শুক্রবার ও এক আকাশ মুক্তি
রফিক আতা
বৃহঃস্পতিরা অতলান্ত ঘুমের ঘোরে হারিয়ে গেলেই, শুক্রবার নামে নতুন প্রভাতের পৃথিবীতে। আর আমি ব্যাক্তিগতভাবে শুক্রতে প্রচণ্ড আসক্ত—এর অন্তরালেও লুকিয়ে আছে আনন্দের গভীরতর কারণ। আমার কাছে শুক্রবার কেবল ছুটির দিন নয়, এই দিনটি যেন বয়ে বেড়ায় এক আকাশ –মুক্তির স্বপ্নময় স্নিগ্ধ বাতাস; যা হালকা করে হৃদয়।
বেশ ঈদ-উচ্ছ্বাসে ভরপুর হয় জুম’আর সমাপ্তি—
মনের কার্ণিশে লেগে থাকে মসজিদ, ভরা আলো, আর প্রশান্তি। তারপর এক বিকালের নরম ও প্রশান্তিময় ঘুম পেরিয়ে, ক্লান্তি ঝরানো এক অপরাহ্নে ফিরে পাই নিজেকে।
অতঃপর আছরান্তের স্নিগ্ধ দরূদপাঠে অতীতের জমাট ভার ক্ষয়ে যাওয়ার আশ্বাস মেলে। দুরুদুরু কাঁপে বুক, অনুতাপে ভিজে হৃদয়, ঠোটে উচ্চারিত হয় দরুদের সুর —
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ
وَعَلَىٰ آلِهِ وَسَلِّمْ تَسْلِيمًا كَثِيرًا دَائِمًا
তারপর কাঁচের মতো নির্মল ও স্বচ্ছ হৃদয় নিয়ে,
হেমন্তের বিকালের উষ্ণ-বিলাসে ছড়িয়ে দেই নিজেকে। এবং সন্ধ্যার বর্ণিল কুয়াশায় মিশে থাকা
রাতের নীরবতা ছুয়ে দেয় আমায় অপরূপ উল্লাস—অলৌকিক মুক্তির নিশ্বাস।
দিনলিপি
আটাইশ, এগারো, পঁচিশ
শুক্রবার।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।