Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

হিন্দু ধর্মে গরুর মাংস ভক্ষণ করার ঐতিহাসিক ও শাস্ত্র ভিত্তিক প্রমাণ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
46 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,660 পয়েন্ট)   12 নভেম্বর 2025 "প্রতিবেদন" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 12 নভেম্বর 2025 সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

image #একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা 

#হিন্দু_ধর্মে_গো_হত্যা_ও_খাওয়া_সম্পর্কে_একটি_তাত্ত্বিক_ও_দলীল_ভিত্তিক_পর্যালোচনা 

© প্রিন্স ফ্রেরাসে   

[ আমার অনুমতি ব্যাতিত লেখার যদি একটা অংশও কেও কপি করে যেটা সে জানত না তাহলে তার উপর আল্লাহর লানত পরবে, তাই আমার ভাই ও বোনেরা দয়া করে আমার অনুমতি ছাড়া লেখার অংশ কপি করবেন না আর লেখার কোনো রেফারেন্স যদি নিয়ে থাকেন তাহলে আমার নামটাও উল্লেখ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ ]  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

আজকে আমরা হিন্দু শাস্ত্র এর আলোকে এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করব যে হিন্দু শাস্ত্র দ্বারা গো মাংস খাওয়া সিদ্ধ বা বৈধ । প্রথম অংশে আমরা দলীল পেশ করব দ্বিতীয় অংশে আমরা ভন্ড হিন্দুদের সেসব রেফারেন্স এর খন্ডন করব যেগুলোকে তারা দলীল হিসাবে পেশ করতে চাই। আমরা তাত্ত্বিক ও দলীল ভিত্তিক রেফারেন্স সহকারে পুরো লেখাটাতে এই বিষয়ে আলোকপাত করব ইনশাআল্লাহ। 

লেখাটা লেখার জন্য আমি প্রথমে কয়েকটা মন্ত্র এখানে পেশ করব যার ভাষ্য দ্বারাও এটা দেখাব যে উক্ত মন্ত্র দ্বারা গোমাংস খাওয়া সরাসরি সিদ্ধ । তারপর আমি সংক্ষিপ্ত আকারে দলীলগুলো পেশ করে দিবো যেগুলো আপনারা চেক করে দেখে নিবেন। সকল রেফারেন্স মন্ত্র / শ্লোক সহকারে লেখতে গেলে এই বিষয়ে আলাদা বই লেখা হয়ে যাবে। তাই আমি সংক্ষিপ্ত আকারে পয়েন্ট গুলো পেশ করব। আশা করি আমার কথাগুলো বুঝতে পেরেছেন  

তো চলুন শুরু করা যাক।  

এক নজরে পয়েন্ট - 

১. গোহত্যা ও মাংস ভক্ষণ করার পক্ষে তিনটা মন্ত্র ও তার শাস্ত্রীও পর্যালোচনা 

২. একটা শ্লোক নিয়ে মিথ্যাচারের জবাব 

৩. গো হত্যা ও গো মাংস ভক্ষণের পক্ষে ঋগ্বেদের রেফারেন্স 

৪. বিভিন্ন হিন্দু বই থেকে রেফারেন্স 

৫. বৈদিক সময়ে দেবতা ও মনুষ্যদের গো হত্যা ও তার মাংস আহার করার শাস্ত্রীও প্রমাণ 

৬. হিন্দু পন্ডিত ও ইতিহাসের বক্তব্য  

৭. খন্ডন পর্ব - 

৮. কখন গো হত্যা নিষিদ্ধ হয় বা সমাজ থেকে গোমাংস ভক্ষণের সংস্কৃতি সমাজ থেকে হারিয়ে যায়?  

৯ উপসংহার

পয়েন্ট -১ 

প্রথম মন্ত্র ও তার ভাষ্য - 

প্রথমে আমরা ঋগ্বেদ - ১০.২৮.৩ মন্ত্র নিয়ে আলোচনা করব।  

মন্ত্রঃ পচস্তি তে বৃষভা অৎসি তেষাম 

পদার্থঃ পচস্তি = রান্না করে (নিরুঃ ১.১.১.১২), তে = তাহারা (নিরুঃ ১.১.৪.২), বৃষভা = ষাঁড় গরু (নিরুঃ ৯.২২.১ এবং নিরুঃ ৯.২৩.১ ও ৫), তেষাম অৎসি (আপনে সে সকল ভক্ষণ করুন)। 

বিশুদ্ধ অনুবাদঃ তাহারা ষাঁড় গরু রান্না করে আপনে তা উপভোগ বা ভক্ষণ করুন। 

ভাষ্যঃ উক্ত মন্ত্রে ইন্দ্র দেবতা কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে যে তাহারা ষাঁড় গরু রান্না করে আপনে তা উপভোগ বা ভক্ষণ করুন। উক্ত মন্ত্রে বৃষ গো বচন এটা পাণিনি তার অষ্টাধ্যায়ীতে স্বীকার করেছে দেখুনঃ 

