নাসির নামের এক তরুণ বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি সবসময় মহাবিশ্বের রহস্য খুঁজে বেড়াতেন। একদিন তিনি কোরআনের একটি আয়াত পড়লেন:
وَٱلسَّمَاءَ بَنَيْنَـٰهَا بِأَيْيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ
(আকাশ আমরা শক্তি দ্বারা সৃষ্টি করেছি এবং আমরা সম্প্রসারণকারী)
নাসির লক্ষ্য করলেন যে আয়াতে কেবল অতীত নয়, বরং চলমান কর্মের কথা বলা হয়েছে। তিনি ভাবলেন, “এটি কি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের ইঙ্গিত?”
পরদিন তিনি তার ল্যাবে একটি ছোট মডেল বানালেন। তিনি দুটি বেলুন নিলেন, একে অপরের পাশে রাখলেন এবং হালকা চাপ দিয়ে বেলুনগুলোকে ধীরে ধীরে ফোলাতে শুরু করলেন। বেলুন দুটি একই সাথে প্রসারিত হতে লাগল, ঠিক তেমনি যেমন আয়াতে আকাশকে বলা হয়েছিল সম্প্রসারণকারী।
নাসির অবাক হয়ে বলল, “শব্দের শক্তি, ব্যাকরণের সূক্ষ্মতা সবকিছুই এক সঙ্গতিপূর্ণ আঙ্গিকে মহাবিশ্বের নিয়ম প্রকাশ করছে। কোরআনের প্রতিটি শব্দ যেন বিজ্ঞানকে আগেই জানিয়ে দিয়েছে।
সে রাতেই তিনি বুঝলেন, কোরআন শুধু ধর্মগ্রন্থ নয়, বরং প্রতিটি শব্দে লুকানো আছে প্রাকৃতিক সত্যের চাবিকাঠি। শব্দের অলৌকিকতা তাকে শেখালো, “বৃক্ষ, নক্ষত্র, মহাবিশ্ব সবই এক অদৃশ্য সেতুতে বাঁধা, যা শুধু খুঁজে পেলে বোঝা যাবে।”
নাসির সেই রাতে বেলুন মডেলের দিকে তাকিয়ে হাসল। তার মনে হলো, কোরআনের প্রতিটি আয়াতের শব্দ যেন মহাবিশ্বের সুরকে বুনে রেখেছে, এবং সে সুরের ছন্দ অনুসন্ধান করলেই মানুষের জ্ঞানের সীমা আরও প্রসারিত হতে পারে।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।