Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

একটি অহেতুক প্রেমের থাম্বেল

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
6 বার প্রদর্শিত
করেছেন (5,000 পয়েন্ট)   12 ঘন্টা পূর্বে "ইসলামিক গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

রিকশা পুঞ্জি—৯


মধ্যদুপুর। কাঠফাটা রোদ্দুরে নিস্তেজ খণ্ড খণ্ড ছায়াহীন শহর। আর আমি রিকশা হাতে শুক্রর বুকে বিদ্যমান। ঝরা ঘামের পীড়নে। কেবল কয়েক সত্তা যাত্রী পাওয়া না পাওয়ার অপেক্ষায়। আমি অবশ্য পেশাদার রিকশাচালক নই। শহরের এক মাদ্রাসার ক্ষুদ্র এক তালিবুল ইলম। সপ্তাহের পাঁচটি দিন কিতাবের পাতা উল্টাই, উস্তাদের দরসে বসি, ইলমের পেছনে ছুটি। আর বৃহস্পতি ও শুক্রবার এলে জীবনের প্রয়োজন আমাকে টেনে আনে রাজপথে। হাতে তুলে নিই ভাড়ার রিকশার হ্যান্ডেল। দিনশেষে যা পাই, তা দিয়েই চলে নিজের টুকিটাকি খরচ, কিতাব কেনা আর মাদ্রাসার জীবন।


‎আজও বের হয়েছি সেই প্রয়োজনেই। অথচ সকাল থেকে রোদ যেন আকাশের সমস্ত আগুন পৃথিবীর উপর ঢেলে দিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও তেমন কোনো ভাড়া হয়নি। ক্ষুধা, ক্লান্তি আর হতাশা মিলেমিশে এক অদ্ভুত অবসাদ সৃষ্টি করেছে মনে।


‎হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে উঠলো একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে। হয়তো কাপল। কিছুটা স্মার্ট। কিছুটা আধুনিক। বেপর্দার নির্লজ্জতা যাদের সমস্ত অবয়বে। হয়তো বাবা-মায়ের চোখ লুকিয়ে বের হয়েছে। টাইম পাস ও সময় কর্তনে, একটুখানি চিল আর টুকরো টুকরো গুনাহ অর্জনে।


‎— মামা, যাবেন?

‎— জি! কোথায় যাবেন?

‎— না মানে! কিছু সময় ঘুরতে চাই।

‎— কতোক্ষণ?০

‎— এই ধরুন, এক দেড় ঘণ্টা।

‎— ভাড়া কতো দেওয়া লাগবে?

‎— আড়াইশ।


‎কোন উচ্চ বাক্য না করে ওরা রিকশায় চেপে বসলো। হয়তো ভাবছে— টাকা যাই হোক, রিকশা চালক বয়সে কম। আমাদের পিরিতে প্রতিবন্ধক হবে না।


‎আমি বুঝতে পারছিলাম, ওরা আধুনিককালের সেই বহুল প্রচলিত শব্দ— ক্রাশ, অতঃপর রিলেশনশিপ। তারপর হারাম ভালোবাসার হাজারো নাটকীয় অধ্যায়। যার নাপাক কলুষ আজ বিশ্বব্যাপী এক স্বাভাবিক সংস্কৃতির নাম। তবুও আমি নিষেধ করলাম না। কারণ আমার ভাড়া দরকার। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও যাত্রী না পাওয়ায় একরাশ হতাশায় জর্জরিত। তবুও নিয়ে নিলাম। মনে মনে ভাবলাম, সুযোগ হলে নিজের পরিচয়টা তুলে ধরে ওদের কিছু বলবো। বদলানো যাবে না জানি, তবুও আমার দুই একটি কথায় যদি সামান্য টুকু অনুভূতির সৃষ্টি হয়!


‎তারা উঠে বসলো। আমি নিয়ে চললাম। অনির্দিষ্ট কিছু পথ। অমাপিক কিছু স্থান। অথচ উত্তপ্ত এই রোদ মন্থন। উভয়ের মাঝে রিকশার প্রথম প্রহরে পিনপতন নীরবতা। আমি বুঝতে চেষ্টা করলাম হারাম প্রেমের অদ্ভুত এ হাস্যকর অনুভূতি। এবং অপেক্ষা করতে লাগলাম— কখন প্রথম সংলাপের সূচনা হয়।


‎অবশেষে মেয়েটাই নীরবতা ভাঙলো।


‎— এই! আজকের ওয়েদারটা সুন্দর না?


‎প্রচণ্ড রোদের ভেতর কথাটা শুনে আমার হাসি পেলো। যে রোদে আমার শরীরের ঘাম জামা ভিজিয়ে ফেলেছে, যে রোদে মাথা ঝিমঝিম করছে, সেই রোদও কারো কাছে সুন্দর হতে পারে! তবে প্রেমে পড়া মানুষের কাছে বাস্তবতা নয়, অনুভূতিই সত্য।


‎ছেলেটা হালকা হেসে বললো,


‎— হ্যাঁ, অনেক সুন্দর।


‎মনে হলো সে আবহাওয়ার কথা বলছে না। পাশের মানুষটার কথা বলছে।


‎এরপর ধীরে ধীরে অনর্থক শত গল্পে বিভোর সময়। কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কখনো বন্ধুর বিয়ে, কখনো ভবিষ্যতের স্বপ্ন, কখনো অকারণ হাসি। যেন পৃথিবীর সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রেখে আজ তারা একে অপরকে নিয়েই ব্যস্ত।


‎আমি এইসব পাগলের ঠুনকো প্রলাপ শুনে মনে মনে বেজায় হাসলাম। আর বুঝতে পারলাম— এই পাগলামো এবং সিট খারাপের নাম প্রেম সংলাপ।


