Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নারীবাদীদের ভ্রান্ততার খন্ডন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
19 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   29 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
আজকাল ফেসবুকে ঢুকলেই ফেসবুক মুজতাহিদ দেখা যায়, এসব ফেসবুক মুজতাহিদ আবার জীবনে চোখ দিয়ে কোনো উসূলে ফিকহের কিতাব পরেছে নাকি সন্দেহ । চ্যাট জিটিপি যাদের শায়েখ তাদের কাছ থেকে চটি ফতোয়া পাওয়া যাবে এটা স্বাভাবিক ।  

 আমাদের ছা গু মার্কা আপু তার মতের পক্ষে তার শায়েখ চ্যাট জিটিপি এর থেকে কিছু জোরাতালি দলীল নিয়ে এসেছে। নারীরা বাহিরে কাজ করতে পারবে এই মতের পক্ষে প্রথমে কোরআনের নিসা-৩২ নং আয়াত নিয়ে এসেছে। আমাদের চটি ফতোয়াবিদ আপু হয় তো চোখ দিয়ে জীবনে ওই আয়াতের তাফসীর পরে নি। আয়াতে বাংলা উপার্জন শব্দ দেখে মনে করেছে যে এখানে চাকরি করে উপার্জনের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে এই আয়াতের শানে নুযূল দেখলো আয়াতের পুরো বিষয়টা ক্লিয়ার হয়ে যাবে। আমি তাফসীর থেকে সরাসরি বিষয়টা পপশ করছি -

যা দিয়ে আল্লাহ তোমাদের কাউকেও কারোর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লালসা করো না। পুরুষগণ যা অর্জন করে, তা তাদের প্রাপ্য অংশ এবং নারীগণ যা অর্জন করে, তা তাদের প্রাপ্য অংশ। তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। [১] নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ। [১] এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, উম্মে সালামা (রাঃ) আরজি পেশ করলেন যে, পুরুষরা জিহাদে অংশ গ্রহণ করে শাহাদাত লাভে ধন্য হন, কিন্তু আমরা মহিলারা এই ফযীলতপূর্ণ কাজ থেকে বঞ্চিতা। আমাদের মীরাসও পুরুষদের অর্ধেক। এই কথার ভিত্তিতে এই আয়াত নাযিল হয়। (মুসনাদ আহমাদ ৬/৩২২) মহান আল্লাহর এই উক্তির অর্থ হল, তিনি তাঁর কৌশল অনুযায়ী পুরুষদেরকে শারীরিক যে শক্তি দান করেছেন এবং যে শক্তির ভিত্তিতে তারা জিহাদে অংশ গ্রহণ করে, এটা তাদের জন্য আল্লাহর বিশেষ দান। এগুলো দেখে নারীদেরকে পুরুষদের যোগ্যতাধীনের কাজ করার আশা করা উচিত নয়। অবশ্যই তাদের আল্লাহর আনুগত্য ও নেকীর কাজে বড়ই আগ্রহের সাথে অংশ গ্রহণ করা উচিত। তারা ভাল কাজ যা কিছু করবে পুরুষের ন্যায় তার পুরো পুরো প্রতিদান তারাও পাবে। এ ছাড়া তাদের উচিত, আল্লাহ নিকট তাঁর অনুগ্রহ কামনা করা। কারণ, নারী-পুরুষের মধ্যে কর্মদক্ষতা, যোগ্যতা এবং শক্তিমত্তার যে ব্যবধান, তা হল মহাশক্তিমান আল্লাহর এমন অটল ফায়সালা, যা কেবল কামনা করলেই পরিবর্তন হয়ে যায় না। তবে তাঁর অনুগ্রহে শ্রম ও উপার্জনের যে ঘাটতি, তা দূর হয়ে যেতে পারে। ( তাফসীরে আহসানুল বয়ান) 

 এখন আপনারাই বলুন এই আয়াতে কি সত্যিই নারীদের চাকরি করে টাকা উপার্জন এর কথা বলা আছে?  

তারপরে সে নাহল -৯৭ নং আয়াতকে দলীল হিসাবে নিয়ে এসেছে, আয়াতে সৎ কর্ম কথা দ্বারা সে নারীদের চাকরি বা বাহিরে কাজ করার দলীল পেয়ে গিয়েছেন বাহ চমৎকার ।  

তার দলীলদের মমার্থটা ঠিক এরকম যে - 

" হাদীসে বলা আছে ( স্ত্রী ) সহবাস বৈধ" এখন কিছু মালখোর( ঠিক এই পোস্ট কারী চটি ফতোয়াবিদ আপুটার মতো) এখান থেকে দলীল নিলো যে সহবাস করলে যেহেতু সওয়াব তাই বিয়ের আগে জিএফকে চু দাও সওয়াবের... " 

এখন আপনারাই বলুন এই কিয়াস কি ঠিক? উত্তর হবে না, আমাদের এি চটি ফতোয়াবিদ তার শায়েখ চ্যাট জিটিপিএর থেকে ঠিক একই কিয়াস নিয়েছে...। সৎ কর্ম দ্বারা হালাল পেশা অন্তভুক্ত বুঝলাম, কিন্তু এখানে যে নারীদেরও বাহিরে গিয়ে উপার্জনও হালাল কর্ম এটা কয় বলা আছে?। সালাফদের ফাহম বাদ দিয়ে চ্যাট জিটিপি এর ফাহম নিয়ে চললে সোজা বু কা চুদা নাম্বার ওয়ান লিস্টে চলে যেতে হবে.....  

