Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

আন্তোনিও গ্রামসির দর্শন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (7,890 পয়েন্ট)   8 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
Antonio Gramsci আধুনিক সমাজ রাজনীতি র দর্শনে এক পরিচিত নাম। আমার চিন্তাতে যারা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে তাদের মধ্যে আন্তোনিও গ্রামশি একজন। অনেকেই তার নাম প্রথম শুনছেন তবে যারা ফিলোসোফি নিয়ে ডিপ স্টাডি করেন তারা তাকে অবশ্যই চিনে থাকবেন। মিশেল ফুকোর সমপর্যায়ের তিনি ( অন্তত আমার দৃষ্টিতে) । সংক্ষিপ্ত আকারে আমি তার ফিলোসোফিক্যাল পজিশন নিয়ে এখানে আলোচনা করছি, এগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত বিভিন্ন অনলাইন আর্টিকেলে পেয়ে যাবেন। 

তো চলুন শুরু করা যাক - 

১. Cultural Hegemony  

এটি গ্রামশির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব। Hegemony অর্থ আধিপত্য বা নেতৃত্ব। আন্তোনিও গ্রামসি এই তত্ত্ব দ্বারা বুঝিয়েছেন যে - 

কোনো শাসক শ্রেণি শুধু বলপ্রয়োগ করে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। তারা শিক্ষা, গণমাধ্যম, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, ধর্ম, পরিবার এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে এমন মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে, যাতে সাধারণ মানুষ সেগুলোকে স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি সমাজে বারবার কোনো নির্দিষ্ট ধারণা বই, সংবাদ, সিনেমা ও শিক্ষাব্যবস্থায় প্রচারিত হয়, তবে অনেক মানুষ সেটিকে প্রশ্ন না করেই স্বাভাবিক বলে ধরে নিতে পারে। গ্রামশি এই ধরনের সাংস্কৃতিক প্রভাবকে "হেজিমনি" বলে ব্যাখ্যা করেন।

২. Consent and Coercion 

Consent (কনসেন্ট) = স্বেচ্ছায় সম্মতি

Coercion (কোয়ার্শন) = জোরপূর্বক বাধ্য করা

গ্রামশির মতে রাষ্ট্র দুটি উপায়ে চলে - 

(ক) Coercion এর মধ্যে আছে সরাসরি বল প্রয়োগের প্রায়োগিক দিক, যেগুলো হলো - পুলিশ, সেনাবাহিনী, আদালত,কারাগার ইত্যাদি । আমাদের আইনিগত ভাবে এই কাঠামো দ্বারাই রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই কাঠামোর মূল কাজ হলো ভয় ও শাস্তির মাধ্যমে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করা।  

(খ) Consent এর মধ্যে আছে - শিক্ষা, ধর্ম, পরিবার, সংস্কৃতি

সংবাদমাধ্যম ইত্যাদি । এগুলো মানুষের সম্মতি তৈরি করে।

গ্রামশির মতে, স্থায়ী ক্ষমতার জন্য সম্মতি তৈরি করা বলপ্রয়োগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

আপনারাই চিন্তা করুন আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ সময় কিভাবে টিকে ছিল? অথবা বিশ্বের ক্ষমতাশালীরা কিভাবে টিকে থাকে? । ভারতের বিজেপি সরকার যে একটা স্বৈরাচারী দল এবং কট্ররহিন্দুপন্থি একটা দল এটা তো আমরা সবাই জানি , তারা কিভাবে এত শক্ত অবস্থানে আছে? এর জবাব হলো তারা ধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছে । তারা সাধারণ হিন্দুদের থেকে মনস্তাত্ত্বিক ভাবে এই সম্মতি অর্জন করেছে যে " বিজেপি সরকার হিন্দুদের সরকার, তারা সব সময় হিন্দুদের রক্ষা করবে..."। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ক্ষমতাবানরা এভাবেই নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে...... ।  

৩. Civil Society and Political Society 

গ্রামশি রাষ্ট্রকে দুটি ভাগে দেখেছেন।

 (ক) পলিটিক্যাল সোসাইটি : এর মধ্যে আছে - সরকার

পুলিশ, আদালত, সেনাবাহিনী সহ যাবতীয় রাষ্ট্র কাঠামো 

(খ) সিভিল সোসাইটি : পরিবার,স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, সংবাদমাধ্যম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন সহ যাবতীয় সামাজিক কাঠামো। গ্রামশির মতে, সিভিল সোসাইটিই মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধ গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।

