Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নিশি উপাখ্যান সিরিজ গল্প-১ আমার হয়ে বেঁচো না

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (21,247 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

নিশি উপাখ্যান সিরিজ

গল্প-১

আমার হয়ে বেঁচো নাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

২৮,জুন, ২০২৬



বিয়ের তিন বছর পর একদিন নিশি হঠাৎ খেয়াল করল, অনেক দিন হলো সে নিজের জন্য আলাদা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না।


অদ্ভুত ব্যাপার, এত দিনেও বিষয়টা তার চোখে পড়েনি। কারণ অভিক কখনো তাকে ধমকায়নি।

কোনো দিন গায়ে হাত তোলেনি। বন্ধুদের সামনে ছোটও করেনি।


সবকিছু হয়েছে খুব শান্তভাবে। এমনভাবে, যেন এটাই স্বাভাবিক।


অভিক প্রায়ই একটা কথা বলত

আমি যা বলছি, তোমার ভালোর জন্যই বলছি।

শুরুর দিকে কথাটা শুনতে ভালো লাগত।

নতুন সংসার। নতুন শহর। অনেক কিছুই তো অচেনা।


কোন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলবে, কোন ডাক্তারের কাছে যাবে, কোথা থেকে বাজার করলে ভালো—অভিকই সব দেখে দিত।


নিশির সুবিধাই হতো।

তাই কোনো প্রশ্ন জাগত না।

একদিন নিশি বলল,

ভাবছি আবার স্কুলে পড়ানো শুরু করি।

অভিক হেসে বলেছিল,

এখনই কেন? 

সংসারটা আরেকটু গুছিয়ে নিই। তারপর না হয় করো।


কথাটা অযৌক্তিক লাগেনি।

কয়েক মাস পর আবার বিষয়টা তুলল।

অভিক এবার বলল,

তোমার এত কষ্ট করার দরকার কী? 

আমার আয়েই তো চলছে।

নিশি আর কিছু বলেনি।


তারপর কলেজের বান্ধবীরা বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করল।

অভিক বলল,

সবাইকে বিশ্বাস করা যায় না। না গেলেই ভালো।

নিশি গেল না।


এরপর ছোট ছোট আরও অনেক বিষয়।

কোন পোশাক পরবে।

কার সঙ্গে কতক্ষণ কথা বলবে।

কখন বাবার বাড়ি যাবে।

ফেসবুকে কী পোস্ট করবে।

সবকিছুর আগে অভিকের মতামত।


আর প্রায় প্রতিবারই একই কথা,

আমি তোমার ভালোর জন্যই বলছি।

এই কথাটার সঙ্গে তর্ক করা কঠিন।


বাইরে থেকে শুনলে মনে হয়, মানুষটা শুধু যত্ন করছে।


একদিন নিশির মা ফোন করে বললেন,

কবে আসবি?

নিশি কিছু বলার আগেই পাশ থেকে অভিক উত্তর দিল,

আগামী সপ্তাহে যাবে। এই সপ্তাহে একটু ব্যস্ত।

ফোন রাখার পর নিশি হঠাৎ থমকে গেল।

উত্তরটা সে দেয়নি।

তার হয়ে অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে।


সেদিন রাতে ডায়েরিটা খুলল।

শেষ লেখা চার মাস আগের।

"আজ মনে হচ্ছে, আমি আগের নিশিটাকে একটু একটু করে হারিয়ে ফেলছি।"

তারপর আর কিছু লেখা নেই।

পাতাটা অনেকক্ষণ খোলা ছিল।


পরদিন দুপুরে পুরোনো বান্ধবী রিমি এলো।


অনেক গল্প হলো।

হাসতে হাসতেই রিমি বলল,

তুই আগে কত কথা বলতিস! 

এখন এত চুপচাপ হয়ে গেছিস কেন?

নিশি হেসে এড়িয়ে গেল।


কিন্তু কথাটা মাথা থেকে নামল না।

রিমি চলে যাওয়ার পর অভিক বলল,

এত ব্যক্তিগত কথা বলার দরকার ছিল?

তেমন কিছুই তো বলিনি।

তবু একটু সাবধানে থেকো। সবাই ভালো চায় না।


আবার সেই একই সুর।

"সাবধানে থেকো।"

"আমি তোমার ভালোর জন্য বলছি।"


এক বিকেলে আলমারি গোছাতে গিয়ে নিশি একটা পুরোনো ফাইল পেল।


ভেতরে তার চাকরির নিয়োগপত্র।

যে স্কুলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, সেখানে সে কোনো দিন যোগই দেয়নি।

ফাইলের মধ্যে একটা প্রিন্ট করা ই-মেইলও ছিল।

"প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে যোগদান না করায় নিয়োগ বাতিল করা হলো।"

নিশির হাত কেঁপে উঠল।

সে তো যোগ দিতে চেয়েছিল।

তাহলে?


রাতে অভিককে জিজ্ঞেস করল,

ওই সময় তুমি কি স্কুলে ফোন করেছিলে?


অভিক কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।


তারপর মাথা নাড়ল।

 হ্যাঁ।

কেন?

তখন তুমি খুব চাপের মধ্যে ছিলে। আমি ভেবেছিলাম চাকরি করলে আরও কষ্ট হবে।

আমাকে না বলে?

আমি ভেবেছিলাম, পরে বুঝবে আমি ঠিকই করেছি।


নিশি চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

রাগ হলো না।


বরং ভেতরে কোথাও হালকা একটা ভাঙার শব্দ হলো।

খুব ছোট্ট।

কিন্তু স্পষ্ট।


পরের কয়েক দিন সে তেমন কথা বলল না।

শুধু নিজের দিকে তাকাতে শুরু করল।


শেষ কবে একা কোথাও গেছে?