তারপর সূরা কাসাস-২৩ আয়াতের ছোট একটাঅংশ দিয়ে দলীল নেয়ার চয়েস করল যে নারীরা বাহিরে কার্জ করে উপার্জন করতে পারবে...  

 তো এই ছাগু আপুকে আমি বলতে চাই যে তার শায়েখ চ্যাট জিটিপি যে আয়াত দিয়েছে তা মূসা নবীর কাহিনীর এক অংশ। মূসার উম্মতের শরীয়ত এবং উম্মতে মুহাম্মাদীর শরীয়ত এক নয়। তবে ধরে নিলাম এই আয়াত উম্মতে মুহাম্মীর কথা বলা হচ্ছে , তাও এটা দ্বারা প্রমাণ হয় যে নারীরা বাহিরে কাজ করে উপার্জন করতে পারবে কেননা এখানে যে দু-বোনেরা যে ছাগল নিয়ে কূপের কাছে এসে ছিল সেগুলো তাদের নিজ ছাগল ছিল এবং তারা তাদের ছাগলগুলোকে পানি পান করাতে এসেছিল কিন্তু সেকানে পুরুষরা ছিল বলে তারা সেকানে যেতে পারছিল না..... অর্থাৎ এইখানে তাদের তাদের নিজেদের গৃহস্থালি গবাদি পশু এর লালন পালনকে বুঝানো হয়েছে, পরপুরুষ বসের আন্ডারে কাজ করে বসের বিছানা গরম করার চাকরির কথা বুঝানো হয় নি.......  

তারপরে সে বা খাদিজাএর ব্যবসায়ের উদাহরণ নিয়ে এসেছে। আমি অনেক হিজাবি ফেমিনিস্টদের এই কাজটা করতে দেখেছি যারা মা আয়েশা এর ব্যবস্যা করার বিষয়টা উল্লেখ করে নারীদের জন্য ঘরের বাহিরে গিয়ে চাকরি করার বৈধতা দিয়ে থাকে.... ।  

 একানে বুজার বিসয় হলো মা খাদিজা যখন ব্যবস্যা করত তখন রাসূল সাঃ এী নবুয়তের সময় ছিল না বরং তা জাহেলি যুগই ছিল। আর জাহেলি যুগে কোন নারী কি করল তা আমাদের দেখার বিষয় না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো রাসূল সাঃ কে বিয়ের পর মা খাদিজা সকল দায়িত্ব নবীর উপর দিয়ে তিনি সংসারের কাজে লেগে পরেন... 

হিজাবি ফেমিনিস্টগুলো শুধু মা খাদিজা এর জাহেলি যুগের ব্যবস্যা এর কথা উদাহরণ হিসাবে হিয়ে আসে কিন্তু নবী সাঃ এর সাথে বুয়ের পর তিনিযে তার ব্যবস্যা থেকে সরে আসেন সেটা বলে না...... । মা খাদিজার ব্যবস্যার উদাহরণ এসব হিজাবি ফেমিনস্টদের বাহিরে চাকরি করার পক্ষের প্রমাণ না আরং বিপক্ষের প্রমাণ কেননা নবীর নবুয়তের সময় তিনি তার ব্যবস্যা থেকে নিজেকে ইনকার করে ছিলেন, অর্থাৎ ইসলামি শরীয়াহ মোতাবেক তিনি তার কাজ থেকে সরিয়ে নিয়ে ছিলেন...... আর আমাদের ব্যাঙ্গু চটি আপুরা বিয়ের পর ঘর সলসার বাদ দিয়ে বসের বিছানা গরম করার জন্য চাকরির জন্য উঠে পরে লাগে...... 

 এখন আপনারাই বলুন এসব চ্যাট জিটিপি শায়েখের মুরিদগুলোর ব্যাপারে কি বলা যায়?

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2347
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


অনেক ভাবে খন্ডন করা যায়!    আমি বাস্তব সম্মত পয়েন্ট দিচ্ছি আপনাকে কেমন!  তার দাবি হলো -  ইশ্বর নিরাকার হলে সর্বশক্তিমান কেননা সে নিরাকার ও সাকার দুটো রুপই নাকি ধারণ করতে পারে, আর যে শাকার রুপ গ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব  সিরিজ পর্ব-৪১১  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  কুরআনের আয়াত পরিবর্তন করা আর নাযিল হওয়া বিধানের পর্যায়ক্রমিকতা (নাসখ)এই দুইটা এক জিনিস না। যারা এগ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পোস্টমর্টেম_অফ_আহলে_কোরআন  সিরিজ পর্ব-২ [ লেখাটা সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো ]  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   লক্ষ্য করুন screenshots টা। এই লোকটা আমাকে আর দশ জনের মতো মনে করেছে। আম কোনো মুসলিম এর সা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পোস্টমর্টেম_অফ_আহলে_কোরআন সিরিজ পর্ব-১ আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   একটা প্রবাদ আছে সেটা হলো " পুরান পাগলে ভাত পায় না নতুন পাগলের আমদানি " তো এদেরও হলো সেই দশা। ফ্রেন্ড লিস্টে নাস্তিক ব�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
18 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব সিরিজ পর্ব-১৬২  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   গত ১৪০০ বছরে কোনো মুসলিম স্কলার এরকম রেওয়াত খুজে পেলো না সেখানে কুথাকার কোন পাগল এসে দাবি করছে যে ই�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...