এই দুই সোসাইটি মিলে আমাদের জন্ম থেকে মৃত্যু পযন্ত তাদের চিন্তা ও সংস্কৃতিসহ যা আছে সবই নিয়ন্ত্রণ করে। যারা এই নিয়ন্ত্রণের থেকে বাহিরে আসতে চায় রাষ্ট্র তাদের প্রতমে সমাজ থেকে আলাদা করে ( মূলত কারাগারে নিক্ষেপ করে) যদি সেখানেও তাদের দমন না করা যায় তাহলে দুনিয়া থেকেই তাদের....... । 

৪. ট্র্যাডিশনাল ইন্টেলেকচুয়াল VS অর্গানিক ইন্টেলেকচুয়াল 

গ্রামশির মতে, সব বুদ্ধিজীবী একই রকম নন।তিনি দুই ধরনের বুদ্ধিজীবীর কথা বলেন - 

(ক)Traditional Intellectual 

যারা নিজেদের নিরপেক্ষ মনে করেন, যেমন অনেক অধ্যাপক, লেখক বা ধর্মীয় নেতা। এরাই মূলত সরকারের হয়ে সমাজে সংস্কৃতি ও চিন্তাধারার সম্প্রচার করে। যুগ যুগ এই শ্রেণিগুলোই আমাদের সত্যকে মিথ্যা এবং মিথ্যাকে সত্য হিসাবে দেখিয়ে আসছে আর আমরাও সেগুলো বিশ্বাস করে যাচ্ছি।  

(খ) Organic Intellectual 

যারা কোনো নির্দিষ্ট সামাজিক শ্রেণি বা গোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও সমস্যার ভিত্তিতে চিন্তা করেন এবং সমাজে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন। এই অর্গানিক ইন্টেলেকচুয়াল এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো ভারতের বাবাসাহেব আম্বেদকর । সে ছিল দলিত আন্দোলনের নেতা । জাতপাত, অস্পৃশ্যতা আর সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সারাজীবন লড়াই করছেন। দলিত, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকারের জন্য কাজ করছেন । একটা সাধারণ ছেলে যে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে সমাজে ও রাষ্ট্রে পরিবর্তন এনেছেন। আপাতত অর্গানিক ইন্টেলেকচুয়াল হিসাবে তার চেয়ে ভালো কারো কথা আমার মাথাতে আসছে না...... ।  

৫. War of Position 

গ্রামশি মনে করতেন, সব সমাজে সরাসরি বিপ্লব সফল হয় না।

তাই আগে মানুষের চিন্তা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি করতে হবে।অনেক সময় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, গণমাধ্যম ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কাজ করতে হয়। মানুষের চিন্তায় পরিবর্তন এলে রাজনৈতিক পরিবর্তনও সহজ হয়ে যায়। তিনি একে "War of Position" বলেছেন। 

এর উদাহরণ হিসাবে আমরা বাংলাদেশের ২৪ শে জুলাই গনঅভ্যুত্থানের কথাটা ধরতে পারি। ১৬ বছরের স্বৈরাচার সরকারের পতন হওয়ার পিছনে ওয়ার অ পজিশন বড় একটা ভূমিকা পালন করেছে। অন্য কোনো দিন না হয় এই তত্ত্ব নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে.... । 

৬. War of Maneuver 

এটি হলো সরাসরি রাজনৈতিক সংগ্রাম বা বিপ্লব।

গ্রামশির মতে, পশ্চিম ইউরোপের মতো সমাজে "War of Position" ছাড়া সরাসরি বিপ্লব সাধারণত সফল হয় না। তিনি আরও বলেন যে সব ক্ষেত্রে যে এটা সফলও হবে সেরকমও না.... । এর ভালো উদাহরণ হলো আমাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০১৩ সালের সাপলা চত্বরের ঘটনা।  

৭. Historic Bloc 

গ্রামশির মতে, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে শুধু অর্থনীতি যথেষ্ট নয়।