. বৃষস্যতি গৌ (অষ্টাঃ ৭.১.৫১) 

আর অষ্টাধ্যায়ীর গৌ মানে গরু (নিরুঃ ১.১.১.১৫)। 

ঋগ্বেদঃ ১০.২৮.৩

( ভাষ্যকারঃ অনিন্দিতা গাঙ্গলি)  

দ্বিতীয় মন্ত্র ও তার ভাষ্য - 

মন্ত্র: পর্বশশ্চীর্ত গামিবাসিঃ 

পদার্থঃ পর্বশ- টুকরো টুকরো, ছিন্ন ভিন্ন করা, গাম- গরু( নিঃ১০.১৫.১ ; অষ্টাধায়ী :৩.৪.২২) অসি- হইয়াছে ( নিঘন্টু -২/১/৫/১৩) ইব- ন্যায় বা মতো ( নিঃ-১/২/১/৮)  

বিশুদ্ধ অনুবাদঃ টুকরো টুকরো ও ছিন্ন ভিন্ন করা হইয়াছে গরুর মতো বা ন্যায়........ ইত্যাদি ইত্যাদি ( ঋগ্বেদ -১০/৭৯/৬: ভাষ্যকরঃ অনিন্দিতা গাঙ্গুলি)    

তৃতীয় মন্ত্র ও ভাষ্য- 

মন্ত্র: হোতা যক্ষদিন্দ্রমৃষভস্য হবিষ আবয়দদ্য মধ্যত মেদ উদ্ভতং ( যজুর্বেদ -২১/৪৫)  

পদার্থঃ হোতা- আহানকারী ( নিঃ ৭/১৫/৬) ইন্দ্র ঐশ্বর্যযুক্ত রাজা, যক্ষৎ - যাগ করে ( নিঃ ৬/১৭/২৫) অদ্য- এক্ষণে ( নিঃ ৭/৩/১৪) ঋষভস্য -ষাড়গরু ( আশ্বালায়ন শ্রৌতসূত্র ২/১৮/১৫ ; আঃ শৌঃ ৯/৪/১৯; অষ্টাধায়ী-৫/৩/৯১) হবিষ-হবির ( নিঃ ১০/২০/১) মধ্যতে - মধ্যভাগ ( নিঃ ৬/৩/১) মেদ - স্নিগ্ধ পদার্থ ( নিরুক্ত : ৪/৩/২২) জুষতাম - সেবন বা ভক্ষণ করুণ ... 

 বিশুদ্ধ অনুবাদঃ হে হোতা বা আহানকারী ঐশ্বর্যযুক্ত রাজা যাগ ( যজ্ঞ / হোম) করে এক্ষণে ষাড়গরু ও হবির মধ্য- ভাগের স্নিগ্ধ জাতীয় সেবন বা ভক্ষণ করুন ( যজুর্বেদ -২১/৪৫ ; ভাষ্যকর : অনিন্দিতা গাঙ্গুলী)  

[ উক্ত তিন মন্ত্র এর অনুবাদ করেছন প্রিয় অনিন্দিতা গাঙ্গুলি ✍️ আমরা তার কাছে এরকম একটা শাস্ত্রীও ভাষ্য ও অনুবাদের জন্য মন থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ইশ্বর ( আল্লাহ রব্বুল আলামিন) তার মঙ্গল করুক আমিন ] 

পয়েন্ট -২ 

এখন আমরা একটা শ্লোক এর শাস্ত্রীও ভাবে তার মূল অর্থ বাহির করব, যে শ্লোককে নিয়ে হিন্দু সমাজের অনেক লোক মিথ্যাচার করে। সেই শ্লোকটা হলো বৃহদারণ্যক উপনিষদের - ৬/৪/১৮ : ভাষ্যকর : আদি শংকরাচার্য) শ্লোক-

সরলার্থ: যে ইচ্ছে করে আমার এমন এক পুত্র হউক যে পন্ডিত, প্রখ্যাত, সভাসদ হইবে, সর্ববেদ অধ্যায়ন করিবে এবং পূর্ণায়ু হইবে, তবে তাহারা স্বামী স্ত্রী অভয় মাংস মিশানো অন্ন রান্না করে তাতে ঘি মিশিয়ে ভক্ষণ করবে। এই মাংস তরুণ বা বয়স্ক গরুর হইলে সন্তান জন্ম দিতে পারিবে ( বৃহঃ উপঃ ৬/৪/১৮ : ভাষ্যকর : আদি শঙ্করাচার্য)  

