Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

মাযহাব কি বিভক্ত সৃষ্টি করে?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
24 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   31 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim 

সিরিজ পর্ব-৬৫ 

মাযহাব কি বিভক্ত সৃষ্টি করে? 

 একটা সমুদ্রের যেমন অনেক নদী থাকে সে রকম ইসলাম নামক সমুদ্রের অনেক ছোট বড় নদী আছে, এর মধ্যে প্রধান চার নদী( মাযহাব) হলো হানাফি, শাফেয়ি, মালেকি, হাম্বলী 

 সমুদ্রের পানি সবটুকু যেন সোজা নদীর ভিতর প্রবেশ না করে তাই বাঁধ দেওয়া হয়। ঠিক এরকম করে সমুদ্রের চার নদীতে চারটা বাধ আছে, এই বাধগুলো হলো ইমাম হানাফি, মালেকি হাম্বলি ও শাফেয়ি । এই বাঁধ করা চার নদীর দু- পাশে আমরা মুসলিমরা বসবাস করি আর এই নদীর পানি আরোহন করি ( ফতোয়া গ্রহণ করি) সমুদ্রের পানিতে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ থাকে আর সেই খনিজ গুলো মানুষ এর ক্ষেত্র বিশেষ আলাদা আলাদা। কারো হয় তো খনিজ চাই দেহে বেশি কারো বা কম। এই চার নদীতে যদি একই সাথে সমান ভাগে সব খনিজ আসা শুরু করে তাহলে দেখা যাবে যে মানুষ প্রয়োজনের থেকে খনিজ দেহে বেশি পেয়ে যাচ্ছে যা তার জন্য ক্ষতিকর। ঠিক একই রকম ভাবে সব মুসলিম এর জ্ঞান ধারন ক্ষমতা এক না । কেও বেশি জানে কেও কম। বিশাল জ্ঞান সমুদ্রের সব জ্ঞান এক সাথে নিতে গেলে মাথা নষ্ট হয়ে যাবে, তাই দেওয়া হলো নদীতে চার বাধ, যেন সমুদ্র থেকে অল্প পরিমাণ বিশুদ্ধ খনিজ আসে+ পানি, আর ওই খনিজের পানি দিয়ে যার যতটুকু দরকার গ্রহণ করে। চার ইমাম হলো সেই চার বাধ যারা স্বতন্র ভাবে মাসআলাগুলো সারিবদ্ধ করছে আর মানুষ সেগুলো ফলো করছে। 

নদী চারটা হলেও কিন্তু পানি আসছে এক সমুদ্র থেকে ওই রকম ভাবে মাযহাব প্রধানত চারটা হলেও এই চার মাযহাবের মূলে রয়েছে রাসূল সাঃ। তো দেখা যাচ্ছে যে যেটাকে আমরা আলাদা ভাগ ভাবি সেটা আসলে আলাদা ভাগ না বরং এক সমুদ্রের বহু( আপনি যে নদীতেই চলুন না সমুদ্র / রাসূল সাঃ কে পেয়ে যাবেন)  

