Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

"মরে যাওয়া তো সহজ অহি, বেঁচে থাকাটাই তো আসল লড়াই। তুমি কি আমার সাথে সেই লড়াই লড়বে না?"

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
24 বার প্রদর্শিত
করেছেন (304 পয়েন্ট)   02 ফেব্রুয়ারি "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

গল্পের নাম: শোনো অবেলার পথিক
কলমে: হিমানী হিমাদ্রি
(দ্বিতীয় পর্ব)
অহিদত্তের শক্ত হাতটা যখন ইরা নিজের মুঠোয় চেপে ধরল, ঠিক সেই মুহূর্তে সময়ের চাকাটা যেন উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করল। বর্তমানের এই গুমোট সন্ধ্যা আর সামাজিক বাধাগুলো মুছে গিয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠল আজ থেকে পনেরো বছর আগের এক তপ্ত দুপুর।

ਚক্রবর্তী বাড়ির বিশাল আমবাগানে তখন রোদের ঝিলিক। দশ বছরের অহিদত্ত একটা পাকা সিঁদুরে আম পেড়েছে মাত্র। ঠিক তখনই পেছন থেকে এক জোড়া নূপুরের আওয়াজ আর একটা তীক্ষ্ণ শাসনের সুর ভেসে এল— "অহি! মেজকাকা দেখলে আজ তোমার পিঠের চামড়া রাখবে না। একা একা চুরি করে আম খাওয়া হচ্ছে?"

ধবধবে সাদা ফ্রক পরা আট বছরের ইরা কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার কপালে চন্দনের তিলক আর দু-পায়ে রূপোর নূপুর—পুরো যেন একটা জীবন্ত ঠাকুরমূর্তি। ছোট্ট অহিদত্ত একগাল হেসে বলেছিল, "ভয় দেখাচ্ছো কাকে বামুনপিসি? এই আমটা তো তোমার জন্যই পাড়লাম।"

ইরা চোখ বড় বড় করে বলেছিল, "মা যে বলেছে তোমাদের ছোঁয়া কিছু খেতে নেই!" অহিদত্ত দমে যাওয়ার পাত্র ছিল না। সে আমটা দুই টুকরো করে এক টুকরো ইরার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে জেদের সুরে বলেছিল, "বড় হয়ে আমি যখন অনেক বড় মানুষ হব, তখন দেখবে তোমার মা-ও বলবে আমার হাতের আম খেতে।"

সেদিন সেই বাগানের কোণে বসে অস্পৃশ্যতার সব নিয়ম তুচ্ছ করে এক কায়স্থের ছেলে আর এক ব্রাহ্মণের মেয়ে ভাগ করে খেয়েছিল একই আম। সেদিন তাদের পরিচয় 'উঁচু-নিচু' ছিল না, ছিল স্রেফ 'অহি' আর 'ইরা'।

বর্তমানে ফিরে আসা: স্মৃতির সেই সুগন্ধি দুপুরটা ফিকে হয়ে এল। অহিদত্ত দেখল, তার হাতের ওপর রাখা ইরার হাতটা থরথর করে কাঁপছে। সে ইরার দিকে তাকিয়ে ম্লান হাসল। তারপর সেই পুরনো সুরে ব্যঙ্গ করে বলল— "সেদিন আম চুরি করার অপরাধে আমি মার খেয়েছিলাম ইরা, কিন্তু আজ তোমাকে চুরি করলে তো ওরা আমায় মেরেই ফেলবে। সহ্য করতে পারবে তো?"

ইরা তার হাতটা আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। তার চোখের দৃষ্টিতে আজ এক অদ্ভুত জেদ। ধরা গলায় সে উত্তর দিল— "মরে যাওয়া তো সহজ অহি, বেঁচে থাকাটাই তো আসল লড়াই। তুমি কি আমার সাথে সেই লড়াই লড়বে না?"

অন্ধকার তখন আরও ঘন হয়েছে। হঠাৎ দূরে কয়েকটা টর্চের আলো আর মানুষের গলার আওয়াজ পাওয়া গেল। ইরা আর অহিদত্ত দুজনেই চমকে উঠে হাত ছেড়ে দিল। "ইরা! ওরে ও ইরা! কোথায় গেল মেয়েটা?"— চক্রবর্তী বাড়ির পুরনো চাকর দয়া দস্তিদারের গলা। তার পেছনেই ভারী জুতো আর গম্ভীর গলার আওয়াজ— ইরার মেজকাকা, মহিম চক্রবর্তী।

অহিদত্তের চোয়াল শক্ত হয়ে এল। সে ফিসফিস করে বলল, "পালাও রাজকন্যে! তোমার পণ্ডিতমশাইরা লাঠি-সোটা নিয়ে বোধহয় যজ্ঞ করতে বেরিয়েছেন। ধরা পড়লে আজ গঙ্গা স্নান করেও তোমার পাপ ধোয়া যাবে না। যাও, বাড়ির মেয়ে বাড়িতে ফেরো।"

ইরা এবার তীব্র চোখে অহিদত্তের দিকে তাকাল। "তুমি কি সবসময় এভাবেই পালাবে অহি? আজও সেই আমবাগানের মতো সব দোষ নিজের ঘাড়ে নিয়ে মার খাবে আর আমি পর্দার আড়ালে দাঁড়িয়ে কাঁদব? না, আজ নয়।"

বলতে বলতেই আলোর উৎসগুলো ঘাটের ধাপে এসে পৌঁছাল। মহিম চক্রবর্তীর টর্চের আলোটা সরাসরি গিয়ে পড়ল অহিদত্তের রুক্ষ মুখের ওপর। ঘৃণায় আর আভিজাত্যের অহংকারে মহিমবাবুর কপাল কুঁচকে গেল। এক অচ্ছুৎ যুবকের পাশে নিজের বাড়ির মেয়েকে দেখে তার চোয়াল শক্ত হয়ে এল।

মহিমবাবু গম্ভীর স্বরে ডাকলেন— "ইরা! সরে আয় ওখান থেকে।"

সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3337
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ

26 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

গল্পের নাম: শোনো অবেলার পথিক কলমে: হিমানী হিমাদ্রি (পঞ্চম পর্ব) অহিদত্তের সেই তীব্র চাহনি আর গোধূলির স্মৃতিগুলোকে মনের এক কোণে সযত্নে তুলে রেখে ইরাকে ফিরতে হলো তার চেনা ছকে। কিন্তু পরিস্থিত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

গল্পের নাম: শোনো অবেলার পথিক কলমে: হিমানী হিমাদ্রি (তৃতীয় পর্ব) মহিমবাবুর হাতের লাঠি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

গল্পের নাম: শোনো অবেলার পথিক কলমে: হিমানী হিমাদ্রি   (প্রথম পর্ব) শোনো অবেলার পথিক, তোমার উদাসীনতার শহরে আজকাল বড্ড মেঘ জমেছে। আমি না থাকলে তোমার হয়তো দিব্যি কেটে যায়, কিন্তু আমার আকাশটা বা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

“ধরণীর বুকে পাশাপাশি মোরা, তবু কেউ বুঝি কারো নয়…” — "তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়"গানের সেই কথা গুলো।  এই একটি লাইনের ভেতরেই আজকের সমাজের পুরো বাস্তবতা ধরা পড়ে। আমরা একই ঘরে, একই বেঞ্চে, �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
42 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...