Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বিভিন্ন ধর্মে শূকরের মাংস হারাম হওয়ার প্রমাণ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
29 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,514 পয়েন্ট)   01 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা 

#প্রধান_ধর্মগুলোর_আলোকে_শূকরের_মাংস_আহার_বৈধ_নানাকি_নিষিদ্ধ_হওয়ার_তাত্ত্বিক_আলোচনা 

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

এক নজরে পয়েন্ট -

* ইসলামে শূখরের মাংস খাওয়া হারাম হওয়ার দলীল 

*ইহুদি খ্রিষ্টান ধর্মে নিষিদ্ধ হওয়ার দলীল

* বৌদ্ধ ধর্মে নিষিদ্ধ হওয়ার দলীল 

* হিন্দু ধর্মে অসিদ্ধ হওয়ার দলীল 

পয়েন্ট -১ 

আমি কতক্ষণ আগেও বলেছিলাম যে " হেদু হতে গেলে মগজের ঘিলু বাহির করে সেখানে গোবর ভরে রাখতে হয়.." তো এটা হলো সে কথার আরেকটা প্রমাণ যেমনটা আমার স্কিনশর্ট এতে দেখতে পাচ্ছেন। যাইহোক পয়েন্ট এতে আসি। 

ইসলামে শূকর খাওয়া হারাম। দলীল- 

‘আল্লাহ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত পশু, রক্ত, শূকরের গোশত আর যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে যবেহ করা হয়েছে। তবে কেউ নিরুপায় হয়ে নাফরমানী কিংবা সীমালঙ্ঘন না করে গ্রহণ করলে, আল্লাহ তো বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু’ (আন-নাহল, ১৬/১১৫ ; আল-বাক্বারা, ২/১৭৩;আল-মায়েদাহ, ৫/৩;আল-আনআম, ৬/১৪৫)  

কোরআন সরাসরি শূকরের মাংসকে হারাম বলেছে। যেখানে শূকরের মাংস আহারকে হারাম বলা হয়েছে সেখানে কোনো হেদু এসে যদি বলে তা ইসলামে হালাল! তাহলে তা হেদুর ছাগলামি বৈ কিছুই না..... । আর বাকি রইলো সুন্নত এর কথা। সুন্নত হলো সেটা যেটা নবীজি করেছেন। আর কোনো হাদীসে এটা নেই যে নবীজি তার নবুয়তি জীবনে শূকর আহার করেছেন, বরং নবীজি শূকর ক্রয় বিক্রয় হারাম করেছেন ( বুখারী -২২৩৬) আর এতটুকু থেকে বুজতে পারি যে হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী শূকরও হারাম, কেননা হালাল হবে তার ক্রয় বিক্রও বৈধ থাকত...... আর অন্য হাদীস থেকেও জানতে পারি যে প্রাথমিক ভাবে ইসলামের শুরুর দিকে শূকর ভক্ষণ বৈধ ছিল কিনা পরবর্তীতে তা হারাম হয় ( মুসলিম - ৩৩২০) আর সে সময় থেকে বর্তমান পযন্ত মুসলিমদের জন্য তা হারাম । অতএব এই মূর্খ হেদুর যে কমেন্ট তা ভ্রান্ত বলে সাবিত হলো..... । 

 এখন আমরা বাকি প্রধান ধর্মগুলোতেও দেখব যে শূকর খাওয়ার বৈধতা বা অবৈধতার ব্যাপারে কি বলা হচ্ছে ।  

পয়েন্ট -২ 

আমরা এখন বাইবেলে চলে যাচ্ছি। বাইবেলে শূকরের মাংস হারাম হওয়ার দলীল- 

তোমরা অবশ্যই শুয়োর খাবে না| তাদের পাযের খুরগুলো বিভক্ত, কিন্তু তারা জাবর কাটে না| সুতরাং খাদ্য হিসেবে শুযোরও তোমাদের গ্রহণয়োগ্য নয়| শুযোরের কোনো মাংস খাবে না| এমনকি শুযোরের মৃত শরীর স্পর্শ করবে না|

( পুরাতন নিয়ম, দ্বিতীয় বিবরণ -১৪/৮)  

অন্য কিছু জন্তুদের পাযের খুর দু’ভাগ করা, কিন্তু তারা জাবর কাটে না, ঐসব জন্তু খাবে না| শূকর সেই ধরণের, সুতরাং তারা তোমাদের পক্ষে অশুচি|

