নীরব রাতে কলম ডাকে, লিখি কত কথা অচেনা,
মনের ভেতর জমে থাকা শব্দ চায় যে ছাড়া।
খাতার পাতায় নামে তখন ভাবের নীল ধারা,
অক্ষর বুনে গড়ে ওঠে অনুভবের তারা।
চিন্তার ভিড়ে থেমে থাকা যত না বলা ব্যথা,
কলম ছুঁতেই রূপ পায় তারা, হারায় যত ক্লান্ততা।
শব্দগুলো ছন্দ খোঁজে, মেলে যায় মিলের সুর,
ভাবনাগুলো গান হয়ে যায়, হয় যে বহুদূর।
শেষ লাইনে এসে বুঝি আজ লিখে হালকা মন,
পাতায় পাতায় রয়ে গেল মনের গোপন আলিঙ্গন।
কলম রাখি, নীরবতা ফের আসে ঘরে ধীরে,
কবিতা হয়ে বেঁচে থাকে যা ছিল ভেতরে।
(এই কবিতায় বোঝাতে চেয়েছি—নীরব রাতে মনের ভেতরে জমে থাকা অচেনা কথাগুলো লেখার সময় ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে। লেখার প্রক্রিয়ায় না-বলা কষ্টগুলো রূপ পায়, ক্লান্তি কমে যায়, আর ভাবনাগুলো ছন্দ ও সুর খুঁজে পেয়ে কবিতায় রূপ নেয়। লেখা শেষ হলে মন হালকা হয়, আর যেগুলো ভেতরে ছিল সেগুলো কবিতা হয়ে কাগজে থেকে যায়। )
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।