Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

লেমোনেড কফি

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
43 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,522 পয়েন্ট)   01 সেপ্টেম্বর "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

#Lemonade_Coffee

#লেমোনেড_কফি

পর্ব ২(শেষ পর্ব) 

Writer: #আমার_ভাগ্নী 


সে চিন্তা করা শুরু করলো, চিমটি দিলো, নিজেকে চড় দিলো, এটা কোনো স্বপ্ন নয়। সে উঠে দাড়ালো, এটা কোন জায়গা!?? একটা গাছের উপর সাইনবোর্ডে লেখা সেই জায়গার নাম। জায়গার নাম দেখে রেশমির মাথা যেনো ঘুরে গেলো, এইটা সেই জায়গা যেখানে ১০ বছর আগে রেশমি থাকতো। তার হার্ট জোরে জোরে বিট করছে, এখানে কিভাবে আসলো? সে হাটলো, হাটতে হাটতে সে একজন বয়স্ক লোক কে দেখলো আরেকটা বেঞ্চে বসে নিউজপেপার পড়ছেন, রেশমি তাকে জিজ্ঞাসা করলো , "চাচা, এইটা কোন জায়গা?" 

লোকটি মাথা উপরে তুলে জায়গার নাম বললো আর জিজ্ঞাসা করলো "কেনো মা!? তুমি কি হারিয়ে গিয়েছো?" 

"জী আংকেল, অনেকটা সেরকমই" 

রেশমির নজর পড়লো ওই লোকটির হাতের নিউজপেপারে, সাল লেখা ২০০৬ 

এইটা দেখে রেশমির যেনো হার্টবিট বন্ধই হয়ে গেলো, সে লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলো "চাচা!! এখন কতো সাল!??" 

লোকটি একটু কনফিউজড হলো "২০০৬। কেনো?" 

রেশমি যেনো ডিপ্রেশনে চলে গেলো 

*আমি এখানে কিভাবে আসলাম!? এটা কিভাবে সম্ভব!? আমি টাইম ট্রাভেল করেছি!! হতেই পারে না!* সে আরও কয়েকবার চড় দিলো নিজেকে, না, কোনো কাজ হলো না। তার মনে পড়ে গেলো মিসেস স্টিভেনের কথা 

*"যদি টাইম ট্রাভেল করার সুযোগ পাও, কোন সালে যাবে?"* 

*মিসেস স্টিভেন!! আপনি.... কিভাবে!!.হতেই পারে না! অসম্ভব*

রেশমির চুল এলোমেলো, যেই পোশাক পড়ে ঘুমিয়েছিলো সেই পোশাকই পড়নে, সবচেয়ে বড় কথা হাতে কোনো টাকা নেই, ক্ষুধাও লেগেছে, কি করবে এখন সে?! হাটতে হাটতে তার এই গলি চেনা চেনা লাগছে, তার সামনে এসে পড়লো তার বাড়িটি। সামনে ওই অদ্ভুত বাড়িটিও আছে। সে তার বাড়ির জানালা দিয়ে ভেতরে দেখার চেষ্টা করলো, পারলো না, সে ঢুকতে চাচ্ছে, কিন্তু কিভাবে? এখনও কেউ আসেনি বাসায়, এখনকার রেশমির কাছে চাবি থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না। সে বাড়ির একদম পেছন দিকে গেলো, লিভিং রুমের জানালা দেখতে পেলো। সে একটা টান দিতেই খুলে গেলো, তার মনে পড়লো, এই জানালার লক নষ্ট ছিলো। সে অনেক কষ্ট করে ঢুকে গেলো ভেতরে। তার ১০ বছর আগের বাসা দেখে তার অনেক যেনো কান্না পাচ্ছে, সে মিস করছে ওইসব সুন্দর দিনগুলো। সে আশেপাশে দেখলো, গেলো কিচেনে। 

ক্যাবিনেট খুললো, উফ, যাক কিছু বিস্কুট পাওয়া গিয়েছে। সে সোফায় গিয়ে বসলো। খাওয়ার আগে তার একটু হেজিটেশন হলো, ভাবলো *এগুলা যদি আমি খাই, সেটা কি চুরি হবে!? এগুলো তো আমারই, আমিই তো খাবো, তাহলে...নাহ, চুরি হবে না।* সে এক বসাতে সব গুলো বিস্কুট খেয়ে ফেললো, পেটে তো ক্ষুধা ছিলো। হঠাৎ সে দরজায় লক খোলার আওয়াজ পেলো। ভয় পেয়ে লুকিয়ে পড়লো সোফার নিচে। নিচ থেকে দেখা যাচ্ছে কে এসেছে। সেই ২০০৬ সালের রেশমি, মুখে অনেকগুলো বরন, চুল ছোটো, কাধে স্কুলব্যাগ। নিজেকে আবার এতো ইয়াং দেখে ২০১৬ সালের রেশমি অবাক হয়ে গেলো। ভাবলো *আমি গিয়ে কি দেখা দিবো? না, অতীতের রেশমি ভয় পাবে।* সে সোফার নিচেই রইলো, সে দেখলো অতীতের রেশমি গিয়ে ওই লিভিং রুমের জানালাটি বন্ধ করলো। সব দেখা যাচ্ছে না তবে বোঝা যাচ্ছে অতীতের রেশমি খাবার গরম করলো, খেলো। 