[ উল্লেখ্য যে এখানে আমি সংস্কত মন্ত্র ও শব্দগুলোর অর্থ পেশ করলাম না, আপনারা সংস্কৃত মন্ত্র ও শাব্দিক অর্থগুলো দেখতে চাইলে " স্বামী গম্ভীরানন্দ সম্পাদিত, উদ্বোধন কার্যালয় কলকাতা প্রকাশিত, চতুর্থ প্রকাশ, ২৮ তম পুনর্মুদ্রণের উপনিষদ সমগ্র - তৃতীয় ভাগ, পৃষ্ঠা নং- ৪৩৯ চেক করে দেখতে পারেন ] 

এই শ্লোকের " মাং সৌদনং, ঔক্ষেন, বার্ষভেন " শব্দ গুলো নিয়ে হিন্দুরা ভুল অর্থ নিয়ে শ্লোকের মূল ভাব পাল্টিয়ে দিয়ে থাকে তাই আমরা এটার বিষয়ে একটু আলোকপাত করব- 

* মাংসসৌদন শব্দ ভেঙ্গে দুটো শব্দ পায়, মাংস, তদনম ( অষ্টাধ্যায়ী - ৪/৪/৭৯)  

পদার্থঃ মাংস -মাংস ( নিঃ ৪/৩/২১; অষ্টাঃ ৩/২/১; ৬/১/৬৫)

তদনম -অন্ন বা খাবার ( নিঃ ৭/১৩/১৬ ; অষ্টাঃ ৪/১/৬৪;৩/৩/১১৬; ১/১/৬৭)  

ঔক্ষেণ- ঔক্ষেনপদম ( অষ্টাঃ ৬/৪/১৭৩)  

মন্তব্য : ঔক্ষেন মানে অল্প বয়স্ক গরু ( শংকরাচার্য) পদম মানে পা ( নিঃ ১২/১৯/৫ )  

বার্ষভেন শব্দটা ভেঙ্গে দুটো শব্দ পায়, বা ও আষভ বা ঋষভ 

পদার্থঃ বা- অথবা ( নিঃ ১/২/১/৩৪ ; ৫/১২/১৪)  

আষভ বা ঋষভ - লেদ গরু বা বয়স্ক গরু ( আঃ শৌঃ ২/১৮/১৫)  

তো আমরা উক্ত শ্লোকের বিশেষ শব্দার্থ বিশ্লেষণ করে বুঝতে পাচ্ছি যে শ্লোকে (৬/৪/১৮) এতে গো মাংস এর কথাও খেতে বলা হয়েছে এবং সেটা তরুন বা বয়স্ক গরুর....... 

[ মীমাংসক ভাষ্যকর: অনিন্দিতা গাঙ্গুলি ] 

 তো আমরা উপরের তিনটা মন্ত্র ও একটা শ্লোক এর আলোকে বুঝতে পাচ্ছি যে হিন্দু শাস্ত্রে সরাসরি গো - হত্যা ও তার মাংস আহার করার বৈধতা আছে। আর আমরা সরাসরি শাস্ত্রীও রেফারেন্স দ্বারা নিজেরাই উক্ত মন্ত্রগুলোরর বিশুদ্ধ অনুবাদ করেছি পদার্থ ( শাব্দিক বিশ্লেষণ ) সহকারে যাতে কোনো হিন্দু ত্যানাবাজি করে বলতে না পারে যে আমরা ভুল ভাবে মন্ত্র এর অর্থ সাবিত ( প্রমাণ) করতে চেয়েছি। এরকম আরও বেদ থেকে আমরা দলীল দিয়ে দিচ্ছি যেখানে গো- হত্যা ও খাওয়ার বৈধতা সম্পর্কে পেয়ে যাবেন, যেগুলো আপনারা চেক করে দেখে নিবেন ইনশাআল্লাহ ।  

পয়েন্ট -৩ 

ঋগ্বেদ থেকে দলীল - 

৬ মণ্ডল, ১৬ সূক্ত, ৪৭ নম্বর মন্ত্র।

৬ মণ্ডল, ৩৯ সূক্ত, ১ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ১৬ সূক্ত, ৭ নম্বর মন্ত্র।

১০ মন্ডল, ২৭ সূক্ত, ২ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ২৮ সূক্ত, ৩ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ৭৯ সূক্ত, ৬ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ৮৬ সূক্ত, ১৩ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ৮৬ সূক্ত, ১৪ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ৮৯ সূক্ত, ১৪ নম্বর মন্ত্র।