শেষ কবে নিজের পছন্দে কিছু কিনেছে?

শেষ কবে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে কারও অনুমতির দরকার পড়েনি?

প্রশ্নগুলো সহজ ছিল।

উত্তরগুলো না।


একদিন দুপুরে সে বাবার বাড়ি চলে গেল।

কাউকে না জানিয়ে।

মা দরজা খুলে অবাক হয়ে বললেন,

হঠাৎ?


নিশি অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,

মা, মানুষ কি কাউকে খুব ভালোবেসেও তার জীবনটা নিজের মতো চালাতে পারে?


মা কিছুক্ষণ মেয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

তারপর আস্তে বললেন,

পারে।


যদি সে ভালোবাসা আর মালিকানা—এই দুটোর পার্থক্য বুঝে উঠতে না পারে।


কথাটা নিশির ভেতরে কোথাও গিয়ে বসে রইল।


রাতে বাড়ি ফিরতেই অভিক বলল,

আমাকে না জানিয়ে গেলে কেন?

নিশি শান্ত গলায় বলল,

কারণ যেতে ইচ্ছে করেছিল।

আমি তো চিন্তা করেছি।

করতে পারো।


কিন্তু তাই বলে আমার হয়ে সব সিদ্ধান্তও কি তোমাকেই নিতে হবে?


অভিক প্রথমবার থেমে গেল।


অনেকক্ষণ পরে বলল,

আমি তো কখনো তোমার ক্ষতি চাইনি।

জানি।

তুমি ক্ষতি চাওনি।

কিন্তু আমার হয়ে বাঁচতে চেয়েছ।

দুটো এক জিনিস না।

ঘরটা নিঃশব্দ হয়ে গেল।


অনেকক্ষণ পরে অভিক ধীরে বলল,

ছোটবেলা থেকে দেখেছি, বাবা সব সিদ্ধান্ত নিতেন। মা কিছু বলতেন না। আমি ভেবেছি, সংসার মানেই বোধহয় এমন।


কথাটা বলার সময় তার গলায় কোনো যুক্তি ছিল না।

ছিল শুধু অনুতাপ।


নিশি আস্তে বলল,

আমিও বুঝিনি অনেক দিন।


কারণ তুমি কখনো চিৎকার করোনি।

কোনো দিন অপমান করোনি।

শুধু প্রতিটা মোড়ে আমার হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছ।

হাঁটতে হাঁটতে একসময় আমি নিজের পথটাই ভুলে গেছি।


অভিক মাথা নিচু করল।

আমি সত্যিই বুঝিনি।

আমি ভেবেছিলাম তোমাকে আগলে রাখছি।

আসলে তোমার জায়গাটাই নিয়ে নিচ্ছিলাম।


কয়েক সপ্তাহ পর বদলটা ধীরে ধীরে দেখা গেল।

নিশি নিজেই আবার স্কুলে আবেদন করল।

ইন্টারভিউ দিল।

চাকরিটাও পেল।


নিয়োগপত্রে সই করার আগে সে অভিকের দিকে তাকাল।


অভিক শুধু হেসে বলল,

সিদ্ধান্তটা তোমার।

আমি শুধু পাশে আছি।

নিশি সেই হাসিটা ফিরিয়ে দিল।


অনেক দিন পর মনে হলো, এই হাসিটা তার নিজের।


প্রথম কর্মদিবসের সকালে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অভিক বলল,

ভয় লাগছে?

একটু।

দরকার হলে ফোন কোরো।


নিশি ব্যাগটা কাঁধে তুলে বলল,

করব।


আর যদি না-ও করি, তার মানে আমি নিজেই সামলে নিতে পেরেছি।

অভিক মাথা নাড়ল।

এবার আর কোনো উপদেশ দিল না।

দরজাটা শুধু খুলে ধরে দাঁড়িয়ে রইল।


নিশি বাইরে বেরিয়ে গেল।

সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে তার মনে হলো, স্বাধীনতা সব সময় বড় কোনো ঘোষণা নয়।


কখনো কখনো স্বাধীনতা মানে, নিজের জীবনের একটা ছোট সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়া।


আর ভালোবাসা?

ভালোবাসা কাউকে নিজের মতো বানিয়ে ফেলার নাম নয়।


ভালোবাসা হলো, সে যেন নিজের মতো করেই বাঁচতে পারে—সেই জায়গাটা তাকে দেওয়া।


কারণ শিকল সব সময় চোখে দেখা যায় না।

কিছু শিকল খুব নরম ভাষায় তৈরি হয়।


আর সবচেয়ে কঠিন বন্দিত্ব সেইটাই, যেটাকে অনেক মানুষ সারা জীবন ভালোবাসা ভেবে ভুল করে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1052 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21247। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4163
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার   গল্প-১   অচেনা হাসি   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৮, জুন, ২০২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে ঘরটা নীরব হয়ে গেল   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ২৭ জুন, ২০২৬   একসময় এই ঘ&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পথের পাঁচালী আমরা গল্প পড়ি কিন্তু পাঠ শিখি না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্ম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
419 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ১: পুরনো ফাইল ২০ জুন, ২০২৬ বৃষ্টি নামার ঠিক আ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 বৃষ্টির ভেতর যে গল্প জন্ম নেয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । এপ্রিল ৩০, ২০২৬ বৃষ্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
355 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1945 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    666 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    33 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    156 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

...