দি_স্মার্ট_তাফসীর_অফ_মেহেদী
#সংক্ষিপ্ত_আয়াতের_ব্যাখ্যা -১
ইন্না ( নিশ্চয়) নাহনু ( আমরা ( নাহুয়িল ( জীবিত করা) মাওতা ( জীবহিন / মৃত / প্রাণহীন) ওয়া ( এবং, ও, আর) নাকতুবু ( আমরা লিখিয়া থাকি) মা ( না ; সাধারণ তো ' না ' অর্থ করা হয়, তবে ক্ষেত্র বিশেষ এর অনেক অর্থ হয় যেমন, নহে, নি, নাই, নয়, যদি, যা, যাহা, যে, যতক্ষণ পযন্ত, কত, কোন ইত্যাদি ইত্যাদি ; আরও থাকলে তাকতে পারে আমার অজানা, ) কাদদামু ( আগেই তাহারা পাঠাইছে) ওয়া ( এবং) আছারা/ আসারা ( নিদর্শন, পদংক, পায়ের ছাপ, প্রতীক; যে পথ দিয়ে চিহ্ন রাখিয়া হইয়াছে) হুম ( তাহাদের) ওয়া ( অধিকন্ত / and) কুল্লা ( সকল, প্রতিটি, সমস্ত ইত্যাদি ইত্যাদি ) শাইয়িন ( বস্তু, বিষয়) আহসাইনু ( সংরক্ষণ করিয়াছি) ফী ( মধ্যে, ভিতরে, মাঝে) ইমামিম ( ইমাম থেকে ইমামিম ; নেতা / Master) মুবীন ( স্পষ্ট বা সুস্পষ্ট )
বঙ্গানুবাদ: নিশ্চয় আমরা জীবিত করি মৃতকে এবং আমরা লিখিয়া রাখি যাহা আগেই তাহারা পাঠাইছে এবং তাদের পদচিহ্ন সমূহ। এবং আমরা সকল বস্তু সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছি ইমামদের মধ্যে।
( সূরা ইয়াসিন-১২ নং আয়াতের শাব্দিক তাফসীর)
আমরা জানি যে প্রাণ সৃষ্টি হয়েছে পানি থেকে। পানিতে আম্যাইনো এসিড ছিল যা মূলত প্রাণহীন। আর এই প্রাণহীন আমাইনো এসিড থেকে প্রাণ সৃষ্টি হয়েছে। যা আল্লাহ রব্বুল আলামিন কোরআনে সূরা ইয়াসিনে বলেছেন এভাবে" আমি মৃত ( আম্যাইনো এসিড) থেকে জীবিত ( প্রাণ বা life) করেছি । আমরা জেনেটিক্স সাইন্স থেকে এটাও জানি যে " মানুষের কোষের মধ্যে ডিএনএ থাকে যার মধ্যে মাতৃগর্ভে ভ্রণ অবস্থাতেই আপনার সবকিছু লেখা থাকে, আপনি মোটা হবেন নাকি চিকন, চুলের রং, চোখের রং কেমন হবে, ইত্যাদি ইত্যাদি বিষ আগে থেকেই ডিনএতে লেখা থাকে । আর আল্লাহ রব্বুল আলামিন এটাই উক্ত আয়াতের পরবর্তী অংশে বলে দিছেন এভাবে " এবং আমরা লিখিয়া রাখি তাহা যাহা আগেই পাঠাইছে " অর্থাৎ ডিনএন এতে সব লেখা বা সংরক্ষিত থাকে। আমরা আরও জানি যে দুনিয়াতে সকল ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে আপনার মূল্যবান আনন্দের সময়ের ভিডিও বা ছবি তুলো রাখতে পারেন । যেটা মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। পৃথিবীতে ইনফরমেশন আদান - প্রদান হয় আলো শব্দ সহ বিবিন্ন মাধ্যমে। আর আলোর ফোটন কনা কখনো ধবংস হয় না কারণ এটা শক্তি। এক রুপ থেকে আরেক রুপে চেন্স হয়। আপনি আমি যা করছি সেগুলোর সব আলো বা শব্দ আকারে সংরক্ষিত হচ্ছে; যেটা আল্লাহ রব্বুল আলামিন পরবর্তী অংশে বলছেন " এবং আমি তোমাদের পদচিহ্ন........ সমূহ " । অর্থাৎ দুনিয়ার কর্ম সমূহ........ ।
তো এই হলো উক্ত আয়াত ( কোরআন-৩৬/১২) এর বিজ্ঞানের আলোকে তাফসীর। আশা করি ভালো লেগেছে লেখাটা।
কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️
[ দি স্মার্ট সাইয়িন্টিফিক তাফসীর অফ মেহেদী এর ছোট একটা আয়াতের পার্ট এর লেখা ]
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে_3_মেহেদী
#প্রিন্স_ফ্রেরাস
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।