১০ মণ্ডল, ৯১ সূক্ত, ১৪ নম্বর মন্ত্র। 

পয়েন্ট -৪ 

এখানে বেদের মন্ত্রগুলোতে গো হত্যা ও গো মাংস খাওয়ার দলীল বিদ্যমান আছে। এরকম আরও অনেক রেফারেন্স আছে, যেগুলোও আমরা বিভিন্ন কিতাব থেকে পেশ করছি আপনারা চেক করে নিবেন। দলীল- 

 ( ঐতরেয় ব্রাহ্মণঃ১/৩/৪, শ্রীরামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী।) গোভিল-গৃহ্যসূত্রঃ

২য় প্রপাঠক, খণ্ড-৩, সূক্তঃ ২-৩।

৩য় প্রপাঠক, খণ্ড-৯, সূক্তঃ ১৯-৩২।

৪র্থ প্রপাঠক, খণ্ড-১০, সূক্তঃ ১৭-২৭।

৪র্থ প্রপাঠক, খণ্ড-৭, সূক্তঃ ১৬-৩৫।

[উপরোক্ত রেফারেন্স গুলো নেওয়া হয়েছে- গোভিল-গৃহ্যসূত্র, সত্যব্রত সামশ্রমী অনূদিত, সংস্কৃত 

পুস্তক ভাণ্ডার] ( আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র, ১/৮/৯; ২৪/১/২৩-২৬; ৪/৯/২৩-২৫) [উল্লেখ্য যে রেফারেন্স গুলো নেওয়া হয়েছে- ঋগ্বেদীয় গৃহ্যসূত্র, আশ্বলায়ন গৃহ্যসূত্র, অনুবাদিকা- ডঃ দীধিতি বিশ্বাস, সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার, ১ম প্রকাশঃ ১৫ আগষ্ট ২০০১]

( পারস্কর গৃহ্যসূত্র, ১/৩/২৬-২৯; ৩/১০/৪৮-৪৯)  

(শাঙ্খায়ন গৃহ্যসূত্র, ১৬/১/১৬/১-২; ১৫/২/১৫/১-১১; , ৩/১/১-২)(বৃহদারণ্যক উপনিষদ, ৬ষ্ঠ অধ্যায়, ৪র্থ ব্রাহ্মণ, ১৮ তম মন্ত্র) ( মনুসংহিতাঃ ৫ম অধ্যায়, ১৮ এবং ৪১ নম্বর মন্ত্র, মানবেন্দু বন্দোপাধ্যায় অনুদিত, সংস্কৃত পুস্তক ভান্ডার, 

কোলকাতা) ( অত্রিসংহিতা, ১/৫৫ )( বসিষ্ঠসংহিতাঃ চতুর্থ অধ্যায়, পৃঃ ৫০১)( লিখিতসংহিতাঃ শ্লোক/৯-১০, পৃঃ ৪২৮) 

( সুশ্রুত সংহিতাঃ সূত্র স্থানম, অধ্যায়/৪৬, শ্লোক/৮৯-৯০, মহর্ষি সুশ্রুত কর্তৃক বিরচিত, শ্রীযুক্ত যশোদানন্দন সরকার অনুদিত) 

( চরক সংহিতাঃউনবিংশোহধ্যায়ঃ, চিকিৎসাস্থানম) ( কালিকা পুরাণ -১৩ অধ্যায়)  

তো এই তো গেলো হিন্দু শাস্ত্র থেকে বিভিন্ন রেফারেন্স যা চূড়ান্ত ভাবে সাবিত করে যে হিন্দু শাস্ত্রে গো হত্যা এবং গরুর মাংস খাওয়া বৈধ! আশা করি তা আপনারা সবাই বুঝতে পেরেছেন..........। 

পয়েন্ট -৫ 

তো এখন আমরা বৈদিক সময়ের যুগের কিছু বিষয় দেখব যখন দেবতা ও মনুষ্য দু-দল পশু হত্যা ও তার মাংস আহার করত।  

এখন দু- জন দেবতার কথা দেখব যারা মাংস আহার করেছে।  

“হে ইন্দ্র গ্রহন কর সেসব গরুর মাংস যা তোমাকে তোমার ভক্তরা রন্ধন করে উৎসর্গ করেছে।” ( অথর্ববেদ-৯/৪/১)  

অগ্নি দেবতা খান্ডব বনে পশু হত্যা করে তার মাংস, কলিজা চর্বি আহার করে অর্জন ও কৃষ্ণকে ধন্যবাদ দিলেন ( মহাভারত, আদিপর্ব-২২৭/১৬)  

আপনারাই দেখুন শাস্ত্রে মাংস আহার কথার কথা দেবতাদের ক্ষেত্রেও বলা হয়েছে, মানে দেবতারাও মাংস আহার করত বিশেষ করে ইন্দ্র গো মাংস ভক্ষণ করত যা আমরা দেখতে পেলাম। 