ঐসব প্রাণীর মাংস খাবে না| এমনকি তাদের মৃত দেহও স্পর্শ করবে না, তা তোমাদের পক্ষে অশুচি|

( পুরাতন নিয়ম, লেবীয় পুস্তক 11/৭-৮)  

বাইবেলের পুরাতন নিয়ম খ্রিষ্টান এবং ইহুদি ধর্ম দুটো ধর্মের জন্যই মান্যকর। তো সে হিসাবে এই ভার্সগুলো দ্বারা এটা পরিষ্কার ভাবে বুঝা যাচ্ছে যে ইহুদি খ্রিষ্টান ধর্মেও শূকর খাওয়া হারাম.........। 

পয়েন্ট -৩ 

এখন চলে যাচ্ছি বৌদ্ধ ধর্মে।  

বৌদ্ধ ধর্মে শূকরের মাংস আহার সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা পেশ করছি ত্রিপিটক থেকে- 

" শ্রমণ গৌতম বীজ ও উদ্ভিদের বিনাশ হইতে প্রতিবিরত। তিনি একাহারী, রাত্রি ও বিকাল ভোজনে প্রতিবিরত। তিনি নৃত্য-গীত-বাদ্য-সম্বলিত প্রদর্শনী গমনে বিরত। তিনি মাল্য, গন্ধ ও বিলেপনের ধারণ, মণ্ডন ও বিভূষণ হইতে বিরত। তিনি উচ্চ ও বৃহৎ শয্যার ব্যবহারে বিরত। তিনি স্বর্ণ ও রৌপ্যের গ্রহণ হইতে বিরত। কুক্কুট ও শূকর গ্রহণে বিরত..." 

 ( সূত্রপিটকে দীর্ঘনিকায়, শীলস্কন্ধ-বর্গ ১. ব্রহ্মজাল সূত্র, শ্লোক নং-১০ অনুবাদক : ভিক্ষু শীলভদ্র?/ Android ত্রিপিটক আ্যপ)

 উক্ত অনুচ্ছেদ থেকে আমরা শূকর হতে বিরত থাকার কথা পাচ্ছি মানে তা আহার করা হারাম হওয়ার দলীল পাচ্ছি।  

 তবে আমি ত্রিপিটকে এর বিপরীত মতও পেয়েছি। যেমন - 

১০. সদ্য মাংস ও রক্তের ভৈষজ্য

সেই সময় জনৈক ভিক্ষুর অমনুষ্য (ভূতে পাওয়া) রোগ ছিল। আচার্য উপাধ্যায়গণ পরিচর্যা করিয়াও তাহাকে রোগমুক্ত করিতে পারিলেন না। তিনি শূকরহত্যা করিবার স্থানে যাইয়া কাঁচামাংস ভক্ষণ করিলেন এবং টাট্‌কারক্ত পান করিলেন। ইহাতে তাহার অমনুষ্য ব্যাধির উপশম হইল। ভিক্ষুগণ ভগবানকে এই বিষয় জানাইলেন। ভগবান কহিলেন :

“হে ভিক্ষুগণ, আমি অনুজ্ঞা করিতেছি : অমনুষ্য ব্যাধিতে কাঁচা মাংস এবং টাটকা রক্ত পান করিবে।” ( বিনয়পিটকে মহাবর্গ মহাস্কন্ধ , শ্লোক - ২৬৪)  

 এই জায়গাতে শূকরের মাংস আহারের বৈধতা পাওয়া যাচ্ছে তবে সেটা শুধু কাওকে ভূতে ধরলে সেই ভূত ছাড়ানোর জন্য ( আমি ত্রিপিটক আ্যপের টিকাতে ' অমনুষ্য ' এর টিকাতে এরকমই পড়েছি যে " অমুনষ্য মানে ভূতে ধরা...)  