একটি শক্তিশালী জোট গড়ে ওঠে যখন -অর্থনীতি,রাজনীতি

সংস্কৃতি, শিক্ষা, সামাজিক মূল্যবোধ একসঙ্গে কাজ করে।

এই সমন্বিত কাঠামোকেই তিনি Historic Bloc বলেছেন। 

৮. Passive Revolution 

কখনও শাসকগোষ্ঠী বড় বিপ্লব এড়াতে কিছু সংস্কার করে, কিন্তু ক্ষমতার মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাখে।গ্রামশি এই ধরনের ধীর, উপর থেকে পরিচালিত পরিবর্তনকে Passive Revolution বলেন। উদাহরণস্বরূপ আওয়ামীলীগ আমলের পদ্মা সেতু সহ অন্যান্য বড় প্রজেক্টগুলো যেগুলো দ্বারা তারা আমাদের ও বিশ্বাসিদের এটা বুঝাচ্ছিল যে আওয়ামিলীগ সরকার অনেক বড় বড় উন্নয়ন করছে কিন্তু বাস্তবতা হলো তারা ক্ষমতাতে থেকে লুটপাট করছে..... ।  

৯. Common Sense 

গ্রামশির মতে, সাধারণ মানুষের "কমন সেন্স" জন্মগত নয়।

এটি পরিবার, শিক্ষা, ধর্ম, সংস্কৃতি, সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে গড়ে ওঠে।তাই "কমন সেন্স" সময় ও সমাজভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। 

১০. Philosophy of Praxis  

প্র্যাক্সিস অর্থ চিন্তা ও বাস্তব কাজের সমন্বয়।গ্রামশি এই শব্দটি ব্যবহার করে বোঝাতে চেয়েছেন যে দর্শন শুধু তাত্ত্বিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাস্তব সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ - 

একজন শিক্ষক ন্যায়বিচার সম্পর্কে পড়ান, এটি তত্ত্ব।

কিন্তু তিনি নিজেও ছাত্রদের সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করেন, এটি প্র্যাক্সিস। এই তত্ত্ব থেকে আমরা এটাও বুজতে পারছি যে ফেসবুকে বিভিন্ন প্রতিবাদমূলক পোস্ট করলেই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয় না বরং মাঠেও সমান ভাবে সক্রিয় থাকতে হয়..... । 

তাঁর এই ধারণাগুলো আজও রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, গণমাধ্যম অধ্যয়ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। একই সঙ্গে, তাঁর চিন্তার বিভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে, এবং সমর্থক ও সমালোচক উভয় পক্ষই তাঁর তত্ত্বকে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেন। তো এই ছিল দার্শনিক Antonio Gramsci এর ফিলোসোফি পজিশনগুলো। তার এক একটা তত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত লেখা যাবে। এখানে আমি শুধু তার মূল কথাগুলো পয়েন্ট হিসাবে নিয়ে এসেছি........  

উপস্থাপক : প্রিন্স ফ্রেরাসে 

Prince Frerase - 

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 390 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7890। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4169
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


আন্তোনিও গ্রামশি: সংস্কৃতির মাধ্যমে ক্ষমতার দর্শন রাজনৈতিক ক্ষমতা বলতে আমরা সাধারণত সরকার, সেনাবাহিনী, পুলিশ বা আদালতের কথা ভাবি। কিন্তু একজন ইতালীয় দার্শনিক এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গি�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
9 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

যারা পশ্চিমা দর্শন বুঝতে চান তাদের জন্য এই রোডম্যাপ । নিচে একটি পশ্চিমা দর্শনের রোডম্যাপ দিলাম। প্রথম ধাপ: প্রাচীন গ্রিক দর্শন (ভিত্তি) এখান থেকেই প্রায় সব পশ্চিমা দর্শনের শুরু। 1. Socrates — সক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

স্বামী বিবেকানন্দ বলেন -  উপনিষদে আছে– ‘একমেবাদ্বিতীয়ম্‌ দ্বিতীয়া নাস্তি’ , আর ইসলাম ধর্মের মূলমন্ত্র ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। অর্থাৎ, ঔপনিষেদিক ভাষ্যে ‘ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়’ আর ইসলাম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
88 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কাফকার দর্শন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। জানুয়ারি ০৯, ২০২৬ আজ আমি আলোচন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
442 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইহুদি, খ্রিস্টান ও সাবেঈনরাও জান্নাতে যাবে এই দাবির একটি পর্যালোচনা - আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ বর্তমানে কিছু মানুষ সূরা আল-বাকারাহ ২:৬২ উদ্ধৃত করে দাবি করেন যে, মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্ট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    105 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    666 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    33 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    230 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

...