আর সেই সময় মানে প্রাচীন সময়ে গো হত্যা ও তার মাংস আহার করা যে সামাজিক ভাবে সম্পূর্ণ বৈধ ছিল সেটাও আমরা এখন শাস্ত্রীও রেফারেন্স দ্বারা প্রমাণ পেশ করছি। আমার এ দাবির পক্ষে আমি বেদ, ধর্মশাস্ত্র ও ব্যাকরণ শাস্ত্র থেকে শুধু মাত্র ৩ টি প্রমাণ দিবো 

১. বেদ

◑ রাজ্ঞে বা ব্রাহ্মণায় বা মহ উক্ষম্ বা মহ অজম্ পচতে।

অর্থঃ রাজা বা ব্রাহ্মণের জন্য বড় ষাঁড় গরু অথবা বড় ছাগল রান্না করো। 

→ শতপথ ব্রাহ্মণঃ ৩. ৪.১.২

২. ধর্মশাস্ত্র

◑ অথাপি ব্রাহ্মণায় বা রাজন্যায় বা অভ্যাগতায় মহ উক্ষম্ বা মহ অজম্ পচতে। 

অর্থঃ যখন ব্রাহ্মণ অথবা রাজা (তোমাদের নিকট) আগমন করে, তখন তোমরা বড় ষাঁড় গরু অথবা বড় ছাগল রান্না করো। 

→ বসিষ্ঠ ধর্মসূত্রঃ ৪.৮

৩. ব্যাকরণ

◑ দাশগোঘ্নৌ সম্প্রদানে (পাণিনি অষ্টাধ্যায়ীঃ ৩.৪.৭৩)

ভাষ্যঃ আগতায় তস্মৈ দাতুম্ গাম্ ঘ্নন্তীতি গোঘ্ন, অর্ঘাহোতিথিঃ ইতি কাশিকা বৃত্তি 

অর্থঃ যিনি অতিথি হয়ে আগত হয়েছে তাকে গরু দান করার জন্য গরু হত্যা করা হয়। এ জন্য সে অতিথি “গোঘ্ন” নামে পরিচিত। যেমন অতিথিকে “অর্ঘাহুত” বলা হয়।

( কাশিকা বৃত্তিঃ ১২৭২) 

[ অনুবাদক ও লেখনি : অনিন্দিতা গাঙ্গুলি ] 

এসব রেফারেন্স থেকেও বুঝা যাচ্ছে যে প্রাচীন বৈদিক যুগে গো- হত্যা এবং তার মাংস আহার করা সম্পূর্ণ বৈধ ছিল, আর সেই বৈদিক সময়ে শুধু মানুষরা না বরং দেবতারাও ভক্ষণ করত তার প্রমাণও কিছু সময় আগে আমরা পেশ করেছি............ । 

পয়েন্ট -৬ 

এখন আমরা কিছু ঐতিহাসিক বক্তব্য আলোচনা করি। বৈদিক সাহিত্যে গরু ঘোড়া এসব বলির বিধান আছে এবং মাংস খাওয়ারও কথা আছে। হিন্দু ধর্মের মহান পন্ডিত বিবেকানন্দ বলেন - প্রাচীন প্রথা অনুসারে যে গো মাংস ভক্ষণ করে না সে খাঁটি হিন্দুই না, ( বাণী ও রচনা, খন্ড -১০) আর প্রাচীন সময়ে কোনো ব্রাহ্মণও গো মাংস না খেলে তারও ব্রাহ্মণত্ব থাকত না ( স্বামী বিবেকান্দের বাণী ও রচনা সমগ্র , খন্ড -৫, পৃষ্ঠা -৬৩) আর এরকম কথার সমর্থন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী থেকেও পাওয়া যায়, তিনি বলেন - পন্ডিতদের এক অংশ বেদে গো হত্যা এর কথা বলেছেন, আমার মনে পড়ে আমি যখন হাই স্কুলে পড়তাম তখন সংস্কৃত পাঠ্য বই এতে ছিল " পূর্বে ব্রাহ্মণরা গোমাংস ভক্ষণ করতেন ( M.K Gandhi, The Essence Hindiism, p.29) আর দু- জন হিন্দু পন্ডিত সঠিকই বলেছেন কেননা আমরা হিন্দু ঐতিহাসিক ও কাব্যিক গ্রন্থ গুলোতেও এর প্রমাণ পেয়ে থাকি ( বাল্মীকি রামায়ণ-২/৫৪ ও মহাভারত, শান্তিপর্ব-১৬০/৬৮ ও মহাভারত -১২/২৬৬ দেখুন...) আবার ঐতিহাসিকরাও এর স্বীকার করেছেন, তারা বলেন - বৈদিক সাহিত্যে গরু, ঘোড়া, ভেড়া ও শূকর বলির বিধানও আছে। তাদের মধ্যে গোমাংস, মহিষ ও অশ্বের (ঘোড়া ) এর মাংস জনপ্রিয় ছিল ( রামশরণ শর্মার ' আর্যদের অনুসন্ধান -৩১ ও আর এম দেবনাথের ' সিন্ধু থেকে হিন্দু বইয়ের ১৭-১৯ নং পৃষ্ঠা)। তো এতটুকুই আমরা সহজে বুঝতে পাচ্ছি যে হিন্দুদের মধ্যে বিশেষ করে ব্রাহ্মণদের মধ্যে গরুর মাংস খাওয়া ইতিহাসের আলোকেও সিদ্ধ এবং বাস্তব সত্য.....( রাফান আহমেদ - অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়, পৃষ্ঠা নং- ১৩৪-১৩৫)  

