Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ৫: রক্তের হিসাব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (20,460 পয়েন্ট)   23 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ধারাবাহিক গল্প

গোপন উত্তরাধিকার

পর্ব ৫: রক্তের হিসাবimage

২০ জুন, ২০২৬


হাসপাতালের করিডোরে টিউবলাইটটা ভনভন করছে।


রাত একটা দশ।


নিশি বেঞ্চে বসে আছে। কোটটা ভাঁজ করে কোলে রাখা। হাত দুটো শক্ত করে ধরা। কাঁপছে না। অন্তত বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছে না।


অভিক দুইবার কফি এনে দিয়েছে। দুইবারই ঠান্ডা হয়ে গেছে। নিশি ছোঁয়নি।


ডাক্তার বের হলেন।


"হেড ইনজুরি। সিরিয়াস না, মনে হচ্ছে। জ্ঞান ফিরেছে। তবে এখন কথা বলাবেন না।"


নিশি উঠে দাঁড়াল। "আমি দেখতে পারি?"


"আপনি...?"


"আমি নিশি হোসেন।"


ডাক্তার মাথা নাড়লেন। "পাঁচ মিনিট। একজন।"


অভিক বলল, "তুমি যাও।"


নিশি তাকাল। "তুমি যাবে না?"


"ও আমার নাম বলেনি। তোমার নাম বলেছে।"


রায়ানের মাথায় ব্যান্ডেজ। বাঁ হাতে স্যালাইন চলছে। চোখ আধা খোলা।


নিশি চেয়ারটা টেনে বসল। কিছু বলল না প্রথমে।


রায়ান ফিসফিস করল, "আপনি এসেছেন।"


"না এসে উপায় ছিল? তুমি হাসপাতালের লোককে আমার নাম বলে বলে পাগল করে দিয়েছো।"


রায়ানের ঠোঁটের কোণে একটু হাসি। "আর কাকে বলব? বাবার নাম তো জানি না।"


নিশির বুকের ভেতরটা একটু মোচড় দিল। ও মুখটা শক্ত রাখল।


"ডাক্তার বলেছে কথা বলবে না। চুপ করো।"


"আপনি সকালে বলেছিলেন আপনি আমাকে পছন্দ করেন না।"


"হ্যাঁ। এখনো করি না।"


"তাহলে এসেছেন কেন?"


নিশি উত্তর দিল না। ব্যাগ থেকে একটা ভাঁজ করা কাগজ বের করল। রায়ানের প্রজেক্টের নোটটা। যেটা সকালে দিয়েছিল।


"তোমার রুট প্ল্যান। আমি ঠিক করে দিয়েছি। তিনটা গাড়ির জায়গায় দুটো। ড্রাইভারদের শিফট বদলেছি। পড়ে দেখো। যখন চোখ খুলতে পারবে।"


রায়ান কাগজটার দিকে তাকাল। "আমি তো মরেও যেতে পারতাম। আপনি প্রজেক্ট নিয়ে এসেছেন?"


"তুমি মরোনি। আর আমার টাকা মরতে দেব না।"


রায়ান হেসে ফেলল। তারপর কাশল। ব্যথা পেল। "আপনি আসলেই..."


"কী?"


"আমার মায়ের মতো। উনিও এরকম ছিলেন। মুখে কঠিন, ভেতরে..."


"ভেতরে কিছু নেই।" নিশি উঠে দাঁড়াল। "পাঁচ মিনিট শেষ। ঘুমাও।"


দরজার কাছে গিয়ে থামল। ঘুরল না।


"আর হ্যাঁ। তোমার ফান্ডিং আমি ছাড়িনি। হোল্ডে রেখেছি। সুস্থ হয়ে প্রজেক্ট ঠিক করো, তারপর পাবে।"


রায়ান বলল, "থ্যাংক ইউ।"


নিশি বলল, "ওয়েলকাম না।"


বেরিয়ে এলো।


করিডোরে অভিক দাঁড়িয়ে। অর্ণবও এসেছে। কোট ভেজা। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।


অর্ণব বলল, "ও কেমন আছে?"


নিশি বলল, "বেঁচে আছে। তোমাদের দুজনের মতো জেদি। সহজে মরবে না।"


অভিক বলল, "নিশি, আমাদের DNA টেস্ট করানো উচিত।"


নিশি আর অর্ণব প্রায় একসঙ্গে বলল, "না।"


অভিক থমকাল। "মানে?"


অর্ণব বলল, "রুবিনা চায়নি।"


নিশি বলল, "আর আমি চাই না রায়ান জানুক ও কার ছেলে। এখন না। ও আগে দাঁড়াক। নিজের পায়ে। তারপর জানবে ওর রক্তে কে আছে।"


অভিক তাকিয়ে রইল। "তুমি ওকে প্রোটেক্ট করছো?"


