Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

যদি আল্লাহ সর্বদয় হন, তবে শিশুদের ক্যান্সার হয় কেন?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (12,266 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "ইসলাম" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
অশুভ ও দুঃখ-কষ্টের সমস্যা: ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বিশ্লেষণ

ইসলামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে প্রচলিত আপত্তিগুলোর একটি হলো, "যদি আল্লাহ সত্যিই সর্বদয় (আর-রহমান) ও সর্বশক্তিমান হন, তবে নিষ্পাপ শিশুদের ক্যান্সার, জন্মগত রোগ বা দুর্ভোগ কেন হয়?" প্রশ্নটি আবেগপ্রবণ এবং গভীর। কোনো শিশুর কষ্ট দেখে মানুষের হৃদয় ব্যথিত হওয়াই স্বাভাবিক। ইসলাম এই কষ্টকে অস্বীকার করে না, বরং স্বীকার করে। তবে ইসলাম মনে করে, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেতে হলে আগে বুঝতে হবে, পৃথিবীর উদ্দেশ্য কী।

প্রথমেই একটি মৌলিক বিষয় বোঝা জরুরি। ইসলাম কখনোই পৃথিবীকে চূড়ান্ত সুখের স্থান বলে দাবি করেনি। বরং কুরআন স্পষ্টভাবে জানায়, এই পৃথিবী একটি পরীক্ষার স্থান।

> "তিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন, যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করেন, কে তোমাদের মধ্যে আমলে উত্তম।"

(সূরা আল-মুলক ৬৭:২)

অর্থাৎ, পৃথিবীর উদ্দেশ্য স্থায়ী আরাম নয়; বরং পরীক্ষা। যদি পৃথিবীই জান্নাত হতো, তাহলে এখানে রোগ, মৃত্যু, বার্ধক্য বা বিপদ কোনোটাই থাকত না।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক প্রশ্ন আসে। আমরা যখন বলি, "ভালো আল্লাহ থাকলে কষ্ট থাকবে না", তখন আমরা ধরে নিচ্ছি যে একজন দয়ালু সত্তার একমাত্র কাজ হলো সব কষ্ট দূর করে দেওয়া। কিন্তু বাস্তব জীবনেও তা সত্য নয়। একজন দক্ষ চিকিৎসক রোগীর অস্ত্রোপচার করেন। অস্ত্রোপচার ব্যথাদায়ক, কিন্তু নিষ্ঠুর নয়। একজন শিক্ষক কঠিন পরীক্ষা নেন। পরীক্ষা কষ্টকর, কিন্তু ছাত্রের ক্ষতির জন্য নয়। অর্থাৎ, কষ্ট থাকা মানেই দয়ার অনুপস্থিতি নয়। অনেক সময় বৃহত্তর কল্যাণের জন্য সাময়িক কষ্ট প্রয়োজন হয়।

তবে কেউ বলতে পারেন, "ঠিক আছে, বড়দের পরীক্ষা হতে পারে। কিন্তু একটি শিশু কেন কষ্ট পাবে?" ইসলামী আকীদায় এর উত্তর হলো, শিশু কোনো পাপের শাস্তি হিসেবে কষ্ট পায় না। ইসলাম উত্তরাধিকারসূত্রে পাপ (Original Sin) বিশ্বাস করে না। কুরআন ঘোষণা করে,

> "কোনো বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।"

(সূরা আল-আনআম ৬:১৬৪)

অতএব, কোনো শিশু তার নিজের বা অন্য কারও পাপের কারণে রোগে আক্রান্ত হয় না।

তাহলে সেই কষ্টের অর্থ কী? ইসলামে বলা হয়, একই ঘটনা বিভিন্ন মানুষের জন্য বিভিন্ন অর্থ বহন করতে পারে। শিশুর জন্য তা শাস্তি নয়; কিন্তু তার মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন ও সমাজের জন্য তা পরীক্ষা হতে পারে। সেই শিশুর মাধ্যমে মানুষের ধৈর্য, সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ, চিকিৎসাবিজ্ঞান, দানশীলতা ও মানবিকতা পরীক্ষিত হয়। একটি শিশুর অসুস্থতা বহু মানুষের চরিত্রকে প্রকাশ করে।

এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইসলামে দুনিয়ার জীবনই সবকিছু নয়। যদি মৃত্যুই মানুষের শেষ পরিণতি হতো, তাহলে এই আপত্তি আরও শক্তিশালী হতো। কিন্তু ইসলাম বলে, মৃত্যুর পর অনন্ত জীবন রয়েছে। তাই একটি শিশুর কয়েক বছরের কষ্টকে অনন্ত জীবনের আলোকে দেখা হয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

> "মুসলমানের যে কোনো ক্লান্তি, রোগ, দুঃখ, কষ্ট, এমনকি কাঁটার খোঁচাও তাকে আঘাত করলে আল্লাহ এর মাধ্যমে তার গুনাহ মাফ করেন।"

(সহিহ বুখারি, হাদিস ৫৬৪১; সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৫৭৩)

আর যে শিশু বালেগ হওয়ার আগেই মারা যায়, সে ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী জবাবদিহির অধীন নয়। বহু সহিহ হাদিসে এসেছে যে, এমন শিশুরা জান্নাতবাসী হবে। অর্থাৎ, দুনিয়ার কষ্ট তাদের চূড়ান্ত পরিণতি নয়।

