আমারও কণ্ঠ ছিলো,
ছিলো কোকড়া চুলে ভরা এক বিদ্রোহী মস্তিষ্ক।
আমারও গলা ছিলো,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে উচ্চারণের দুঃসাহসী ইশক।
ভয় ছিলো—
জীবন হারানোর ভয়,
রক্তে রঞ্জিত কোনো অন্ধ গলিতে
নিঃশব্দে ঝরে পড়ার ভয়।
তবু রন্ধ্রে রন্ধ্রে সাহস ছিলো,
ইনসাফের আহ্বান আমার ঈমান;
তাই সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে
করিনি কোনোদিন সংকোচের সন্ধান।
খাহিশ ছিলো—
যদি কোনোদিন পৌঁছি সংসদের দুয়ারে,
তবে হারাম করে দেবো নিদ্রা
মসনদে বসা প্রতিটি বিবেকহীনের দ্বারে।
ওরা ভয় পেয়েছিলো,
একটি কণ্ঠের চেয়ে তার প্রতিধ্বনিকে;
তাই কেড়ে নিলো প্রাণ,
অন্ধকারে ঢেকে দিতে চাইল আলোকশিখাকে।
কিন্তু হায়! কী বিস্ময়—
প্রাণ গেছে, যায়নি উচ্চারণ;
আজও বাতাসে ভেসে বেড়ায়
সেই অসমাপ্ত, অমীমাংসিত আহ্বান।
তবু দুঃখ একটাই—
এত রক্ত, এত ক্রন্দন, এত অবসান;
আজও ওঠেনি আকাশময়
ইনসাফের সেই প্রতীক্ষিত আযান।
— রফিক আতা
১৯.০৬.২৬ | শুক্রবার
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।