‎মনে পড়ে গেল মাদ্রাসার এক উস্তাদের কথা। তিনি বলেছিলেন— “শয়তান কখনো মানুষকে সরাসরি বড় গুনাহে নেয় না। প্রথমে সে অনুভূতির দরজা দিয়ে প্রবেশ করে।”


‎কথাটা মনে হতেই বুকের ভেতর অদ্ভুত এক ভার অনুভব করলাম।


‎গরমের তাপ ও রিকশার চাপ আমাকে যতটা যন্ত্রণায় ভোগাচ্ছিল, তার চাইতে কয়েকগুণ দীর্ঘ আক্ষেপ নিদারুণ এক অদৃশ্য আঘাতে জর্জরিত করে তুলছিল। কারণ আমি শুধু একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে দেখছিলাম না। আমি দেখছিলাম একটি প্রজন্মকে। এমন এক প্রজন্ম, যারা ভালোবাসার সংজ্ঞা জানার আগেই প্রেমে পড়ে যায়। দায়িত্ব বুঝার আগেই সম্পর্ক গড়ে। সংসারের অর্থ না বুঝেই আজীবন একসাথে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়।


‎রিকশা চলছিল। রাস্তার দুপাশে দোকান, মানুষের ভিড়, যানবাহনের শব্দ। অথচ ওরা যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতে বসবাস করছে। পৃথিবীর আর কোনো কিছুর প্রতি তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।


‎হঠাৎ ছেলেটা বললো,


‎— জানো, তোমাকে ছাড়া আমার দিনই কাটে না।


‎মেয়েটা মুচকি হাসলো।


‎আমি মনে মনে বললাম— সুবহানাল্লাহ! কত দ্রুত মানুষ নিজের রবকে ভুলে বান্দার উপর নির্ভর করতে শিখে যায়।


‎কিছুক্ষণ পর ওরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা শুরু করলো। কিভাবে বিয়ে করবে, কোথায় থাকবে, কেমন সংসার হবে। কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছিল, ভবিষ্যৎ যেন তাদের হাতের মুঠোয় বন্দী। অথচ মানুষ আগামী এক ঘণ্টারও মালিক নয়।


‎মনে পড়ে গেল কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখা অসংখ্য নামহীন কবর। তারাও একদিন ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবেছিল। তারাও পরিকল্পনা করেছিল। অথচ আজ তারা মাটির নিচে নিঃশব্দ।


‎আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম।


‎ধিক্কার হে ইউরোপিয়ান সভ্যতা। ধিক্কার হে ধূসর, নর্দমাময় এ পরিবেশের আবির্ভাবক। যে সভ্যতা মানুষকে স্বাধীনতার নামে প্রবৃত্তির গোলামে পরিণত করেছে। যে সভ্যতা লজ্জাকে পশ্চাৎপদতা আর বেহায়াপনায় আধুনিকতার তকমা দিয়েছে।


‎আজ তো আজ! ভাবছি— আসন্ন ও অনাগত ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে এই জেনারেশন? আরও কত দূর যাবে? আরও কত সীমা অতিক্রম করবে?


‎প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ওরা নামলো। ভাড়া মিটিয়ে চলে গেলো। যাওয়ার সময় একবারও পিছনে তাকালো না। আমি অবশ্য তাকালামও না। কারণ আমি জানতাম, এই শহরে এমন দৃশ্য নতুন কিছু নয়। আজ এরা, কাল অন্য কেউ।


‎আমি আবার রিকশার হ্যান্ডেলে হাত রাখলাম। সূর্য তখনো মাথার উপর। শহর তখনো ব্যস্ত। মানুষের গন্তব্য তখনো শেষ হয়নি।


‎আর আমি ভাবছিলাম— এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় দারিদ্র্য অর্থের নয়, ঈমানের। সবচেয়ে বড় সংকট খাদ্যের নয়, হিদায়াতের। যে দিন মানুষ আবার নিজের রবকে চিনবে, নিজের পরিচয়কে চিনবে, সেদিন হয়তো এই পথগুলোতে হারাম প্রেমের গল্প কমে যাবে, আর বাড়বে লজ্জা, পবিত্রতা ও দায়িত্ববোধের গল্প।


‎এইসব ভাবতে ভাবতেই আবার প্যাডেলে চাপ দিলাম। সামনে হয়তো আরেকজন যাত্রী অপেক্ষা করছে। আর আমার জন্য অপেক্ষা করছে আরেকটি শিক্ষা। 

আমি রফিক আতা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 244 টি লেখা ও 11 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 5000। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4018
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


আমি একটি কাব্যগ্রন্থ লিখবো। ‎গ্রন্থটি মলাটবদ্ধ করবো একশো পৃষ্ঠায়। ‎পুরো গ্রন্&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
344 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শুরু সবে থরোথরো প্রেমের প্রথা, হৃদয়ে কত কাশফুল, বুনোফুল, গুল্মলতা। তবু হিয়া শূন্য—জম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
238 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বিষাদের চিরকুট, একটি গ্যারেজ —রফিক আতা— রিকশা পঞ্জি —০৩ প্রবেশপথে এক টুকরো বস্ত&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
124 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
‎ছুটির দিনগুলো ফুরিয়ে গেছে । ‎কাল থেকে ফের মাদ্রাসা খোলা— ‎নাড়ির টান পেছনে রেখে [...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইশকের জগতে তো কেবল ইশকই মানান, ‎প্রাপ্তির হিসাব সেখানে নিছকই বেমানান। ‎ ‎ইশক মা÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
348 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    326 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. জামিনুল রেজা

    244 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    112 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

...