নিঃশব্দ এক সন্ধ্যায়,
টেবিলের কোণে রাখা কলমটা–
হঠাৎ করেই ভারী হয়ে ওঠে,
মনে হয়—ওর ভেতর জমে আছে
না বলা কত কথা।
শব্দরা তখন আর ভিড় করে না,
চিৎকার করে না,
চুপচাপ সারিবদ্ধ হয়ে
মনের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে।
খাতার সাদা পাতাগুলো
কোনো প্রশ্ন করে না—
শুধু ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করে,
যেন জানে–
আজ কিছু একটা জন্ম নেবে।
একটা দাগ,
তারপর আরেকটা—
ভাবনাগুলো আর আটকে থাকে না,
তারা নিজেরাই পথ খুঁজে নেয়,
অক্ষর হয়ে নেমে আসে পাতায়।
লেখা শেষ হলে বুঝি,
এই মুহূর্তটুকুই ছিল দরকার—
যেখানে কলমটা ছিল বাহানা,
আর ভাবনাগুলো
নিজেদের মুক্তির রাস্তা।
( এই কবিতায় দেখানো হয়েছে—নিঃশব্দ সময়ে মানুষের মনের ভেতরে জমে থাকা না-বলা অনুভূতিগুলো লেখার মাধ্যমে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে। কলম এখানে শুধু একটি মাধ্যম; আসল কাজটা করে ভাবনাগুলো নিজেই। খাতার সাদা পাতা প্রশ্ন না করে সব গ্রহণ করে, আর লেখা শেষ হলে মানুষ বুঝতে পারে—এই সামান্য মুহূর্তটাই ছিল নিজের ভেতরের চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ।)
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।