এরকম আরও জায়গাতে শূকর হত্যা ও আহারের ব্যাপারে আমি দুটোই ( সিদ্ধ অসিদ্ধ মত) পেয়েছি। এখন কে কোনটা মানবে তা তার চয়েস। 

[ উল্লেখ্য যে ত্রিপিটক থেকে আমি যতটুকু বুঝতে পেরেছি তা হলো যুক্তিসঙ্গত মত হলে এটাই যে " বৌদ্ধ ধর্মে শূকর খাওয়া আম ভাবে বৈধ নয় তবে কিছু খাস বিষয়ে খাওয়া বৈধ যেমন কাওকে ভূত ধরলে সে ভূত ছুটানোর জন্য শূকর খাওয়া যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি.... ]  

পয়েন্ট -৪ 

একই ভাবে হিন্দু ধর্মেও আমি শূকর আহারের ব্যাপারে দুটো ভাষ্য পেয়েছি অনলাইন সনাতন সাইট এতে। যেমন - 

গণ্ডার ও বন্য শূকরের মাংশ খাওয়া সিদ্ধ।

তথ্যসূত্র – বশিষ্ট ধর্মসূত্র ১৪.৪৭, বৌধায়ন ধর্মসূত্র ১.৫.১২.৫

গ্রাম্য শূকরের মাংস নিষিদ্ধ।

তথ্যসূত্র – মার্কণ্ডেয় পুরাণ ৭.৬.৪, আপস্তম্ব ধর্মসূত্র ১.৫.১৭.২৯ ( সংগ্রহ রেফারেন্স )  

এখানে দু- রকম ভাবে শূকর মাংস আহার করার ব্যাপারে সিদ্ধ অসিদ্ধ মত আমরা পাচ্ছি। সমন্বয় করার জন্য আমি এতটুকু ধারণা করেছি যে যেসব শূকর আহার করা যাবে সেগুলো পাক হতে হবে। আর যা অপবিত্র এবং নোংরা জায়গাতে থাকে তা হিন্দু ধর্মে খাওয়া বৈধ নয়......। অর্থাৎ হিন্দু ধর্মে শূকর খাওয়া সিদ্ধ যদি তা গৃহপালিত হয় তবে নোংরা স্থানে বাস করা শূকর খাওয়া বৈধ নয়.......

[ শূকর একটা নোংরা প্রাণী, তাই উচিত এটা না খাওয়া হিন্দুদের.... ] 

তো আমরা প্রধান ধর্মগ্রন্থের আলোকে এটা বুঝতে পাচ্ছি যে শূকরের মাংস খাওয়া সকল ধর্মেই হারাম ( হিন্দু বৌদ্ধ ধর্মে দুটোই আছে...) অতএব তা মুসলিমদের সাথে সাথে ইহুদি, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ হিন্দু সকলের জন্যই আহার করা হারাম...... 

 তো আজকে এই পযন্তই। আশা করি সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

 সংকলক ও লেখক : মোঃ মেহেদী হাসান ✍️ 

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব 

সিরিজ পর্ব-৩৩৪ 

#প্রিন্স_ফ্রেরাস
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 5 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 372 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7514। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
Enolej ID(eID): 1675
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


বিভিন্ন  ধর্মে নারীকে শষ্যক্ষেত ( উপমা)  এর সাথে তুলনা - আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  আল কোরআনে( বাকারা -২২৩)  এতে নারীকে উপমা হিসাবে শষ্যক্ষেত এর সাথে তুলনা করা হয়েছে বলে সুশীল সমাজের পিছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
44 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আমি প্রধান চারটা ধর্মের ( ইসলাম, খ্রিষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ) ধর্মীওগ্রন্থগুলো পড়েছি আর আমি ইশ্বর সম্পর্কে এই ধারণা লাভ করেছি যে বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারে ইশ্বর নিরাকার এবং ইসলাম,খ্রিষ্টান, হিন্দু ধর্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

প্রধান দু- ধর্মের আলোকে নিজ ধর্ম ত্যাগ করলে তার শাস্তির বিধান  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  আজকে আমরা হিন্দু ও খ্রিষ্টান ধর্ম থেকে এটা দেখাবো যে নিজ ধর্ম ত্যাগ করলে তারাও নরকবাসী হবে। এ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
33 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা  #মুরতাদ_হত্যা_প্রসঙ্গে_নাস্তিকদের_ভ্রান্ত_দাবি_ও_সংশয়_নিরাসন  সিরিজ পর্ব-৩  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ এক নজরে পয়েন্ট   ১. হিন্দু ধর্মে অমানবিকতা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
39 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আমার নূন্যতম ইচ্ছে করে না এসব জাহেলগুলোর সাথে তর্ক করতে। যে বিষয়ে এসব জাহেলদের জ্ঞান নেই সে বিষয় নিয়ে চলে আসে তর্ক করতে। এই মূর্খ আমার কাছে দলীল চেয়েছে, আমি এখন ওকে তো দিব ওর বাপদেরও দলীল দিব।[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...