বিকেল হলো, রেশমির মা ফিরলেন, অতীতের রেশমি ক্যাবিনেট খুললো বিস্কুটের জন্য, কিন্তু দেখলো একটাও নেই। ভবিষ্যতের রেশমির সোফার নিচে লুকিয়ে থাকতে থাকতে পিঠ ব্যথা হয়ে গিয়েছে। সে শুনতে পেলো অতীতের রেশমির কথার আওয়াজ 

"আম্মু ক্যাবিনেটের বিস্কুট কি তুমি খেয়েছো?" 

সোফার নিচ থেকে রেশমির মায়ের কথা শুনতে পেলো

 "না তো! কেনো কি হয়েছে!?"  

"না, মানে ক্যাবিনেটে একটা বিস্কুটও নেই, আমি ভেবেছি তুমি খেতে পারো! তোমার ওগুলো খাওয়া উচিত, অনেক টেস্ট" অতীতের রেশমি হাসলো 

সোফার নিচে রেশমি ভাবলো *ইশশ্... বিস্কুট গুলো খাওয়া ঠিক হয়নি। না....ওয়েট, তাহলে সেদিন ওই বিস্কুট গুলো আসলে... -* 

পুরা কথা ভাবার আগেই রেশমির মায়ের কথা শোনা গেলো 

"না! একটুও মজা না ওগুলো" তার কথার সুরে হাসি হাসি ভাব। 

রেশমির মনে হলো, তার আসলেই উঠে অতীতের রেশমি আর তার মায়ের সাথে দেখা করা উচিত, সে ওঠার চেষ্টা করার সময় সোফার নিচে ঠাশ করে পিঠে ব্যথা পেলো। আর শুনতে পেলো রেশমির মায়ের কথা 

"তুমি কি শব্দ টা পেলে!?" 

ভবিষ্যতের রেশমি অনেক চেষ্টা করলো ব্যথার বড় চিৎকার টা চেপে রাখার, কিন্তু একটা খুব আস্তে "উহু.... মা গো..." ঠিকই বের হয়ে গেলো 

রেশমির মা আবার বললেন, "আরে! শুনতে পেলে একটা খুবই আস্তে, মানুষের গলার চিৎকারের শব্দ? যেনো খুব চেপে রেখেছে!" 

রেশমি সোফার নিচে থেকে ভাবলো, *ইশশ্.... এতো কিছু খেয়াল করে আম্মু!*

অতীতের রেশমি বললো, "আচ্ছা যাক, বাদ দাও!" 

অতীতের রেশমির কথা শুনে ভবিষ্যতের রেশমির মেজাজ টাই খারাপ হয়ে গেলো, ভাবলো *ছোটো মানুষ কাকে বলেছে! একটা ঠুশ শব্দ পেলো, মা একটা চিৎকারের শব্দ পেলো, তারপরও আমি বললাম পুরা বিষয়টা বাদ দিতে! আমি ১০ বছর আগে এতো কেয়ারলেস ছিলাম!? এখানে তো আমার জায়গায় কোনো চোরও থাকতে পারতো!*


কিছুক্ষন পরেই ওখান থেকে অতীতের রেশমি আর তার মা চলে গেলো অন্য রুমে, ভবিষ্যতের রেশমি ফাইনালি সোফার নিচ থেকে বের হলো। পিঠ টা একদম অনেক ব্যথা করছে। যাক, সে আস্তে করে দরজা খুলে বের হয়ে গেলো। 

সে এখন বুঝতে পারলো সে আবার ২০০৬ তে কেনো এসেছে। সে জানতে চেয়েছিলো ওই অদ্ভুত বাড়িতে সেদিন কে ছিলো। সেইটা আজকে তার জানতেই হবে। সে ওই বাড়ির সামনে গেলো, তালা লাগানো, সামনে লোকজন আছে, তালা ভাঙা যাবেনা। লোকেরা তো বুঝবে না এটা ভবিষ্যতের রেশমি। তারা এটাই মনে করবে যে রেশমি চোর, অতীতের রেশমির বদনাম হবে। তাই রেশমি এই বাড়িরও পেছনে চলে গেলো, আশেপাশে কোনো লোক নেই পেছন দিকে। অনেক কষ্টে জানালার লক ভেঙে বাড়ির ভেতরে ঢুকলো। পুরা বাড়িটা অন্ধকার, বাহিরে বিকেল, তাই জানালা গুলোর সাদা পর্দার ওপার থেকে অল্প আলো আসছে, কিছুক্ষন পরেই সব অন্ধকার হয়ে যাবে। 