পয়েন্ট -৭ 

এখন আমরা চলে যাচ্ছি খন্ডনে। এতক্ষণে আপনারা বিভিন্ন দলীলের আলোকে বুঝতে পাচ্ছেন যে হিন্দু শাস্ত্রে গো হত্যা এবং তা খাওয়া একটা ঐতিহাসিক ও বাস্তবগত ভাবে সিদ্ধ বিষয় যা ভুল প্রমাণ করার কোনো অপশনই নেই। এখন আমরা সংক্ষিপ্ত আকারে মূলনীতি ( উসূল) এর দ্বারা সেসব হিন্দুদের জবাব দিবো যারা কিছু রেফারেন্স দিয়ে বলে যে হিন্দু শাস্ত্রে গো হত্যা নাকি নিষিদ্ধ । তো বেশিরভাগ হিন্দু এমন অনেক রেফারেন্স নিয়ে আসে যেখানে গরুকে অঘ্ন্যা তথা অহন্তব্যা বা হত্যার অযোগ্য বলা হয়েছে। এখান থেকে তারা বলতে চান যে সব রকমের গো হত্যা নিষিদ্ধ , আর গো হত্যা নিষিদ্ধ মানে গরুর মাংস খাওয়াও নিষিদ্ধ । অথচ ঋগ্বেদ (১/১৬৪/২৭) ও মহাভারত ( শান্তিপর্ব-২৬৪ /৪৭) পড়লে বুঝা যায় যে অঘ্ন্যা বলতে অঘ্ন্যা বলতে মাতৃগরু বা গাভীকে বুঝানো হয়েছে সব রকমেই গরুকে নয়.......। তবে গাভীকেও বলি দেওয়া হতো বৈদিক যুগে এরকম প্রমাণও আছে (মহাদেব চক্রবর্তীর " Beef Eating in Ancient India, Social science, Vol.7, No.11,p.51-55 ( jun.1979) ( অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়-১৩৪ নং পৃষ্ঠা থেকে রেফারেন্স সংগৃহীত ) এছাড়াও আপনারা এই টপিকে ( হিন্দু শাস্ত্রে গো হত্যা বা মাংস খাওয়া যাবে না বলে হিন্দু রা যেসব মিথ্যাচার করে তার জবাবে) সাকিব ভাইয়ের ই- বুকে জবাব পেয়ে যাবেন৷ আমি শুধু দুটো মূলনীতির আলোকে তাদের আরেকটা খন্ডন দিচ্ছি।  

প্রথমে মূলনীতি দুটো জেনে নিন। 

মূলনীতি এক - যখন একটা বিষয়ে দুটো মত পাওয়া যায় তখন যেটার পক্ষে রেফারেন্স বেশি তা গ্রহণ করতে হবে, আর যেটার পক্ষে রেফারেন্স কম তা পরিতাজ্য ( কাত্যায়ন সংহিতা -২৮/১৭) 

মূলনীতি দুই - শ্রুতি আর স্মৃতিতে দন্ড লাগলে শ্রুতিকেই মান্য করতে হবে ( পূর্ব মীমাংসা- ১/১/৩/৩ ও ৪)  

আমরা উপরে গো বা গরু হত্যার এবং গোমাংস খাওয়ার অনেক রেফারেন্স উল্লেখ করেছি যার বিপরীতে গো মাংস খাওয়া যাবে বা হত্যা করা যাবে না এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য বা রেফারেন্স নেই, থাকলেও তা অতি নগন্য বা নেই বললেই চলে, যা আছে তা গরুর মাংস খাওয়া এবং গো হত্যা এর দলীলের সামনে কিছুই না। অতএব যদি দু- এক মন্ত্রে গোহত্যা নিষেধ এর কথা বলেও থাকে তাহলেও আমাদের কিছু যায় আসে না, কেননা সেগুলো পরিতাজ্য হিসাবে বিবেচিত হবে............ ( প্রথম মূলনীতি অনুসারে) । এছাড়াও বেদ এর বাহিরে কিছু হিন্দু বিশেষ কিছু পুরাণাদি ঘটনা ও মনির বক্তব্যও পেশ করতে চাই সেগুলোও বাতিল কেননা সেগুলো বেদের বিরুদ্ধ বক্তব্য পেশ করে.... ( দ্বিতীয় মূলনীতি অনুসারে ) 

