কল্যাণী জল ও পবিত্র পাবক
হিমাদ্রি শিখর হতে নেমে আসা পুণ্য তোয়-রাশি,
যজমান তব চিত্তে ছড়াক অমল সুখের হাসি।
প্রস্রবণ হতে ঝরা সদা বহমান যে জল-ধারা,
বর্ষার বারি হয়ে ঘুচিয়ে দিক তৃষ্ণা ও তপ্ত কারা।
ধূসর মরুপ্রান্তের তৃষ্ণা-হর জল হোক তব সাথী,
জলাকীর্ণ দেশে জাগুক কল্যাণের শুভ্র দিব্য জ্যোতি।
খনন করা কূপ কিম্বা তড়াগের গভীর সুশীতল জল,
কুম্ভে আহৃত বারি দান করুক সুস্থতা ও পরম বল।
কোদাল কিংবা কাষ্ঠ নয়, মন্ত্রে যাকে করেন ঋষিরা জয়,
সেই দুকূল প্লাবী অগাধ সলিলে হোক বিঘ্ন-ক্ষয়।
বৈদ্য অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ যে জল তনু ও মনের ভেষজ,
স্তুতি করি তার, যে বারি শান্ত করে জাগতিক সব রজ।
দ্যুলোকে কিম্বা প্রবাহে যে জলরাশি হয় সমুদ্ভূত,
অশ্বের মতো বেগে এসে হোক পবিত্রতার দূত।
অরোগকারিণী কল্যাণ-ধারা শান্তি আনুক এই ভুবনে,
অঝোর ধারায় সিক্ত করুক অধিক সুখের অন্বেষণে।
হে জাতবেদা! স্তুত হয়ে তুমি পূর্ণ করো নিজ ধাম,
যেথায় আছো প্রদীপ্ত— সেখান হতেই করো আগমন।
আকাশ, মর্ত্য কিম্বা অন্তরীক্ষের সকল গভীর লোক,
বনস্পতি ও ওষধি হতে এসে নাশো আমাদের সব শোক।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।