Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সকাল ছিল কৃষ্ণনগরের অন্যান্য দিনের মতোই উজ্জ্বল, তবে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
113 বার প্রদর্শিত

তুমি অনিবার্য

লেখক: Israt Jahan Piu | সিরিজ আইডি: #31 | পর্ব নং: 4
করেছেন (264 পয়েন্ট)   06 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

#তুমি_অনিবার্য 

Part- 4


 সকাল ছিল কৃষ্ণনগরের অন্যান্য দিনের মতোই উজ্জ্বল, তবে মেহুর বাড়ি ঢোকার মুখে ঈশানের হৃদস্পন্দন ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক দ্রুত। মেহুর গ্রন্থাগারটি ছিল দোতলার এক কোণে। ঘরটি ছিল 'প্রজ্ঞা ও প্রাচীনত্বের' এক চমৎকার মিশ্রণ। পুরনো, মেহগনি কাঠের তাকে ঠাসা বইয়ের সারি, জানলা দিয়ে আসা সকালের এক চিলতে রোদ আর পুরনো কাগজের 'ধ্রুপদী সৌরভ' সব মিলিয়ে এক 'গভীর-মানসিকতা' তৈরি করেছিল।

মেহু তখন একটা নিচু টুলে দাঁড়িয়ে শেলফ থেকে বই নামাচ্ছিল। তার পরনে ছিল সাধারণ একটি খাদি-কুর্তি, চুলে একটি 'উচ্ছৃঙ্খল' খোঁপা। তার মনোযোগ ছিল বইয়ের পাতায়, কিন্তু তার 'সতর্ক-স্নিগ্ধ' চোখদুটি যেন ঈশানের উপস্থিতি প্রতিটি মুহূর্তে 'অনুধাবন' করছিল।

-"দেখ ঈশান, এই বইগুলো সব এলোমেলো হয়ে আছে। আমি চাই তুই তোর 'গাণিতিক-শৃঙ্খলা' দিয়ে এগুলোর একটা 'সহজ-বিন্যাস' তৈরি করবি," 

ঈশান হাসল। 

-"বইগুলো তো কেবলই জ্ঞান, মেহু। সেগুলোকে বিন্যাস করা সহজ। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের 'অঙ্কপাতন' কী দিয়ে করব? সেটা যে বড় 'জটিল-সংকলন'!"

মেহু তার দিকে ফিরে তাকাল। তার চোখে তখন ঈশানের 'অপ্রয়োজনীয় গভীরতা'র প্রতি সামান্য বিরক্তি। 

"অফিসিয়াল কথাবার্তা রাখ। আজ তুই আমার 'কর্মসহায়ক'। এখানে কোনো 'দার্শনিক-বিস্ফোরণ' চাই না। শুধু তোর দক্ষতা চাই।"


কাজ শুরু হলো। তারা দু'জন দু'পাশ থেকে বই নামাতে এবং নতুন করে সাজাতে লাগল। মাঝে মাঝে তাদের হাত সামান্য ছুঁয়ে যাচ্ছিল, যা মেহুর জন্য ছিল স্বাভাবিক, কিন্তু ঈশানের জন্য ছিল তার 'পরীক্ষা-নিরীক্ষার' প্রথম ধাপ।

একসময় একটি বিশেষ শেলফে কাজ করার জন্য তারা দুজনেই অত্যন্ত কাছাকাছি চলে এলো। মেহু একটি ভারী বই নামানোর চেষ্টা করছিল।

-"দাঁড়া," 

বলে ঈশান এগিয়ে এলো। সে মেহুর একেবারে পিঠের কাছে এসে দাঁড়াল, তার উষ্ণ নিশ্বাস মেহুর ঘাড়ের কাছে এসে পড়ল। এই 'অত্যন্ত-নিকটত্ব' বন্ধুত্বের জন্য 'অস্বাভাবিক' ছিল। মেহু যেন এক 'তড়িৎ-আকর্ষণ' অনুভব করল, তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হলো।

-"ঈশান, তুই কি আমার হাত থেকে নিতে পারিস না? এত কাছে আসার কী দরকার?"