"না।" নিশি ব্যাগ থেকে রুবিনার চিঠিটা বের করল। ভাঁজ খুলল। "আমি এই চিঠিটা প্রোটেক্ট করছি।"


চিঠির নিচে আরও দুটো লাইন ছিল, যেটা নিশি সকালে রায়ানকে পড়ে শোনায়নি।


অভিক পড়ল।


"যদি কোনোদিন আমার ছেলে তোমার দরজায় আসে, ওকে ফিরিয়ে দিও না। আমি জানি তুমি পারবে না। কারণ তুমি যাকে ভালোবাসো, তাকে ছাড়তে পারো না। এমনকি সে যদি তোমাকে কষ্টও দেয়।

পুনশ্চ - ওর জন্ম তারিখ ১৪ই ফেব্রুয়ারি। ওর বাবার সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল ঠিক এক বছর আগে, ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে, তেজগাঁওয়ের ওই গুদামে।"


অভিকের হাত থেকে কাগজটা পড়ে গেল।


অর্ণব কাগজটা তুলল। তারিখটা পড়ল। মুখ সাদা হয়ে গেল।


নিশি বলল, "১৪ই ফেব্রুয়ারি। ভ্যালেন্টাইন্স ডে। তেজগাঁওয়ের গুদাম। তোমরা দুই ভাইয়ের মধ্যে কে ছিল সেদিন ওখানে?"


কেউ উত্তর দিল না।


কারণ দুজনেই ছিল।


অভিক ফিসফিস করল, "ওই দিন... ওই দিন আমি আর অর্ণব দুজনেই গুদামে ছিলাম। রুবিনা ইনভেন্টরি করতে এসেছিল।"


অর্ণব বলল, "আমি আগে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।"


অভিক বলল, "আমি পরে।"


নিশি দুজনের দিকে তাকাল। একবার অভিক, একবার অর্ণব।


"তাহলে? কে?"


কেউ জানে না।


করিডোরের শেষ মাথা থেকে নার্স ডাকল, "রায়ান হোসেনের বাড়ির লোক কে?"


তিনজনেই একসঙ্গে ঘুরল।


কেউ এগোল না।


নিশি একটা নিঃশ্বাস নিল। তারপর বলল,


"আমি। আমাকে বলুন।"


নার্স বলল, "পেশেন্টের ফোনে বারবার কল আসছে। একটা নম্বর থেকে। আমরা ধরিনি। আপনি একটু দেখবেন?"


নিশি ফোনটা হাতে নিল। স্ক্রিনে ১৭টা মিসড কল। সব একই নম্বর থেকে। নাম সেভ করা নেই।


কলটা আবার এলো। নিশি ধরল।


"হ্যালো, রায়ান?"


ওপাশে একটা মেয়ের গলা। অল্পবয়সী। কাঁপছে।


"আপনি কে? রায়ান কোথায়?"


"আমি নিশি। রায়ান হাসপাতালে। আপনি কে?"


একটু নীরবতা। তারপর—


"আমি রায়ানের বোন।"


নিশির হাত শক্ত হয়ে গেল ফোনের উপর।


"কী বললেন?"


"আমি বললাম আমি রায়ানের বোন। ওর মা আমার মা-ও। বাবা... বাবা আলাদা। আপনি কি নিশি আন্টি? মা আপনার কথা লিখে গিয়েছিল ডায়েরিতে। বলেছিল, যদি কখনো বিপদে পড়ি, আপনাকে ফোন করতে।"


পেছনে অভিক আর অর্ণব তাকিয়ে আছে।


নিশি ধীরে বলল, "তোমার নাম কী?"


"মিতু। মিতু রহমান।"


ফোনটা নিশির হাতে ভাইব্রেট করছে। নাকি ওর হাত কাঁপছে, বোঝা যাচ্ছে না।


চলবে...


পর্ব ৬: শেষ গোপন নথি

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1013 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 20460। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4091
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ১: পুরনো ফাইল ২০ জুন, ২০২৬ বৃষ্টি নামার ঠিক আ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ২: টাকার গন্ধ ২০ জুন, ২০২৬ নিশি জানত, টাকা কখন&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ৪: অন্য একজন উত্তরাধিকারী ২০ জুন, ২০২৬ "প্রি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ৬: শেষ গোপন নথি ২০ জুন, ২০২৬ মিতু রহমান দেখতে &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধারাবাহিক গল্প গোপন উত্তরাধিকার পর্ব ৭: উত্তরাধিকার ২০ জুন, ২০২৬ লিফটটা নিচে নাম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1158 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    57 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    155 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

...