 নদী আর এই নদীর দু- পাশে বসবাস করছে অবেক মানুষ, যার যতটুকু প্রয়োজন সেই নদীর থেকে আরোহন করছে । সবার বাড়ি সমুদ্র উপকূলে না সমুদ্রের থেকে দূরে। সবাই নিজ বাড়ি থেকে সমুদ্রে গিয়ে সেই পানি ( জ্ঞান / ফতোয়া) আহরণ নাও করতে পারে, তাই সমুদ্র নিজেকে চার নদীতে( মাযহাবে) বিভক্ত করে স্থলে ঢুকিয়ে দিলো। আর সেই সমুদ্র থেকে চার নদী ( মাযহাব) পানি নিয়ে সবাইকে দিতে লাগলো ( ফতোয়া) । তো আমরা দেখতে পাচ্ছি যে চার মাযহাব ইসলামের বাহিরে কোনো বিষয় না বরং ভিতরের বিষয়। চারটার ( নদী/ মাযহাব) কালেকশন রাসূল সাঃ( সমুদ্র ) এর সাথে। এখন আসি কথিত আহলে হাদীসদের ব্যাপারে। আপনারা দেখবেন যে নদীতে জোয়ার উঠে আর সেই জোয়ার এর পানি পাশে গিয়ে কোনো গর্ত থাকলে সেখানে ভরাট হয়। আহলে হাদীসরা সেই নদীর পাশে থাকা গর্ত এর মতো। যারা নদী থেকে সামান্য পানি ( জ্ঞান ) পেয়েই মনে করে যে সব পানি ( জ্ঞান ) তাদের কাছে। যুগ যুগ ধরে তারাও সেই নদীর ( মাযহাব) এর পানি ( জ্ঞান / ফতোয়া) দিয়ে চলছে কিন্তু হঠাৎ করে তারা মনে করা শুরু করেছে যে তারা সব পানির উৎস ( জ্ঞান) পেয়ে গেছে। আর এই মনে করাটাই তাদের পথভ্রষ্ট করে দিছে কারণ সে যেটা না সেটা নিজেকে মনে করে সামান্য পানি ( জ্ঞান ) নিয়ে সব সব জায়গায় পানি ( জ্ঞান) দেওয়া শুরু করছে। সব পানি বিশুদ্ধ হয় না বরং পানির সাথে কাদামাটির বালুও থাকে। তারা আসলে মানুষকে কাদামাটি খাওয়াচ্ছে আর মানুষ ভাবছে বিশুদ্ধ পানি ( জ্ঞান ) পান ( জ্ঞান আহরণ) করছে। এই হলো আহলে হাদীসের অবস্থা । যারা মাযহাব নাম নদীর পাশে থেকেও বলে মাযহাব মানি না( নদীর পানি পাই না) তবে তারা কোনো না কোনোভাবে কিন্তু মাযহাবের সাথে সম্পৃক্ত । আমি জানি না কতটুকু আপনাদের বুঝাতে পেরেছি তবে আশা করি কিছু হলেও বুঝেছেন। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো রাসূল সাঃ এর যুগ থেকে দুটো দল চলে আসছে। একদল মুজতাহিদ আরেক দল মুকাল্লিদ । যারা কোরআন সুন্নাহ এর উপর গভীর জ্ঞান রাখে এবং এগুলোর গভীর থেকে মাসআলা বাহির করতে পারে ইজতিহাদ এর মাধ্যমে তারা মুজতাহিদ ইমাম আর যারা এসব পারে না বা এসব বুঝার ক্ষমতা নেই তারা মুকাল্লিদ। আর একজন মুকাল্লিদ এর জন্য মুজতাহিদ এর অনুসরণ করার কথা কোরআন বলেছে, আল্লাহ বলেন " না জানলে ( যারা জানে না; মানে মুকাল্লিদ) বিজ্ঞ ( যারা জানে ; মুজতাহিদ) কে জিগ্যেস কর "( নাহল-৪৩) আর এই আয়াত থেকে সুন্দর ভাবে বুঝতে পারি যে দুটো দল সব সময় বিদ্যমান 

১. মুজতাহিদ

২. মুকাল্লিদ 

 

এখন যারা বলে মাযহাব ( মাযহাব মানে মত ; মুজতাহিদ ইজতিহাদ করে যে মত প্রকাশ করেচে তাই মাযহাব) মানা হারাম, কুফরি ইত্যাদি ইত্যাদি তারা প্রকাশ্যে কুফরি করল। মুয়াজকে যখন ইয়েমে পাঠানো হয় তখন তাকে বলা হয় তুমি কিভাবে সমাধান করবে? তখন মুয়াজ ইবনে জাবাল বলেন কোরআন দিয়ে, রাসূল সাঃ বললেন কোরআনে না পেলে? মুয়াজ বললেন সুন্নাহ দিয়ে, তখন আবার বললেন সুন্নাহতে না পেলে? তখন মুয়াজ বললেন " আমি উদ্ভাবন বা ইজতিহাদ করব " আর এ কথা শোনে রাসূল সাঃ খুশি হলেন..... ( তিরমিজি-১৩২৭ ) তো এই হাদীস থেকে আমরা তিনটা জিনিস এর দলীল পাই 

১. ইজতিহাদ

২. মুজতাহিদ কে মান্য করার ( বা তার মাযহাব ফলো করার) 