 মেহুর স্বর ছিল সামান্য কাঁপানো। সে বইটার ওপর তার 'সমস্ত-সংযম' ঢেলে দিল।

ঈশান ইচ্ছা করে নিজের দূরত্ব কমালো না। বরং খুব শান্ত, 'মৃদু-কন্ঠে' বলল,

 -"আমি শুধু দেখতে চাইছিলাম, তুই একা কতক্ষণ তোর 'ভার' সামলাতে পারিস। কিছু জিনিস আছে, যা একা সামলানো যায় না, মেহু। তাদের 'অনিবার্য-সহায়তা' লাগে।"

এই 'শব্দ-চয়ন' মেহুকে সরাসরি আঘাত করল। তার মনে পড়ে গেল অর্ণবের সেই 'অনিবার্য' শব্দটি। সে দ্রুত সরে এলো, বইটা ধপাস করে মেঝের ওপর পড়ল।

-"বাজে কথা বলিস না। তুই আমার বন্ধু। তুই আমার 'অনিবার্য' অংশ, সহায়তাকারী নয়। তুই কি ভুলে যাচ্ছিস, আমরা কিসের ওপর দাঁড়িয়ে আছি?" 

মেহুর চোখে ছিল এক 'নিরাবরণ কঠোরতা'। 


ঈশান বুঝল, তার 'পরীক্ষা-যন্ত্র' কাজ শুরু করেছে। মেহু তার দুর্বলতম স্থানে আঘাত করেছেতাদের 'অক্ষয় বন্ধুত্বে'র ওপর।

ঈশান এবার বইয়ের নামানো স্তূপের দিকে তাকিয়ে এক 'সুচিন্তিত-প্রশ্ন' ছুঁড়ে দিল। 

-মেহু, এই যে বইগুলো, দেখ। এগুলোকে বছরের পর বছর ধরে একভাবেই রাখা হয়েছে। কিন্তু ভেতরে এদের বিষয়বস্তু পাল্টেছে। আমরা কি শুধু বাইরে থেকে সম্পর্কের নামটা এক রেখে দিই? ভেতরের অনুভূতিগুলো কি সময়ের সাথে সাথে পাল্টে যায় না? এই যে 'অবিচল বিশ্বাসে'র কথা তুই বলিস, সেটা কি একসময় 'অবাধ্য আবেগে' পরিণত হতে পারে না?"

সে এবার মেহুর চোখের দিকে সরাসরি তাকাল। তার 'তীক্ষ্ণ-অন্তর্বোধী' চোখগুলো যেন মেহুর হৃদয়ের 'গভীরতম-গুপ্ততা' ভেদ করতে চাইছিল। এই মুহূর্তে ঈশানের এই 'সৌম্য-আকর্ষণীয়' মুখশ্রী এবং তার চোখের 'গভীর-প্রশ্ন' মেহুর মনে এক 'দুরন্ত-দ্বিধা' তৈরি করল।


মেহু আর নিজেকে 'সংবরণ' করতে পারল না। সে বুঝতে পারল, ঈশান ইচ্ছা করেই তাদের বন্ধুত্বের 'সুরক্ষিত-বেষ্টনী' ভেঙে দিচ্ছে। তার ভেতরের 'অস্বীকার' করা অনুভূতিগুলো তখন প্রবল বেগে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল।

-"তুই কী বলতে চাইছিস স্পষ্ট করে বল,"

 মেহু শান্ত থাকার শেষ চেষ্টা করল, কিন্তু তার কন্ঠস্বর তখন 'প্রচণ্ড-আন্দোলিত'।

ঈশান ধীরে ধীরে তার কাছে এগিয়ে এলো। হাতে একটা পুরনো 'অভিধান', যেন সে শব্দগুলোকেই নতুন করে সংজ্ঞায়িত করতে চাইছে।

-"আমি বলতে চাইছি,"

 ঈশান তার দিকে ঝুঁকে এসে বলল, 

-"যে দূরত্ব আমরা নিজেদের মধ্যে টেনে রেখেছি, সেটা কি কেবলই 'কাল্পনিক-রেখা'? যদি তা না হয়, তাহলে কেন আমার এই 'নিরন্তর-অভিপ্রায়' জাগে তোকে স্পর্শ করার? কেন অর্ণবের বলা সেই 'অনিবার্য' শব্দটি আমাকে এত তাড়িয়ে বেড়ায়, মেহু? তুই কি সত্যি নিশ্চিত যে, আমাদের এই 'স্থির আলো'র নিচে কোনো 'প্রচ্ছন্ন-অন্ধকার' নেই, যেখানে শুধু প্রেম অপেক্ষা করে?"