তো আমরা মূলনীতির আলোকেও বুঝতে পাচ্ছি যে গো- হত্যা এবং তার মাংস আহার বৈধ। এখন আমরা তাদের বিশেষ এক যুক্তি খন্ডন করব - 

হিন্দুদের যুক্তি : তারা বলে যে গরু হলো মায়ের জাত তাই তাদের আমরা হত্যা করি না, আর তারা আমাদের এই কারণে মা সমতুল্য কারণ তারা আমাদের দুধ দেয় আর গরু হলো বাহন। 

যুক্তি খন্ডন : দেখুন, নারী তারাও তো মায়ের জাত, তাহলে তাদের ঠাপিয়ে বাচ্চা পয়দা করেন কেন? আর দুধ খেলেই যদি তা মা হয় তাহলে আপনারা যে শাকসবজি খান সেটাও তাহলে মা সমতুল্যা হয়ে গেল, তাই না? , আর গরু দেবতার বাহন হয়েছে তো কি হয়েছে, বাহনের চাইতেও তো অবতার বড়, আর শ্রী কৃষ্ণের একটা অবতার হলো বরাহ অবতার, তাহলে তাকে কেন হত্যা করেন, আর গরু যদি মা হয় তাহলে তো শূকর আপনাদের বাপ হয়? কিন্তু শূকর কে তো বাপ বলে মানেন না..... তাই এসব সস্তা লজিক বাদ দেন........।  

পয়েন্ট -৮

আমি আপনাদের এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে বলছি, কখন বা কোন সময় গো হত্যা সমাজ থেকে সরে যায়, কেমন!  

 মূলত বৈদিক যুগেই কিছু ব্যক্তি ছিল যারা দেখল যে গরু দিয়ে ক্ষেতের ( মাঠ) হাল চাষ করা হয়, তাই মানুষ যদি এত গরু হত্যা করে খাওয়া শুরু করে তাহলে অনেক গরু বিলুপ্ত হবে। এছাড়াও সে সময় গরুর দুধ দিয়ে অনেক কিছুই করা হতো! তাই গরু ( গাভী!) কে ব্যাপক ভাবে প্রজনন করা দরকার ছিল। তাই সে সময় গাভীকে হত্যা নিষেধ করা হয় । 

তো পরবর্তীতে সম্রাট অশোকের সময়ের দিকে গরুর বা পশু হত্যা একেবারে বন্ধ হয়ে যায় কেননা অশোক ছিল বৌদ্ধ ( জন্মে হিন্দু পরবর্তীতে বৌদ্ধ হয়!) আর বৌদ্ধ মতে কোনো পশুকেও মারা যাবে না

তাই অশোক তার সময়ে গরু হত্যাও একেবারে ওঠে যায় তা অনুমেয়! তো কয়েক-শো বছর গরু তেমন হত্যা বা খাওয়া হতো না ভারত উপমহাদেশে । আর যেহেতু তখন গরু হত্যা হতো না আর ওটা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল আর নানান আজগুবি নিয়ম কানুনের জন্য ব্রাহ্মণরাও গরু খাওয়া বাদ দিয়ে দিলেন! আর সে সময় থেকে ( বলতে পারেন এখন থেকে ১৫০০ বছর আগে) ব্রাহ্মণ ও হিন্দুদের দ্বারা গরু হত্যা আর গোমাংস ভক্ষণ বাদ পরে যায় এবং গরুকে পবিত্র হিসাবে ভাবা শুরু করে !  

