সঙ্গে দেখা। অনেকক্ষণ গল্প করার পর রিমি বলল, 

“তুই আগে একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলতে পারতিস। এখন প্রতিটা বাক্যের শেষে ‘হয়তো’, ‘জানি না’, ‘পারব না’ যোগ করিস কেন?” 

নিশি হেসে বিষয়টা উড়িয়ে দিল। কিন্তু বাড়ি ফিরে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই কথাটা আবার মনে পড়ল।

সেদিন রাতেই ড্রয়ার খুলে ইন্টারভিউর চিঠিটা বের করল। অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকে ভাঁজ খুলে ফেলল। পরদিন আবেদনপত্র জমা দিল। 

ইন্টারভিউয়ের আগের রাতে অভিক বলল, 

“কাল নীল শাড়িটা পরো। ওইটা পরলে তোমাকে বেশি মানায়।” 

কথাটা মুখ থেকে বের হতেই সে থেমে গেল। কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে নিজেই হেসে বলল, “না… থাক। এটা আমার বলার কথা না। তুমি যেটায় স্বস্তি পাও, সেটাই পরো।” নিশি শুধু মাথা নাড়ল।

ইন্টারভিউ দিয়ে ফিরে এলে অভিক জিজ্ঞেস করল, “কেমন হয়েছে?” “জানি না।” 

একটু থেমে নিশি বলল, “তবে একটা কাজ করেছি। অনেক দিন পর নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিয়েছি।” অভিক চুপ করে রইল। তারপর আস্তে বলল,

 “আমি কি… তোমার আত্মবিশ্বাসটা ভেঙে দিয়েছি?”

নিশি উত্তর দিতে তাড়াহুড়ো করল না।

 “তুমি হয়তো ইচ্ছে করে করোনি। কিন্তু তোমার কথাগুলো আমি একসময় নিজের কথা ভেবে ফেলেছিলাম।” 

ঘরটা অনেকক্ষণ চুপচাপ ছিল। 

শেষ পর্যন্ত অভিক বলল, “আমি তো ভাবতাম সত্যিটাই বলছি।” 

নিশি শান্ত গলায় বলল, 

“সত্যি বলার আর কাউকে ছোট করে বলার মধ্যে পার্থক্য আছে।”

তারপর থেকে সবকিছু এক দিনে বদলে যায়নি। মাঝেমধ্যে অভিক আবার পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যেত। কোনো কথা বলতে গিয়েও থেমে যেত। নিজেকে ঠিক করত। নিশিও আর সব কথা চুপচাপ মেনে নিত না।

সেদিন রাতে ডায়েরি খুলে সে শুধু লিখল—"আজ গেছিলাম। হাত কাঁপে নাই।" 

তারপর ডায়েরিটা বন্ধ করে দিল। আর কিছু লেখার দরকার হলো না।

পরদিন সকালে শাড়ি পরে আয়নার সামনে দাঁড়াল। ব্যাগটা কাঁধে তুলতেই আঁচলটা একটু সরে গেল। আগে হলে ঠিক করে নিত। আজ নিল না। দরজার দিকে হাঁটতে হাঁটতে আয়নায় একবার নিজের দিকে তাকাল। অনেক দিন পর নিজের হাসিটা নিজেরই মনে হলো।
আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1061 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21428। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4168
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-১০   একাকীত্বের শান্তি   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   যেদ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৯   হাসিটা কোথায় হারাল    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯, জ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৮   শেষ সুযোগ   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯, জুন, ২০২৬ “[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৭   অপরাধবোধের শিকল   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯ জুন, ২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৬   বন্ধ দরজার মানুষ   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯ জুন,২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    105 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    666 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    33 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    230 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

...