মেহু যেন পাথরের মতো জমে গেল। ঈশানের কথাগুলো তার মনের সমস্ত 'নিশ্চিত ভিত্তি' ভেঙে দিল। এই প্রথম সে বুঝতে পারল, তার 'অটল-বিশ্বাস'ও হয়তো ততটা অটল নয়। সে কেন এত 'ক্ষিপ্ত' হচ্ছে? কারণ সে ভয় পাচ্ছে। ভয় পাচ্ছে এই 'অনিবার্য' সত্যকে যে, সেও হয়তো ঈশানকে বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু ভাবতে শুরু করেছে।

হঠাৎ মেহু দ্রুত পেছন ফিরল, তার চোখে তখন জল আসার উপক্রম। 

-"আর একটাও কথা বলিস না! তুই এই সম্পর্ককে 'কলুষিত' করছিস! আমি বলেছিলাম, আমাদের বন্ধুত্ব আকাশ আর মাটির মতো সত্য। তুই সেই সত্যকে 'মিথ্যা-প্রতিপন্ন' করতে চাইছিস! তুই শুধু আমার বন্ধু, ঈশান। শুধু বন্ধু!"

কিন্তু মেহুর এই 'জোরপূর্বক-ঘোষণা'য় ঈশানের হৃদয়ে কোনো দুঃখ জন্মাল না। বরং এক ধরণের 'বিজয়-উচ্ছ্বাস'। মেহু রাগ করেছে। সে 'বিচলিত' হয়েছে। তার ভেতরের 'সীমারেখা'টা কাঁপছে। ঈশান বুঝল, তার পরীক্ষা 'সফল' হয়েছে। মেহুর বন্ধুত্বে ফাটল ধরেছে—আর সেই ফাটল দিয়ে 'অনিবার্য' আবেগ তার জীবনে প্রবেশ করার পথ তৈরি করে নিচ্ছে।

মেহু দ্রুত গ্রন্থাগার থেকে বেরিয়ে গেল, তার 'বিব্রত-পদধ্বনি' পুরো ঘরে প্রতিধ্বনিত হলো। ঈশান একা দাঁড়িয়ে রইল সেই বইয়ের স্তূপের পাশে, হাতে সেই পুরোনো অভিধান। 

image

চলবে....??


[Do not copy]


(আপনাদের মতামতই আমার প্রেরণা! নিচে কমেন্টে জানান, আপনারা কি পার্ট ৫ চান? আপনাদের আগ্রহই ঠিক করে দেবে গল্পের পরবর্তী পদক্ষেপ! আপনাদের কাছে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার লেখা গত পর্ব গুলোকে এত সুন্দর করে সমর্থন করার জন্য 🤍✨️)






আমি Israt Jahan Piu, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 12 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 264। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
স্বরচিত
Enolej ID(eID): 1803
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

1 প্রতিক্রিয়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
প্রিয় লেখিকা,

আপনার পর্বগুলো সিরিজ হিসেবে যুক্ত করুন।

আপনার তিনটি পর্ব আমি "তুমি অনিবার্য" সিরিজে যুক্ত করেছি।বাকিগুলোও আপনি ক্রমে ক্রমে যুক্ত করতে পারেন।অটোমেটিক সব তালিকাবদ্ধ হয়ে যাবে।

বুঝতে অসুবিধা হলে জানান।

-

টিম ই-নলেজ। 
করেছেন (1,292 পয়েন্ট)   06 ডিসেম্বর 2025 প্রতিক্রিয়া প্রদান

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
#তুমি_অনিবার্য  লেখনি : ইসরাত জাহান  Part : 06 কৃষ্ণনগরের বাতাসে ভোরের কুয়াশা তখনো হালক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
85 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
100 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
83 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
106 বার প্রদর্শিত 2 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
81 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...