আমি ছিলাম ভিড়ের মাঝে থেকেও একা।
মানুষের কোলাহল চারপাশে থাকতো,কিন্তু আমার ভেতরে কেবল নিস্তব্ধ শূন্যতা।
আমার কান্নার শব্দ কেও শোনেনি, কারণ আমি শিখে গিয়েছিলাম কান্না লুকিয়ে রাখতে। যখন বুক ভরে যেত দুঃখে,আমি ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়তাম,কিন্তু বাইরের চোখে আমি থাকতাম শান্ত,হাসিখুশি। এ যেনো এক অভিনয়! যেখানে আমার আসল অনুভূতিগুলো মুখোশের আড়ালে ঢেকে রাখতে হতো।
বন্ধু ছিল,পরিবার ও ছিল। কিন্তু কারো সাথে মন খুলে কথা বলার সাহস পাইনি।
ভয় করতো _ যদি তারা আমাকে না বোঝে ?
যদি তারা আমাকে ভন্ড,দুর্বল বা অদ্ভুত ভাবে?
তাই আমি নিজেকে বন্দী করে রাখতাম নিজের ভেতরের কারাগারে।
রাতে যখন সবাই ঘুমাতো। তখন আমার একাকীত্ব আরো তীব্রতর হতো!
মনে হতো _ "আমি যেনো এক দ্বীপ,যেখানে ঢেও আসে ,কিন্তু কেও এসে থামে না। "
আমার চারপাশে মানুষ ছিল কিন্তু আমার ভিতরে ছিল কেবল নিঃসঙ্গতা।
এই একাকীত্বই আমাকে শিখিয়েছে - 'সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো একা কাদা,'
আর 'সবচেয়ে বড় সাহস হলো কাওকে না জানিয়েই বেচে থাকা। '
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।