৩. মুকাল্লিদ মুজতাহিদকে ফলো করার 

    আশা করি মাযহাব নিয়ে আর উল্টা- উল্টা কথা বলবেন না। যতটুকু সম্ভব সংক্ষিপ্ত আকারে বুজানোর চেষ্টা করলাম। জাযাকাল্লাহ খাইরান। এছাড়াও 

আপনি কি জানেন সিহাহ সিত্তাহ হাদীস এর লেখকগন কে কোন মাযহাব ফলো করতেন? না জানলে জেনে নিন-

 ইমাম বুখারী- শাফেয়ী ( আল ইনসাফ-৬৭) 

ইমাম মুসলিম ( শাফেয়ী- আল হিত্তাহ- ১৮৬)  

 ইমাম নাসায়ী ও ইমাম দাউদ এই দু- ইমাম ছিলেন হাম্বলী মাযহাবের ( ফয়জুল বারী-১/৫৮ ; আবজাদুল উলুম-৮১০ ; ইলাউল মুয়াক্কিয়ীন-১/২৩৬)  

 ইমাম তিরমিজি হানাফি / হাম্বলী ( আল ইনসাফ-৭৯)  

ইমাম ইবনে মাজাহ শাফেয়ী ( ফয়জুল বারী-১/৫৮) 

[ সংগৃহীত রেফারেন্স ; উল্লেখ্য যে ইমাম বুখারী এবং তিরমিজি তারা দু - জনে মুজতাহিদ পর্যায়ের ছিলেন তবুও তারা উক্ত মাযহাবগুলোর উসূল ফলো করতেন বা আকৃষ্ট ছিলেন ] 

 ওরা কারা যারা বলে মাযহাব মানা হারাম, বেদআত ইত্যাদি ইত্যাদি । তারা যে সিহাহ সিত্তাহ হাদীস নিয়ে লাফালাফি করে তারাও মাযহাবি ছিল। শুধু তারা কেন যুগের সব শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসরাই কোনো না কোনো মাযহাব ফলো করত। মিশকাত শরীফ এর প্রণেতা, ইমাম নববী, ইমাম ত্বহাবী এরাও ছিল মাযহাবি। এমনকি আহলে হাদীসদের কথিত আদি বাব ইবনে তাইয়িমাও হাম্বলী ছিলেন ( দেখুনঃ আল- হিত্তাহ-১৬৮)। এখন আমার প্রশ্ন মাযহাব মানা যদি মূর্খামি + বেদআতি হয় তাহলে এরা সবাই ভুল ছিল,??? আর বর্তমানে সব আহলে হাদীসরাই সহীহ??

লেখক: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
Enolej ID(eID): 2649
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


প্রশ্ন : সালাফি - আহলুল হাদীসরা কি মাযহাব ত্যাগের দাওয়াত দেয়?  জবাব প্রদানকারী : যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস আলবানি রহিমাহুল্লাহ  অনুবাদক : আব্দুল্লাহ মাহমুদ ( ফতোয়ায়ে আলবানি এর সংকলক ও অনুবাদক)   জ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
35 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim  সিরিজ পর্ব-৭২  প্রথম ব্যক্তির দাবি হলো সর্ব প্রথম সৃষ্টি নাকি নূর, সে তার কথার পক্ষে রেফারেন্স হিসাবে উল্লেখ করে আনআম-১ নং আয়াত। তো আমরা সরাসরি আয়াতটা দেখে নিই চলুন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim  সিরিজ পর্ব-৭  নবীজিকে সৃষ্টি না করলে কিছুই সৃষ্টি হতো না মর্মে বর্ণিত কথা সঠিক না।  তথা, যদি আপনাকে সৃষ্টি না করা হতো, তাহলে আমি আসমানসমূহ [কোন কিছুই] সৃষ্টি করতাম না�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
26 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের উপর আনিত জঙ্গিবাদ অভিযোগের খন্ডন  ২য় কিস্তি  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   এক পাগলকে সব সময় দেখি আমার কমেন্ট বক্সে অচিন্ত্য নাস্কার নামে এক হেদু কিছু আয়াত দিয়ে কোরআনে জঙ্গিবা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
113 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের উপর আনিত  ভ্রান্ত অভিযোগের খন্ডন  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   এক প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...