 আর মুসলিমরা এই ভারতে আসার পরবর্তী সময় থেকে গরুকে নিয়ে কেন্দ্র করে ইতিহাসগুলো বইয়েও পেয়ে যাবেন আশা করি! রাজা গোবিন্দ এর পতনও কিন্তু গরুর মাংস কে কেন্দ্র করে হয় এই ইতিহাস তো আশা করি আপনাদের জানাই আছে আর এই ঘটনা কিন্তু ৮০০ বছর আগেকার যখন শাহ জালাল বাংলাতে এসেছিল!। আমার ধারণা ১৫০০ ( এর সমসাময়িক) বছর আগে থেকেই গো হত্যা ও তার মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়, আর এটা শাস্ত্রীও কারণে নয় বরং সে সময়কার সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণে......... । আর ১৫০০-২০০০ সময়কাল উল্লেখ করার কারণ হলো বেদ সহ নানা গ্রন্থ ১৫০০ এরও আগে থেকে তা লেখা সমাপ্ত হয়েছিল, উপরে যেসব কিতাবের নাম দিয়েছি সেগুলোও সে সময়কার রচনা, আর ওসব রচনা হতে বুঝতে পাচ্ছি যে সে সময় গো হত্যা ও খাওয়া বৈধ ছিল, তাই সে সময় যে গো হত্যা করা নিষেধ ছিল না তা আমরা বুঝতেই পাচ্ছি । তাই ওসব গ্রন্থ রচনা পরবর্তী যুগেই গো হত্যা সামাজিক কারণে নিষেধ হয়..... ( এটা ব্যক্তিগত মত, ভুল সঠিক দুটোই হতে পারে.....) । 

পয়েন্ট -৯ 

অতএব আমরা চূড়ান্ত আলোচনা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে এই উপসংহার টানছি যে" হিন্দু শাস্ত্র ও হিন্দু ঐতিহাসিকতার আলোকে গো হত্যা এবং গরুর মাংস খাওয়া সম্পূর্ণ সিদ্ধ এবং প্রমাণিত বিষয়" .....

তো এই ছিল আজকের সংক্ষিপ্ত রেফারেন্স ভিত্তিক লেখা, যেটা রেফারেন্স সহ লেখতে আমি এখন ২ ঘন্টার মতো সময় নিয়েছি। আমার ডাইরীগুলো থেকে এসব সংগ্রহ করে তা যাছাই করে লেখতে এত সময় লেগে গেলো.............  

যাইহোক সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

লেখখনী উপস্থাপক ও সংকলক : মোঃ মেহেদী হাসান ✍️

 কৃতজ্ঞতা স্বীকার :

প্রিয় অনিন্দিতা গাঙ্গুলি

ইফতে খাইরুল ভাইয়া

রাফান আহমেদ  

[ সবচেয়ে বেশি সাহায্য নিয়েছি অনিন্দিতার ভাষ্য অনুবাদ ও লেখনীর থেকে। তাীপর রেফারেন্সগুলোকেও ইফতে খাইরুল ভাইয়ে মাধ্যমে পেয়েছি আর রাফান আহমেদ ভাইয়ের বই থেকে ঐতিহাসিকের রেফারেন্স গুলো নিয়েছি। আল্লাহ এই তিন জনকে রহম করুক আমিন ] 

[ ডাইরী থেকে বিভিন্ন রেফারেন্স  নিতে হয়েছে। তো আমার হাতের লেখা এমনিতেও সুন্দর না, আমি ডাইরী থেকে লেখাগুলো দেখে লেখতে গিয়ে নিজেও অনেক শব্দ বুঝি নিশ তাই ভুল ক্রুটি হলে মাফ করবেন.... ]

কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️ 

তারিখ: ২৬/৯/২৫ 

রাত ১০:৩০ PM 

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে

আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 379 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7660। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 1417
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা  #প্রধান_ধর্মগুলোর_আলোকে_শূকরের_মাংস_আহার_বৈধ_নানাকি_নিষিদ্ধ_হওয়ার_তাত্ত্বিক_আলোচনা  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  এক নজরে পয়েন্ট - * ইসলামে শূখরের ম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
75 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হিন্দু ও খ্রিষ্টান ধর্মে নিয়োগ প্রথা  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  " নিয়োগপ্রথার নাম তো অবশ্যই শুনেছেন। যারা নিয়োগ প্রথা সম্পর্কে জানেন না তাদের বলে দিই যে" স্বামী অক্ষম বা মারা গেলে সে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
69 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর ঐতিহাসিক প্রমাণ -  এই বিষয়ে আমি ২ বছর আগে সাধারণ ভাবে একটা লেখা লিখেছিলাম। পূর্বের লেখাটার লিংক - https://www.facebook.com/100091772891655/posts/304377902631304/?app=fbl  আজকে এই বিষয়টার উপর আমি আরও পয়েন্ট ভিত্তিক �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
58 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা  #শাস্ত্র_এর_আলোকে_পুরাণের_ভিত্তি_এবং_পুরাণ_মান্য_করার_প্রমাণ  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  বর্তমানে যখন আমরা হিন্দু ধর্মের বইগুলো থেকে ব্যাপকহার�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
80 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

প্রধান ধর্মের আলোকে " নারীদের ঘরে থাকার " বিষয়ে আলোকপাত   আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   ইসলাম নারীদের জন্য উত্তম আবাস্থল হিসাবে তার নিজ ঘরে থাকতে বলেছে এবং বিনা কারণে ঘর হতে অন্য জায়গায় �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
89 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...