সেদিন অবশ্যই এই বাড়িতে কোনো চোর মহিলা ঢুকেছিলো, নয়তো এই বাড়ির মালিক বিদেশ যাওয়ার আগে এখানে কোনো নারী কে বন্দি করে রেখে গিয়েছেন, কিন্তু এতোদিন আটকানো থাকা মানুষের তো বেচে থাকার কথা না। রেশমি সারা বাড়ি খোজাখোজি করলো কোনো মেয়ে আছে কিনা, নেই। সারাদিন অপেক্ষা করে রইলো রেশমি, ওই চোর বেটি আসলে বেটিকে ধরবে। কিন্তু কেউ আসলো না। রাত হয়ে গেলো। রেশমি এখন চিন্তা করছে, ও কি সারাজীবনের জন্য এখন ২০০৬ তে আটকিয়ে থাকবে!? এসব চিন্তা করতে করতে বাড়িটির সবার উপরের রুমে উঠলো। লাইট জ্বালানোর চেষ্টা করলো, কিন্তু লাইট নেই সেখানে। জানালা বন্ধ ছিলো, রেশমি খুললো, তারপর এক ঝাক ঠান্ডা বাতাস গায়ে লাগলো। জানালা টা দিয়ে দেখলো তাদের বাড়ির রেশমির রুমের জানালা দেখা যাচ্ছে দূরে, ভেতরে লাইট নেভানো। 

একটা নারীর এখানে আসার কথা, তাকে রেশমির দেখার কথা, কিন্তু কিছুই হলো না। সারা বাড়িতে রেশমি ছাড়া কেউ নেই। সে দেখলো অতীতের রেশমির রুমের লাইট জ্বালানো হয়েছে। সে দেখলো অতীতের রেশমি একটা বই নিয়ে জানালার সামনে বসেছে। ভবিষ্যতের রেশমি তাকিয়ে আছে অতীতের রেশমির দিকে, হঠাৎ সে দেখলো ওই রেশমিও তাকালো ওই বাড়ির জানালায়। 

ভবিষ্যতের রেশমি ভাবছে, *এই বাড়িতে আমি ছাড়া কেউ নেই...* 


ওয়েট, আমি ছাড়া কেউ নেই অথচ অলরেডি অতীতের রেশমি জানালার কাছে এসে বসেছে.... 

ভবিষ্যতের রেশমি বুঝতে পারলো ওই জানালা থেকে অতীতের রেশমি তাকিয়ে আছে, অবাক চোখে।

ও কি আমার দিকেই তাকিয়ে আছে!? 


রেশমি এবার বুঝতে পারলো... তারাতারি সরে দাঁড়ালো জানালার পাশে, ভয় আর কনফিউশন কাজ করছে মনের ভেতরে। 


*সেদিন যেই নারীকে আমি দেখেছিলাম... 

সেটা তাহলে আমি নিজেই...?*       


(সমাপ্ত) 


Written on September 17, 2025

✍️ #আমার_ভাimage নেনেড কফি গ্নী


#Imi_Chowdhury

#ইমি_চৌধুরী 

Imi Chowdhury

আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 620 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12522। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4796
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
#Lemonade_coffee  #লেমোনেড_কফি Writer:#আমার_ভাগ্নী  রেশমির বয়স ১৬ । সাল ২০০৬। রেশমি এবং তার বাবা মা বাস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
45 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব -১১ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আগত নারীর নাম পান্না। বিশাল ঝামেলা হলো ইকু বেপারীর বা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
169 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ  পর্ব ১০ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] আবিদ শম্ভুকে সাথে নিয়ে সাধুজীর বাড়ীর চারপাশে ঘুরে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
144 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ  পর্ব -৯ [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] ফাদারের সাথে মন্ত্রমুগ্ধের মতো মুসলিম হিন্দু সবাই প্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
138 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#গঙ্গার_সৎ_অসৎ পর্ব-৮  [ লেখকের অনুমতি নিয়ে ই- নলেজ আইডিয়াতে গল্পটাকে কোনো রকম সংযোজন - বিয়োজন ছাড়া আপলোড করা হয়েছে । আসল লেখার লিংক নিচে ] মিয়া বাড়িতে রহিমের জানাযায় বহু মানুষ। কেউ ই বুঝতে প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
146 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1642 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    10 মন্তব্য

    81 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    65 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...