Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বাবা আদম এক ভাষী হলে আমরা বহুভাষী হলাম কি করে?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,518 পয়েন্ট)   6 ঘন্টা পূর্বে "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
প্রশ্ন : ছোটবেলা থেকে এই প্রশ্নটার আমি উত্তর খুজেছি, পাই নি। 

আব্রাহামিক ধর্ম অনুসারে আমরা সবাই বাবা আদম ও মা হাওয়া থেকে এসেছি। আল্লাহ তো তাদের কথা বলার শক্তি দিয়েই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। অর্থাৎ তাদের একটা ভাষা ছিলো। তাহলে বাবা আদম মা হাওয়ার ভাষায় তাদের সন্তান কথা বলেছে। এই সন্তানদের ভাষায় আবার সন্তানদের সন্তানরা কথা বলেছে। এভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম তো তাহলে একটি ভাষাই থাকার কথা। এতোগুলো ভাষা তো তাহলে হওয়ার কথা না। অর্থাৎ আমরা সবাই বাবা আদম থেকে পৃথিবীতে আসলে এতোগুলো ভাষা কিভাবে হলো ? 

ভাষার বিবর্তন কিভাবে হলো এবং কেনোই বা হলো ?

জবাব : এটা খুব ভালো প্রশ্ন, ছোটবেলায় এই প্রশ্নটা প্রায় সবার মাথায় আসে। এর উত্তরটা দুইভাবে বুঝতে হবে - ধর্মীয় ব্যাখ্যা এবং ভাষাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা। দুইটাই কিন্তু একসাথে মিলে যায়।

১. আব্রাহামিক ধর্মগুলো কী বলে?

কুরআনে আল্লাহ বলেছেন - "আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য।" [সূরা রুম ৩০:২২]

অর্থাৎ ভাষার এই বৈচিত্র্যকে আল্লাহ নিজেই তাঁর ইচ্ছা ও নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বাইবেলে এর জন্য বাবেলের মিনারের ঘটনা বলা হয়। মানুষ অহংকার করে আকাশ ছোঁয়ার জন্য একটা মিনার বানাতে চেয়েছিল, তখন ঈশ্বর তাদের ভাষা গুলিয়ে দেন যাতে তারা একে অপরকে বুঝতে না পারে এবং ছড়িয়ে পড়ে।

ইসলামে আল্লাহ আদম (আ.) কে "সব নাম" শিক্ষা দিয়েছিলেন [সূরা বাকারা ৩১]। সেই আদি ভাষা কী ছিল তা নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে, কেউ বলেন আরবি, কেউ বলেন সুরিয়ানি। কিন্তু মূল বিষয় হলো, আল্লাহ মানুষকে ভাষা শেখার যোগ্যতা দিয়ে পাঠিয়েছেন।

২. তাহলে একটা ভাষা থেকে এত ভাষা কীভাবে হলো? - ভাষাবিজ্ঞানের উত্তর

এটাই হলো ভাষার বিবর্তন। একটা ভাষাই থেকে যায় না, কারণ:

ক) ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা: আদম সন্তানরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। এক দল পাহাড়ে, এক দল মরুভূমিতে, এক দল দ্বীপে। ৫০০ বছর যোগাযোগ না থাকলে একই ভাষা দুই রকম হয়ে যায়। যেমন ৩০০ বছর আগে ব্রিটিশরা যে ইংরেজি নিয়ে আমেরিকায় গিয়েছিল, আজকের ব্রিটিশ আর আমেরিকান ইংরেজি আলাদা।

খ) উচ্চারণের পরিবর্তন: আমরা সবাই শুদ্ধ উচ্চারণ করি না। একটা শব্দ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সামান্য বিকৃত হতে থাকে। যেমন - আপনার দাদা যে শব্দকে 'পানি' বলতেন, সেটাই অন্য অঞ্চলে গিয়ে 'জল', 'ওয়াটার', 'মায়া' হয়ে গেছে।

গ) নতুন জিনিসের জন্য নতুন শব্দ: মরুভূমির মানুষের কাছে তুষারের জন্য ২০টা শব্দ লাগে না, কিন্তু এস্কিমোদের লাগে। নতুন পরিবেশে নতুন শব্দ তৈরি হয়।

সহজ উদাহরণ: বাংলা ভাষাটাই দেখুন। ১০০০ বছর আগে বাংলা বলে কোনো ভাষা ছিল না, ছিল সংস্কৃত। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত, প্রাকৃত থেকে বাংলা, অসমীয়া, ওড়িয়া - সব আলাদা হয়ে গেছে। মাত্র ১০০০ বছরেই একটা ভাষা থেকে ৫-৬ টা ভাষা হয়ে গেল।

তাহলে আদম (আ.) থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৭-৮ হাজার বছরে (বা আরও বেশি) হাজার হাজার ভাষা তৈরি হওয়াটা অস্বাভাবিক না।

সারসংক্ষেপে: আল্লাহ মানুষকে একটা ভাষা বা ভাষা শেখার ক্ষমতা দিয়ে পাঠিয়েছেন, কিন্তু মানুষের ছড়িয়ে পড়া, বিচ্ছিন্ন থাকা এবং সময়ের সাথে সাথে স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে সেই এক ভাষা থেকেই হাজারো ভাষা হয়েছে। এটাই আল্লাহর সৃষ্টির বৈচিত্র্যের অংশ।
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 620 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12518। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4930
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#আমি_কেন_সৃষ্টিকর্তা_হিসাবে_এক_আল্লাহকে_বিশ্বাস_করি???   আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  প্রিয় নাস্তিক ভাইয়েরা ভাববেন না যে আমরা আস্তিকরা( মুসলিম) রা মূর্খ তাই আমরা সৃষ্টিকর্তা তে বিশ্বাস ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
156 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim  সিরিজ পর্ব-৬৫  মাযহাব কি বিভক্ত সৃষ্টি করে?   একটা সমুদ্রের যেমন অনেক নদী থাকে সে রকম ইসলাম নামক সমুদ্রের অনেক ছোট বড় নদী আছে, এর মধ্যে প্রধান চার নদী( মাযহাব) হলো হান�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
132 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের উপর আনিত জঙ্গিবাদ অভিযোগের খন্ডন  ২য় কিস্তি  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   এক পাগলকে সব সময় দেখি আমার কমেন্ট বক্সে অচিন্ত্য নাস্কার নামে এক হেদু কিছু আয়াত দিয়ে কোরআনে জঙ্গিবা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
317 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের উপর আনিত  ভ্রান্ত অভিযোগের খন্ডন  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   এক প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
153 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

রমজান_মাসে_মৃত্যু_বরণ_করলে_কি_সব_গুনাহ_বা_কবরের_আজাব_কি_মাফ??? আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  আমাদের আশে-পাশে অনেক ভিত্তিহীন কথা পাওয়া যায়। যেগুলোর ব্যাপারে কোরআন হাদীস এতে কোনো বক্তব্য আস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
93 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    183 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...