Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বাবার নম্বরটি আজও ফোনে আছে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,003 পয়েন্ট)   15 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বাবার নম্বরটি আজও ফোনে আছেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

শোক ও স্মৃতির ছোটগল্প

১৯ অক্টোবর ২০২৬


বাবা মারা গেছেন তিন বছর আগে। তাঁর মোবাইল নম্বরটি আর চালু নেই। তবু নতুন ফোন কেনার পর আরিফ সবার আগে যে নম্বরটি সংরক্ষণ করেছিল, সেটি বাবার।


নাম লিখেছিল শুধু—‘বাবা’।


ফোন বদলানোর সময় অন্য নম্বরগুলো পুরোনো ফোন থেকে তুলে এনেছিল আরিফ। পরিচিত মানুষদের নম্বর একে একে সংরক্ষণ করতে করতে রাত হয়ে গিয়েছিল। বাবার নম্বরটি সে নিজে হাতে লিখেছিল। শেষের চারটি সংখ্যা টাইপ করতে তার একবারও ভুল হয়নি।


নম্বরটি তার মুখস্থ।


বাবা বেঁচে থাকতে এই নম্বরেই ফোন করতেন। কখনো বাজার থেকে ফেরার পথে, কখনো অফিস ছুটির পর। বেশির ভাগ দিন কথাবার্তা বেশি হতো না।


— কোথায় আছিস?


— বাসায় ফিরছি।


— আচ্ছা, সাবধানে আসিস।


কখনো আরিফ ফোন ধরতে দেরি করলে বাবা আবার ফোন করতেন না। পরে কথা হলে শুধু জিজ্ঞেস করতেন, ব্যস্ত ছিল কি না। আরিফ তখন এসবকে স্বাভাবিক বলেই জানত। বাবার ফোন আসবে, সে ধরবে, দু-চার কথা হবে—এ নিয়ে আলাদা করে ভাবার কিছু ছিল না।


এখন ফোনের পর্দায় বাবার নামটি দেখা যায়, কিন্তু সেই নম্বরে কল করলে সংযোগ পাওয়া যায় না।


প্রথম দিকে আরিফ নম্বরটি বন্ধ হওয়ার খবর জানতে চেয়েছিল। পরে বুঝেছিল, নম্বরটি আর ফিরে পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সিমটি অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। তবু পরিচিতির তালিকা থেকে নামটি সরানোর কথা তার মনে হয়নি।


একদিন বিকেলে বন্ধু রাকিব তার ফোন নিয়ে একটি নম্বর খুঁজছিল। আরিফ তখন পাশেই বসে কাজ করছিল।


হঠাৎ রাকিব জিজ্ঞেস করল,


— ‘বাবা’ নামে এই নম্বরটা কার?


— আমার বাবার।


— উনি কি এখনো এই নম্বর ব্যবহার করেন?


আরিফ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,


— না। বাবা মারা গেছেন।


রাকিব ফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর নম্বর খোঁজার কাজ শেষ করে ফোনটি ফিরিয়ে দিল। আর কোনো প্রশ্ন করল না।


সেদিন রাতে আরিফ অনেকক্ষণ ফোন হাতে বসে ছিল। রাকিবের প্রশ্নটা তার মাথায় ঘুরছিল না ঠিক, তবে পরিচিতির তালিকায় বাবার নামটি চোখে পড়লেই সে থেমে যাচ্ছিল।


অন্য অনেক পুরোনো নম্বর সে মুছে দিয়েছে। যাদের সঙ্গে একসময় প্রতিদিন কথা হতো, এখন আর যোগাযোগ নেই, তাদের কারও কারও নামও তালিকায় নেই। ফোনের জায়গা খালি করতে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় নম্বরগুলো সরিয়ে ফেলেছিল সে।


শুধু বাবার নম্বরটি রয়ে গেছে।


কেন রেখেছে, তার কোনো উত্তর আরিফ কখনো খুঁজে দেখেনি।


রাতে ঘুমানোর আগে সে পরিচিতির তালিকা খুলল। ‘বাবা’ নামটি খুঁজে বের করে সম্পাদনার পাতায় ঢুকল। নামের নিচে নম্বরটি লেখা। প্রতিটি অঙ্ক ঠিক আছে কি না, একবার দেখে নিল।


তারপর আবার নামের দিকে তাকাল।


বাবার নম্বরটি সে বহুবার নতুন ফোনে লিখেছে। প্রতিবারই নামের ঘরে একই শব্দ বসিয়েছে। ‘আব্বা’ নয়, পুরো নাম নয়, অন্য কোনো পরিচয়ও নয়। শুধু ‘বাবা’।


নম্বরটির কোনো পরিবর্তন দরকার ছিল না। নামের বানানও ঠিক ছিল।


আরিফ সম্পাদনার পাতা থেকে বেরিয়ে যেতে পারত। কিন্তু সে তা করল না। কোনো অঙ্ক না বদলে, কোনো অক্ষর না সরিয়ে, নিচের ‘সংরক্ষণ’ বোতামটি চাপল।


পর্দায় লেখা উঠল—


‘পরিচিতি হালনাগাদ হয়েছে।’

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1435 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29003। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5020
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
বাবার পুরোনো জুতো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন আবেগঘন ছোটগল্প। ১৯ অক্টোবর ২০২৬ অফিসের অ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বাবার মৃত্যুর পর দুই ভাইয়ের দেখা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন পারিবারিক ছোটগল্প ১৮ অক্ট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ পর্যন্ত কেউ জেতেনি   পর্ব–৬ : একা বাবার সংসার   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন "নিজের কষ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
50 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বাবার শেষ সম্বল    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   লেখার ধরন : ছোট গল্প   (লেখাটি সম্পূর্ণ বা&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
64 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বাবার পুরোনো ঘড়ি    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ২৭ জুন, ২০২৬   বাবার সবচেয়ে [...] বিস্তারিত পড়ুন...
53 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1419 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    7 মন্তব্য

    69 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...