Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

কান্না [হিউম্যান সাইকোলজি -২]

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
194 বার প্রদর্শিত
করেছেন (150 পয়েন্ট)   10 মে 2025 "আত্মউন্নয়ন" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 12 মে 2025 সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
“Crying is a complex behavior characterized by the shedding of tears from the lacrimal apparatus, often in response to emotional states such as sadness, joy, or frustration.”

 Vingerhoets, A. J. J. M. (2013).

কান্না এ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। এটি আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ। কেউ আনন্দে কাঁদে আবার কেউ দুঃখে। তবে হ্যাঁ দুঃখের ফলে কাঁদলে মানুষের মন অনেকটা হালকা হয়। কখনো কখনো যখন খুব বেশি কষ্ট হয় তখন চিৎকার করে কাঁদলে আমাদের মনে শান্তি অনুভূত হয়।‌ কিন্তু আমাদের সমাজ কান্নাটাকে আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে না দেখে দুর্বলতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখে অভ্যস্ত। আমরা যখন কোন একজন ব্যক্তিকে (বিশেষ করে ছেলে) কাঁদতে দেখি তখন সে কেন কাঁদছে এটা বোঝার চেষ্টা না করে আমরা এটা চিন্তা করতে শুরু করি সে কান্না করছে মানেই সে দুর্বল। তাই একটা মেয়ে কিছুটা কষ্ট পেলেই কান্নার মাধ্যমে সহজেই (ছেলেদের তুলনায় সহজে) নিজের কষ্টকে চোখের জল রূপে জড়িয়ে ফেলতে পারে কিন্তু একটা ছেলে যতই কষ্ট পাক সে সমাজের ভয়ে ভিতরে ভিতরে মরে গেলেও আর কেঁদে উঠতে পারে না। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার যখন কষ্ট হয় আমি তখন সত্যিই চিৎকার করে কাঁদি,, হ্যাঁ আমাকে দেখেও যে মানুষ হাসে না এমনটা না তবে সত্যি বলুন তো এই মানুষগুলো কি আপনাকে একফোঁটা সান্ত্বনা দিতে আসে বা আপনার কষ্টের কারণ শোনার জন্য তাদের কাছে সময় আছে নেই তো তাই না? আমাদের সমাজের তথাকথিত পন্ডিত ব্যক্তিরা অথবা সুপুরুষেরা বেশির ভাগই সমালোচনায় পারদর্শী তারা কখনো এটা বিচার করে না যে ছেলেটা কেন কাঁদছে? তারা এটা বিচার করে যে একটা ছেলে হয়ে সে কাঁদছে! আর হ্যাঁ মেয়েদের কথা তো বলতে ভুলেই গেছি তারা যদি কোন ছেলেকে কাঁদতে দেখেই বসে তাহলে সে ছেলে শতভাগ কাপুরুষ তার ভিতরে পুরুষত্বের লেশমাত্র নেই‌ বলে ধরে নেয় তারা। হাসাহাসি তাকে নিয়ে ঠাট্টা করা তো সাধারণ বিষয় মাত্র। কিন্তু সে কখনোই আপনাকে এটা জিজ্ঞেস করবে না যে আপনি কাঁদছেন কেন। তাই আমি কখনো এ ধরনের মানুষের কথায় গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না। ঠিক যেমন ঝড়ের সময় ছেঁড়া ঘুড়ি শুধু ঘুরপাক খায়, তেমনি এ ধরনের মানুষের কথাও শুধু সমালোচনার মধ্যেই ঘুরে। এরা আপনাকে এক ফোটা পরিমাণ সহযোগিতা ও করতে পারবে না তাই এদের কথা না ভেবে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভাবুন যদি কষ্ট হয় নিজের মন খুলে কাঁদুন।। যে কান্না দেখলে মানুষ আপনাকে দুর্বল বলে সেই কান্নাকে ব্যবহার করেই আপনি আরো সবল‌ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠুন। আর কখনো নিজেকে অতিরিক্ত শক্তিশালী দেখানোর জন্য মনের কষ্ট চেপে রাখবেন না।। তাহলে তা পরবর্তীতে বিভিন্ন মানসিক সমস্যার জন্ম দিতে পারে।। মানসিক সমস্যা থেকে এটা ভালো নয় কি যে আপনি কান্না করবেন মানুষ আপনাকে সমালোচনা করবে আপনি আবার আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসে তাদের মুখের ওপর জবাবটা ছুঁড়ে দেবেন।। আবার কেউ এটা ভাবতে শুরু করবেন না যে আমি আপনাদেরকে অকারনেই সব সময় কাঁদতে বলছি এটা কখনোই নয়।। শুধু শুধু কান্না করার কোন উপকারিতা নেই। ‌ কিন্তু যখন আপনার কষ্ট হবে উদ্বিগ্ন মনে হবে নিজেকে তখন আপনি কান্না করলে দেখবেন অনেকটা হালকা বোধ করবেন।। আর আমি আমার সমাজের তথাকথিত পন্ডিতদের বলতে চাই যে ছেলেরা কান্না করলেই তারা দুর্বল বা কাপুরুষ হয়ে যায় না তাই যদি হতো তাহলে সৃষ্টিকর্তা হয়তো ছেলেদেরকে কান্না করার ক্ষমতাটাই দিতেন না‌ তাই কেউ যখন কান্না করে তাকে নিয়ে খিল্লি না উড়িয়ে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করুন। সহযোগিতা করতেন না পারেন অন্তত অসহযোগিতা করবেন না। নিজে ভাল থাকুন মানুষকে ভালোবাসুন।

আমি সাগর বোস, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস 4 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 7 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 150। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া
Enolej ID(eID): 989
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


আমরা আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষ দেখি যারা ছোট ছোট কথায় রেগে যায় হয়তো আপনাকে বকাবকি করে আপনার উপরে প্রচুর রাগ দেখায়‌ কিন্তু আবার খুব সহজে রাগটা কমে যায় কিছুক্ষণ পরে অথবা আপনি যদি কিছুট�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
185 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইগো শব্দটা আমরা সবাই শুনেছি।ইগো হচ্ছে একজন ব্যক্তির কাছে তার নিজের পরিচয় বা আত্মপরিচয়।। এই কি গো যখন অতিরিক্ত হতে শুরু করে তখন মানুষটি নিজেকে অনেক বড় ভাবতে শুরু করে ইগো বেশি হয়ে যাওয়া �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
151 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

         রাগের আদ্যোপান্ত  ‘রাগ ‘ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। এটি মানুষে&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
183 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমি ছিলাম ভিড়ের মাঝে থেকেও একা।  মানুষের কোলাহল চারপাশে থাকতো,কিন্তু আমার ভেতরে ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
163 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
এক ছেলে তার বাবার সাথে ফোনে কথা বলছে। সে তার বাবাকে বলছে, "আপনি টাকা পাঠান না কেন আমাকে?"[...] বিস্তারিত পড়ুন...
111 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    486 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    24 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...