আরেকটি বিষয় প্রায়ই উপেক্ষিত হয়। আমরা সাধারণত একটি ঘটনার তাৎক্ষণিক দিক দেখি, কিন্তু আল্লাহ সমগ্র বাস্তবতা জানেন। কুরআনে মূসা (আ.) ও খিজির (আ.)-এর ঘটনায় দেখা যায়, খিজির এমন কিছু কাজ করেছিলেন যা প্রথম দৃষ্টিতে অন্যায় মনে হয়েছিল। পরে বোঝা গেল, সেগুলোর পেছনে এমন প্রজ্ঞা ছিল যা মূসা (আ.) তখন জানতেন না। (সূরা আল-কাহফ ১৮:৬০-৮২)। এই ঘটনা শেখায়, মানুষের জ্ঞান সীমিত, কিন্তু আল্লাহর জ্ঞান সর্বব্যাপী।

কুরআন বলে,

> "হতে পারে তোমরা কোনো জিনিস অপছন্দ করছ, অথচ তাতেই তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে। আর হতে পারে তোমরা কোনো জিনিস পছন্দ করছ, অথচ তাতেই তোমাদের অকল্যাণ রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।"

(সূরা আল-বাকারা ২:২১৬)

এটি কোনো ঘটনার সহজ ব্যাখ্যা নয়; বরং মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার ঘোষণা।

এখানে একটি যুক্তিগত বিষয়ও বিবেচনা করা উচিত। কেউ যদি বলেন, "আমি কোনো কারণ জানি না, তাই কোনো কারণ নেই", তাহলে এটি যুক্তির ভাষায় argument from ignorance নামে পরিচিত। কারণ আমরা কোনো ঘটনার কারণ না জানলেই যে কারণ নেই, তা প্রমাণিত হয় না। পাঁচ বছরের একটি শিশু যদি দেখে ডাক্তার তার মাকে কষ্ট দিয়ে ইনজেকশন দিচ্ছেন, সে ভাবতে পারে ডাক্তার নিষ্ঠুর। কিন্তু তার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে সে চিকিৎসার উদ্দেশ্য বুঝতে পারে না। মানুষের অবস্থানও আল্লাহর জ্ঞানের তুলনায় তেমনই সীমাবদ্ধ।

সবশেষে মনে রাখা উচিত, ইসলাম কখনো বলে না যে মানুষের কষ্ট দেখে চুপ করে বসে থাকতে হবে। বরং রোগীর চিকিৎসা করা, ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো, এতিমের দেখাশোনা করা এবং বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়ানোকে ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। যদি কষ্টের কোনো অর্থই না থাকত, তাহলে মানুষকে তা দূর করার নির্দেশও দেওয়া হতো না। ইসলামে কষ্ট বাস্তব, কিন্তু তা অর্থহীন নয়।

সুতরাং, "যদি আল্লাহ সর্বদয় হন, তবে শিশুদের ক্যান্সার কেন?" এই প্রশ্নের ইসলামী উত্তর হলো: পৃথিবী জান্নাত নয়, পরীক্ষা। শিশুর কষ্ট তার পাপের শাস্তি নয়। আল্লাহর জ্ঞান মানুষের জ্ঞানের সীমা অতিক্রম করে। আর দুনিয়ার সাময়িক কষ্টকে ইসলামে কখনোই মানুষের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে দেখা হয় না; বরং আখিরাতের অনন্ত জীবনের আলোকে বিচার করা হয়। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে শিশুর কষ্ট আল্লাহর দয়ার অস্বীকৃতি নয়, বরং এমন এক বাস্তবতার অংশ, যার পূর্ণ অর্থ কেবল আল্লাহই জানেন।
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 608 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12266। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4533
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বিশ্লেষণ অনেকেই প্রশ্ন করেন, "যদি আল্লাহ সত্যিই সর্বশক্তিমান ও সর্বমহান হন, তবে কুরআনে কেন বারবার বলা হয়েছে তিনি মহান, তিনি ক্ষমাশীল, তিনি সর্বশক্তিমান, তাঁরই ইব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আল্লাহর ইবাদত: আল্লাহর প্রয়োজন, নাকি মানুষের প্রয়োজন? ইসলামের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত একটি প্রশ্ন হলো, "যদি আল্লাহ সত্যিই সর্বশক্তিমান, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং কারও মুখাপেক্ষী না হন, তাহলে তিন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ঈমান, প্রমাণ এবং স্বাধীন ইচ্ছা: ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বিশ্লেষণ ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অন্যতম জনপ্রিয় আপত্তি হলো, "যদি আল্লাহ সত্যিই চান মানুষ তাঁর ওপর বিশ্বাস করুক, তাহলে তিনি কেন [...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বহু ধর্মের অস্তিত্ব কি ইসলামের সত্যতাকে দুর্বল করে? ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায়ই একটি প্রশ্ন করা হয়, "যদি ইসলামই সত্য ধর্ম হয়, তাহলে পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম কেন? যদি আল্লাহ সত্যিই মানুষকে স�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

যদি সব পূর্বনির্ধারিত (তাকদীর) হয়, তবে বিচার কেন? তাকদীর ও স্বাধীন ইচ্ছা: ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বিশ্লেষণ ইসলামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে আলোচিত দার্শনিক আপত্তিগুলোর একটি হলো, "যদি আল্লাহ আগ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    4376 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    218 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2365 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    117 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...